স্যাম হ্যারিসের দুটি বইয়ের অনুবাদ

ইসলাম ও সহিষ্ণুতার ভবিষ্যৎ : একটি সংলাপ
স্যাম হ্যারিস এবং মাজিদ নাওয়াজ
অনুবাদ : কাজী মাহবুব হাসান

২০১৫ সালে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, এই ছোট বইটি প্রকাশ করেছিল। বইটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের দার্শনিক স্যাম হ্যারিস ও যুক্তরাজ্যের কুইলিয়াম ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা, লেখক মাজিদ নাওয়াজের মধ্যে অনুষ্ঠিত একটি সংলাপ। স্যাম হ্যারিস ও মাজিদ নাওয়াজ বর্তমান সময়ের জন্য প্রাসঙ্গিক এবং প্রয়োজনীয় একটি সংলাপে পাঠকদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন: ইসলাম কী শান্তির, নাকি যুদ্ধের ধর্ম? ইসলাম কী সংস্কারের জন্য উন্মুক্ত? কেনই বা এত বেশি সংখ্যক মুসলমান জঙ্গীবাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে থাকেন? ইসলামবাদ (Islamism), জিহাদিজম (jihadism), আর মৌলবাদ (fundamentalism) শব্দগুলো আজকের এই পৃথিবীতে কী ধরনের অর্থ বহন করছে?

একজন সুপরিচিত নিরীশ্বরবাদী এবং প্রাক্তন উগ্রপন্থী, উদারনৈতিক সংস্কারবাদী আন্দোলন কর্মীর এই কথোপকথন এর বিশ্লেষণী গভীরতা আর ব্যাপ্তিতে নানা কারণেই উল্লেখযোগ্য। একটি সভ্য বিতর্কের কাঠামোয় কীভাবে আমরা এই সময়ের সবচেয়ে সংবেদনশীল, বিতর্কিত আর মেরুকরণকারী বিষয়গুলো নিয়ে নির্ভয়ে এবং পূর্ণাঙ্গরুপে আলোচনা করতে পারি, এবং যার মাধ্যমে আসলেই কিছু অগ্রগতি করাও সম্ভব হতে পারে, সেই বিষয়ে তারা কথা বলেছেন। বইটি প্রকাশ করার সুস্পষ্ট একটি উদ্দেশ্য ছিল, আরো ব্যাপকভাবে এই ধরনের সাধারণ আলোচনা প্ররোচিত করার উদাহরণ হিসাবে এটিকে উপস্থাপন করা। ভুল বোঝাবুঝি আর সহিংসতায় আক্রান্ত এই পৃথিবীতে হ্যারিস ও নাওয়াজ এই বইয়ে প্রদর্শন করেছেন, খুবই ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিসহ দুইজন ব্যক্তি কীভাবে গঠনমূলক আলোচনার একটি সাধারণ মঞ্চ খুঁজে পেতে পারেন।

মূল্য: ৩০০
বইটি প্রি-অর্ডার করতে মেসেজ করুন হাইপারস্পেস পেজে..

মিথ্যা
স্যাম হ্যারিস
অনুবাদ: কাজী মাহবুব হাসান

মিথ্যা বলা উচিত নয়, স্যাম হ্যারিসের এই ক্ষুদ্র বইটির এটাই মূল বক্তব্য। কিন্তু একই সাথে এটি মিথ্যা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রস্তাবনা করেছে, যা চারিত্রিক শুদ্ধতা নির্মাণ, ব্যক্তি ও সমাজ জীবনের সম্পর্ক আর পারস্পরিক বিশ্বাসের অপূরণীয় ক্ষতি এড়ানোর মত পরিস্থিতিতে প্রাসঙ্গিক হতে পারে। মূলত এই বইটি মিথ্যা নিয়ে আরো সচেতন হয়ে ওঠার একটি আহবান। স্পষ্টতই খুব পরিচিত এই মূলনীতিটি আপাতদৃষ্টিতে সুন্দর জীবন কাটানোর সহজে অনুসরণযোগ্য একটি লক্ষ্য বলেই মনে হতে পারে। কিন্তু আসলেই কী এটি সহজে অনুসরণযোগ্য হতে পারে? বিবর্তন আমাদের মিথ্যাভাষণ আর প্রবঞ্চনা করার ঈর্ষণীয় দক্ষতা দিয়েছে। মিথ্যা বলার প্রলোভন মানব ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার অন্তরঙ্গ এবং জটিল একটি অংশ, যা নিয়ে আমরা কদাচিৎ ভাবি। আর মিথ্যা বলা কিংবা না বলার সেই উভয়সংকট সংক্রান্ত ভাবনাগুলোকে প্ররোচিত করতে এই বইটি ভূমিকা পালন করবে।

পরিস্থিতি যা-ই হোক না কেন, আমাদের কী সবসময় সত্য বলা উচিত? আমাদের সামাজিক জীবনে মিথ্যাভাষণের পরিণতি সুস্পষ্ট, কিন্তু তারপরও আমরা মিথ্যা বলি। এমনকি সবচেয়ে নির্দোষ কোনো মিথ্যা কী কখনো সমর্থনীয় হতে পারে? কিংবা আমাদের কী সেই মিথ্যাভাষণের উদ্দেশ্যটি বিবেচনা করা উচিত? ব্যক্তিক জীবনে এই সব মিথ্যার পরিণতি কী? এমনকি যে মুহূর্তে আমরা মিথ্যা বলতে নৈতিক তাড়না অনুভব করি সেগুলো কী আসলেই যুক্তিযুক্ত হতে পারে? ব্যক্তি, পরিবার আর সমাজের সাথে মিথ্যামুক্ত মিথস্ক্রিয়ার পরিণতি আসলেই কী হতে পারে? আমরা কী আসলেই আমাদের জীবনকে জটিলতা মুক্ত করতে পারি শুধু সত্য কথা বলে, যেখানে অন্যরা প্রায়শই মিথ্যা বলেন? মিথ্যামুক্ত একটি সমাজ কী আমরা কল্পনা করতে পারি?

মূল্য: ২৫০
বইটি প্রি-অর্ডার করতে মেসেজ করুন হাইপারস্পেস পেজে..

স্যাম হ্যারিসের দুটি বইয়ের অনুবাদ