ইসলাম ও সহিষ্ণুতার ভবিষ্যৎ: একটি সংলাপ (ইবুক)

ইসলাম ও সহিষ্ণুতার ভবিষ্যৎ: একটি সংলাপ বইটি স্যাম হ্যারিস (Sam Harris) ও মাজিদ নাওয়াজের (Maajid Nawaz) Islam and the Future of Tolerance (2015) (Harvard University Press.) বইটির একটি অনুবাদ প্রচেষ্টা। 

বইটি প্রকাশ করছে বাংলাদেশের অ্যাপ ভিত্তিক ইবুক প্রকাশনী প্রতিষ্ঠান:

সেই বই (www.sheiboi.com)

https://sheiboi.com/Pages/BookDetails.html?/Islam-Ebong-Sahishnutar-Vobishyat-:-Ekti-Songlap/2637

সেইবই অ্যাপটির ডাউনলোড লিংক:

গুগল প্লে ষ্টোর– https://play.google.com/store/apps/details?id=raven.reader

অ্যাপল অ্যাপ স্টোর https://itunes.apple.com/us/app/sheiboi/id976937372?mt=8

ইসলাম ও সহিষ্ণুতার ভবিষ্যৎ: একটি সংলাপ (ইবুক)

লুই কান: আলোর স্থপতি

গ্রেট থিংকার্স প্রজেক্ট থেকে পরীক্ষামূলকভাবে: আসমা সুলতানা ও কাজী মাহবুব হাসান

Salk Institute at the Vernal Equinox

আধুনিক স্থাপত্য সত্যিকারভাবে বহু নতুন আর যুগান্তকারী সৃষ্টির দাবী করতে পারে: ঝলমলে, আকাশ ছোঁয়া উচু দালান, ভাঁজ করা অরিগামীর মত অপেরা হাউস, কিংবা এমনকি নভোযানের মত যাদুঘর। তবে সব কিছুরই নতুনত্বের সাক্ষ্য বহন করতেহবে এমনি একটি দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহন করার ফলশ্রুতিতে স্থাপত্যকলার এই আধুনিকতাবাদভাবজড়তায় আক্রান্ত হয়, যে বিষয়গুলো কোনো একটি দালানকে সুন্দর করে তুলতো সেগুলো বেশীর ভাগই এখন পরিত্যাগ করা হয়েছে। তবে আধুনিক যুগের সেরা স্থপতিরা এইভ্রান্তিটাকে এড়িয়ে যেতে পেরেছিলেন, পুরোনো, একঘেয়ে প্রচলিত ভাবনাগুলো পরিত্যাগ করলেও সফলভাবে তারা সেই ঐতিহ্যের অর্থবহ আর সুন্দর বিষয়গুলো তাদের সৃষ্টির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে পেরেছিলেন। আর সম্ভবত এই ভারসাম্যটি সবচেয়ে সফলভাবে অর্জন করতে পেরেছিলেন খামখেয়ালী, আত্মভোলা এক আমেরিকান, যার নাম লুই কান (Louis Isadore Kahn (জন্ম নাম: Itze-Leib Schmuilowsky)।

Continue reading “লুই কান: আলোর স্থপতি”

লুই কান: আলোর স্থপতি

আর্ট, নাকি আর্ট না

দার্শনিক ডেমন ইয়ং এবং গ্রাহাম প্রিস্টের একটি লেখা অবলম্বনে: 
কাজী মাহবুব হাসান ও আসমা সুলতানা

মার্সেল দ্যুশাঁর ফাউন্টেইন (১৯১৭)

শিল্পকলা এবং দর্শনের জন্যএকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছিল ১৯১৭ সালে: শিল্পী মার্সেল দুশ্যাঁ, আলফ্রেড স্টাইগলিৎসের নিউ ইয়র্ক স্টুডিওতে প্রথমবারের মত জনসমক্ষে প্রদর্শন করেছিলেন তাঁর অভূতপূর্ব শিল্পকর্ম, ‘ফাউন্টেইন’। আর সেটি ছিল, শুধুমাত্র একটি ইউরিনাল, চীনামাটির একটি মূত্রাধার, যেখানে শুধু স্বাক্ষর করা ছিল ‘R. Mutt’। এইশিল্পকর্মটি খুবই কুখ্যাত এর পরিচিতিতে। এমনকি আভোঁ-গার্ড শিল্পিদের মানদণ্ডেও। এটি বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে আলোচিত একটি শিল্পকর্মে রূপান্তরিত হয়েছিল। সোসাইটি অব ইন্ডিপেন্ডেন্ট আর্টিস্টস এটিকে প্রত্যাখ্যান করেছিল, যদিও প্রদর্শনী ফি দিয়েছে এমন সব শিল্পীদের শিল্পকর্ম সেখানে প্রদর্শন করার কথা ছিল।

Continue reading “আর্ট, নাকি আর্ট না”
আর্ট, নাকি আর্ট না