দ্য সেলফিশ জিন

অ্যান্ড্রোস লিহন

রিচার্ড ডকিন্সের সেলফিশ জিন বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী বইগুলোর একটি। মাল্টি-মিলিয়ন কপি বেস্ট সেলার বই এটি। কিন্তু এ বইটিকে বেশিরভাগ মানুষই নিরবিচ্ছিন্নভাবে ভুল বুঝেছে!বাংলাদেশে এই মিস-আন্ডারেস্টেন্ডিং ব্যাপক! বিশেষ করে জেনেটিক্যাল স্বার্থপরতা বিষয়টি বেশিরভাগ মানুষই ঠিকঠাক বুঝে উঠতে পারেনি। তারা স্বার্থপরতা শব্দটিকে নিয়েছিল আক্ষরিকার্থে। যৌক্তিক ও গাণিতিক দৃষ্টিকোণ থেকে নয়। তারা এ স্বার্থপরতাকে দেখেছিলেন বায়োলজিক্যাল দেহের স্বার্থপরতা হিসেবে জিনের স্বার্থপরতা হিসেবে নয়।

ক্যানিভাল মাকড়সা যখন সেক্স করে তখন স্ত্রী মাকড়সা এক কামড়ে তার মাথাটি খেয়ে ফেলে। জিন তাকে প্রেমিকার খাদ্যে পরিণত হওয়ার জন্য এভাবেই প্রোগ্রাম করেছে। ক্যানিভালের দেহ ও মন কোনোটাই জিনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়! কিন্তু কেন? কারণ সন্তান গর্ভে থাকাকালীন স্ত্রীর পক্ষে যথাযথ নিউট্র‍্যাশন যোগাড় করা সম্ভব নয়। আর যদি সন্তানের মৃত্যু হয় তবে তার জিন ফিউচারে প্রবেশ করতে পারবে না। এজন্য স্বার্থপর জিন পুরুষ কেনিভালকে এমনভাবে প্রোগ্রাম করেছে যেন সে মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও সেক্সের মাধ্যমে সন্তান উৎপাদন করে! সন্তানের লালন-পালনের জন্য মায়ের জীবন পিতার থেকে গুরুত্বপূর্ণ আর তাই সে তার প্রেমিকাকে ভবিষ্যৎ জিনের জন্য একা রেখে হারিয়ে যায়!

এই দৃশ্যকল্পে, স্বার্থপর জিন যে পদ্ধতিতে নিজের ভবিষ্যতের জন্য পুরুষ কেনিভালকে হত্যা করেছে ঠিক একই পদ্ধতিতে সামগ্রিক মানব সভ্যতার ভবিষ্যতের জন্য সে নিউটন ও আইনস্টাইনকেও হত্যা করে। পৃথিবীর বেশিরভাগ শিল্পি, বিজ্ঞানী এবং ক্রিয়েটিভ পারসনরা মানসিক রোগাক্রান্ত হয়। কেউ সিজোফ্রেনিয়া আক্রান্ত তো, কেউ অটিজম এসপার্গার ডিজিজে আক্রান্ত। তারা পরিবারের সাথে সংযুক্ত হতে পারে না, তারা সমাজিক ইমোশনের সাথে সংযুক্ত হতে পারে না, তারা বর্তমান জীবনের প্রয়োজনীয়তার সাথে সংযুক্ত হতে পারে না। কারণ তাদের মস্তিষ্কে সেন্স অভ প্রেজেন্টের সাথে সম্পৃক্ত ব্রেইন সার্কিট স্বার্থপর জিন দূর্বল করে দেয়( Here and Now Circuit)।

তারা মানুষের সাথে ইমোশনাল বন্ধন তৈরি করতে পারে না। তাদের ব্রেইন সবসময় সেন্স অভ ফিউচারের ভেতর ডুবে থাকে( Future Anticipation Circuit)। তারা ইউনিভার্সের ফিউচার নিয়ে ভাবে, ভাবে মহাবিশ্বের শেষ তিন মিনিট নিয়ে কিন্তু তারা এই মুহূর্তে তাদের সামনে অবস্থানরত নিজের ফ্যামলি ও ফ্রেন্ডের কথা ভাবে না! এ পদ্ধতিতে স্বার্থপর জিন কেনিভাল মাকড়সার মতো জিনিয়াসদের ব্রেইনকে মানব সভ্যতার ভবিষ্যতের জন্য হত্যা করে! এজন্য আইনস্টাইন বলেছিলেন, আমি হিউম্যানিটিকে ভালোবাসি, হিউম্যানকে নয়! আলফ্রেড নোবেল বলেছিলেন, “আমি একজন মিসেন্থোপ। আমি মানবতার সেবা করার স্বপ্ন দেখি কিন্তু আমি একজন মানুষের সাথে দু-দিনের বেশি টিকতে পারব না! মানুষ যতই কাছে আসে তাদের প্রতি আমি ততই বিরূপ হয়ে উঠি!” এভাবে এডনা সেন্ট ভিনসেন্ট, ফিওদর দস্তয়েভস্কি, চার্লস শুলজ অথবা পল ডিরাক এদের প্রত্যেকেই একই কথার পুনরাবৃত্তি করেছিলেন!ন্যাশনাল একাডেমি অভ সায়েন্স, রয়েল সোসাইটির সদস্য এবং টপ লেভেলের নোবেল প্রাইজ উইনারদের মধ্যে আমরা এই প্রবণতা দেখতে পাই।( বিস্তারিত আমার বই “ডোপামিন: দ্যা মলিকিউল অভ মোরে পাবেন)

আইনস্টাইন যে শুধু সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে দূর্বল ছিলেন তাই নয়। তিনি কখনোই একজন প্রেমিকার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলেন না। কারণ যাদের মস্তিষ্কে সবসময় সেন্স অভ ফিউচার কাজ করে তাদের মস্তিষ্ক ডোপামিন ড্রাইভ, আর ডোপামিন তাদেরকে এক প্রেমিকার উপর সন্তুষ্ট হতে দেয় না। ডোপামিন সব সময় তাকে অবাস্তব, অসম্ভব ও অজানা বাস্তবতার দিকে চালিত করে, তারা বাস করে সেখানে যা নেই আর এভাবেই ডোপামিন তাদের মস্তিষ্কে বর্তমান অর্জনের প্রতি অসন্তোষ তৈরি করে, ভয়াবহ দুঃখ, যন্ত্রণা আর একাকীত্ব দিয়ে নতুন নতুন সৃষ্টিশীলতার উদ্ভব ঘটায়, তাদের ব্রেইন থেকে বেরিয়ে আসে বাস, ট্রাক, বিমান, রকেট ও কম্পিউটার! যে ডোপামিন আইনস্টাইনের ব্রেন থেকে পদার্থবিদ্যার সমীকরণ বের করেছিল , ব্ল্যাকহোল, ওয়ার্মহোল, হোয়াইটহোল ও বিগব্যাং বের করেছিল, একই ডোপামিন আইনস্টাইনকে বের করে দিয়েছিল পারিবারিক সুখ, শান্তি ও সামাজিক বন্ধন থেকে, তিনি সারাজীবন ছিলেন সিঙ্গুলারিটি পয়েন্টের মতোই একা ! যে ডোপামিন আইনস্টাইনের এক সন্তানকে ইন্টারন্যাশনাল হাইড্রোলিক ইঞ্জিনিয়ারে পরিণত করেছিল, একই ডোপামিনের প্রভাবে আইনস্টাইনের এক সন্তান সিজোফ্রেনিয়া আক্রান্ত অবস্থায় আশ্রমে মৃত্যুবরণ করেছিল। তারা জীবিত থেকেও কেনিভাল মাকড়সার মতোই মৃত ছিলেন! আর সমাজ ও পরিবার তাদের জেনেছিলেন চরিত্রহীন, উদাস, নির্লিপ্ত ও স্বার্থপর হিসেবে! ভেতর ও বাহির কোথাও তারা সুখ খুঁজে পান নি! (সূত্র: ডোপামিন: দ্য মলিকিউল অভ মোর)

সেলফিশ জিন খুবই ভয়াবহ একটি বই! এ বইটি পড়লে আপনি আবেগীয়ভাবে প্রচণ্ড আঘাতপ্রাপ্ত হবেন কিন্তু এই বইটি একটি আশাবাদী বই কারণ এ বইটি আপনাকে শেখাবে কেন দলবদ্ধ হতে হয়, কেন পরার্থপর হতে হয় এবং কেন আমাদের নৈতিক হতে হয়।

ডায়নোসরের জিন সেলফিশ, তার জিন সেলফিশ বলেই মিলিয়ন মিলিয়ন বছর পরও সে আধুনিক পাখির দেহে টিকে আছে! আজ থেকে ৬৫ মিলিয়ন বছর পূর্বের পুরগাতারউসের জিন সেলফিশ, তার জিন এতটাই সেলফিশ যে ৬৫ মিলিয়ন বছর পরও তার উত্তরসূরী আমি টিকে আছি, যে এ মুহূর্তে এ লেখাটি লিখছে! তার জিন যদি সেলফিশ না হত তবে এ মুহূর্তে লিহন অস্তিত্বশীল থাকতে পারত না! মানব সভ্যতা উদ্ভবের পূর্বেই বিলুপ্ত হয়ে যেত ৬৫ মিলিয়ন বছর পূর্বে!

যে স্বার্থপর জিন মানব নামক একটি রোবট তৈরি করে বিশ্বের মিলিয়ন মিলিয়ন জীবকে হত্যা করছে আজ। একই স্বার্থপর জিন আর্কিওপটেরিক্স থেকে ১০,০০০ প্রজাতির পাখির বিবর্তন ঘটিয়েছে পৃথিবীতে! আর্কিওপটেরিক্সের জিন যদি স্বার্থপর না হত তবে আমরা আজ ডায়নোসরের আধুনিক রূপ মুরগির মাংসের গ্রিল খেতে পারতাম না!

এ বইটি জটিল গাণিতিক প্রক্রিয়ার শাব্দিক প্রকাশ! প্যারাডক্স আর থ্রিলে পরিপূর্ণ! এ বই আপনাকে আবেগীয়ভাবে অত্যাচার করার জন্য নয়, আপনার মনকে জীবনের প্রতি ভীতসন্ত্রস্ত করে তোলার জন্যও নয়, এ বইটি আপনাকে শেখাবে কোন পদ্ধতিতে চিন্তা করতে হয়, কোন পদ্ধতিতে চিন্তা করলে জীব বৈচিত্র্য ও জীবদের আচরণ বোঝা সম্ভব! যারা বিবর্তন তত্ত্বকে বুঝতে চান এবং সামগ্রিকভাবে এ বই হল তাদের জন্য চিন্তার সমীকরণ, দ্য থট বাইবেল!

👽

লেখক: রিচার্ড ডকিন্স

অনুবাদক: কাজী মাহবুব হাসান

প্রচ্ছদ: সজল চৌধুরী

প্রকাশক: এ এইচ লিহন

প্রকাশনী: Hyperspace

মূল্য: ৳৫০০

দ্য সেলফিশ জিন

রিচার্ড ডকিন্সের দুটি বইয়ের অনুবাদ

সম্পূর্ণ নতুন করে সম্পাদিত ও পরিবর্ধিত এই দুটি অনুবাদ প্রকাশ করার উদ্যোগ নেবার জন্য অ্যান্ড্রোস লিহনের প্রতি আমি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সেই সাথে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বই প্রকাশ করার সহযোগিতাপূর্ণ দীর্ঘ ভবিষ্যত নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করছি, যে বইগুলো বিচিত্র কারণে মূলধারার প্রকাশকরা প্রকাশ করতে আগ্রহী নন।

বই দুটির অসাধারণ প্রচ্ছদের পটভূমি তৈরি করতে শিল্পী আসমা সুলতানার তার দুটি চিত্রকর্ম ব্যবহার করেছেন, যার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। জরুরী বইগুলোর অনুবাদ ও প্রকাশ করতে আমাদের প্রতি আপনাদের সহযোগিতার বাড়িয়ে দিন।

বইগুলো সংগ্রহ করতে যোগাযোগ করুন:

হাইপারস্পেস – Hyperspace

****************************

দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স
অনুবাদ: কাজী মাহবুব হাসান
প্রচ্ছদ: আসমা সুলতানা

আউটগ্রোয়িং গড – রিচার্ড ডকিন্স
অনুবাদ: কাজী মাহবুব হাসান
প্রচ্ছদ: আসমা সুলতানা

রিচার্ড ডকিন্সের দুটি বইয়ের অনুবাদ

রিচার্ড ডকিন্সের দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ

মূল: The Greatest Show on Earth – Richard Dawkins
অনুবাদ: কাজী মাহবুব হাসান
প্রচ্ছদ : আসমা সুলতানা
প্রকাশক: দিব্য প্রকাশ, ২০১৯
(অমর একুশে বইমেলা ২০২১ এ দিব্যপ্রকাশের স্টল নং ২৭৩-৭৬ টি এস সির গেইটের দিকে)

রিচার্ড ডকিন্সের দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ

দ্য গড ডিল্যুশন (বাংলা অনুবাদ)

দ্য গড ডিল্যুশন
(ই বুক সংস্করণ/সম্পাদিত দ্বিতীয় সংস্করণ)

মূল: রিচার্ড ডকিন্স | অনুবাদ: কাজী মাহবুব হাসান
প্রচ্ছদ: আসমা সুলতানা
প্রকাশনা: বইয়ের হাট পাবলিকেশন
অক্টোবর ২০২০
(https://ebook.boierhut.com/)

আমাজন কিন্ডল লিঙ্ক:
https://www.amazon.com/dp/B08LDYD7SV

গুগল বুকস লিঙ্ক
https://play.google.com/store/books/details?id=cs0DEAAAQBAJ

দ্য গড ডিল্যুশন (বাংলা অনুবাদ)

বাস্তবতার জাদু

‘মহাশূন্য, সময় আর বিবর্তন বিষয়ে উদ্দীপ্ত করার মতো অসংখ্য ব্যাখ্যা সম্বলিত, হাস্যরস আর বুদ্ধিদীপ্ত চিন্তার পরীক্ষার নানা উদাহরণের সঠিক মিশ্রণে দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি বইটি প্রাকৃতিক প্রপঞ্চগুলোর বিস্ময়কর বিশাল একটি সম্ভারকে অনুসন্ধান করেছে। কোনোকিছু আসলে কী দিয়ে তৈরি? মহাবিশ্ব কত প্রাচীন? সুনামি কেন হয়? প্রথম পুরুষ অথবা নারী, কে ছিলেন? এটি সুখপাঠ্য, অসাধারণ একটি রহস্য গল্পের মতো, যা শুধুমাত্র বিজ্ঞানের পুঞ্জীভূত জ্ঞানের খনিতে এর উত্তরের যোগসূত্রগুলো অনুসন্ধানই করেনি, একজন বিজ্ঞানীর মতো ভাবতেও এটি এর পাঠককে প্রস্তুত করেছে।সব বয়সের পাঠকদের জন্যেই রিচার্ড ডকিন্স এই বইটিতে প্রাকৃতিক জগতের বিস্ময়গুলোকে ব্যাখ্যা করেছেন অননুকরণীয় স্পষ্টতা আর সমৃদ্ধতায়, যা ভবিষ্যৎ বহু প্রজন্মকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত এবং তথ্যাভিজ্ঞ করা অব্যাহত রাখবে।

www.rokomari.com/book/195415

প্রকাশনায়: অগ্রদূত অ্যান্ড কোম্পানি
(https://www.facebook.com/AgrodootAndCompany/)

বাস্তবতার জাদু

প্রকাশিত কিছু অনুবাদ

ইবুক হিসাবে Sheiboi অ্যাপে এখন পাওয়া যাচ্ছে বিজ্ঞানের দর্শন, ইতিহাস আর বিবর্তন নিয়ে চারটি গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের অনুবাদ:

রিচার্ড ডকিন্স:
দ্য সেলফিশ জিন
দ্য গড ডিল্যুশন
দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি (বাস্তবতার জাদু)

জেরি কয়েন:
হোয়াই ইভোল্যুশন ইজ ট্রু ( বিবর্তন কেন সত্য)

অনুবাদ: কাজী মাহবুব হাসান

#দ্য_সেলফিশ_জিন #বিবর্তন #রিচার্ড_ডকিন্স #অনুবাদ #বিজ্ঞান #দ্য_গড_ডিল্যুশন #দ্য_ম্যাজিক_অব_রিয়েলিটি #জেরি_কয়েন #বিজ্ঞান_দর্শন #বিজ্ঞান_ইতিহাস #কাজী_মাহবুব_হাসান

সেইবই অ্যাপ থেকে ডাউনলোড করতে সেইবই অ্যাপ এ লগ ইন করুন, এরপর অ্যাপ এর “Recent release” ট্যাব অথবা “Book store” ট্যাবে গিয়ে ডাউনলোড করুন।

*সেইবই অ্যাপটির ডাউনলোড লিংক:

গুগল প্লে স্টোর – https://play.google.com/store/apps/details?id=raven.reader

অ্যাপল অ্যাপ স্টোর https://itunes.apple.com/us/app/sheiboi/id976937372?mt=8

 

52532773_2490295164377935_5147229459115409408_o
প্রকাশিত কিছু অনুবাদ

রিচার্ড ডকিন্সের দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – ইবুক

 

cover_MOR (1)

The Magic of Reality: How we know what’s really true
Richard Dawkins

অনুবাদ : কাজী মাহবুব হাসান
(সুপ্রজ্ঞা অনুবাদ উদ্যোগ) / ইবুক সংস্করণ ২০১৮

বইটি সম্বন্ধে

জাদু বহু রুপ নিতে পারে। প্রাচীন মিসরীয়রা রাতকে ব্যাখ্যা করতে প্রস্তাব করতো, রাত হচ্ছে সেই সময় যখন দেবী নুট (বা নিউথ) সূর্যকে গিলে ফেলে। ভাইকিংরা রংধনুকে মনে করতো দেবতাদের বানানো সেতু, যা ব্যবহার করে তারা পৃথিবীতে নেমে আসে। এইসব কিছুতেই জাদুময়তা আছে, অসাধারণ সব কাহিনী। কিন্তু আরো এক ধরনের জাদু আছে, আর সেই জাদুটি এই সব প্রশ্নগুলোর সত্যিকারের উত্তর আবিষ্কার করার তীব্র আনন্দের মধ্যে থাকে। আর এটাই হচ্ছে বাস্তবতার জাদু – বিজ্ঞান।

মহাশূন্য, সময় আর বিবর্তন বিষয়ে উদ্দীপ্ত করার মত অসংখ্য ব্যাখ্যা সম্বলিত, হাস্যরস আর বুদ্ধিদীপ্ত চিন্তার পরীক্ষার নানা উদহারণের সঠিক মিশ্রণে ‘‘দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি’’ বইটি প্রাকৃতিক প্রপঞ্চগুলোর বিস্ময়কর বিশাল একটি সম্ভারকে অনুসন্ধান করেছে। কোনো কিছু আসলে কি দিয়ে তৈরী? মহাবিশ্ব কত প্রাচীন? সুনামি কেন হয়? প্রথম পরুষ, অথবা নারী, কে ছিলেন? এটি সুখপাঠ্য, অসাধারণ একটি রহস্য গল্পের মত, যা শুধুমাত্র বিজ্ঞানের পুঞ্জিভূত জ্ঞানের খনিতে এর উত্তরের যোগসূত্রগুলো অনুসন্ধানই করেনি, একজন বিজ্ঞানীর মত ভাবতেও এটি এর পাঠককে প্রস্তুত করেছে ।

সব বয়সের পাঠকদের জন্যেই রিচার্ড ডকিন্স এই বইটিতে প্রাকৃতিক জগতের বিস্ময়গুলোকে ব্যাখ্যা করেছেন অননুকরণীয় স্পষ্টতা আর সমৃদ্ধতায়, যা ভবিষ্যত বহু প্রজন্মকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত এবং তথ্যাভিজ্ঞ করা অব্যাহত রাখবে।

বইটি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের অ্যাপ ভিত্তিক ইবুক প্রকাশনী প্রতিষ্ঠান:

সেই বই (www.sheiboi.com)

বইটির লিংক:

https://sheiboi.com/Pages/BookDetails.html?/Bastobotar-Jadu/2720

সেইবই অ্যাপটির ডাউনলোড লিংক:

গুগল প্লে ষ্টোরhttps://play.google.com/store/apps/details?id=raven.reader

অ্যাপল অ্যাপ স্টোর: https://itunes.apple.com/us/app/sheiboi/id976937372?mt=8

রিচার্ড ডকিন্সের দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – ইবুক