সাই টম্বলি: সাংবেশিক আঁচড়ের বিমূর্ত ইশারা

গ্রেট থিংকার্স প্রজেক্ট থেকে পরীক্ষামূলকভাবে: আসমা সুলতানা ও কাজী মাহবুব হাসান

বিমূর্ত শিল্পকলা সম পরিমান বিরক্ত আর সংশয় উদ্রেক করা অব্যাহত রেখেছে। আপনি হয়তো জানেন বিমূর্ত শিল্পকলা কেমন: শূন্য সাদা একটি ক্যানভাস, ঠিক মাঝখানে গভীর কালো একটি , হলুদ পটভূমির উপর  বেগুনী রঙের একটি ছোপ, আটটি ইস্পাতের দণ্ড এলোমেলো স্তুপাকারে সাজানো, এর মানে কি হতে পারে ? কেউ কি ঠাট্টা করছে আমাদের সাথে? একটা শিশুও তো পারে …..

(Rose Series)

আরো খানিকটা সহমর্মিতাপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি অবলম্বন করতে (যা উপযোগী আর পক্ষপাতহীন হবে) আমাদের প্রথম মূলনীতিতে ফিরে যেতে হবে এবং জিজ্ঞাসা করতে হবে:  কোনো কিছু আসলেই যেমন দেখতে সেটি সেভাবে না দেখানোর মধ্যে ভালো কি বিষয় থাকতে পারে? বিমূর্ত শিল্পকলার কেন্দ্রীয় উদ্দেশ্যটি হচ্ছে সব ধরনের প্রতিনিধিত্বকে পাশ কাটিয়ে সরাসরি আবেগের কাছে পৌছানো। সঙ্গীতের মত, বিমূর্ত শিল্পকলাকে সবচেয়ে ভালোভাবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে ইকোইং হিসাবে (অর্থাৎ মূল শব্দ শেষ হবার পর সেটির প্রতিধ্বনি) অথবা, আমাদের আভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি অথবা মেজাজের একটি রুপ দেয়া। কিছু কিছু বিষয় হয়তো আপেক্ষিকভাবে সহজবোধ্য, যেমন, প্রশান্তি অথবা ক্রোধ, অন্যগুলো ভাষায় সহজে সংজ্ঞায়িত করার অসম্ভব। সেকারণে এমন কিছু বলা খুব একটা সহায়ক নয়: এই পেইন্টিংটা তো কোনো কিছুর মত দেখতে না। সত্যি, এটি বাইরের পৃথিবীর কোনো কিছুর মত দেখতে নয় ঠিকই, কিন্তু তার কারণ অভ্যন্তরের জগতকে প্রতিনিধিত্ব করাই এটির মূল উদ্দেশ্য। বরং যে প্রশ্নটি আমাদের জিজ্ঞাসা করা উচিৎ হবে: এই পেইন্টিংটি দেখে ঠিক কেমন অনুভূতি হচ্ছে?  এটি কি আমার কোনো আবেগীয় অবস্থাকে জাগিয়ে তুলছে? মানব জাতির কোন আভ্যন্তরীণ দৃশ্যপটকে এখানে হাজির হবার জন্যে নির্দেশ দেয়া হয়েছে?

Continue reading “সাই টম্বলি: সাংবেশিক আঁচড়ের বিমূর্ত ইশারা”

Advertisements
সাই টম্বলি: সাংবেশিক আঁচড়ের বিমূর্ত ইশারা

অসকার নিয়েমায়ের: শ্রদ্ধাহীন বক্রতায় কংক্রীটের সাম্বা

( গ্রেট থিংকার্স প্রজেক্ট থেকে পরীক্ষামূলকভাবে : আসমা সুলতানা ও কাজী মাহবুব হাসান)

1_aqoN9Vo1nlZ5kv45_t5buQঅসকার নিয়েমায়ের

ভ্রমণের  হতাশাজনক দিকগুলোর একটি হচ্ছে ভিন্ন ভিন্ন বহু এলাকায় পৃথিবীকে দেখতে আসলে একই রকম মনে হয়। টোকিওর ডাউনটাউনের উচু ভবনগুলোকে থেকে ফ্রাঙ্কফুর্ট অথবা সিয়াটলের উঁচু ভবনগুলো থেকে আলাদা করা খুবই কঠিন। আর বিষয়টি কাকতলীয় নয়। আধুনিক স্থাপত্যকলার ভিত্তিতে আছে সেই ধারণাটি: সর্বত্র দালানগুলো যৌক্তিকভাবে একই রকম দেখতে হওয়া উচিৎ। আধুনিকতাবাদের সূচনাপর্বের গুরুত্বপূর্ণ দিশারীরা যেকোনো ধরনের আঞ্চলিকতাবাদের বিরুদ্ধে  তাদের তিক্ত বিরোধীতায় সবাই মূলত একতাবদ্ধ ছিলেন। তাদের দৃষ্টিতে যা প্রতিক্রিয়াশীললোকাচারে দূষিত, আর পুরোপুরিভাবেই সাদামাটা ছিল। যদি বাইসাইকেল, টেলিফোন, উড়োজাহাজ (নতুন যুগের অগ্রদূত সব) স্থানীয় কোনো শৈলীতে সংগঠিত করা না যায়, তাহলে দালানের ক্ষেত্রেই বা সেটি কেন করতে হবে? সুতরাং শ্যালে, উইগওয়াম আর গারগয়েল, সব কিছু নিপাত যাক। 

Continue reading “অসকার নিয়েমায়ের: শ্রদ্ধাহীন বক্রতায় কংক্রীটের সাম্বা”

অসকার নিয়েমায়ের: শ্রদ্ধাহীন বক্রতায় কংক্রীটের সাম্বা

HIV/AIDS: ভাইরাস আর একটি মহামারীর গল্প


((***(ডিসেম্বর ১, বিশ্ব এইডস দিবস। বিশ্ব এইডস দিবসে এইচআইভি/এইডস মহামারীর ইতিহাস নিয়ে কিছু লিখতে বসে খানিকটা স্মৃতি চারণ করতে হচ্ছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস শেষ করার পর মাত্র এক বছর আমি সত্যিকারভাবে ক্লিনিকাল প্র্যাকটিস করতে পেরেছি। নানা কারণে আমি বুঝতে পেরেছিলাম, রোগী দেখা ডাক্তার হয়তো আমার পক্ষে কখনোই হওয়া সম্ভব হবেনা। এবং খুব বড় মাত্রার একটি ভুল সিদ্ধান্ত আমি নিয়ে ফেলেছি। আর কোনো ডাক্তারের কথা আমি জানি না, সম্ভবত রোগীদের সাথে এই স্বল্প সময় কাটানোর কারণে (১৯৯৫-১৯৯৬) যে রোগীরা আমার ইন্টার্নীর সময় আমার তত্ত্বাবধানে থাকতে মারা গিয়েছিলেন তাদের সবার কথাই খুব স্পষ্টভাবে আমার মনে আছে। এরকম একজন, যাকে কালাজ্বর হিসাবে দীর্ঘদিন চিকিৎসা করার পর মারা যাবার সময় সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম অণুজীববিজ্ঞান বিশেষ করে ভাইরোলজী নিয়ে পড়াশুনা করবো, গবেষণা করবো (তখনও আমার পৃথিবীতে আদর্শবাদীতা ছিল)। তখন পিজি হাসপাতালে ভাইরোলজী বিষয়ে এম ফিল কোর্স চালু করছেন, সেই সময়কার বাংলাদেশের দুইজন বিখ্যাত ভাইরোলজিস্টের একজন, অধ্যাপক ডাঃ মো. নজরুল ইসলাম (অবশ্য অন্যজনের সাথে দীর্ঘদিন আইন লড়াই শেষ হবার পর, কারণ তার স্বামী সামরিক শাসকের আইনজীবি হওয়ায় আগে বাড়তি সুবিধা পেয়েছিলেন, অবশ্য তার যোগ্যতারও কোনো অভাবও ছিলনা)। তিনি তখন একই সাথে বাংলাদেশের এইচআইভি/এইডস প্রিভেনশন প্রকল্পের প্রধান, খুবই ব্যস্ত মানুষ, ছাত্রদের দেবার মত সময় কম, সারাক্ষণই ঘাড়ের উপর নিঃশ্বাস ফেলছে নানা আকারের এনজিওগুলো)।  ১৯৯৭/৯৮ সালে যখন কোন বিষয়ে থিসিস করবো বলে ভাবছি, ততদিনে বাংলাদেশ এই মহামারীর স্পর্শ পেয়েছে বেশ কয়েক বছর হয়েছে (১৯৮৯ সালে প্রথম শনাক্ত হয়েছিল)। ঐসময় কয়েক বছর প্রতি ডিসেম্বরে আমি ডিপার্টমেন্টে কনফার্ম হওয়া পজিটিভদের উপাত্তটি তৈরী করতাম, যা সরকারী বিবৃতিতে জায়গা পেতো। কিন্তু সেই সময় আরো একটি ঘটনা ঘটেছিল, বাংলাদেশে এইচ,আইভির প্রথম ঔষুধটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়, বিনামূল্য (কখনো এনজিও সহায়তায়, কখনো সরাসরি গ্ল্যাক্সো কোম্পানীর সহায়তায়), কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এটি কাকে দেয়া হবে। ঔষুধটি অবশ্যই নিরাময় করবে না, তবে যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধকারী কোষের পরিমান একটি নির্দিষ্ট পরিমানে নীচে কমে যাবে, তারাই কেবল ঔষধটি পাবে, কিন্তু সমস্যা হচ্ছে সেই সময় দেশ এই কোষটির সংখ্যা পরিমাপ করার কোনো ব্যবস্থা ছিলনা। এর কিছুদিন আগেই বিভাগে একটি নতুন ফ্লোরোসেন্স মাইক্রোস্কোপ এসে হাজির হয়েছিল। আমার মনে হয়ে সেই মুহূর্তে বিভাগে মাত্র দুইজন পোস্ট-গ্রাজুয়েট, আমার অন্য সহপাঠী তখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি এই বিষয়টিতে পড়াশুনা আদৌ করবেন কিনা। সুতরাং ভাগ্যক্রমে আমার ডাক পড়েছিল বিভাগীয় প্রধানের রুমে, তিনি আমাকে জানালেন, কিছু রিএজেন্ট যোগাড় করা হয়েছে, মাইক্রোস্কোপ আছে, সুতরাং কোষটি সংখ্যা গণনা করার একটি পদ্ধতি দ্রুত বের করতে হবে। বেশ কিছুদিন সময় লেগেছিল, রিএজেন্ট আর মাইক্রোস্কেোপ সমন্বয় করে একটি প্রটোকোল উদ্ধার করতে, তখন ইন্টারনেট সহজলভ্য ছিলনা, নানা পেপার ঘেটে অবশেষে রুশ একটি গবেষণার প্রটোকল নিয়ে শুরু করেছিলাম, বেশ কিছু ড্রাই রান করার পর, সময় হলো আসল কাজ শুরু করার। আর ঠিক এই সময় আমি আবার বেশ কিছু এইচআইভি আক্রান্ত রোগীদের সাথে কাজ করতে শুরু করেছিলাম।

যাকে দিয়ে শুরু করেছিলাম আর তাকে দিয়ে এইচআইভি নিয়ে আমার সংক্ষিপ্ত জীবন শেষ হয়েছিল, হ্যাঁ ব্র্যাকেটের মতই। কারণ তারপর সরকারী নির্দেশে আমি তখন একটি উপজেলায় বদলী হয়েছি, কোনো উপায় নেই সেখানে এই কাজ করার, আর অনেক তদ্বির শেষে যখন ফিরে এসেছিলাম, ততদিনে অনেক দেরী হয়ে গেছে, এর পর আর বিখ্যাত ভাইরোলজিস্ট আর সেই বিভাগের ছায়া মাড়ানোর সুযোগ পাইনি। ইতিমধ্যে দেশের গৌরবের গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিসিডিআরবি একটি যন্ত্র কিনে ফেলেছে, সুতরাং আমার সেই কাজও অর্থহীন। কপাল ভালো যে আমি আমার এম ফিল ডিগ্রীটা পেয়েছিলাম, নয়তো হাজার পচানবব্বই দিনের অক্লান্ত পরিশ্রম প্রায় অর্থহীন হতো। যে রোগীদের কথা এখনও মনে আছে তাদের দুজনের কথা প্রায়ই ভাবি, বিশেষ করে আসাদ (আসল নাম নয়, তবে সেই নামে সে নিজেকে ডাকতো), এখনো মনে পড়ে গ্রিন রোডে এক সন্ধ্যা বেলায় বেশ বড় একটি ঝড় আসার কিছুক্ষণ আগে দীর্ঘদেহী আসাদ তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল, স্যার, আমি আসাদ বলে। আসাদের সাথে পরের তিন বছর নিয়মিত যোগাযোগ ছিল, ওর বাসায় আমি খেয়েছি, বিবিসির এক সাংবাদিককেও নিয়ে গেছি, যিনি আমার বক্তব্যটুকু এডিট করে বাদও দিয়েছেন করেছেন। ঢাকা ছাড়তে হলো যখন তখন ফোনে কথা হয়েছে, তারপর ছয়মাস যোগাযোগ হয়নি,পরে আসাদের বড় ভাইয়ের ফোন পেয়েছি, আসাদ নেই। এভাবে এক ঈদের দিন নজরুলও মারা গিয়েছিল, আসাদের মত তার পরিবার ভাগ্য ছিলনা। আরো অনেকের সাথে পরিচিতি হয়েছে, যাদের অনেকেই বেঁচে আছেন, নানা এনজিওতে গুরুত্বপূর্ণ অ্যাক্টিভিস্ট হিসাবে সুনামের সাথে কাজ করছেন। এছাড়াও দেখেছি মধ্যপ্রাচ্য থেকে সর্বস্বান্ত হয়ে ফিরে আসা মানুষ, কেউ যেমন নিজের স্ত্রীকেও জানাতে পারেননি, কিংবা সংক্রামক ব্যধি হাসপাতালের সেই কূখ্যাত কক্ষটি যেখানে আটকে থাকা সেই বর্মী নাগরিক, দেয়ালে যে রং পেন্সিল তার মেয়ের ছবি এঁকে রেখেছিল। পাচারকারীদের হাত থেকে উদ্ধার পাওয়া সেই কিশোরী, যে বহু বার আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছে। কারো জীবনের খুব ব্যক্তিগত পর্যায়ে যুক্তও থাকতে হয়েছে, যেমন আলী ভাইয়ের এই ভাইরাস-আক্রান্ত পছন্দ ও বিয়ে করার সেই নাটকীয়তা (শুনেছি তাদের সুস্থ সন্তানও হয়েছে)। এইসব কিছুই এখন স্মৃতি। জানিনা কে কোথায় আছেন, আশাকরি তারা সবাই ভালো আছেন কারণ পরিস্থিতি এখন অনেক ভালো হবার কথা। আমি চেষ্টা করেছিলাম দ্বিতীয়বার এই বিষয়ে কাজ করার জন্যে, যখন মেলবোর্ন থেকে ফিরে আসি, কিন্তু আবারো ব্যর্থ হই। আমার পেশাগত জীবনের আসলেই এরপরে আর কোন অবস্থানে আর পৌছানো সম্ভব হয়নি। তবে প্রায়ই আমার এই সময়টার কথা মনে হয়। টেকনিশায়ান নজরুল ভাইয়ের কথা মনে পড়ে, অসাধারণ দক্ষতা ছিল তার, চিরকুমার এই মানুষটা আমাকে অনেক স্নেহ দিয়েছেন। তারসাথেও আর দেখা হয়নি, আজিজ সুপার মার্কেটে তার সাথে মাঝে মাঝে চা সিংগারা খাওয়া হতো, তখন তার ভারী ভারী কথাগুলো শুনতে বেশ লাগতো। শ্রদ্ধেয় অধ্যাপকের সাথেও আর কথা হয়নি এক শহরে থাকার পরও, আমার মনে হয় সেটাই ভালো হয়েছে কারণ, আমি তখন একটি স্বপ্নের পেছনে দৌড়েছিলাম, তখন আমি অন্য একজন মানুষ ছিলাম, আমি আর সেই মানুষটি নেই। সালমান রুশদী তার একটি উপন্যাসে লিখেছিলেন, আমাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আমাদের অনুপস্থিতিতে ঘটেই। হ্যাঁ, আমিও সেখানে আসলে অনুপস্থিত ছিলাম।**** কাজী মাহবুব হাসান))

এইচ আই ভি এবং এইডস : একটি ভাইরাস এবং একটি মহামারীর গল্প:

ঠিক কিভাবে এইচআইভি ভাইরাসটির উৎপত্তি হয়েছিল এই বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক হয়েছে বহুদিন। ভাইরাসটি শনাক্ত করার পর পরই বেশ কিছু প্রতিযোগী তত্ত্ব এই বিতর্কের মূল কারণ। আশির দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে যখন জেনেটিক সিকোয়েন্স টেকনিকটি বেশ প্রচলিত হতে শুরু করে,তখন বিজ্ঞানীরা ধীরে ধীরে বুঝতে শুরু করেন কেমন করে এই ভাইরাসটি তার বর্তমান রুপ পেয়েছে এবং বিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগের সবচেয়ে আলোচিত এবং ব্যতিক্রমধর্মী একটি মহামারীর কারণ হিসাবে পৃথিবী ব্যাপী বিস্তৃত হয়েছে ।

HIV-1 ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপ

Continue reading “HIV/AIDS: ভাইরাস আর একটি মহামারীর গল্প”

HIV/AIDS: ভাইরাস আর একটি মহামারীর গল্প

ইসলাম ও সহিষ্ণুতার ভবিষ্যৎ: একটি সংলাপ (ইবুক)

ইসলাম ও সহিষ্ণুতার ভবিষ্যৎ: একটি সংলাপ বইটি স্যাম হ্যারিস (Sam Harris) ও মাজিদ নাওয়াজের (Maajid Nawaz) Islam and the Future of Tolerance (2015) (Harvard University Press.) বইটির একটি অনুবাদ প্রচেষ্টা। 

বইটি প্রকাশ করছে বাংলাদেশের অ্যাপ ভিত্তিক ইবুক প্রকাশনী প্রতিষ্ঠান:

সেই বই (www.sheiboi.com)

https://sheiboi.com/Pages/BookDetails.html?/Islam-Ebong-Sahishnutar-Vobishyat-:-Ekti-Songlap/2637

সেইবই অ্যাপটির ডাউনলোড লিংক:

গুগল প্লে ষ্টোর– https://play.google.com/store/apps/details?id=raven.reader

অ্যাপল অ্যাপ স্টোর https://itunes.apple.com/us/app/sheiboi/id976937372?mt=8

ইসলাম ও সহিষ্ণুতার ভবিষ্যৎ: একটি সংলাপ (ইবুক)

লুই কান: আলোর স্থপতি

গ্রেট থিংকার্স প্রজেক্ট থেকে পরীক্ষামূলকভাবে: আসমা সুলতানা ও কাজী মাহবুব হাসান

Salk Institute at the Vernal Equinox

আধুনিক স্থাপত্য সত্যিকারভাবে বহু নতুন আর যুগান্তকারী সৃষ্টির দাবী করতে পারে: ঝলমলে, আকাশ ছোঁয়া উচু দালান, ভাঁজ করা অরিগামীর মত অপেরা হাউস, কিংবা এমনকি নভোযানের মত যাদুঘর। তবে সব কিছুরই নতুনত্বের সাক্ষ্য বহন করতেহবে এমনি একটি দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহন করার ফলশ্রুতিতে স্থাপত্যকলার এই আধুনিকতাবাদভাবজড়তায় আক্রান্ত হয়, যে বিষয়গুলো কোনো একটি দালানকে সুন্দর করে তুলতো সেগুলো বেশীর ভাগই এখন পরিত্যাগ করা হয়েছে। তবে আধুনিক যুগের সেরা স্থপতিরা এইভ্রান্তিটাকে এড়িয়ে যেতে পেরেছিলেন, পুরোনো, একঘেয়ে প্রচলিত ভাবনাগুলো পরিত্যাগ করলেও সফলভাবে তারা সেই ঐতিহ্যের অর্থবহ আর সুন্দর বিষয়গুলো তাদের সৃষ্টির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে পেরেছিলেন। আর সম্ভবত এই ভারসাম্যটি সবচেয়ে সফলভাবে অর্জন করতে পেরেছিলেন খামখেয়ালী, আত্মভোলা এক আমেরিকান, যার নাম লুই কান (Louis Isadore Kahn (জন্ম নাম: Itze-Leib Schmuilowsky)।

Continue reading “লুই কান: আলোর স্থপতি”
লুই কান: আলোর স্থপতি

আর্ট, নাকি আর্ট না

দার্শনিক ডেমন ইয়ং এবং গ্রাহাম প্রিস্টের একটি লেখা অবলম্বনে: 
কাজী মাহবুব হাসান ও আসমা সুলতানা

মার্সেল দ্যুশাঁর ফাউন্টেইন (১৯১৭)

শিল্পকলা এবং দর্শনের জন্যএকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছিল ১৯১৭ সালে: শিল্পী মার্সেল দুশ্যাঁ, আলফ্রেড স্টাইগলিৎসের নিউ ইয়র্ক স্টুডিওতে প্রথমবারের মত জনসমক্ষে প্রদর্শন করেছিলেন তাঁর অভূতপূর্ব শিল্পকর্ম, ‘ফাউন্টেইন’। আর সেটি ছিল, শুধুমাত্র একটি ইউরিনাল, চীনামাটির একটি মূত্রাধার, যেখানে শুধু স্বাক্ষর করা ছিল ‘R. Mutt’। এইশিল্পকর্মটি খুবই কুখ্যাত এর পরিচিতিতে। এমনকি আভোঁ-গার্ড শিল্পিদের মানদণ্ডেও। এটি বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে আলোচিত একটি শিল্পকর্মে রূপান্তরিত হয়েছিল। সোসাইটি অব ইন্ডিপেন্ডেন্ট আর্টিস্টস এটিকে প্রত্যাখ্যান করেছিল, যদিও প্রদর্শনী ফি দিয়েছে এমন সব শিল্পীদের শিল্পকর্ম সেখানে প্রদর্শন করার কথা ছিল।

Continue reading “আর্ট, নাকি আর্ট না”
আর্ট, নাকি আর্ট না

দি আনবিয়ারেবল লাইটনেস অব বিয়িং এর ইবুক প্রকাশিত ..

ulob_2018 (3)

মিলান কুন্ডেরার উপন্যাস দি আনবিয়ারেবল লাইটনেস অব বিয়িং এর বাংলা অনুবাদটি ইবুক আকারে প্রকাশিত হয়েছে:

https://sheiboi.com/Pages/BookDetails.html?/The-Unbearable-Lightness-of-Being/2584 

বইটি প্রকাশ করছে বাংলাদেশের অ্যাপ ভিত্তিক ইবুক প্রকাশনী প্রতিষ্ঠান:

সেই বই (www.sheiboi.com)

সেইবই অ্যাপটির ডাউনলোড লিংক:

গুগল প্লে ষ্টোর– https://play.google.com/store/apps/details?id=raven.reader

অ্যাপল অ্যাপ স্টোর https://itunes.apple.com/us/app/sheiboi/id976937372?mt=8

বইটির প্রচ্ছদ করেছেন শিল্পী আসমা সুলতানা তার নিজের একটি শিল্পকর্ম ব্যবহার করে।

দি আনবিয়ারেবল লাইটনেস অব বিয়িং এর ইবুক প্রকাশিত ..