মানুষ, সব কিছুর মানদন্ড যে : প্রথম পর্ব

কেনেথ ক্লার্ক এর ‘সিভিলাইজেশন’ এর চতুর্থ অধ্যায় ম্যান দি মেজার অফ অল থিংস এর অনুবাদ প্রচেষ্টা..

(আসমা সুলতানা ও কাজী মাহবুব হাসান)


উরবিনো’র ডুক্যাল প্যালেসের কোর্টইয়ার্ড

যে মানুষগুলো ফ্লোরেন্সকে (১)  ইউরোপের সবচেয়ে ধনী শহরে রুপান্তরিত করেছিল, ব্যাঙ্ক-ব্যবসায়ী পুঁজিরক্ষকরা, পশমি কাপড় আর সুতোর ব্যবসায়ীরা, ধার্মিক বাস্তববাদীরা বাস করতেন আত্মরক্ষামূলক,নির্মম অবন্ধুভাবাপন্ন ঘরে, যেগুলো যথেষ্ট পরিমান শক্তিশালী ছিল সংঘাতময় দলগুলো মধ্যে দ্বন্দ এবং দাঙ্গায় সম্ভাব্য ক্ষতি থেকে নিজের অবস্থান টিকিয়ে রাখার জন্য। কিন্তু কোনভাবেই সেই নির্মানগুলো সভ্যতার ইতিহাসের সবচেয়ে অসাধারন পর্বটির আগমনের কোন পূর্বাভাষ দেয়নি, আমাদের কাছে যা পরিচিত রেনেসাঁ নামে। আপাতদৃষ্টিতে কোন কারণই নেই, কেন হঠাৎ করেই এই অন্ধকার সংকীর্ণ রাস্তা থেকেই উদ্ভুত হয়েছে এইসব আলোকময় রৌদ্রকরোজ্জল গোলাকৃতির খিলান সহ আর্কেড বা বাজার, ঋজু কার্ণিশের নীচে, আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে তারা যেন কোথাও ছুটে চলছে। তাদের ছন্দময়তা আর সুসমতায়, তাদের উন্মুুক্ত এবং উষ্ণ অভ্যর্থনাময় অনুভুতির সৃষ্টি করা মত চরিত্রটি সম্পুর্ণভাবে স্ববিরোধী বিষন্ন কৃষ্ণ গথিক শিল্পশৈলী যা এর আগে প্রাধান্য বিস্তার করে ছিলএবং এখনও কিছুটা পর্যায় অবধি  যা এদের পরিবেষ্টন করে রেখেছে। আসলে কি ঘটেছিল? গ্রীক দার্শনিক প্রোটাগোরাস (২) এর একটি বাক্যেই এর উত্তর আছে, ‘মানুষই হচ্ছে সব কিছুর মানদন্ড’। পাৎসি চ্যাপেল (৩), ১৪৩০ এর কাছাকাছি কোন সময়ে এটি নির্মাণ করেছিলেন ফ্লোরেন্সবাসী স্থপতি ব্রুণেলেসকি (৪) , চ্যাপেলটির স্থাপত্যশৈলী এমন ছিল যে এটিকে বলা হয়ে থাকে মানবতাবাদের স্থাপত্যকলা। তার বন্ধু এবং সহকর্মী স্থপতি লিওন বাতিস্তা আলবের্টি  (৫) মানুষের উদ্দেশ্যে এই শব্দগুলো ব্যবহার করেছিলেন: ‘তোমাকে দেয়া হয়েছে সব প্রাণী অপেক্ষা অধিকতর সুন্দর শরীর, তোমাকেই দেয়া হয়েছে দক্ষতা বহু কাজের আর গতিময়তার, তোমাকে দেয়া হয়েছে অনুভব করার জন্য সবচেয়ে তীক্ষ্মতম ইন্দ্রিয়, বুদ্ধিমত্তা, যুক্তি, অমর দেবতার মত স্মৃতিশক্তি।’


প্রোটাগোরাস

লিওন বাতিস্তা আলবার্টি

ফিলিপো ব্রুণেলেসকি

বেশ, অবশ্যই সঠিক নয় যে আমরা মানুষরা অন্য যে কোন প্রাণি অপেক্ষা অধিকতর সুন্দর এবং এই মুহুর্তে আমরা অমর দেবতাদের মত কিছু অনুভবও করতে পারছিনা। কিন্তু ১৪০০ খ্রিস্টাব্দে ফ্লোরেন্সবাসীরা সেটি অনুভব করতে পেরেছিলেন। এর চেয়ে আর কোন উত্তম উদহারণ নেই যে কিভাবে একটি সভ্যতার বিস্ফোরণ নির্ভর করেছিলো পঞ্চদশ শতাব্দীর শুরুর বছরগুলোতে ফ্লোরেন্সবাসীদের মানসিক অবস্থার চেয়ে বরং তাদের আত্মবিশ্বাসের উপর। প্রায় ত্রিশ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে এই ছোট প্রজাতন্ত্রের সমৃদ্ধতার পতন ঘটেছে, এই সমৃদ্ধতা বস্তুবাদিতা অর্থে, ধন সম্পদের পরিমাপে, যা পরিচালিত করে আসছিলেন গণতান্ত্রিক উপায়ে ইতিপূর্বে আর কোথাও ক্ষমতার জন্য নির্বাচিত হয়নি এমন অত্যন্ত মেধাবী ব্যক্তিদের একটি দল। সালুতাতি (৬)  থেকে শুরু করে সব ফ্লোরেন্স এর সব চ্যান্সেলরই (৭)  ছিলেন বিদ্বান ও প্রাজ্ঞ ব্যক্তিরা, যারা বিশ্বাস করতেন স্টুডিয়া হিউমানিটাটিসে (৮) ,যেখানে শিক্ষা অর্জন একটি প্রায়োগিক উপায় হতে পারে সুখী জীবন অর্জণ করার জন্য, তারা ছিলেন যে কোন জনহিতকর কর্মকান্ডে মুক্ত বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগে বিশ্বাসী, এবং সর্বোপরি ফ্লোরেন্স এর উপর তাদের ছিল বিশ্বাস।


সালুতাতি

এই সব মানবতাবাদী চ্যান্সেলরদের মধ্যে দ্বিতীয় এবং সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ছিলেন লেওনার্ডো ব্রুণী(৯) , যিনি ফ্লোরেন্স প্রজাতন্ত্রের সামাজিক ও পৌর সদগুণাবলীর সাথে রোম প্রজাতন্ত্রের সেই বিষয়গুলোর তুলনা করেছিলেন। পরে তিনি আরো অগ্রসর হয়ে পেরিক্লিসের(১০)  সময়কালীন এথেন্সের সাথে তুলনা করেছিলেন ফ্লোরেন্সকে। এ অবধি যে সব মধ্যযুগীয় দার্শনিকরা যারা তাদের নিজেদের সময়কে ভেবেছেন ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে, তাদের বিষন্ন হবার প্রবণতা ছিল। ‘আমরা হচ্ছি বামন সদৃশ’ বলেছিলেন জন অফ সালিসবুরী (১১) , ‘যারা দাড়িয়ে আছি দানবদের কাধের উপর’। কিন্তু ব্রুণী ফ্লোরেন্স প্রজাতন্ত্রকে দেখেছিলেন গ্রীক ও রোমের সেই সদগুণগুলোর পুনরুজ্জীবিত একটি রুপ হিসাবে। এবং সান্তা ক্রোসে’র (১২)  চার্চে তার সমাধিফলকের উপর খোদাই করা আছে, ‘ইতিহাস শোকে ম্যুহমান’।


জন অফ সালিসবুরী


লেওনার্ডো ব্রুণী


পেরিক্লিস


পাৎসি চ্যাপেল, ফ্লোরেন্স

এই খোদাই করা বাক্যটিকে ধরে আছে দুটি ডানাযুক্ত শরীর, যারা, যেহেতু এটি কোন চার্চে অবস্থিত, কেউ হয়তো তাদের বলতে পারেন দেবদুত, কিন্তু তারা আসলে রোমের বিজয় স্মারক আর্চের উপর খোদাই করা অর্জিত বিজয়ের চিহ্ন। এবং তাদের উপর, ব্রুণির শবাধারের পাটাতনের ভার বহন করছে রাজকীয় ইগল। এটা সত্যি যে তার লুনেট (১৩)  এর উপর খোদাই করা আছে ম্যাডোনা, কিন্ত এই সমাধির গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো সজ্জিত হয়ে মূলত ধ্রুপদী প্রতিকের দ্বারা এবং তারা একটি আদর্শরই প্রকাশ যা পঞ্চদশ শতাব্দীতে মধ্যযুগীয় নাইটদের মতো বীরোচিত আচরণকে প্রতিস্থাপিত করেছিল – সেটি হচ্ছে খ্যাতি; কোন একজন অসাধারণ ব্যক্তির চুড়ান্ত পুরষ্কার। ব্রুণী ও তার সুহৃদরা এই সব আদর্শ আহরণ করেছিলেন গ্রীক ও রোমের লেখকদের কাছ থেকে। রেনেসাঁ সম্বন্ধে কেউ যত খুশী নতুন কিছু বলতে ইচ্ছা প্রকাশ করুক না কেন, এটি প্রধাণত প্রাচীন সাহিত্যে অধ্যয়নের উপর নির্ভর করেছিল এই পুরোন বিশ্বাসটি এখনও সত্য বলেই প্রমানিত হয়।


রসেলিনো (১৪) , লেওনার্ডো ব্রুণীর সমাধি, ফ্লোরেন্স

অবশ্যই মধ্যযুগে অনেক কিছুরই উদ্ভব হয়েছে ধ্রুপদী প্রাচীন যুগ থেকে, এমন কি যতটা ভাবা হয় তারচেয়েও বেশী। কিন্তু তাদের উৎসগুলো ছিল সীমাবদ্ধ, তাদের সেই গ্রন্থের মুল পাঠাংশ ছিল বিকৃত এবং তাদের ব্যাখ্যা প্রায়শই কল্পনাপ্রবণ। প্রায় সত্যিকারের অন্তর্দৃষ্টি নিয়ে প্রথম যে মানুষটি ধ্রুপদী লেখকদের পড়েছিলেন, তিনি পেত্রার্ক (১৫) , চতুর্দশ শতাব্দীর সেই জটিল ব্যক্তিত্বটি, মানবতাবাদের সেই মিথ্যা উষালগ্নে যার ভালোবাসা ছিল বীপরিতের প্রতি, খ্যাতির প্রতি এবং নির্জনতার প্রতি, প্রকৃতি আর রাজনীতির প্রতি, বাগ্মীতা আর আত্ম-অনুসন্ধানের প্রতি; আর সে বিষয়গুলো তাকে প্রথম আধুনিক মানুষ হিসাবে আমাদের ভাবতে সাহায্য করে – যতক্ষন না পর্যন্ত আমরা তার বই পড়তে শুরু করি। পেত্রার্ক কখনো গ্রীক ভাষা শেখেননি, তাঁর সমসাময়িক অপেক্ষাকৃত তরুণ লেখক বোকাচ্চিও (১৬) শিখেছিলেন। এবং সুতরাং ফ্লোরেন্স এর চিন্তাধারায়  নতুন একটি সঞ্জীবনী শক্তি প্রবেশ করেছিল এবং সেই সাথে একটি নতুন উদহারণ। যখন ব্রুনি ফ্লোরেন্সকে এথেন্স এর সাথে তুলনা করেছিলে, তিনি থুসাইডাইডিস (১৭) পড়েছিলেন।


ফ্রানচেসকো প্রেত্রার্কা ( পেত্রার্ক)


জিওভানি বোকাচ্চিও


থুসাইডাইডিস

নোট:

(১) ফ্লোরেন্স ( ইতালীয় ফিরেনসে) ইতালী তুসকানী অঞ্চলের একই নামের প্রদেশের রাজধানী। মধ্যযুগে ইউরোপের অন্যতম প্রধান বানিজ্য কেন্দ্র ছিল। রেনেসাঁর সূচনা হয়েছিলো এই শহরে বলে মনে করা হয়। মধ্যযুগের এথেন্স হিসাবে পরিচিত ছিল।
(২)  প্রোটাগোরাস (৪৯০-৪২০ খ্রিস্ট পূর্বাব্দ) গ্রীক দার্শনিক, প্রাক-সক্রেটিস পর্বের, প্লেটো তার প্রোটাগোরাস ডায়ালগে তাকে চিহ্নিত করেছিলেন পেশাজীবি সোফিস্টদের দ্বায়িত্ব নির্ধারণ করার জন্য। প্রাচীন গ্রীকে ও রোমে সোফিস্টদের নির্দিষ্ট কোন বিষয়ের বিশেষ শিক্ষক হিসাবে চিহ্নিত করা হতো।
(৩) পাৎসি চ্যাপেল (কাপেলা দেল পাৎসি) রেনেসাঁ স্থাপত্যের একটি মাস্টারপিস, এটির অবস্থান কেন্দ্রীয় ইতালীর ফ্লোরেন্স এ। যদিও ১৪২৯ সালে ধনবান পাৎসি পরিবারের আন্দ্রিয়া পাৎসি এটি নির্মানের জন্য অর্থ যোগাড় করেছিলেন, এটি শেষ হয় স্থপতি ফিলিপো ব্রুনেলেস্কির মৃত্যুরও দুদশক পরে ১৪৬০ এর দশকে।
(৪) ফিলিপো ব্রুনেলেসকি (১৩৭৭-১৪৪৬) রেনেসাঁ পর্বের একজন স্থপতি, তিনি সবচেয়ে বিখ্যাত রৈখিক দর্শানুপাত বা লিনিয়ার পারর্সপেকটিভের আবিষ্কার ও ফ্লোরেন্স ক্যাথিড্রালে বিখ্যাত ডোম নির্মান। এছাড়াও তিনি ছিলেন গনিতজ্ঞ, ভাস্কর।
(৫)  লিওন বাতিস্তা আলবের্টি (১৪০৪-১৪৭২) মানবতাবাদী লেখক, শিল্পী, স্থপতি, কবি,ভাষাবিদ, দার্শনিক।
(৬) কলুচ্চিও সালুতাতি (১৩৩১-১৪০৬) রেনেসাঁ ইতালীর অন্যতম গুরুত্বপুর্ণ রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব, ফ্লোরেন্সের চ্যান্সেলর ছিলেন (১৩৭৪)
(৭)  চ্যান্সেলর, মূলত সিভিল সার্ভিস বা আমলাদের প্রধাণ।
(৮)  স্টুডিয়া হিউমানিটাটিস , রেনেসাঁ পর্বে মানবতাবাদীদের সৃষ্ট একটি পাঠ্যসূচী, এর অন্তর্ভুক্ত ছিল ক্ল্যাসিকাল সাহিত্য,ইতিহাস, রেটোরিক,ডায়ালেকটিক, প্রাকৃতিক দর্শন,গনিত এবং কিছু মধ্যযুগীয় বই। এছাড়া আধুনিক কিছু ভাষা সহ গ্রীক ভাষা এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
(৯) লেওনার্ডো ব্রুণী ( লেওনার্ডো আরেটিনো) (১৩৭০-১৪৪৪) মানবতাবাদী ইতিহাসবিদ এবং রাজনীতিবিদ, তাকে প্রথম আধুনিক ইতিহাসবিদ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
(১০)  পেরিক্লিস (৪৯৫-৪২৯ খ্রিস্ট পূর্বাব্দ) প্রভাবশালী গ্রীক সমরনায়ক ও রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন। ৪৮০ থেকে ৪০৪ এই সময়টাকে সাধারণত বলা হতো গ্রীক সভ্যতার স্বর্ণযুগ, এর শেষাংশ পরিচিত এজ অফ পেরিক্লিস।
(১১) জন অফ সালিসবুরী (১১২০-১১৮০) ইংরেজ ধর্মযাজক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ, লেখক এবং শার্ত্রে’র বিশপ ছিলেন।
(১২)  ব্যাসিলিকা অফ সান্টা ক্রোসে, ফ্লোরেন্সের একটি চার্চ, ১২৯৪ সালে এটি নির্মান শুরু হয়েছিলো, এটি বিখ্যাত আরো একটি কারনে, এখানে সমাধি আছে বিখ্যাত কিছু ইতালীয় প্রতিভাবানদের, যেমন মাইকেলেঞ্জেলো,রসিনি, গ্যালিলেও, মেকিয়াভেলী। একারনে এর নাম টেম্পল অব দি ইতালীয়ান গ্লোরিস।
(১৩) ল্যুনেট, স্থাপত্যে লুনেট হচ্ছে অর্ধ-চন্দ্রাকৃতির একটি অংশ যা আনুভূমিক কার্নিশ ও খিলান যেখানে পরস্পরের সাথে মিলিত হয় তার উপরে থাকে।
(১৪) বার্নার্ডো রসেলিনো (১৪০৪-১৪৬৯), ইতালীয় ভাস্কর এবং স্থপতি।
(১৫) ফ্রানচেসকো প্রেত্রার্কা ( পেত্রার্ক) (১৩০৪-১৩৭৪) রেনেসাঁ ইতালীর একজন স্কলার এবং কবি। তাকে মানবতাবাদের জনক হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। প্রথম দিককার মানবতাবাদী পেত্রার্ক রোমান দার্শনিক মার্কাস টুলিয়াস সিসেরো’র লেটার পুণআবিষ্কার করা মাধ্যমে ইতালী রেনেসাঁ পর্বের সুচণা করেছিলেন বলে মনে করা হয়।
(১৬)  জিওভানি বোকাচ্চিও (১৩১৩-১৩৭৫) ইতালীয় কবি, লেখক। প্রেত্রার্কের সাথে তাঁর যোগাযোগ ছিল। রেনেসাঁ পর্বের গুরুত্বপূর্ণ মানবতাবাদী।
(১৭) থুসাইডাইডিস (৪৬০-৩৯৫ খ্রিস্ট পূর্বাব্দ) গ্রীক দার্শনিক, ইতিহাসবিদ, যাকে প্রথম বৈজ্ঞানিক ইতিহাসবিদ হিসাবে ভাবা হয়ে থাকে।
 
((((চলবে))))))))))))))))))

Advertisements
মানুষ, সব কিছুর মানদন্ড যে : প্রথম পর্ব

2 thoughts on “মানুষ, সব কিছুর মানদন্ড যে : প্রথম পর্ব

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s