দ্য গড ডিল্যুশন – ইবুক

2019-01-26_19-10-03

Advertisements
ছবি

দ্য গড ডিল্যুশন, বাংলা ইবুক প্রকাশিত

The_God_Delusion_ebook_Asma_Sultana

রিচার্ড ডকিন্সের দ্য গড ডিল্যুশন বইটির বাংলা অনুবাদের ইবুক (পুনরায় সম্পাদিত) প্রকাশিত হয়েছে:

বইটি প্রকাশ করছে বাংলাদেশের অ্যাপ ভিত্তিক ইবুক প্রকাশনী প্রতিষ্ঠান:

সেই বই (www.sheiboi.com)

সেইবই অ্যাপটির ডাউনলোড লিংক:

গুগল প্লে ষ্টোর https://play.google.com/store/apps/details?id=raven.reader

অ্যাপল অ্যাপ স্টোর https://itunes.apple.com/us/app/sheiboi/id976937372?mt=8

বইটির প্রচ্ছদ করেছেন শিল্পী আসমা সুলতানা

দ্য গড ডিল্যুশন, বাংলা ইবুক প্রকাশিত

এবারের বইমেলায় দুটি বই…

এবারের বই মেলায় দুটি বই প্রকাশিত হতে যাচ্ছে, প্রকাশ করছে অনার্য প্রকাশনী (স্টল নং ২৯৭-২৯৮);
এটাই বই প্রকাশনার জগতে আমার এবং আসমা সুলতানার প্রথম প্রবেশ..

প্রথম বইটি ওয়েজ অব সিইং , সত্তরের দশকে এটি লিখেছিলেন বৃটিশ শিল্প সমালোচক জন বার্জার, একই নামে তাঁর একটি যুগান্তকারী টিভি প্রামাণ্য অনুষ্ঠানের. ভিত্তি করে। এটি শিল্পী আসমা সুলতানা এবং আমার যৌথ অনুবাদ প্রচেষ্টা। শিল্পী রেনে ম্যাগরিট এর তৈলচিত্র দি হিউমান কন্ডিশন এর ভিত্তি করে বইটির প্রচ্ছদ পরিকল্পনা করেছেন শিল্পী আসমা সুলতানা। শিল্পকলার অনুরাগী এবং  দৈনন্দিন জীবনে শিল্পকলার প্রভাব কত সর্বব্যাপী হতে পারে, সেটি যারা জানতে আগ্রহী তাদেরকে এই বইটি হতাশ করবে না ।

WOS_book_2015_for_blog

দ্বিতীয় বইটি দি গড ডিল্যুশন, ২০০৬ সালে প্রকাশিত বিবর্তন জীববিজ্ঞানী রিচার্ড ডকিন্স এর এই বইটির বেশ কয়েকটি অধ্যায় আমি ধারাবাহিকভাবে অনুবাদ করেছিলাম এই ব্লগের জন্য, অনেকেই একারণে এই ব্লগটিতে এসেছেন, অবশেষে এবারের বইমেলায় এটি বই হিসাবে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এটিরও প্রচ্ছদ পরিকল্পনা করেছেন আসমা সুলতানা তার নিজের একটি চিত্রকর্ম ‘মিরর’ ব্যবহার করে। রিচার্ড ডকিন্সের বাংলা ভাষাভাষী অনুরাগী এবং চিন্তা করতে আগ্রহী এমন পাঠকদের মন নাড়াতে আশাকরি বইটি অবদান রাখবে।

gd_2015feb

এবারের বইমেলায় দুটি বই…

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন : পঞ্চম অধ্যায় (চতুর্থ পর্ব)


ব্র্যাড হল্যান্ড এর ইলাসট্রেশন ( সুত্র: TIME ম্যাগাজিন, God Vs Science, জানুয়ারী ১৫, ২০০৭)

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন :  পঞ্চম অধ্যায় (চতুর্থ পর্ব)
( অনুবাদ প্রচেষ্টা: কাজী মাহবুব হাসান)
The God Delusion by Richard Dawkins

প্রথম অধ্যায়
দ্বিতীয় অধ্যায়
তৃতীয় অধ্যায়
চতুর্থ অধ্যায় (প্রথম পর্ব) , চতুর্থ অধ্যায় ( দ্বিতীয় পর্ব) ,
চতুর্থ অধ্যায় ( তৃতীয় পর্ব ) , চতুর্থ অধ্যায় ( চতুর্থ পর্ব ) , চতুর্থ অধ্যায় ( শেষ পর্ব)
 পঞ্চম অধ্যায় (প্রথম পর্ব)পঞ্চম অধ্যায় ( দ্বিতীয় পর্ব) , পঞ্চম অধ্যায় (তৃতীয় পর্ব)

ধর্মের শিকড়

For excellent reasons related to Darwinian survival, child  brains need to trust parents, and elders whom parents tell them to trust. An automatic consequence is that the truster has no way of distinguishing  good advice from bad. The child cannot know that ‘Don’t paddle in the crocodile-infested Limpopo’ is good advice but ‘You must sacrifice a goat at the time of the full moon, otherwise the rains will fail’ is at best a waste of time and goats. Both admonitions sound trustworthy. Both come from a respected source and are
delivered with a solemn earnestness that commands respect and demands obedience. Richard Dawkins

অন্য কোন কিছুর বাই-প্রোডক্ট বা উপজাত হিসাবে ধর্ম: 

যাইহোক,আমি এখন গ্রুপ সিলেকশনকে একপাশে সরিয়ে রাখতে চাই এবং ধর্মের ডারউইনীয় সারভাইভাল ভ্যালু বা বেচে থাকার জন্য এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আমার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গী ব্যাখ্যা করতে চাই। সংখ্যায় ক্রমশ বাড়তে থাকা জীববিজ্ঞানীদের মত আমিও ধর্মকে দেখি অন্য কোন কিছুর একটি ’উপজাত’ বা ’বাই-প্রোডাক্ট’ হিসাবে।আরো সাধারনভাবে,আমি বিশ্বাস করি যে, ডারউইনীয় সারভাইভাল ভ্যালু সম্বন্ধে আমরা যারা ধারনা করার চেষ্টা করছি তাদের প্রয়োজন ’বাই-পোডাক্ট এর চিন্তা করা’;যখন আমরা কোন কিছুর বেচে থাকার ক্ষেত্রে তার কি উপযোগিতা মুল্য আছে তা জানতে চাই,তখন হয়তো হয়তো ভুল প্রশ্নটি করে থাকি;আমাদের আরো খানিকটা সহায়ক পন্থায় প্রশ্নটি নতুন করে লিখতে হবে। যে বৈশিষ্টটি নিয়ে আমাদের বিশেষ উৎসাহ (এই ক্ষেত্রে যেমন ধর্ম), হয়তো তার সরাসরি কোন নিজস্ব সারভাইভাল ভ্যালুই নেই (বা এমন কোন গুনাবলী সেই যা বেচে থাকার ক্ষেত্রে ডারউইনীয় অর্থে সহায়ক হতে পারে) কিন্তু এটি এমন কিছু একটির উপজাত বা বাই-প্রোডাক্ট,যার সেই সারভাইভাল ভ্যালুটি আছে। আমার নিজের গবেষনার ক্ষেত্র,প্রানী আচরণের একটি উদহারন দিয়ে এই উপজাত বা বাই-প্রোডাক্ট এর ধারনাটাকে ব্যাখ্যা করলে আমি মনে করি সেটি বোঝার জন্য সহায়ক হতে পারে।

মোমবাতির জ্বলন্ত শিখায় মথদের সরাসরি ঝাপিয়ে পড়তে দেখা যায় এবং ভালো করে লক্ষ্য করলে কিন্তু মনে হয়না এটি কোন দুর্ঘটনা;তারা যেন অতিউদ্যোগী হয়ে নিজেদের পুড়িয়ে আত্মাহুতি দেয়;তাদের এই অদ্ভুত আচরনকে আমরা নাম দিতে পারি ’আত্মহত্য করার উদ্দেশ্যে নিজেকে আগুনে পোড়ানো বা সেলফ ইমোলেশন আচরণ’এবং এই রহস্যময় নামের আড়ালে বিস্মিত হই কেমন করে, প্রাকৃতিক নির্বাচন এধরনের একটি আচরণ বিবর্তনে সহায়ক ভুমিকা পালন করতে পারে;আর এখানে আমার বক্তব্য হচ্ছে, অবশ্যই আমাদেরকে নতুন করে প্রশ্নটি লিখতে হবে,এমনকি কোন বুদ্ধিমান উত্তর খোজার চেষ্টা করার আগেই। এটি আত্মহত্যা নয়। আপাতদৃষ্টিতে এই আত্মহত্যা অন্য কোন একটা কিছুর অযাচিত বা অনাকাঙ্খিত কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা উপজাত ‍বা বাই-প্রোডাক্ট। উপজাত বা বাই-প্রোডাক্ট,কিন্তু কার? বেশ,নীচে বর্নিত হয়েছে এমন একটি সম্ভাবনা,যা হতে পারে এবং যেটি বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করে।

Continue reading “রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন : পঞ্চম অধ্যায় (চতুর্থ পর্ব)”

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন : পঞ্চম অধ্যায় (চতুর্থ পর্ব)

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন: চতুর্থ অধ্যায় (দ্বিতীয় পর্ব)


কার্টুন সুত্র:  ইন্টারনেট

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন এর বাংলা অনুবাদ :
প্রথম , দ্বিতীয় ,তৃতীয়  এবং চতুর্থ অধ্যায় (প্রথম পর্ব)

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন : চতুর্থ অধ্যায় (দ্বিতীয় পর্ব ) 
( অনুবাদ প্রচেষ্টা: কাজী মাহবুব হাসান)
The God Delusion by Richard Dawkins

কেন প্রায় নিশ্চিৎভাবে বলা সম্ভব ঈশ্বরের কোন অস্তিত্ব নেই 

 চতুর্থ অধ্যায় দ্বিতীয় পর্বের পর: 

শুন্যস্থানের উপাসনা:

সামনে অগ্রসর হবার জন্য  ইররিডিউসিবল কমপ্লেক্সিটি বা অবিভাজ্য জটিলতার  সুনির্দিষ্ট উদহারন অনুসন্ধান করা অবশ্যই মৌলিকভাবে বিজ্ঞানসম্মত কোন উপায় না: সেটা হবে বর্তমান অজ্ঞতা থেকে নেয়া যুক্তির বিশেষ দৃষ্টান্ত। এর আবেদন সেই ভ্রান্ত যুক্তি ঘিরে, যা পরিচিত ’The God of the gaps’  (বা শুন্যস্থানের ঈশ্বর) স্ট্র্যাটেজী, যার বিশেষ নিন্দা করেছিলেন প্রখ্যাত ধর্মত্ত্ববিদ ডিয়েট্রিশ বনহোয়েফার। সৃষ্টিবাদীরা দারুন উৎসাহে বর্তমান সময়ে আমাদের জ্ঞানের শুন্যস্থানগুলোর সন্ধান করে, যদি আপাতদৃষ্টিতে কোন শুন্যস্থান পাওয়া যায়, ধরে নেয়া হয় এটাই ঈশ্বর  আমোঘ নিয়মানুযায়ী অবশ্যই পুর্ণ করবেন। চিন্তাশীল ধর্মতত্ত্ববিদদের, যেমন বনহোয়েফার, যেটা ভাবায়, তা হলো বিজ্ঞানের অগ্রগতির সাথে এই শুন্যস্থানগুলোও ক্রমশ: সংকুচিত হয়ে আসছে, এবং ঈশ্বর ধীরে ধীরে কর্মহীন হয়ে যাবার কিংবা লুকিয়ে থাকার মত জায়গার অভাবের হুমকির মুখোমুখি হচ্ছেন। কিন্তু বিজ্ঞানীদের ভাবায় অন্যকিছু। বিজ্ঞানের সাথে জড়িত সকল কর্মকান্ডের প্রয়োজনীয় একটি অংশ হচ্ছে অজ্ঞতাকে স্বীকার করা, এমনকি ভবিষ্যতের জয়ের জন্য একটি চ্যালেন্জ্ঞ হিসাবে  এই অজ্ঞতায়  উল্লসিত হওয়া । আমার বন্ধু ম্যাট রিডলী যেমন লিখেছিলেন, ‘বেশীর ভাগ বিজ্ঞানীরাই, তারা যা আবিষ্কার করে ফেলেছেন, সে বিষয়ে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন। নতুন অজানা বা অজ্ঞতাই তাদের সামনে এগিয়ে চলার প্রেরণা।’ আধ্যাত্মবাদীরা রহস্যে উল্লসিত হয় এবং রহস্যময়তাকে টিকিয়ে রাখতেই তারা চান, বিজ্ঞানীরা রহস্যর মুখোমুখি আনন্দিত হয় অন্য কারনে: কারন এটা তাদের কিছু করার সুযোগ করে দেয়; খুব সাধারনভাবে, আমি অধ্যায় ৮ এ বিষয়টির পুনরাবৃত্তি করবো, ধর্মের সবচেয়ে ক্ষতিকর একটি দিক হলো, এটি আমাদের শিক্ষা দেয়, কোন কিছু না বুঝে সন্তুষ্ট থাকাটাই হচ্ছে একটি ভালো গুন।

Continue reading “রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন: চতুর্থ অধ্যায় (দ্বিতীয় পর্ব)”

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন: চতুর্থ অধ্যায় (দ্বিতীয় পর্ব)

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন এর অনুবাদ প্রচেষ্টা:

বেশ  অনেকদিন আগেই রিচার্ড ডকিন্স (Richard Dawkins) এর দি গড ডিল্যুশনের ( The God Delusion) অনুবাদে হাত দিয়েছিলাম। তখনও আমি ব্লগের সাথে পরিচিত নই । পরবর্তীতে প্রথম অধ্যায়টিকে মুক্তমনায় দেখলাম। তখন থেকে মুক্তমনার ক্ষুরধার লেখাগুলো পড়ছি বিস্ময়ের সাথে।

নীচের এই অনুবাদ প্রচেষ্টা আমার। লেখাটি আমি উৎসর্গ করছি শিল্পী এবং কবি আসমা সুলতানাকে। যার উৎসাহে আমার এই কর্মযজ্ঞ, যার অনেক ঋণ কোনদিনও শোধ করা সম্ভব হবে না।
বছরের শেষ দিনে হার্ড ডিস্ক থেকে অনেক অসমাপ্ত লেখা বের হলো, গড ডিল্যুশনের প্রায় আড়াইটা চ্যাপটার। ঠিক করেছি ধীরে ধীরে অনুবাদ সেকশনে  এটা প্রকাশ করবো:

শীর্ষ ছবি কিংবা প্রচ্ছদ : আসমা সুলতানা

প্রথম অধ্যায় : প্রথম পর্ব দ্বিতীয় পর্ব | তৃতীয় পর্ব  চতুর্থ পর্ব |শেষ পর্ব
দ্বিতীয় অধ্যায় : প্রথম পর্ব দ্বিতীয় পর্ব |তৃতীয় পর্ব| চতুর্থ পর্বপঞ্চম পর্ব|ষষ্ঠ পর্ব|
সপ্তম পর্ব | অষ্টম পর্বনবম পর্ব  | দশম পর্ব  | একাদশ পর্ব  | শেষ পর্ব
তৃতীয় অধ্যায়: প্রথম পর্ব

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন এর অনুবাদ প্রচেষ্টা: