কোপার্নিকাসের বই

নিকোলাউস কোপার্নিকাস (পোলিশ উচ্চারণে মিকোলাই কোপের্নিক) পোল্যন্ডের টরুন (টরুনিয়া) শহরে (পোলিশ প্রুশিয়ার এই শহরটির তখন নাম ছিল থর্ন) ১৪৭৩ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি একটি স্বচ্ছল পরিবারে জন্মগ্রহন করেছিলেন। তবে তার জীবনের নাটকীয় কাহিনি বর্ণনা করতে গেলে আমাদের ১৫৪৩ সালের ২৪ মে থেকে শুরু করতে হবে, সেদিন তিনি অন্য যে-কোনো লেখকের জীবনের সেই আরাধ্য স্বপ্নটি অর্জন করতে পেরেছিলেন, প্রায় সারাজীবন ধরে কাজ করে যাওয়া পাণ্ডুলিপিটির প্রকাশিত রূপটি তিনি হাতে ধরতে পেরেছিলেন। তবে সেই দিনই কোনো এক সময় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। যখন তার হাতে বইটি তুলে দেয়া হয়েছিল, সম্ভবত তিনি সেই সময় অচেতনই ছিলেন। আর সেই ঘরে উপস্থিত তার প্রিয় বন্ধু বিশপ টিডম্যান গিজা’র লেখা একটি চিঠিতে বর্ণিত বিবরণ থেকে এই কাহিনিটি আমরা জানতে পারি। আর সেই চিঠিটির প্রাপক ছিলেন কোপার্নিকাসের একমাত্র ছাত্র (যদি সেভাবে বলা যায়) জর্জ হোয়াকিম রেটিকাস।

আমাদের এই কাহিনিটি আসলে রেটিকাসকে নিয়ে হওয়া উচিত। কারণ এই ছাত্রটি না থাকলে আমরা কোপার্নিকাস সম্বন্ধে কিছুই জানতে পারতাম না, মহাজগত সম্বন্ধে একটি পর্যায়ে আমাদের ধারণাকে আমুল বদলে দেবার জন্য যে মানুষটিকে কৃতিত্ব দেয়া হয়। বিজ্ঞানের ইতিহাসে কিছু অসাধারণ চরিত্র আছেন, এই চরিত্রগুলো যদিও বিজ্ঞানের ক্রমপরিবর্তনশীল নাটকে পার্শভূমিকায় অভিনয় করেন, তবে তাদের আসলেই বিজ্ঞানের অসাধারণ কিছু ধারণার ধাত্রী হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। যারা তাদের বিখ্যাত সহকর্মীদের সহায়তা করেন এবং এমনকি তাদের যুগান্তকারী ধারণাগুলো উত্তরপ্রজন্মের জন্যে যারা প্রকাশ করার ব্যবস্থা করেন। সবচেয়ে বিখ্যাত উদাহরণ অবশ্যই এডমন্ড হ্যালি ( তিনি বহু মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন), যার একটি প্রশ্ন নিউটনকে প্ররোচিত করেছিল তার বিখ্যাত “প্রিঙ্কিপিয়া” লিখতে এবং হ্যালি নিজ দ্বায়িত্বে, নিজের পকেটের পয়সা খরচ করে সেটি প্রকাশ করার ব্যবস্থা গ্রহন করেছিলেন, আর তারপর বাকিটা ইতিহাস। তবে আরো আগে, আরো রহস্যময় একটি সময়ে এই দায়িত্বটি পালন করেছিলেন জর্জ হোয়াকিম রেটিকাস ( জন্ম ১৬ ফেব্রুয়ারী, ১৫১৪)।

কোপার্নিকাসের বয়স যখন প্রায় ৪০ এর কাছাকাছি (১৫১০ এর আশে পাশে), তিনি নতুন করে মহাবিশ্বকে দেখতে শুরু করেছিলেন, পৃথিবীকে না, সূর্যকে এর কেন্দ্রে স্থাপন করে। এরপর তিনি তার সেই তত্ত্বটিকে প্রায় ৩০ বছর লুকিয়ে রেখেছিলেন, তার ভয় ছিল, গণিতজ্ঞ সহকর্মী আর জ্যোতির্বিজ্ঞানী তার এই তত্ত্বটি নিয়ে ব্যঙ্গ করতে পারেন। কিন্তু ১৫৩৯ সালে একদিন কয়েকশত মাইল পথ পাড়ি দিয়ে উত্তর পোল্যান্ডে এরমল্যান্ডের ফ্রমবর্কে (জার্মান ফ্রয়েনবর্গ) তার দেখা করতে এসেছিলেন অপ্রত্যাশিত এক তরুণ দর্শনার্থী, রেটিকাস। তার উদ্দেশ্য ছিল তিনি কোপার্নিকাস এর কাছ থেকে শিক্ষা নেবেন, সৌরজগত সম্বন্ধে তার নতুন ধারণা সম্বন্ধে জানবেন। রেটিকাসের কারণেই কোপার্নিকাস তার নীরবতা ভেঙ্গেছিলেন। তিনি কোপার্নিকাসকে তার যুগান্তকারী De revolutionibus প্রকাশ করতে রাজি করিয়েছিলেন। ক্যাথলিক চার্চে কোনো লুথার-মতবাদীর (রেটিকাস লুথারান ছিলেন) উপস্থিতি (কারণ প্রোটেষ্টান্ট রিফরর্মেশনের সময় ক্যাথলিক চার্চের সাথে তখন তীব্র দ্বন্দ্ব ছিল ) বেআইনী হওয়া সত্ত্বেও তরুণ রেটিকাস কোপার্নিকাসের সাথে ছিলেন দুই বছর। রেটিকাস তার শিক্ষককে বহুদিন ধরে অবহেলায় পড়ে থাকা পাণ্ডুলিপিটি প্রকাশ উপযোগী করে তুলতে সাহায্য করেন। আর রেটিকাসই সেটি খুব সযত্নে নিজে হাতে নুরেমবার্গে, ইউরোপে বৈজ্ঞানিক পাণ্ডুলিপি প্রকাশনার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ছাপাখানা, প্রকাশক ইয়োহানেস পেট্রেউসের কাছে নিয়ে এসেছিলেন। কেউই জানেন না তরুণ রেটিকাস কিভাবে কোপার্নিকাসকে রাজী করিয়েছিলেন তার হেলিওসেন্ট্রিক মডেলের পাণ্ডুলিপিটি প্রকাশ করার জন্য ( কারণ তাকে এর আগে অনুরোধ করেছিলেন আরো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবশালী ব্যক্তি)। অবশেষে ১৫৪৩ সালে এপ্রিল মাসে বিজ্ঞানের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপুর্ণ বই De revolutionibus orbium coelestium ( ইংরেজীতে On the Revolutions of the Celestial Spheres) প্রকাশিত হয়, যা পরবর্তীতে একটি বৈজ্ঞানিক বিপ্লবের সূচনা করেছিল ।

রেটিকাসের জীবনটিও বেশ নাটকীয়, জর্জ হোয়াকিম ইসেরিন নামে তার জন্ম হয়েছিল, অস্ট্রিয়ায়, ফেল্ডকার্খে। তার বাবা এই শহরের ডাক্তার ছিলেন। তার সুখের শৈশবটি সংক্ষিপ্ত হয়েছিল যখন তার বাবাকে রোগীদের কাছ থেকে টাকা চুরির দায়ে অভিযুক্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিল। কিন্তু সৌভাগ্যক্রমে তার বাবার স্থলাভিষিক্ত হওয়া ডাক্তার অ্যাকিলিস পিরমিন গাসের তার ছেলের সাথে জর্জের শিক্ষার ভার গ্রহন করেছিলেন। জুরিখে স্কুল শেষে তিনি ভিটেনবার্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন, এখানে গণিতে তার দক্ষতা প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয় পর্ব শেষে তিনি সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিতের শিক্ষক হিসাবে কর্মজীবন শুরু করেন। এখানেই তিনি তার নিজের নামের পদবী বদলে রেটিকাস ব্যবহার করতে শুরু করেন।

১৫৩৮ সালে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছুটি নিয়ে দক্ষিণ জার্মানীতে আসেন। তার প্রথম যাত্রাবিরতি ছিল নুরেমবার্গে, যেখানে তিনি ইয়োহানেস শোনারের কাছে জ্যোতির্বিদ্যার প্রশিক্ষণ নেন, এখানে তার সাথে পরিচয় হয়েছিল সেই সময়ের ইউরোগে গণিত সংক্রান্ত বইয়ের সবচেয়েে বড় প্রকাশক ইয়োহানেস পেট্রেউসের সাথে। পরে তিনি এসেছিলেন টুবিনগেনে, এখানে তিনি বেশ কয়েকজন গণিতজ্ঞের পাণ্ডুলিপি সম্পাদনার কাজ করেছিলেন। বিভিন্ন গণিতজ্ঞের সান্নিধ্যে আসার পর কোনো একটি পর্যায়ে তিনি জানতে পেরেছিলেন এরমল্যান্ডে একজন জ্যোতির্বিজ্ঞানী পৃথিবী ও মহাজগতের সম্পূর্ণ নতুন একটি পদ্ধতি নাকি উদ্ভাবন করেছেন (কোপার্নিকাস তার ধারণাটির একটি সংক্ষিপ্ত রুপ চিঠি আকারে তার কয়েকজন বন্ধুকে পাঠিয়েছিলেন, তাদের একটি সম্প্রতি আবিষ্কৃত হয়েছে সুইডেনে, এছাড়া, Commentariolus নামে একটি ছোট পুস্তিকায় তার সূর্যকেন্দ্রিক মডেলটির সংক্ষিপ্ত রূপরেখা প্রকাশ করেছিলেন তার কিছু বন্ধু ও সহকর্মীদের মধ্যে বিতরণ করতে )। কৌতূহলী রেটিকাস তাকে খুঁজে বের করার সিদ্ধান্ত নেন।

এই জ্যোতির্বিজ্ঞানী অবশ্যই কোপার্নিকাস, যখন ১৫৩৯ সালে তরুণ এই অধ্যাপক তার দরজায় হাজির হয়েছিলেন তখন তার বয়স প্রায় ছেষট্টি। পরের দুই বছর রেটিকাস কোপার্নিকাসকে রাজী করাতে চেষ্টা করেছিলেন তার পাণ্ডুলিপিটি গুছিয়ে প্রকাশ করতে, এবং নুরেমবার্গে পেট্রেউসের কাছে সেটি নিয়ে যাবার জন্যে তাকে অনুমতি দিতে । ১৫৪০ সালে রেটিকাস নিজেই কোপার্নিকাসের কাজ নিয়ে তার ধারণাগুলো প্রকাশ করেন, গণিতজ্ঞ ইয়োহানেস শোনারকে উদ্দেশ্য করে লেখা Narratio prima নামে একটি উন্মুক্ত চিঠিতে ( প্রথম রিপোর্ট) । ১৫৪১ সালে De revolutionibus ত্রিকোনমিতি অংশটি নিয়েও পৃথক একটি বই প্রকাশ করেন রেটিকাস।

১৫৪২ সালে অবশেষে তিনি পেট্রেউসের ওয়ার্কশপে কোপার্নিকাসের পাণ্ডুলিপিটি নিয়ে হাজির হয়েছিলেন। প্রকাশনার সময় সেখানে রেটিকাস সেখানে থাকতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাকে জরুরী ভিত্তিতে লাইপজিগে গণিতের অধ্যাপক পদে যোগ দেবার জন্যে চলে যেতে হয়। আর সম্পাদনার দায়িত্ব পান আনদ্রিয়াস ওসিয়ান্ডার। বিজ্ঞানের ইতিহাসে কুখ্যাত এই অসিয়ান্ডারের সেই সম্পাদনার পরিণতির প্রভাব বহু শতাব্দী ধরে প্রতিধ্বনিত হয়েছে।

ওসিয়ান্ডারকে ভিলেন বলার কারণ কোপার্নিকাসের De revolutionibus বইটির শুরুতে তিনি একটি ad lectorum (পাঠকের প্রতি ভূমিকা) যুক্ত করে দিয়েছিলেন, যেখানে বলা হয়েছিল, কোপার্নিকাসের এই হেলিওসেন্ট্রিক ( সূর্যকেন্দ্রিক) মডেলটিকে পাঠকরা একটি হাইপোথিসিস মনে করতে পারেন, মহাজগতকে এটি সত্যিকারভাবে প্রতিনিধিত্ব করছে না। ওসিয়ান্ডার নিজে অবশ্যই হিউমানিস্ট শিক্ষায় শিক্ষিত একজন ধর্মীয় যাজক ও সংস্কারক ছিলেন। সেই সময়ের প্রটেষ্টান্ট রিফর্মেশনের একজন কেন্দ্রীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। প্রকাশক ইয়োহানেস পেট্রেউসের সাথে তার সংযোগ মূলত, প্রকাশনার মাধ্যমে, কারণ তার বেশ কিছু ধর্মীয় বইয়ের প্রকাশক ছিলেন তিনি। কিভাবে তিনি সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছিলেন সেটি অজানা, এবং কোনো সূত্র নেই যা কিনা বলতে পারে ওসিয়ান্ডার নিজে কখন গণিত বিষয়ে আগ্রহী বা জ্ঞানার্জন করে উঠতে পেরেছিলেন। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট যে, একবার ফ্রাঙ্কফুর্টের বইমেলায় ইতালীয় গণিতজ্ঞ, ডাক্তার, দার্শনিক কার্ডানোর বই পাবার পর তিনি প্রকাশকের হয়ে কার্ডানোকে চিঠি লিখেছিলেন তার বইগুলোর জার্মান অনুবাদ প্রকাশ করার জন্যে, এবং পেট্রেউসের জন্যে তিনি ধারবাহিকভাবে কারডানোর বই সম্পাদনা করেছিলেন। এবং কার্ডানোর তার সম্পাদনার প্রশংসা করেও ভূমিকাও লিখেছিলেন।

যখন রেটিকাস কোপার্নিকাসের হেলিওসেন্ট্রিক জ্যোতির্বিজ্ঞান নিয়ে শোনারের উদ্দেশ্যে তার Narratio Prima লিখেছিলেন, তখন পেট্রেউসের আরেকজন সম্পাদক ছিলেন। তবে ওসিয়ান্ডারই প্রকাশকের তরফ থেকে রেটিকাসের ছোট বইটিতে বর্ণিত আবর্তনমূলক জ্যোতির্বিজ্ঞানের ইতিহাসের ব্যপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। রেটিকাস যখন পাণ্ডুলিপি নিয়ে পৌঁছেছিলেন, তখন তার উপর লাইপজিগের গণিতের অধ্যাপনা পদটি গ্রহন করার জন্যে চাপ সৃষ্টি করেছিল তার আগের বিশ্ববিদ্যালয়। তখন ওসিয়ান্ডারই সেই কাজটি প্রকাশের দায়িত্ব নেন। আর এভাবে ওসিয়ান্ডার এখানে একটি ‘অ্যাড লেকটোরাম’ যুক্ত করেছিলেন পূর্ণাঙ্গ বইটি প্রকাশের পর। আর এটাই তাকে কুখ্যাত করেছিল।

কিন্তু ইতিহাসবিদরা চেষ্টা করেছিলেন এই দায়ভার থেকে তাকে মুক্তি দিতে। কারণ সেই সময়ের প্রকাশনার ইতিহাসটি জানা গুরুত্বপূর্ণ। প্রকাশনার সেই সূচনার যুগে লেখের স্বত্ব বলে কিছু ছিলনা। প্রকাশিত বইয়ের স্বত্ব থাকতো প্রকাশকের কাছে। এবং তাকে প্রথম জবাবদিহি করতে হতো যদি প্রকাশিত বইয়ে কোনো রাষ্ট্রদ্রোহী অথবা ধর্মীয় অবমাননাকর কিছু থাকতো, অর্থাৎ এমন কিছূ সেই সময় যা কর্তৃপক্ষে ( ধর্মীয় এবং অন্যান্য) মনে করতেন অগ্রহনযোগ্য। মনে রাখতে হবে ষোড়শ শতকে মত প্রকাশের স্বাধীনতা বলে কিছু ছিলনা। কোনো সন্দেহ সেই অ্যাড লেকটোরামটি প্রকাশকই মূলত যুক্ত করতে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কারণ এর প্রমাণ আছে যখন কোপার্নিকাসের বন্ধু টিয়েডমান গিজা নুরেনবার্গ সিটি কাউন্সিলে অভিযোগ করেছিলেন তার মৃত বন্ধুর মহান বইটিতে অবমাননাকর এই ভূমিকাটি যুক্ত করে। অভিযোগের উত্তরে উত্তেজিত পেট্রেউস বলেছিলেন, এই বই তার সম্পত্তি, এবং তার ইচ্ছামত যা কিছু করার অধিকার তিনি রাখেন।

অসিয়ান্ডার পরবর্তীতে বেশ কিছু ধর্মীয় বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন এবং প্রটেস্টানিজমের নিজের একটি শাখা তিনি সৃষ্টি করেছিলেন। যাইহোক ইতিহাস প্রমাণ করেছে যে প্রকাশকই মূলত ছিলেন সেই ভিলেন, যদি কোনো ভিলেন আপনি চান। কারণ অনেক ইতিহাসবিদ যুক্তি দিয়েছেন যে এই অ্যাড লেকটোরামই De revolutionibus বইটি তাৎক্ষণিকভাবে নিষিদ্ধ হওয়া থেকে রক্ষা করেছে, যখন এটি প্রকাশিত হয়েছিল। আর এটাই কোপার্নিকাসের যুগান্তকারী হেলিওসেন্ট্রিক হাইপোথিসিসটির ( পৃথিবী মহাজগতের কেন্দ্রে স্থির (আগে যেমন ভাবা হতো) বসে নেই, বাস্তবিকভাবে এটি নিজের অক্ষ আর সূর্যের চারদিকে দ্রুতবেগে প্রদক্ষিণ করছে) মোটামুটি বাধামূক্ত প্রচারের সুযোগ করে দিয়েছিল, যা একসময় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বিজ্ঞানে।

কোপার্নিকাসের বই

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s