চোখের বিবর্তন


শীর্ষ ছবি: মানুষের চোখ ( ফটোগ্রাফ : Dan Saelinger/ Eye-Bank For SightRestoration, NY / ‍Scientific American)

মুল :Trevor D. LambএরThe Evolution of Eye (Scientific American;, July 2011) অবলম্বনে;  বাড়তি তথ্যসুত্র:  Evolution of the vertebrate eye:opsins, photoreceptors, retinaand eye cup: Trevor D. Lamb, Shaun P. Collin and Edward N. Pugh, JrNature Reviews: neuroscience; volume 8, December 2007এবংThe Origin of the Vertebrate Eye. Trevor D. Lamb & Edward N. Pugh Jr. & Shaun P. Collin Jr. Evolution: Education and Outreach (2008)

To suppose that the eye, with all its inimitable contrivances… could have been formed by natural selection, seems, I freely confess, absurd in the highest possible degree… Yet reason tells me, that if numerous gradations from a perfect and complex eye to one very imperfect and simple, each grade being useful to its possessor, can be shown to exist… and if any variation or modification in the organ be ever useful to an animal under changing conditions of life, then the difficulty of believing that a perfect and complex eye could be formed by natural selection, though insuperable by our imagination, can hardly be considered real. Charles Darwin 

 আমার কিছু কথা: মেরুদন্ডী প্রানীদের চোখের মত সুক্ষ ও জটিল একটি অঙ্গ যে প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে সৃষ্ট হয়েছে, সেটা মেনে নেবার ক্ষেত্রে কিছু ধারনাগত যে সমস্যা আছে ডারউইন সেটা স্বীকার করেছিলেন তার যুগান্তকারী  রচনা  On the Origin of Species এ। কিন্তু তাঁর যুক্তি ছিল  চোখের বিবর্তনের নানা পর্যায় বা ধাপগুলো যদি আমরা খূজে পাই ( তাঁর ভাষায় Numerous gradations, আদি চোখ থেকে বর্তমানে তথাকথিত perfect চোখের বিবর্তনে ) এবং যদি পর্যবেক্ষন করতে পারি যে এই সব পর্যায়গুলো ( তাদের নানা মাত্রার পরিবর্তন সহ)  বহনকারী প্রানীদের জীবনধারনের জন্য কোন না কোন ভাবে উপকারে এসেছে ( তাঁর ভাষায় Survival advantage, তা যতই সামান্য হোক না কেন)  এবং বংশানুক্রমে তা বিস্তৃত হয়েছে পরবর্তী প্রজন্মে, তাহলে আপাতদৃষ্টিতে অবোধ্য এই ধারনাগত সমস্যটা আমরা কাটিয়ে উঠতে পারবো। এ বিষয়ে বহুদিন ধরে কাজ করছেন জীববিজ্ঞানীদের বিভিন্ন গ্রুপ (অষ্ট্রেলিয়ার জীববিজ্ঞানী ডঃ ট্রেভর ডি. ল্যাম্ব এমন একটি গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন); বিজ্ঞানীরা বহুদিন আগেই প্রমান করেছেন মেরুদন্ডী প্রানীদের চোখ আসলে‌ই এরকমই অসংখ্য Numerous gradations বা পরিবর্তনের মাধ্যমেই তার বর্তমান রুপ পেয়েছে। এই সব নানা ধাপের অনেকগুলোর সরাসরি প্রমান পাওয়া যায়নি, জীবাশ্ম রেকর্ড বা তার প্রতিনিধিত্ব করে এমন কোন জীবিত প্রানীর মধ্যে; কিন্তু সেই ধাপ গুলো সুস্পষ্ট প্রমান মিলেছে বিবর্তন জীববিজ্ঞানের নানা শাখায়, বিশেষ করে গত দশকে, যখন Evolutionary Development Biology (বা Evo Devo) র ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। এবং আরো সুনির্দিষ্ট প্রমান সংগ্রহের  লক্ষ্যে অব্যাহত আছে গবেষনা ।  ইতিমধ্যেই বিভিন্ন গ্রুপের পাওয়া নানা তথ্য একসাথে করে ডঃ ট্রেভর ল্যাম্ব বেশ কয়েকটি রিভিউ লিখেছেন (তথ্যসুত্রে উল্লেখ করা হয়েছে এমন কয়েকটি পেপারের), নীচের এই লেখাটি তিনি তার সেই বৈজ্ঞানিক রিভিউগুলোকে একটু সহজবোধ্য করে সবার জন্য লিখেছিলেন Scientific American এর এ বছরের জুলাই সংখ্যায়। আমি সেটাকেই চেষ্টা করেছি ভাবানুবাদ করতে। ডায়াগ্রাম এবং বেশ কিছু তথ্য আমি অবশ্য সরাসরি তার অন্য রিভিউগুলো থেকে সংগ্রহ করেছি। ট্রেভর ল্যাম্ব এর রিভিউ ছাড়াও বেশ কিছু বৈজ্ঞানিক রিভিউ আছে; যেহেতু ‍তাদের মুল কথা একই,শুধুমাত্র গবেষনার দৃষ্টিকোন থেকে গুরুত্বপুর্ণ আর গবেষক ছাড়া আমাদের অনেকের জন্য তা অপ্রয়োজনীয়, সেকারনে আমি শুধুমাত্র ট্রেভর ল্যাম্বকে অনুসরণ করেছি এখানে।

Continue reading “চোখের বিবর্তন”

চোখের বিবর্তন