রিচার্ড ডকিন্সের দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – ইবুক

 

cover_MOR (1)

The Magic of Reality: How we know what’s really true
Richard Dawkins

অনুবাদ : কাজী মাহবুব হাসান
(সুপ্রজ্ঞা অনুবাদ উদ্যোগ) / ইবুক সংস্করণ ২০১৮

বইটি সম্বন্ধে

জাদু বহু রুপ নিতে পারে। প্রাচীন মিসরীয়রা রাতকে ব্যাখ্যা করতে প্রস্তাব করতো, রাত হচ্ছে সেই সময় যখন দেবী নুট (বা নিউথ) সূর্যকে গিলে ফেলে। ভাইকিংরা রংধনুকে মনে করতো দেবতাদের বানানো সেতু, যা ব্যবহার করে তারা পৃথিবীতে নেমে আসে। এইসব কিছুতেই জাদুময়তা আছে, অসাধারণ সব কাহিনী। কিন্তু আরো এক ধরনের জাদু আছে, আর সেই জাদুটি এই সব প্রশ্নগুলোর সত্যিকারের উত্তর আবিষ্কার করার তীব্র আনন্দের মধ্যে থাকে। আর এটাই হচ্ছে বাস্তবতার জাদু – বিজ্ঞান।

মহাশূন্য, সময় আর বিবর্তন বিষয়ে উদ্দীপ্ত করার মত অসংখ্য ব্যাখ্যা সম্বলিত, হাস্যরস আর বুদ্ধিদীপ্ত চিন্তার পরীক্ষার নানা উদহারণের সঠিক মিশ্রণে ‘‘দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি’’ বইটি প্রাকৃতিক প্রপঞ্চগুলোর বিস্ময়কর বিশাল একটি সম্ভারকে অনুসন্ধান করেছে। কোনো কিছু আসলে কি দিয়ে তৈরী? মহাবিশ্ব কত প্রাচীন? সুনামি কেন হয়? প্রথম পরুষ, অথবা নারী, কে ছিলেন? এটি সুখপাঠ্য, অসাধারণ একটি রহস্য গল্পের মত, যা শুধুমাত্র বিজ্ঞানের পুঞ্জিভূত জ্ঞানের খনিতে এর উত্তরের যোগসূত্রগুলো অনুসন্ধানই করেনি, একজন বিজ্ঞানীর মত ভাবতেও এটি এর পাঠককে প্রস্তুত করেছে ।

সব বয়সের পাঠকদের জন্যেই রিচার্ড ডকিন্স এই বইটিতে প্রাকৃতিক জগতের বিস্ময়গুলোকে ব্যাখ্যা করেছেন অননুকরণীয় স্পষ্টতা আর সমৃদ্ধতায়, যা ভবিষ্যত বহু প্রজন্মকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত এবং তথ্যাভিজ্ঞ করা অব্যাহত রাখবে।

বইটি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের অ্যাপ ভিত্তিক ইবুক প্রকাশনী প্রতিষ্ঠান:

সেই বই (www.sheiboi.com)

বইটির লিংক:

https://sheiboi.com/Pages/BookDetails.html?/Bastobotar-Jadu/2720

সেইবই অ্যাপটির ডাউনলোড লিংক:

গুগল প্লে ষ্টোরhttps://play.google.com/store/apps/details?id=raven.reader

অ্যাপল অ্যাপ স্টোর: https://itunes.apple.com/us/app/sheiboi/id976937372?mt=8

রিচার্ড ডকিন্সের দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – ইবুক

রিচার্ড ডকিন্সের দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ

ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা  মইনুল আহসান সাবের ভাইকে বইটি প্রকাশ প্রকাশ করার জন্যে।
বহু দিন আগে লেখা বইটি দেশের অনেক মুক্তমনা প্রকাশকও প্রকাশ করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেনি,
কেউ কেউ না বলতে এমনকি এক দুই বছর অপেক্ষাও করেছেন।
পরবর্তী ডকিন্সের জন্য অপেক্ষায় থাকলাম। শিল্পী আসমা সুলতানাকে ধন্যবাদ প্রচ্ছদটির জন্যে।

দিব্যপ্রকাশের নতুন বই

দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ
দি এভিডেন্স ফর ইভোল্যুশন
The Greatest Show on Earth
রিচার্ড ডকিন্স। Richard Dawkins
অনুবাদ কাজী মাহবুব হাসান

প্রচ্ছদ আসমা সুলতানা
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৫৪৪। মূল্য ৮০০ টাকা

রকমারী.ডট.কম:

https://www.rokomari.com/book/171254/the-greatest-show-on-earth

এই বই আপনারা ২৫ শতাংশ কমিশনে বিকাশের মাধ্যমে কিনতে পারেন।

বিকাশ ০১৭১১৯৫২৮১০, ০১৬২২০৯৫৪৮০, ০১৭১৩৩০৩১১৩ ( তিনটিই ব্যক্তিগত নাম্বার )।
যে কোনো নাম্বারে বইয়ের নাম, মূল্য ও আপনার ঠিকানা পাঠালে বই পৌঁছে যাবে।
দিব্যপ্রকাশ। ৩৮ /২ ক, বাংলাবাজার। ঢাকা ১১০০ ফোন ৪৭১১৪৪৭৩

 

37564097_10216977071729408_513454406704824320_n

 

রিচার্ড ডকিন্সের দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন : পঞ্চম অধ্যায় (চতুর্থ পর্ব)


ব্র্যাড হল্যান্ড এর ইলাসট্রেশন ( সুত্র: TIME ম্যাগাজিন, God Vs Science, জানুয়ারী ১৫, ২০০৭)

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন :  পঞ্চম অধ্যায় (চতুর্থ পর্ব)
( অনুবাদ প্রচেষ্টা: কাজী মাহবুব হাসান)
The God Delusion by Richard Dawkins

প্রথম অধ্যায়
দ্বিতীয় অধ্যায়
তৃতীয় অধ্যায়
চতুর্থ অধ্যায় (প্রথম পর্ব) , চতুর্থ অধ্যায় ( দ্বিতীয় পর্ব) ,
চতুর্থ অধ্যায় ( তৃতীয় পর্ব ) , চতুর্থ অধ্যায় ( চতুর্থ পর্ব ) , চতুর্থ অধ্যায় ( শেষ পর্ব)
 পঞ্চম অধ্যায় (প্রথম পর্ব)পঞ্চম অধ্যায় ( দ্বিতীয় পর্ব) , পঞ্চম অধ্যায় (তৃতীয় পর্ব)

ধর্মের শিকড়

For excellent reasons related to Darwinian survival, child  brains need to trust parents, and elders whom parents tell them to trust. An automatic consequence is that the truster has no way of distinguishing  good advice from bad. The child cannot know that ‘Don’t paddle in the crocodile-infested Limpopo’ is good advice but ‘You must sacrifice a goat at the time of the full moon, otherwise the rains will fail’ is at best a waste of time and goats. Both admonitions sound trustworthy. Both come from a respected source and are
delivered with a solemn earnestness that commands respect and demands obedience. Richard Dawkins

অন্য কোন কিছুর বাই-প্রোডক্ট বা উপজাত হিসাবে ধর্ম: 

যাইহোক,আমি এখন গ্রুপ সিলেকশনকে একপাশে সরিয়ে রাখতে চাই এবং ধর্মের ডারউইনীয় সারভাইভাল ভ্যালু বা বেচে থাকার জন্য এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আমার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গী ব্যাখ্যা করতে চাই। সংখ্যায় ক্রমশ বাড়তে থাকা জীববিজ্ঞানীদের মত আমিও ধর্মকে দেখি অন্য কোন কিছুর একটি ’উপজাত’ বা ’বাই-প্রোডাক্ট’ হিসাবে।আরো সাধারনভাবে,আমি বিশ্বাস করি যে, ডারউইনীয় সারভাইভাল ভ্যালু সম্বন্ধে আমরা যারা ধারনা করার চেষ্টা করছি তাদের প্রয়োজন ’বাই-পোডাক্ট এর চিন্তা করা’;যখন আমরা কোন কিছুর বেচে থাকার ক্ষেত্রে তার কি উপযোগিতা মুল্য আছে তা জানতে চাই,তখন হয়তো হয়তো ভুল প্রশ্নটি করে থাকি;আমাদের আরো খানিকটা সহায়ক পন্থায় প্রশ্নটি নতুন করে লিখতে হবে। যে বৈশিষ্টটি নিয়ে আমাদের বিশেষ উৎসাহ (এই ক্ষেত্রে যেমন ধর্ম), হয়তো তার সরাসরি কোন নিজস্ব সারভাইভাল ভ্যালুই নেই (বা এমন কোন গুনাবলী সেই যা বেচে থাকার ক্ষেত্রে ডারউইনীয় অর্থে সহায়ক হতে পারে) কিন্তু এটি এমন কিছু একটির উপজাত বা বাই-প্রোডাক্ট,যার সেই সারভাইভাল ভ্যালুটি আছে। আমার নিজের গবেষনার ক্ষেত্র,প্রানী আচরণের একটি উদহারন দিয়ে এই উপজাত বা বাই-প্রোডাক্ট এর ধারনাটাকে ব্যাখ্যা করলে আমি মনে করি সেটি বোঝার জন্য সহায়ক হতে পারে।

মোমবাতির জ্বলন্ত শিখায় মথদের সরাসরি ঝাপিয়ে পড়তে দেখা যায় এবং ভালো করে লক্ষ্য করলে কিন্তু মনে হয়না এটি কোন দুর্ঘটনা;তারা যেন অতিউদ্যোগী হয়ে নিজেদের পুড়িয়ে আত্মাহুতি দেয়;তাদের এই অদ্ভুত আচরনকে আমরা নাম দিতে পারি ’আত্মহত্য করার উদ্দেশ্যে নিজেকে আগুনে পোড়ানো বা সেলফ ইমোলেশন আচরণ’এবং এই রহস্যময় নামের আড়ালে বিস্মিত হই কেমন করে, প্রাকৃতিক নির্বাচন এধরনের একটি আচরণ বিবর্তনে সহায়ক ভুমিকা পালন করতে পারে;আর এখানে আমার বক্তব্য হচ্ছে, অবশ্যই আমাদেরকে নতুন করে প্রশ্নটি লিখতে হবে,এমনকি কোন বুদ্ধিমান উত্তর খোজার চেষ্টা করার আগেই। এটি আত্মহত্যা নয়। আপাতদৃষ্টিতে এই আত্মহত্যা অন্য কোন একটা কিছুর অযাচিত বা অনাকাঙ্খিত কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা উপজাত ‍বা বাই-প্রোডাক্ট। উপজাত বা বাই-প্রোডাক্ট,কিন্তু কার? বেশ,নীচে বর্নিত হয়েছে এমন একটি সম্ভাবনা,যা হতে পারে এবং যেটি বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করে।

Continue reading “রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন : পঞ্চম অধ্যায় (চতুর্থ পর্ব)”

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন : পঞ্চম অধ্যায় (চতুর্থ পর্ব)

আল জাজীরায় একটি প্রোগ্রামে রিচার্ড ডকিন্স

আল জাজীরায় সম্প্রতি একটি প্রোগ্রামে রিচার্ড ডকিন্স কিছু প্রশ্নের উত্তর দেন:
ভিডিও টি এখানে:

ডকিন্সকে নীরিশ্ববাদীতা প্রচারের একজন মুল চালিকা শক্তি বলা হলেও, বার বার ডকিন্স এটা স্পষ্ট করে দিয়েছেন নীরিশ্বরবাদীতা কোন ধর্মের মত প্রচারের বিষয় না। প্রচুর প্রমান এবং তথ্য আছে, যা যে কোন মানুষকে যৌক্তিকভাবে চিন্তা করার সুযোগ দেয়।  অন্ধবিশ্বাস আর কসুংস্কারের বিরুদ্ধে বিজ্ঞানী ‍হিসাবে এটি তার পথ। শিশুদের ধর্মাশ্রিত করে গড়ে তোলোর ব্যাপারে তার অবস্থানও স্পষ্ট। শিশুদের চিন্তা করতে শেখাতে হবে ক্রিটিক্যালী, বড়রা যা বিশ্বাস করে সেটাই না, তাদের নিজস্ব সৃজনশীলতার সাথে সকল প্রমান সহ কিভাবে যৌক্তিকভাবে চিন্তা করতে হবে সেটা শেখাতে হবে। পৃথিবী যদি অন্ধকুপমুন্ডকতার অতলস্পর্শী গহবর থেকে বের হয়ে আসার কথা ভাবে তাহলে এছাড়া তাহলে আর কোন উপায়ই নেই।

আল জাজীরায় একটি প্রোগ্রামে রিচার্ড ডকিন্স

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন: চতুর্থ অধ্যায় (দ্বিতীয় পর্ব)


কার্টুন সুত্র:  ইন্টারনেট

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন এর বাংলা অনুবাদ :
প্রথম , দ্বিতীয় ,তৃতীয়  এবং চতুর্থ অধ্যায় (প্রথম পর্ব)

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন : চতুর্থ অধ্যায় (দ্বিতীয় পর্ব ) 
( অনুবাদ প্রচেষ্টা: কাজী মাহবুব হাসান)
The God Delusion by Richard Dawkins

কেন প্রায় নিশ্চিৎভাবে বলা সম্ভব ঈশ্বরের কোন অস্তিত্ব নেই 

 চতুর্থ অধ্যায় দ্বিতীয় পর্বের পর: 

শুন্যস্থানের উপাসনা:

সামনে অগ্রসর হবার জন্য  ইররিডিউসিবল কমপ্লেক্সিটি বা অবিভাজ্য জটিলতার  সুনির্দিষ্ট উদহারন অনুসন্ধান করা অবশ্যই মৌলিকভাবে বিজ্ঞানসম্মত কোন উপায় না: সেটা হবে বর্তমান অজ্ঞতা থেকে নেয়া যুক্তির বিশেষ দৃষ্টান্ত। এর আবেদন সেই ভ্রান্ত যুক্তি ঘিরে, যা পরিচিত ’The God of the gaps’  (বা শুন্যস্থানের ঈশ্বর) স্ট্র্যাটেজী, যার বিশেষ নিন্দা করেছিলেন প্রখ্যাত ধর্মত্ত্ববিদ ডিয়েট্রিশ বনহোয়েফার। সৃষ্টিবাদীরা দারুন উৎসাহে বর্তমান সময়ে আমাদের জ্ঞানের শুন্যস্থানগুলোর সন্ধান করে, যদি আপাতদৃষ্টিতে কোন শুন্যস্থান পাওয়া যায়, ধরে নেয়া হয় এটাই ঈশ্বর  আমোঘ নিয়মানুযায়ী অবশ্যই পুর্ণ করবেন। চিন্তাশীল ধর্মতত্ত্ববিদদের, যেমন বনহোয়েফার, যেটা ভাবায়, তা হলো বিজ্ঞানের অগ্রগতির সাথে এই শুন্যস্থানগুলোও ক্রমশ: সংকুচিত হয়ে আসছে, এবং ঈশ্বর ধীরে ধীরে কর্মহীন হয়ে যাবার কিংবা লুকিয়ে থাকার মত জায়গার অভাবের হুমকির মুখোমুখি হচ্ছেন। কিন্তু বিজ্ঞানীদের ভাবায় অন্যকিছু। বিজ্ঞানের সাথে জড়িত সকল কর্মকান্ডের প্রয়োজনীয় একটি অংশ হচ্ছে অজ্ঞতাকে স্বীকার করা, এমনকি ভবিষ্যতের জয়ের জন্য একটি চ্যালেন্জ্ঞ হিসাবে  এই অজ্ঞতায়  উল্লসিত হওয়া । আমার বন্ধু ম্যাট রিডলী যেমন লিখেছিলেন, ‘বেশীর ভাগ বিজ্ঞানীরাই, তারা যা আবিষ্কার করে ফেলেছেন, সে বিষয়ে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন। নতুন অজানা বা অজ্ঞতাই তাদের সামনে এগিয়ে চলার প্রেরণা।’ আধ্যাত্মবাদীরা রহস্যে উল্লসিত হয় এবং রহস্যময়তাকে টিকিয়ে রাখতেই তারা চান, বিজ্ঞানীরা রহস্যর মুখোমুখি আনন্দিত হয় অন্য কারনে: কারন এটা তাদের কিছু করার সুযোগ করে দেয়; খুব সাধারনভাবে, আমি অধ্যায় ৮ এ বিষয়টির পুনরাবৃত্তি করবো, ধর্মের সবচেয়ে ক্ষতিকর একটি দিক হলো, এটি আমাদের শিক্ষা দেয়, কোন কিছু না বুঝে সন্তুষ্ট থাকাটাই হচ্ছে একটি ভালো গুন।

Continue reading “রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন: চতুর্থ অধ্যায় (দ্বিতীয় পর্ব)”

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন: চতুর্থ অধ্যায় (দ্বিতীয় পর্ব)

Beautiful Minds: Richard Dawkins

Richard Dawkins

 

Beautiful Minds: Richard Dawkins
Recently aired one hour BBC4 episode on evolutionary biologist Richard Dawkins.

“The true scientific understanding of the nature of existence is so utterly fascinating; how could you not want people to share it? Carl Sagan, I think, said ‘when you’re in love, you want to tell the world.’ And who, on understanding a scientific view of reality, would not, as it were, fall in love and want to tell the world.” Richard Dawkins

Beautiful Minds: Richard Dawkins

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন এর অনুবাদ প্রচেষ্টা:

বেশ  অনেকদিন আগেই রিচার্ড ডকিন্স (Richard Dawkins) এর দি গড ডিল্যুশনের ( The God Delusion) অনুবাদে হাত দিয়েছিলাম। তখনও আমি ব্লগের সাথে পরিচিত নই । পরবর্তীতে প্রথম অধ্যায়টিকে মুক্তমনায় দেখলাম। তখন থেকে মুক্তমনার ক্ষুরধার লেখাগুলো পড়ছি বিস্ময়ের সাথে।

নীচের এই অনুবাদ প্রচেষ্টা আমার। লেখাটি আমি উৎসর্গ করছি শিল্পী এবং কবি আসমা সুলতানাকে। যার উৎসাহে আমার এই কর্মযজ্ঞ, যার অনেক ঋণ কোনদিনও শোধ করা সম্ভব হবে না।
বছরের শেষ দিনে হার্ড ডিস্ক থেকে অনেক অসমাপ্ত লেখা বের হলো, গড ডিল্যুশনের প্রায় আড়াইটা চ্যাপটার। ঠিক করেছি ধীরে ধীরে অনুবাদ সেকশনে  এটা প্রকাশ করবো:

শীর্ষ ছবি কিংবা প্রচ্ছদ : আসমা সুলতানা

প্রথম অধ্যায় : প্রথম পর্ব দ্বিতীয় পর্ব | তৃতীয় পর্ব  চতুর্থ পর্ব |শেষ পর্ব
দ্বিতীয় অধ্যায় : প্রথম পর্ব দ্বিতীয় পর্ব |তৃতীয় পর্ব| চতুর্থ পর্বপঞ্চম পর্ব|ষষ্ঠ পর্ব|
সপ্তম পর্ব | অষ্টম পর্বনবম পর্ব  | দশম পর্ব  | একাদশ পর্ব  | শেষ পর্ব
তৃতীয় অধ্যায়: প্রথম পর্ব

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন এর অনুবাদ প্রচেষ্টা: