সুপ্রজ্ঞা অনুবাদ উদ্যোগের ছয়টি ইবুক

sankofaBird

2018-12-26_9-53-43

ইবুকগুলো প্রকাশ করেছে সেইবই

সেই বই (www.sheiboi.com)

গুগল প্লে ষ্টোরhttps://play.google.com/store/apps/details?id=raven.reader

অ্যাপল অ্যাপ স্টোর: https://itunes.apple.com/us/app/sheiboi/id976937372?mt=8

সুপ্রজ্ঞা অনুবাদ উদ্যোগের ছয়টি ইবুক

রিচার্ড ডকিন্সের দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – ইবুক

 

cover_MOR (1)

The Magic of Reality: How we know what’s really true
Richard Dawkins

অনুবাদ : কাজী মাহবুব হাসান
(সুপ্রজ্ঞা অনুবাদ উদ্যোগ) / ইবুক সংস্করণ ২০১৮

বইটি সম্বন্ধে

জাদু বহু রুপ নিতে পারে। প্রাচীন মিসরীয়রা রাতকে ব্যাখ্যা করতে প্রস্তাব করতো, রাত হচ্ছে সেই সময় যখন দেবী নুট (বা নিউথ) সূর্যকে গিলে ফেলে। ভাইকিংরা রংধনুকে মনে করতো দেবতাদের বানানো সেতু, যা ব্যবহার করে তারা পৃথিবীতে নেমে আসে। এইসব কিছুতেই জাদুময়তা আছে, অসাধারণ সব কাহিনী। কিন্তু আরো এক ধরনের জাদু আছে, আর সেই জাদুটি এই সব প্রশ্নগুলোর সত্যিকারের উত্তর আবিষ্কার করার তীব্র আনন্দের মধ্যে থাকে। আর এটাই হচ্ছে বাস্তবতার জাদু – বিজ্ঞান।

মহাশূন্য, সময় আর বিবর্তন বিষয়ে উদ্দীপ্ত করার মত অসংখ্য ব্যাখ্যা সম্বলিত, হাস্যরস আর বুদ্ধিদীপ্ত চিন্তার পরীক্ষার নানা উদহারণের সঠিক মিশ্রণে ‘‘দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি’’ বইটি প্রাকৃতিক প্রপঞ্চগুলোর বিস্ময়কর বিশাল একটি সম্ভারকে অনুসন্ধান করেছে। কোনো কিছু আসলে কি দিয়ে তৈরী? মহাবিশ্ব কত প্রাচীন? সুনামি কেন হয়? প্রথম পরুষ, অথবা নারী, কে ছিলেন? এটি সুখপাঠ্য, অসাধারণ একটি রহস্য গল্পের মত, যা শুধুমাত্র বিজ্ঞানের পুঞ্জিভূত জ্ঞানের খনিতে এর উত্তরের যোগসূত্রগুলো অনুসন্ধানই করেনি, একজন বিজ্ঞানীর মত ভাবতেও এটি এর পাঠককে প্রস্তুত করেছে ।

সব বয়সের পাঠকদের জন্যেই রিচার্ড ডকিন্স এই বইটিতে প্রাকৃতিক জগতের বিস্ময়গুলোকে ব্যাখ্যা করেছেন অননুকরণীয় স্পষ্টতা আর সমৃদ্ধতায়, যা ভবিষ্যত বহু প্রজন্মকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত এবং তথ্যাভিজ্ঞ করা অব্যাহত রাখবে।

বইটি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের অ্যাপ ভিত্তিক ইবুক প্রকাশনী প্রতিষ্ঠান:

সেই বই (www.sheiboi.com)

বইটির লিংক:

https://sheiboi.com/Pages/BookDetails.html?/Bastobotar-Jadu/2720

সেইবই অ্যাপটির ডাউনলোড লিংক:

গুগল প্লে ষ্টোরhttps://play.google.com/store/apps/details?id=raven.reader

অ্যাপল অ্যাপ স্টোর: https://itunes.apple.com/us/app/sheiboi/id976937372?mt=8

রিচার্ড ডকিন্সের দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – ইবুক

দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ এর একটি রিভিউ

দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ এর একটি রিভিউ, প্রকাশিত হয়েছে দৈনিক যুগান্তরে, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৮
লেখক জাহেদ সারওয়ারকে অনেক ধন্যবাদ। 13_r3_c1

দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ এর একটি রিভিউ

ক্যাসপার ডেভিড ফ্রিয়েডরিখ: অসীমের সীমানা

গ্রেট থিংকার্স সিরিজ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে: আসমা সুলতানা ও কাজী মাহবুব হাসান

Close your physical eye, so that you may see your picture first with the spiritual eye. Then bring what you saw in the dark to the light, so that it may have an effect on others, shining inwards from outside. A picture must not be invented, it must be felt.  C.D.Friedrich

Caspardavidfriedrich_self1-1(Self-portrait,1800)

অপ্রত্যাশিতভাবেই  গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে একটি যা শিল্পকলা আমাদের জন্যে করতে পারে, সেটি হচ্ছে আমাদের এটি শেখাতে পারে কিভাবে দুঃখ সহ্য করতে হয়। এটি সেটি করতে পারে সেই দৃশ্যগুলো আমাদের মনে জাগিয়ে ‍তুলে, যা অন্ধকার, বিষণ্ন, কষ্টকর, আর সংশয় আর বিচ্ছিন্নতায় আমরা হয়তো যে যন্ত্রণার অভিজ্ঞতায় আচ্ছন্ন হয়ে আছি সেটিকে স্বাভাবিকীকরণ ও মর্যাদা দান করে।, মাহাত্ম্য আর কারিগরী দক্ষতায় তারা উন্মোচন করে, দুঃখ মানবিক এই পরিস্থিতির আবশ্যিক একটি অংশ।

703px-Caspar_David_Friedrich_-_Wanderer_above_the_sea_of_fog-41Wanderer above the Sea of Fog (1818)

মহিমান্বিত দুঃখের একজন চিত্রকর ক্যাসপার ডেভিড ফ্রিয়েডরিখ ১৭৭৪ সালে বাল্টিক সাগরের তীরে উত্তর-জার্মানীর একটি প্রাচীন বাণিজ্যিক শহর, গ্রাইফসভাল্ডে জন্মগ্রহন করেছিলেন। খুবই সুন্দর একটি শহর, উত্তর জার্মানীর কঠোরতার মানদণ্ডে যা হতে পারে। এই জায়গাটি আগে পরিচিত ছিল সুইডিশ পোমেরানিয়া নামে।

Continue reading “ক্যাসপার ডেভিড ফ্রিয়েডরিখ: অসীমের সীমানা”

ক্যাসপার ডেভিড ফ্রিয়েডরিখ: অসীমের সীমানা

জেরি কয়েনের ‘হোয়াই ইভোল্যুশন ইজ ট্রু’ ইবুক

2018-11-17_21-33-19 (1)

জেরি কয়েনের হোয়াই ইভোল্যুশন ইজ ট্রু বইটির বাংলা অনুবাদ বিবর্তন কেন সত্য নামে অবশেষে সেইবই ইবুক অ্যাপ প্ল্যাটফর্মে হিসাবে প্রকাশিত হয়েছে।

 

বইটি প্রকাশ করার জন্যে ২০১৪ সাল থেকে চেষ্টা করছি। বেশ কয়েকজন প্রকাশকের সাথে যোগাযোগ করেছিলাম, সফল হয়নি (তাদের ইমেইলগুলো মনে রাথার মতই)। যারা প্রকাশ করবে বলেছিল, তারা আসলে এমনিই বলেছিল, মাঝখান থেকে বহু সময় নষ্ট হলো। অবশ্যই আমি এর মাঝে আরো কাজ করেছি, এই সুযোগে চেষ্টা করেছি, প্রায় পুরোটাই নতুন করে লিখতে। ২০১৫ সালের পাণ্ডুলিপিটি আমি উৎসর্গ করেছিলাম প্রয়াত অভিজিৎ রায়কে, ২০১৮ সালের ইবুকটিও তাঁর অমর স্মৃতির প্রতি উৎসর্গীকৃত। অধ্যাপক জেরি কয়েনের কাছ থেকেও অনুমতি নিয়েছিলাম, তবে অনলাইনে প্রকাশ করার ব্যপারে উনার এজেন্টের আপত্তি ছিল । কিন্তু যেহেতু আর কোনো উপায়ই নেই, তাই নিয়মটা ভাঙ্গতে হচ্ছে। জানিনা কবে এটি হার্ডকপি আকারে প্রকাশ করতে পারবো। সবার সহযোগিতা আশা করছি।

বইটি প্রকাশ করছে বাংলাদেশের অ্যাপ ভিত্তিক ইবুক প্রকাশনী প্রতিষ্ঠান:

সেই বই (www.sheiboi.com)

https://sheiboi.com/Pages/BookDetails.html?/Biborton-Keno-Sotya/2694
সেইবই অ্যাপটির ডাউনলোড লিংক:

গুগল প্লে ষ্টোর: https://play.google.com/store/apps/details?id=raven.reader

অ্যাপল অ্যাপ স্টোর: https://itunes.apple.com/us/app/sheiboi/id976937372?mt=8

জেরি কয়েনের ‘হোয়াই ইভোল্যুশন ইজ ট্রু’ ইবুক

এডওয়ার্ড হপার: নিঃসঙ্গ সূর্যমুখী

গ্রেট থিংকার্স প্রজেক্ট থেকে পরীক্ষামূলকভাবে – আসমা সুলতানা ও কাজী মাহবুব হাসান

If you could say it in words, there would be no reason to paint.  Edward Hopper

Self-portraits: Edward Hopper

এডওয়ার্ড হপার সেই সব বিষণ্ন দেখতে বহু চিত্রকর্মের চিত্রকর, যেগুলো আমাদের বিষণ্ন করে তোলেনা। এর পরিবর্তে , সেগুলো আমাদের নিঃসঙ্গতাকে শনাক্ত করতে আর মেনে নিতে সহায়তা করে যা প্রায়শই সব বিষণ্নতার হৃদয়ে লুকিয়ে থাকে।

automatAutomat (1927)

তার বিখ্যাত ‘অটোম্যাট’ চিত্রকর্মে, আমরা একটি রমণীকে একাকী বসে কফি পান করতে দেখি। স্পষ্টতই অনেক রাত, আর তার গরম কাপড়ের কোট, মাথার হ্যাট দেখে আমরা বলতে পারি বাইরে বেশ ঠাণ্ডাও। ঘরটিকে মনে হয় বেশ বড়, উজ্জ্বল আলোয় আলোকিত এবং সেখানে আর কাউকে আমাদের চোখে পড়েনা। অন্দরসজ্জাও খুবই ব্যবহারিক, রমনীটি দেখতে মনে হয় আত্ম-সচেতন, অপ্রতিভ, খানিকটা ভীত। হয়তো এভাবে বাইরে কোথায় একাকী বসে থাকতে সে অভ্যস্ত নয়। স্পষ্টতই যেন মনে হয় কোনো খারাপ কিছু ঘটেছে। সে দর্শককে আমন্ত্রণ জানায় তাকে নিয়ে কাহিনী কল্পনা করতে, বিশ্বাসঘাতকতা অথবা কোনো কিছু হারানোর। মনে হয় যেন সে চেষ্টা করছে তার হাত যেন না কাপে, যখন যে কফির কাপ তার ঠোঁটের কাছে নিয়ে আসছে। উত্তর আমেরিকার যে কোনো অন্ধকার বড় শহরের ফেব্রুয়ারীর রাত এগারোটার দৃশ্য হতে পারে এটি।

Continue reading “এডওয়ার্ড হপার: নিঃসঙ্গ সূর্যমুখী”

এডওয়ার্ড হপার: নিঃসঙ্গ সূর্যমুখী

সাই টম্বলি: সাংবেশিক আঁচড়ের বিমূর্ত ইশারা

গ্রেট থিংকার্স প্রজেক্ট থেকে পরীক্ষামূলকভাবে: আসমা সুলতানা ও কাজী মাহবুব হাসান

বিমূর্ত শিল্পকলা সম পরিমান বিরক্ত আর সংশয় উদ্রেক করা অব্যাহত রেখেছে। আপনি হয়তো জানেন বিমূর্ত শিল্পকলা কেমন: শূন্য সাদা একটি ক্যানভাস, ঠিক মাঝখানে গভীর কালো একটি , হলুদ পটভূমির উপর  বেগুনী রঙের একটি ছোপ, আটটি ইস্পাতের দণ্ড এলোমেলো স্তুপাকারে সাজানো, এর মানে কি হতে পারে ? কেউ কি ঠাট্টা করছে আমাদের সাথে? একটা শিশুও তো পারে …..

(Rose Series)

আরো খানিকটা সহমর্মিতাপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি অবলম্বন করতে (যা উপযোগী আর পক্ষপাতহীন হবে) আমাদের প্রথম মূলনীতিতে ফিরে যেতে হবে এবং জিজ্ঞাসা করতে হবে:  কোনো কিছু আসলেই যেমন দেখতে সেটি সেভাবে না দেখানোর মধ্যে ভালো কি বিষয় থাকতে পারে? বিমূর্ত শিল্পকলার কেন্দ্রীয় উদ্দেশ্যটি হচ্ছে সব ধরনের প্রতিনিধিত্বকে পাশ কাটিয়ে সরাসরি আবেগের কাছে পৌছানো। সঙ্গীতের মত, বিমূর্ত শিল্পকলাকে সবচেয়ে ভালোভাবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে ইকোইং হিসাবে (অর্থাৎ মূল শব্দ শেষ হবার পর সেটির প্রতিধ্বনি) অথবা, আমাদের আভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি অথবা মেজাজের একটি রুপ দেয়া। কিছু কিছু বিষয় হয়তো আপেক্ষিকভাবে সহজবোধ্য, যেমন, প্রশান্তি অথবা ক্রোধ, অন্যগুলো ভাষায় সহজে সংজ্ঞায়িত করার অসম্ভব। সেকারণে এমন কিছু বলা খুব একটা সহায়ক নয়: এই পেইন্টিংটা তো কোনো কিছুর মত দেখতে না। সত্যি, এটি বাইরের পৃথিবীর কোনো কিছুর মত দেখতে নয় ঠিকই, কিন্তু তার কারণ অভ্যন্তরের জগতকে প্রতিনিধিত্ব করাই এটির মূল উদ্দেশ্য। বরং যে প্রশ্নটি আমাদের জিজ্ঞাসা করা উচিৎ হবে: এই পেইন্টিংটি দেখে ঠিক কেমন অনুভূতি হচ্ছে?  এটি কি আমার কোনো আবেগীয় অবস্থাকে জাগিয়ে তুলছে? মানব জাতির কোন আভ্যন্তরীণ দৃশ্যপটকে এখানে হাজির হবার জন্যে নির্দেশ দেয়া হয়েছে?

Continue reading “সাই টম্বলি: সাংবেশিক আঁচড়ের বিমূর্ত ইশারা”

সাই টম্বলি: সাংবেশিক আঁচড়ের বিমূর্ত ইশারা