জেরী কয়েন এর হোয়াই ইভোল্যুশন ইজ ট্রু : তৃতীয় অধ্যায়( তৃতীয় পর্ব)

ছবি: মানব ভ্রুণ এবং হাঙ্গর ভ্রুণ ( সুত্র : নোভা/পিবিএস। ভ্রুণের ছবির ইলাস্ট্রেশন কাল্লিওপি মনোইয়োস,Your Inner Fish: A Journey Into the 3.5 Billion-Year History of the Human Body (Pantheon Books 2008) বই থেকে নেয়া); বড় করে দেখার জন্য এখানে ক্লিক করুন ;


ছবি: আমাদের শরীরে বিবর্তনের অনেক চিহ্নের একটি;  শুক্রনালীর এই বাকা পথ বেছে নেবার ইতিহাস পুরুষদের যৌনগ্রন্থির বৃদ্ধি আর ক্রমবিকাশের সাথে সম্পৃক্ত। হাঙ্গর,মাছ এবং অন্যান্য অস্থিবিশিষ্ট প্রানীদের মতই মানুষেরও যৌনগ্রন্থির বৃদ্ধি আর ক্রমবিকাশ ঘটে। গোনাড বা যৌনগ্রন্থি :পুরুষদের অণ্ডকোষ এবং মহিলাদের ডিম্বাশয়,উভয় ক্ষেত্রেই ভ্রুণাবস্থায় তাদের অবস্থান থাকে শরীরের উপরের অংশে, যকৃত বা লিভারের কাছাকাছি, কারণ যে সকল কোষ সমুহের পারস্পরিক অবস্থান এবং সহযোগিতা থেকে এসব গ্রন্থির সৃষ্টি হয়, তাদের অবস্থান সম্ভবত এখানে বলে ধারনা করা হয়। পুর্নবয়স্ক হাঙ্গর বা মাছের যৌনগ্রন্থি সাধারনত: শরীরের উপরিভাগে যকৃতের কাছাকাছি থাকে এবং তারা তাদের এই আদি অবস্থানেই থাকে কারণ তাদের শুক্রাণু শরীরের অভ্যন্তরেই ক্রমবিকাশ এবং পূর্ণতা লাভ করতে পারে। 
আমাদের মত স্তন্যপায়ী প্রানীদের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা একটু ভিন্ন। পুরুষ ভ্রুন যখন বেড়ে উঠতে থাকে, তাদের যৌনগ্রন্থিও ধীরে ধীরে নীচে নামতে থাকে, স্ত্রী ভ্রুনদের ক্ষেত্রে এই নেমে আসাটা শরীরের ভিতরে নীচে অবস্থিত জরায়ু এবং ফেলোপিয়ান টিউবের কাছে এসে থেমে যায়, যা নিশ্চিৎ করে ডিম্বানুকে যেন জরায়ু গহবরে নিষিক্ত হবার জন্য বেশী দুরত্ব অতিক্রম না করতে হয়। পুরুষদের ক্ষেত্রে আরো নীচের দিকে নেমে আসে অন্ডকোষ, একেবারে স্ক্রোটাম বা অন্ডকোষের থলিতে, যা দেহের সামনে ঝুলে থাকে। কার্য্যক্ষম শুক্রানু তৈরী করার জন্য এই নেমে আসার বিষয়টা অত্যন্ত্য গুরুত্বপুর্ণ। এর একটা সম্ভাব্য কারণ হিসাবে মনে করা হয় যে, স্তন্যপায়ীরা উষ্ণ রক্ত বিশিষ্ট এবং শুক্রানুর সংখ্যা ও এর গুনগত মান দুটোই নির্ভর করে আমাদের মুল শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা অপেক্ষা কম কোন তাপমাত্রা বিশিষ্ট কোন স্থানে ক্রমবিকশিত হওয়ার উপর। সেকারনেই স্তন্যপায়ীদের অন্ডকোষ, শরীরের ভিতরের উষ্ণতা থেকে অপেক্ষাকৃত কম উষ্ণ শরীরের বাইরের অন্ডকোষের থলিতে অবস্থান করে, এই থলিটি তাপমাত্রা বাড়া কমার সাথে ওঠানামা (থলির গায়ের পেশীর সংকোচন এবং প্রসারনের মাধ্যমে) করে শুক্রানুর সুষ্ঠু বৃদ্ধিকে ‍নিশ্চিৎ করে। বড় করে দেখার জন্য এখানে ক্লিক করুন;

কিংবা এই লেখাটিও দেখতে পারেন : আমাদের প্রাচীন শরীর

জেরী কয়েন এর হোয়াই ইভোল্যুশন ইজ ট্রু : তৃতীয় অধ্যায় (তৃতীয় পর্ব)
(অনুবাদ প্রচেষ্টা: কাজী মাহবুব হাসান)
Why Evolution Is True: Jerry A. Coyne

প্রথম অধ্যায়
দ্বিতীয় অধ্যায় : প্রথম পর্ব ;  দ্বিতীয় পর্ব ; তৃতীয় পর্ব চতুর্থ পর্বশেষ পর্ব
তৃতীয় অধ্যায়: প্রথম পর্ব , দ্বিতীয় পর্ব

অবশিষ্টাংশ: ভেস্টিজ, ভ্রূণ এবং খারাপ ডিজাইন

ভ্রুণের প্যালিম্পসেস্ট

ডারউইনের সময়ের অনেক আগে থেকেই জীববিজ্ঞানীরা ব্যস্ত ছিলেন ভ্রুনতত্ত্ব বা এমব্রায়োলজী ( কেমন করে প্রানীরা ভ্রুণ থেকে ক্রমবিকশিত হয়) এবং তুলনামুলক অ্যানাটমী ( বিভিন্ন প্রানীদের গঠনগত সাদৃশ্য এবং বৈসাদৃশ্য নিয়ে আলোচনা) নিয়ে গবেষনায়। তাদের সম্মিলিত কাজ বহু অদ্ভুত বৈশিষ্টর সন্ধান পেয়েছিল, সেই সময় যার কোন অর্থ তারা বুঝতে পারেন নি। যেমন, সব মেরুদন্ডী প্রানী তাদের ভ্রুণ ক্রমবিকাশ শুরু করে একই প্রক্রিয়ায়, যা দেখতে অনেকটা মাছের ভ্রুণের মত। এই ভ্রুণতাত্ত্বিক বিকাশ প্রক্রিয় যতই অগ্রসর হয়, বিভিন্ন প্রজাতির বৈশিষ্টসুচক নানা রুপ প্রকাশ পেতে শুরু করে-কিন্তু অদ্ভুত সব উপায়ে। কিছু রক্তনালী, স্নায়ু এবং অঙ্গ যা সব প্রজাতির ভ্রুণে থাকে সেগুলো হঠাৎ করে অপসৃত হতে শুরু করে এবং বাকীগুলো অদ্ভুত সব আকাবাকা পথ নিতে দেখা যায় এবং অবশেষে এই ভ্রুততাত্ত্বিক বিকাশ প্রক্রিয়ার নৃত্য সমাপ্ত হয় বিভিন্ন পুর্ণবয়স্ক প্রানী, যেমন মাছ, সরীসৃপ, পাখি, উভচরী এবং স্তন্যপায়ী রুপ ধারন করার মাধ্যমে। যখন তাদের সবার ভ্রুনতাত্ত্বিক বিকাশ শুরু হয়েছে তারা দেখতে অনেক বেশী ‍পরস্পর সদৃশ ছিল। ডারউইন একটি কাহিনীটির বর্ণনা দিয়েছিলেন কিভাবে বিখ্যাত জার্মান ভ্রুণতত্ত্ববিদ কার্ল আর্ণষ্ট ভন বায়ের ধাধার মধ্যে পড়ে গিয়েছিলেন মেরুদন্ডী প্রাণীদের ভ্রুণদের পারস্পরিক সাদৃশ্যতা লক্ষ্য করে। ভন বায়ের ডারউইনকে লিখেছিলেন:

Continue reading “জেরী কয়েন এর হোয়াই ইভোল্যুশন ইজ ট্রু : তৃতীয় অধ্যায়( তৃতীয় পর্ব)”

জেরী কয়েন এর হোয়াই ইভোল্যুশন ইজ ট্রু : তৃতীয় অধ্যায়( তৃতীয় পর্ব)

জেরী কয়েন এর হোয়াই ইভোল্যুশন ইজ ট্রু : তৃতীয় অধ্যায়( দ্বিতীয় পর্ব)


ছবি: প্লাটিপাস (Ornithorhynchus anatinus); হাসের মত ঠোট, মোটা চ্যাপ্টা লেজ, পুরুষদের পেছনের পায়ে বিষ মাখানো কাটার  মত স্পার এবং স্ত্রী প্লাটিপাসদের ডিম পাড়ার ক্ষমতা সহ অষ্ট্রেলিয়ার প্লাটিপাস বহু ভাবে অদ্ভুত বিচিত্র একটি প্রানী। যদি কোন প্রানীকে অবুদ্ধিমত্তাপুর্ণ উপায়ে পরিকল্পনা বা সৃষ্টিকর্তার নিজের খামখেয়ালী মজার উপাদান হিসাবে সৃষ্টি করেছেন বলে মনে করা হয়ে থাকে –সন্দেহ নেই সেটা হবে প্লাটিপাস। কিন্তু প্লাটিপাসের একটি অদ্ভুত বৈশিষ্ট আছে: অন্য সব মেরুদন্ডী প্রানীদের যেমন থলির মত পাকস্থলী থাকে, যেখানে খাদ্য পরিপাকের জন্য পক্রিয়াকরন হয় বিভিন্ন এনজাইমের দ্বারা -, এদের তা থাকে না। প্লাটিপাসের পাকস্থলী হচ্ছে তাদের খাদ্যনালীর একটি হালকা স্ফীতকায় অংশ যা  সরাসরি অন্ত্রের সাথে সংযুক্ত। এই পাকস্থলীতে মেরুদন্ডী প্রানীদের মত এনজাইম তৈরীর কোন গ্রন্থি থাকে না। আমরা এখনও নিশ্চিৎ না কেন বিবর্তন তাদের এই পাকস্থলীটিকে অপসারন করেছে –হয়তো প্লাটিপাসের খাদ্য মুলত নরম শরীরের পোকামাকড় যাদের হজম করার জন্য বেশী প্রক্রিয়াকরণ করার প্রয়োজন নেই। কিন্তু আমরা জানি প্লাটিপাস বিবর্তিত হয়েছে পাকস্থলী আছে এমন পুর্বসুরী প্রানীদের থেকে; এর একটি কারন হলো প্লাটিপাসের জীনোমে দুটি সিউডোজীনের অস্তিত্ব আছে, যারা হজমে ব্যবহৃত হবার এনজাইম তৈরী করে, যেহেতু তাদের প্রয়োজন নেই আর তারা মিউটেশনের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় হয়ে আছে, কিন্তু এখনও তারা এই অদ্ভুত প্রানীটির বিবর্তনের চিহ্ন বহন করে চলেছে।

জেরী কয়েন এর হোয়াই ইভোল্যুশন ইজ ট্রু : তৃতীয় অধ্যায় (দ্বিতীয় পর্ব)
(অনুবাদ প্রচেষ্টা: কাজী মাহবুব হাসান)
Why Evolution Is True: Jerry A. Coyne

প্রথম অধ্যায়
দ্বিতীয় অধ্যায় : প্রথম পর্ব ;  দ্বিতীয় পর্ব ; তৃতীয় পর্ব চতুর্থ পর্বশেষ পর্ব
তৃতীয় অধ্যায়: প্রথম পর্ব

অবশিষ্টাংশ: ভেস্টিজ, ভ্রূণ এবং খারাপ ডিজাইন

অ্যাটাভিজম (Atavisms) বা
বেশ কয়েক প্রজন্মর মধ্যে দেখা যায় নি এমন কোন একটি বৈশিষ্ট্যর পুনরাবির্ভাব

মাঝে মাঝে প্রজাতির কোন একজন সদস্যর আবির্ভাব ঘটে কিছু অস্বাভাবিক বা ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট নিয়ে যা দেখলে মনে হয় পুর্বসুরীদের কোন বৈশিষ্টের পুনরাবির্ভাব ঘটেছে। যেমন কোন সময় একটি ঘোড়ার জন্ম হতে পারে বাড়তি পায়ের আঙ্গুল সহ  বা লেজ সহ কোন মানুষের বাচ্চা। এই মাঝে মাঝে পুর্বপুরুষের কোন বৈশিষ্টর প্রায় অবশিষ্টাংশ বা রেমন্যান্ট হিসাবে প্রকাশ পাওয়াকে বলে অ্যাটাভিজমস; শব্দটির উৎপত্তি ল্যাটিন অ্যাটাভাস বা পুর্বপুরুষ।কোন ভেস্টিজিয়াল বৈশিষ্ট থেকে তারা আলাদা কারন তাদের দেখা যায় কদাচিৎ, প্রজাতির সব সদস্যদের মধ্যে না।

সত্যিকারের অ্যাটাভিজম হতে হলে পুনরাবির্ভাব হওয়া বৈশিষ্টগুলোকে অবশ্যই পুরুসুরী বা অ্যানসেস্ট্রাল বৈশিষ্ট হতে হবে এবং সেটিকে বেশ সদৃশ্যতাও বহন করতে হবে প্রাচীন বৈশিষ্টটির। তারা কেবল কোন বিকট অস্বাভাবিক কোন বৈশিষ্ট না ; যেমন, কোন একজন মানুষ একটি বাড়তি পা সহ জন্ম নিতে পারে, তবে এটি কোন অ্যাটাভিজম নয় কারন আমাদের কোন উত্তরসুরীরই পাচটি হাত পা বা লিম্ব ছিল না; সবচেয়ে বিখ্যাত প্রকৃত অ্যাটাভিজম সম্ভবত তিমি মাছের পা। আমরা ইতিমধ্যেই জেনেছি, কিছু তিমির প্রজাতি তাদের শরীরে ভেস্টিজিয়াল অঙ্গ হিসাবে পেলভিস (শ্রোনীচক্র) এবং পেছনের পায়ের কিছু হাড় বহন করে কিন্তু প্রতি ৫০০ তিমির ১ টি কিন্তু আসলেই জন্ম নেয় পেছনের পা সহ যা তাদের শরীরের বাইরে বের হয়ে থাকে। এই পা গুলোর পায়ের অন্য সব বৈশিষ্টই থাকে এবং অনেকগুলোই স্পষ্টভাবে স্থলবাসী স্তন্যপায়ীদের প্রধান প্রধান পায়ের হাড়গুলো বিদ্যমান থাকে – ফিমার, টিবিয়া এবং ফিবুলা, কারো পায়ের নীচের অংশ এবং আঙ্গুলও থাকে!

Continue reading “জেরী কয়েন এর হোয়াই ইভোল্যুশন ইজ ট্রু : তৃতীয় অধ্যায়( দ্বিতীয় পর্ব)”

জেরী কয়েন এর হোয়াই ইভোল্যুশন ইজ ট্রু : তৃতীয় অধ্যায়( দ্বিতীয় পর্ব)

বিবর্তন কী?


শীর্ষ ছবি: চার্লস রবার্ট ডারউইন (১২ ফেব্রুয়ারী ১৮০৯ -১৯ এপ্রিল ১৮৮২)(ছবি সুত্র: Scientific American, January 2009)

*** এই লেখাটির হঠাৎ করে ভিউ বাড়ার কারণে পাঠকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এটি বেশ আগের একটি অসম্পাদিত একটি লেখা। এটি মূলত জেরি কয়েনের হোয়াই ইভোল্যুশন ইজ ট্রু বইটির প্রথম অধ্যায়। এই অধ্যায়টি সম্পাদিত রুপ পাওয়া যাবে বিবর্তন কেন সত্য বইটিতে। যে বইটি  জেরি কয়েনের হোয়াই ইভোল্যুশন ইজ ট্রু বইটির অনুবাদ। বইটি সেই বই অ্যাপে ইবুক হিসাবে প্রকাশিত হয়েছে।*****************

বিস্তারিত তথ্যের জন্য দেখুন:

https://sheiboi.com/Book/BookDetails?bookId=2694

2019-01-26_19-10-03

Authors of the highest eminence seem to be fully satisfied with the view that each species has been independently created. To my mind it accords better with what we know of the laws impressed on matter by the Creator, that the production and extinction of the past and present inhabitants of the world should have been due to secondary causes, like those determining the birth and death of the individual. When I view all beings not as special creations, but as the lineal descendants of some few beings which lived long before the first bed of the Silurian system was deposited, they seem to me to become ennobled. Charles Darwin ( On The Origin of Species; Chapter 14: Recapitulation and Conclusion)

A curious aspect of the theory of evolution is that everybody thinks he understands it. Jacques Monod

শুরুর কথা:  মানব সভ্যতার ইতিহাসে সম্ভবত সবচেয়ে শক্তিশালী আর বৈপ্লবিক ধারনাটির জন্ম দিয়েছিলেন প্রতিভাবান বৃটিশ প্রকৃতি বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন: প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে বিবর্তন। জীববিজ্ঞান তো বটেই বিজ্ঞানের নানা শাখায় এর প্রভাব সুদুরপ্রসারী। ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত তার মাষ্টারপিস On the Origin of Species বইটি, পৃথিবী এবং তার মধ্যে আমাদের নিজেদের অবস্থান সম্বন্ধে, আমাদের দৃষ্টিভঙ্গীটাকে চিরকালের মত বদলে দিয়েছে; খুব সরল এই ধারনার মাধ্যমে, ডারউইন পেরেছিলেন জীবের সকল জটিলতা আর বৈচিত্রের সাধারন একটি ব্যাখ্যা দিতে। গত দেড় শতাব্দী ধরে বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা তার এই ধারনাটির স্বপক্ষে প্রমান জুগিয়েছে, যা এখনও অব্যাহত আছে। বিবর্তন তত্ত্বের বিরোধীতার কারন কখনোই এর প্রমানের স্বল্পতা নয়, বরং এর সম্বন্ধে অজ্ঞতা। বিজ্ঞান এবং যুক্তির আলোয় কুসংস্কারমুক্ত জীবন উদযাপনের দিন হিসাবে চার্লস ডারউইনের জন্মদিন, ১২ ফেব্রুয়ারীকে বেছে নেয়া হয়েছিল নব্বই দশকের শুরুতে, আন্তর্জাতিক ডারউইন দিবস হিসাবে। ১২ ফেব্রুয়ারী, বিশ্ব ডারউইন দিবস  ডারউইনের প্রতি সন্মান জানিয়ে আমার এই প্রয়াস। এটি মুলত শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেরি কয়েন  ( Jerry A. Coyne) এর Why Evolution is true  বইটির প্রথম অধ্যায় What is Evolution? এর একটি অনুবাদ প্রচেষ্টা। ডারউইনের অসাধারন ধারনাটি, বিবর্তন তত্ত্বটির মুলনীতিগুলোই সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করা হয়েছে এই লেখাটিতে। পুরো বইটি অনুবাদ অবশ্য অব্যাহত থাকবে, সেজন্য যারা আগ্রহী তাদের হয়ত ভবিষ্যতে আবার এই ব্লগে ফিরে আসতে হবে। আসুন আমরা চেষ্টা করি ক্রমশ বাড়তে থাকা অন্ধ কুপমন্ডুকতার ব্যতিক্রম হবার জন্য।

Continue reading “বিবর্তন কী?”

বিবর্তন কী?