রিচার্ড ডকিন্স এর দি গ্রেটেষ্ট শো অন আর্থ : চতুর্থ অধ্যায় (প্রথম পর্ব)

how_igneous_rocks_are_created
ছবি: আগ্নেয় শিলা সৃষ্টি হবার প্রক্রিয়া

igneous rocks

ছবি: কয়েক ধরণের আগ্নেয়শিলা: উপরে বাদিক থেকে: গ্রানাইট, ব্যাসল্ট, রায়োলাইট, অবসিডিয়ান, নীচে বাদিক থেকে: পরফাইরি, স্কোরিয়া,পিউমিক, পেগমাটাইট

13-05-2013 11-54-49 PM
ছবি: রক চক্র (Rock Cycle), জেমস হাটনের প্রথম প্রস্তাবিত রক সাইকেল, চক্রটিতে দেখাচ্ছে কিভাবে আগ্নেয়শিলা তৈরী হবার পর এটি ক্রমশ পাকৃতিক নানা শক্তিতে ক্ষয় হয়ে প্রথমে পাললিক বা সেডিমেন্টরী শিলা, এর পর মেটামরফিক শিলা হয়ে পুণরায় রুপান্তরিত হয় গলিত ম্যাগমায়;

14-05-2013 12-32-53 AMছবি: শিলা চক্র বা Rock cycle এর আরেকটি ছবি;

hi_Rock_cycle_bigছবি: ছবি: শিলা চক্র বা Rock cycle এর আরেকটি ছবি;

img005ছবি:  সেডিমন্টরী বা পাললিক শিলা তৈরী হবার প্রক্রিয়া

sandstone1
ছবি: কয়েক ধরনের সেডিমেন্টরী বা পাললিক শিলা; উপরে বা থেকে: স্যান্ড স্টোন, লাইম স্টোন, মাঝে বায়ে: শেল স্টোন, কনগ্লোমেরেট স্টোন;
নীচে বা েথেকে: জিপসাম, স্যান্ড স্টোনে একটি জীবাশ্ম উদ্ভিদ, প্রায় ৩০০ মিলিয়ন বছর আগে কার্বনিফেরাস পর্বের একটি উদ্ভিদের জীবাশ্ম, যার নাম হর্স টেইল বা Horsetail (genus: Equisetum), ভাস্কুলার এই উদ্ভিদটি সাধারনত কয়লার ডিপোসিটে পাওয়া যায়।

_________________________
রিচার্ড ডকিন্স এর দি গ্রেটেষ্ট শো অন আর্থ :  চতুর্থ অধ্যায় (প্রথম পর্ব)
( অনুবাদ প্রচেষ্টা: কাজী মাহবুব হাসান)

The Greatest Show on Earth: The evidence for evolution by Richard Dawkins

 প্রথম অধ্যায়
দ্বিতীয় অধ্যায়
তৃতীয় অধ্যায় ( প্রথম পর্ব)
তৃতীয় অধ্যায় ( দ্বিতীয় পর্ব)
তৃতীয় অধ্যায় ( শেষ পর্ব)

নীরবতা এবং মন্থর সময় ….

চতুর্থ অধ্যায়: প্রথম পর্ব: নীরবতা এবং মন্থর সময়

ইতিহাস-অস্বীকারকারীরা যারা বিবর্তনের সত্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন,তারা যদি জীববিজ্ঞানে অজ্ঞ হয়ে থাকেন, তাহলে যারা ভাবেন যে এই পৃথিবীর জন্ম হয়েছে দশ হাজার বছরেরও কম কোন সময়ে,তাদের আসলে শুধু অজ্ঞ বলার চেয়েও খারাপ কিছু বলা প্রয়োজন, তারা প্রায় বিকৃত পর্যায়ে বিভ্রান্ত। তারা শুধু জীববিজ্ঞানের প্রমানিত সত্যটাকেই সন্দেহ করছে না, বরং পদার্থবিদ্যা, ভুতত্ত্ববিদ্যা, কসমোলোজী, প্রত্নতত্ত্ববিদ্যা,ইতিহাস এবং রসায়নের সত্যকেও সন্দেহ করছে। এই অধ্যায়টির মুল বিষয় হলো, কেমন করে আমরা পাথর এবং এর মধ্যে প্রস্তরীভুত হয়ে থাকা কোন জীবাশ্মর বয়স জানতে পারি। কারন পাথরই প্রমান দেয় এই গ্রহে জীবন যে সময়ের মাত্রায় কাজ করে তা হাজার হাজার বছর না বরং হাজার কোটি বছরের হিসাবেই কেবল পরিমাপ করা সম্ভব।

মনে আছে নিশ্চয়ই ( আগের অধ্যায়গুলোতে প্রসঙ্গটি এনেছিলাম), বিবর্তন বিজ্ঞানী হচ্ছেন সেই গোয়েন্দার মত, যিনি কোন অপরাধ দৃশ্যে  এসে পৌছান বিলম্বে, অপরাধটি ঘটে যাবার পর। সেখানে ঠিক কখন কি ঘটেছে, সেটা নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে খুজে বের করার জন্য আমরা ভরসা করি সময়-নির্ভর কিছু প্রক্রিয়ার ফেলে যাওয়া অবশিষ্টাংশর উপর – খানিকটা সম্প্রসারিত অর্থে যাদের আমরা বলতে পারি : ঘড়ি। যে কোন হত্যা রহস্যর সুরাহা করতে তদন্তরত গোয়েন্দারা প্রথমেই যে কাজগুলো করেন তার অন্যতম হলো শবদেহ পরীক্ষা করার ডাক্তারকে বা প্যাথলজিষ্টকে পরিমাপ করতে বলেন যে, ঠিক কোন সময় মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটেছিল, যাকে বলে টাইম অব ডেথ বা মৃত্যুক্ষন ; আর এই গুরুত্বপুর্ণ তথ্য থেকে অনেক কিছুই আমরা জানতে পারি।এবং রহস্য উপন্যাসে ডাক্তার বা প্যাথলজিষ্টদের মৃত্যুর এই সঠিক সময়ক্ষন পরিমাপ করার বিষয়টাকে প্রায় অ্যাধ্যাত্মিক একটি মর্যাদা দেয়া হয়েছে। যে কোন হত্যা তদন্তে মৃত্যুক্ষন বা টাইম অব ডেথ একটি মুখ্য তথ্য, কোনভাবেই ভুল হওয়া উচিৎ নয় এমন যে তথ্যটির উপর গোয়েন্দাদের অন্যান্য সম্পুরক ধারনাগুলোও নির্ভর করে। কিন্তু এই অনুমানের মাধ্যমে নির্ধারন করা সময় ক্ষনটি, অবশ্যই ভুল হবার সম্ভাবনা আছে, যে ভুলটাও পরিমাপ করা সম্ভব এবং সেটি বিশালও হতে পারে। প্যাথলজিষ্টরা সাধারনত বেশ কয়েকটি সময়-নির্ভর প্রক্রিয়া ব্যবহার করেন মৃত্যুর সঠিক সময়টি নির্ধারণ করার জন্য: যেমন, আমাদের শরীর সাধারনত মৃত্যুর পর শীতল হয় একটি নির্দিষ্ট হারে, রাইগর মর্টিস ( মৃত্যুর পর শরীর শক্ত হয়ে আসা) শুরু হয় একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর ইত্যাদি। কোন খুনের তদন্তকারীদের হাতে বেশ কিছু সময় নির্ভর প্রক্রিয়া বা ঘড়ি আছে এই সময়টি অনুমান করার জন্য। যদিও এগুলো যথেষ্ট সুক্ষ্ম কোন পদ্ধতি না। কিন্তু বিবর্তন বিজ্ঞানীদের কাছে যে সময় নির্ভর প্রক্রিয়া বা ঘড়িগুলো আছে, সেগুলো নির্ভুল হবার সম্ভাবনা আরো বেশী – বিশেষ করে যে বিশাল সময় তারা পরিমাপ করতে সক্ষম সেই অনুপাতে; তবে অবশ্যই একেবারে নিকটবর্তী ঘন্টা পরিমাপ করতে পারার মত নির্ভুল না। কোন একটি নির্ভুল ঘড়ির সাথে এই তুলনামুলক রুপকটি একজন প্যাথলজিষ্ট এর হাতে শীতল মৃতদেহর চেয়ে বরং একজন ভুতাত্ত্বিকের হাতে জুরাসিক শিলার ক্ষেত্রেই বেশী প্রযোজ্য।

বিবর্তনের সময় নিরুপনে প্রক্রিয়ার মানদন্ডে মানুষের বানানো ঘড়ি যে সময়ের স্কেলে কাজ করে তা আসলে খুবই ক্ষুদ্র – ঘন্টা, মিনিট, সেকেন্ড এবং সময় নির্ভর যে প্রক্রিয়া সেখানে ব্যবহৃত হয় সেগুলো খুব দ্রুত একটি প্রক্রিয়া: যেমন পেন্ডুলামের দোল খাওয়া, নিজের অক্ষের উপর হেয়ারস্প্রিং ( যে সুক্ষ প্যাচানো স্প্রিং, যার উপর ঘড়ির ব্যালান্স হুইলটা বসানো থাকে) এর ঘুর্ণণ, কোন স্ফটিকের কম্পন, বা কোন মোমবাতির জ্বলন, কোন পানি পাত্র থেকে পানির অপসারন, কিংবা বালি ঘড়ি, পৃথিবীর ঘুর্ণন ( সুর্য ঘড়ি দিয়ে যা পরিমাপ করা হয়); সব ঘড়িই এমন কোন প্রক্রিয়া ব্যবহার করে যা স্থিতিশীল এবং আগে থেকেই জানা একটি নির্দিষ্ট হারে তা ঘটে থাকে; কোন একটি পেন্ডুলাম দোলে খুব নির্দিষ্ট একটি হারে, যা এর দৈর্ঘর উপর নির্ভরশীল তবে, অন্তত তাত্ত্বিকভাবে এর দোলার মাত্রা বা এর শেষ সীমায় স্ফীতকায় অংশের ভরের উপর নির্ভরশীল না। গ্রান্ডফাদার ঘড়িগুলো কাজ করে, এর পেন্ডুলামকে একটি যন্ত্র,  এস্কেপমেন্ট ( Escapement  হচ্ছে একধরনের যন্ত্রাংশ যা সময় নির্দিষ্ট কারী অংশকে প্রয়োজনীয় এনার্জি সরবরাহ করে)  এর সাথে যুক্ত করে যা একটি দাতওয়ালা চাকাকে ধীরে ধীরে ঘোরায়, সেই ঘোরার গতিটা প্রয়োজনমত কম বেশী করে নির্দিষ্ট করা হয় ঘড়ির একটি ঘন্টার কাটা, একটি মিনিট ও সেকেন্ড এর কাটার গতির সাথে। হেয়ারস্প্রিং সংযুক্ত ব্যালান্স হুইল বা চাকাসহ ঘড়িগুলোও একই ভাবে কাজ করে। ডিজিটাল ঘড়িগুলোয় পেন্ডুলামের একটি সমতুল্য পদ্ধতি ব্যবহার করে, বিশেষ কিছু ধরনের স্ফটিকের কম্পন বা দোলা, যা সৃষ্টি হয় যখন ব্যাটারী থেকে সেখানে শক্তি সরবরাহ করা হয়; পানি বা মোম ঘড়ি সময় নির্দেশ করার ক্ষমতা অপেক্ষাকৃত কম সুক্ষ। কিন্তু সময় ক্ষন মাপার ঘড়িগুলো আবিষ্কারের বহু পুর্বে তারা যথেষ্ঠ উপযোগি ছিল, তারা কোন কিছু গণণা বা ইভেন্ট কাউন্টিং এর উপর নির্ভরশীল নয়, যেমন পেন্ডুলাম বা ডিজিটাল ঘড়িগুলো যেভাবে সময় পরিমাপ করে বরং কোন কিছুর পরিমানের কম বেশী বা তারতম্যকে পরিমাপ করে কাজ করে ( যেমন, মোমের গলে যাওয়া, বালুঘড়ির বালুর অপসারণ ইত্যাদি); সুর্যঘড়ি বা সানডায়ালও নির্ভুল সময় ক্ষন পরিমাপ করতে পারেনা। কিন্তু পৃথিবীর ঘুর্ণণ, যে সময়-নির্ভর প্রক্রিয়াকে সানডায়াল ব্যবহার করে, তা নির্ভুল হতে পারে ধীর কোন ঘড়ির জন্য যাকে আমরা ক্যালেন্ডার বলি। এর কারন এই সময়ের মাপকাঠিতে এটি সময় নিরুপনের কোন ঘড়ির মত কাজ করেনা (সানডায়াল সুর্যের ক্রমাগত পরিবর্তনশীল কোন বা অ্যাঙ্গেলকে পরিমাপ করে) বরং দিবা-রাত্রির চক্রকে পরিমাপ করে।

বিবর্তনের সেই অত্যন্ত মন্থর সময় মাপার উপযোগী গণনাকারী ঘড়ি এবং পরিমান পরিমাপ করার ঘড়ি দুটোই আমাদের কাছে আছে। কিন্তু বিবর্তন প্রক্রিয়ায় অতিক্রান্ত সময়ের অনুসন্ধান করার জন্য আমাদের  এমন কোন ঘড়ি যা কিনা শুধুমাত্র বর্তমান সময় নির্দেশ করে তার কোন প্রয়োজন নেই, যেমন সানডায়াল করে বা কোন ঘন্টা মিনিট সেকেন্ড নির্দেশকারী কোন ঘড়ি। আমাদের যা দরকার সেটা হলো অনেকটা স্টপওয়াচ এর মত, যে ঘড়িটাকে আমরা শুন্য থেকে শুরু বা রিসেট করতে পারি। আমাদের বিবর্তনীয় ঘড়ির কোন একটি মুহুর্তে শুরু থেকে শুরু বা শুন্য হবার প্রয়োজন আছে ( জিরোইং বা zeroing), কারন আমরা সেই শুরু হবার মুহুর্ত থেকে ঠিক কতটা সময় অতিক্রান্ত হলো সেটা গণণা করতে পারি,যা আমাদের কোন কিছুর সঠিক বয়সটি নিরুপন করতে সাহায্য করে, যেমন কোন শিলা। আগ্নেয় ( igneous বা ভলকানিক) শিলার বয়স নিরুপনের জন্য ব্যবহৃত রেডিওঅ্যাকটিভ বা তেজষ্ক্রিয় ঘড়িগুলো আমাদের সুবিধামতই শুন্য থেকে শুরু হয় যখন গলিত লাভা ঘনীভুত বা কঠিন হয়ে  ঠিক যে মহুর্তে পাথরটি গঠিত হয়েছিল।

সৌভাগ্যক্রমে শুন্য থেকে শুরু করা সম্ভব এমন বেশ কয়েক ধরনের প্রাকৃতিক ঘড়ি আমাদের আছে। এই বৈচিত্রতার বিশেষ উপযোগিতা আছে, কারন আমরা এর মধ্যে বেশ কিছু ঘড়িকে ব্যবহার করতে পারি অন্য ঘড়িগুলোর সময় নিরুপনের নির্ভুলতা নিশ্চিৎ করার জন্য। আরো বেশী সৌভাগ্যের ব্যপার হলো, তারা বিস্তৃত মাত্রার একটি সময়ের স্কেলকে পরিমাপ করতে পারে অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে এবং আমাদের সেটাও প্রয়োজন কারন বিবর্তনীয় সময় স্কেল অনেক বিশাল যার অর্ডার অব ম্যাগনিচিউড সাত কিংবা আট অর্ডারের; এটিকে একটু ব্যাখ্যা দেয়া প্রয়োজন, এর অর্থ আসলে কি। কোন অর্ডার অব ম্যাগনিচিউড খুব নির্দিষ্ট। মাত্রার বা ম্যাগনিচুউড এর একমাত্রা বাড়ার মানে দশ দিয়ে একবার গুনণ ( বা ভাগ) ; যেহেতু আমরা ডেসিমাল সিস্টেম ব্যবহার করি, কোন সংখ্যার অর্ডার অব ম্যাগনিচিউড হচ্ছে দশমিকে আগে ও পরে শুন্যর সংখ্যা; সুতরাং আট অর্ডার অব ম্যাগনিচিউড মানে একশত মিলিয়ন গুন; ঘড়ির দ্বিতীয় কাটা যা মিনিটের কাটার চেয়ে ৬০ গুন বেশী দ্রুত ঘোরে, আর ঘন্টার কাটার চেয়ে ৭২০ গুন বেশী দ্রুত ঘোরে, সুতরাং তিনটি কাটাই এমন একটি সময়েল সীমা বা রেন্জ কভার করে যা তিন অর্ডার অব ম্যাগনিচিউড এর কম। এটি খুবই ক্ষুদ্র যদি আট অর্ডার অব ম্যাগনিচিউড যারা ভুতাত্ত্বিক ঘড়িগুলো পরিমাপ করতে পারে তার সাথে তুলনা করা হয়।সংক্ষিপ্ত সময় স্কেল মাপার জন্যও তেজষ্ক্রিয় ক্ষয়ীভবন নির্ভর ঘড়িও আছে, এমনকি একেবারে সেকেন্ড এর ভগ্নাংশ নির্ণয় করা পর্যন্ত। কিন্তু বিবর্তনের প্রয়োজনে,সেই সব ঘড়ি যা শতাব্দী বা হয়তো দশক পর্যন্ত পরিমাপ করতে পারে এমন দ্রুততম আমাদের প্রয়োজন। সেই ধারাবাহিকতায় দ্রুততম প্রাকৃতিক ঘড়ির প্রান্তে প্রথমে আছে – ট্রি রিং এবং কার্বন ডেটিং – যা উপযোগী প্রত্নতাত্ত্বিক কোন নমুনার বয়স নিরুপন করার প্রয়োজনে, বা এমন কোন নমুনার সময়কাল নির্ধারণ বা ডেটিং এর জন্য, যা সাধারনত সংক্ষিপ্ত সময়ের মাত্রায়, যেমন যে সময়ের স্কেলটিতে কুকুর কিংবা বাধাকপির গৃহপালিতকরণ প্রক্রিয়াটি মোটামুটি এটে যায়। এই স্কেলের অন্য প্রান্তে, আমাদের প্রয়োজন এমন প্রাকৃতিক ঘড়ি যা শত শত মিলিয়ন বছর সময় পরিমাপ করতে পারে, এমনকি বিলিয়ন বছর; এবং প্রশংসা করতেই হবে প্রকৃতিকে, কারন এটি আমাদের ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় বেশ কিছু বিশাল সময়ের রেন্জের ঘড়িরও ব্যবস্থা করেছে। উপরন্তু  সময় নিরুপন করার সংবেদনশীলতার সীমায় এরা পাশাপাশি অবস্থান করে, সুতরাং তাদের আমরা ব্যবহার করতে পারি এদের নিরুপিত ফলাফল ও এর নির্ভুলতা পারস্পরিক যাচাই করার জন্য।

_________________________________________________ চলবে…

Advertisements
রিচার্ড ডকিন্স এর দি গ্রেটেষ্ট শো অন আর্থ : চতুর্থ অধ্যায় (প্রথম পর্ব)

4 thoughts on “রিচার্ড ডকিন্স এর দি গ্রেটেষ্ট শো অন আর্থ : চতুর্থ অধ্যায় (প্রথম পর্ব)

  1. বহুদিন পর এই সিরিজ আবার চলা শুরু করলো। আপনার অনুবাদ করতে থাকা বইগুলির মধ্যে এটাই আমার প্রিয়। পড়া শুরু করেছিলাম দীর্ঘ প্রবন্ধের প্রস্তুতী নিয়ে। কিন্তু খুব তাড়াতাড়িই শেষ হয়ে গেলো, আপনার লেখাগুলো এতো তাড়াতাড়ি সাধারণত শেষ হয় না। যাক সে কথা। যেই মন্তব্যটা পছন্দ হলো:

    “যারা বিবর্তনের সত্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন …. তাদের আসলে শুধু অজ্ঞ বলার চেয়েও খারাপ কিছু বলা প্রয়োজন, তারা প্রায় বিকৃত পর্যায়ে বিভ্রান্ত। তারা শুধু জীববিজ্ঞানের প্রমানিত সত্যটাকেই সন্দেহ করছে না, বরং পদার্থবিদ্যা, ভুতত্ত্ববিদ্যা, কসমোলোজী, প্রত্নতত্ত্ববিদ্যা,ইতিহাস এবং রসায়নের সত্যকেও সন্দেহ করছে”

  2.  গত মাসেই এটি করে ফেলতাম, তবে মন বসাতে পারিনি একদম গত মাসে। বাড়তি বিষয়গুলো নিয়ে আর ডিটেইল কিছু লিখিনি। লেখার ছন্দপতন হয়েছে..:) ( তাছাড়া পর্বটা খানিকটা একঘেয়েও বটে) শুধু ডায়াগ্রামগুলো দিয়ে আর ধৈর্য হলো না।আগে পুরোটা শেষ করি তারপর আবার ড্রাফটগুলো নিয়ে বসতে হবে। আসলে এই পর্বের অ্ধ্যায়গুলো ভাগ করতে সমস্যা হচ্ছে..এটা ছোট এরপরে কিছুটা বড়, তারপরেরটা আরেকটু বড়..এভাবে হবে মনে হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s