রিচার্ড ডকিন্স এর দি গ্রেটেষ্ট শো অন আর্থ : চতুর্থ অধ্যায় (শেষ পর্ব)

ছবি:  উইলিয়ার্ড ফ্রাঙ্ক লিবি (Willard Frank Libby: (December 17, 1908 – September 8, 1980); উইলিয়াম ফ্রাঙ্ক লিবি যুক্তরাষ্টের একজন ভৌতরসায়নবিদ যিনি ১৯৪৯ সালে পোষ্ট ডক জেমস আর আরনল্ড এবং গ্রাজুয়েট ছাত্র আর্ণি অ্যান্ডারসন কে নিয়ে মাত্র ৫০০০ ডলার এর একটি রিসার্চ প্রজেক্টে প্রথম বারের মত রেডিও কার্বন ডেটিং প্রক্রিয়াটি আবিষ্কার করেন। বিজ্ঞানের এমন একটি আবিষ্কারের উদহারণ খুব কম আছে যা  তার আবিষ্কারের ক্ষেত্র ছাড়া বহুক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভুমিকা রেখে যাচ্ছে। ১৯৬০ সালে লিবি রসায়নে নোবেল পুরষ্কার পান।


ছবি: কার্বন ১৪ সাইকেল

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গ্রেটেষ্ট শো অন আর্থ :  চতুর্থ অধ্যায় (শেষ পর্ব)
( অনুবাদ প্রচেষ্টা: কাজী মাহবুব হাসান)

The Greatest Show on Earth: The evidence for evolution by Richard Dawkins

 প্রথম অধ্যায়
দ্বিতীয় অধ্যায়
তৃতীয় অধ্যায় ( প্রথম পর্ব)  তৃতীয় অধ্যায় ( দ্বিতীয় পর্ব)তৃতীয় অধ্যায় ( শেষ পর্ব)
চতুর্থ অধ্যায় (প্রথম পর্ব) | চতুর্থ অধ্যায় (দ্বিতীয় পর্ব) | চতুর্থ অধ্যায় (তৃতীয় পর্ব)

নীরবতা এবং মন্থর সময় ….

চতুর্থ অধ্যায়: শেষ পর্ব

কার্বন

সব মৌলগুলোর মধ্যে কার্বনকেই মনে করা হয় জীবনের জন্য অপরিহার্য – যা ছাড়া  যে কোন গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ত্ব কল্পনা করা বেশ দুরুহ একটি কাজ। এর কারন হচ্ছে, কার্বনের অসাধারন একটি ক্ষমতা আছে চেইন বা দীর্ঘ বহু সংখ্যক অনুর শৃঙ্খল বা চক্র বা রিং তৈরী করার মাধ্যমে নানা জটিল সংগঠনের অনুসমষ্ঠী বা যৌগ তৈরী করার। আমাদের খাদ্যচক্রে এটি প্রবেশ করে সালোক সংশ্লেষনের মাধ্যমে, যে প্রক্রিয়ায় সকল সবুজ উদ্ভিদ বায়ুমন্ডল থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড অনুকে সুর্যের আলোর শক্তিকে কাজে লাগিয়ে পানির অনুর সাথে যুক্ত করে শর্করা বা সুগার তৈরী করে। আমাদের শরীর এবং অন্যান্য সকল জীবিত প্রানীদের শরীরের সব কার্বন আসে বায়ুমন্ডলের কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে, উদ্ভিদের মাধ্যমে। এবং এটি আবার নিরন্তর ভাবে বায়ুমন্ডলে আবার পুণঃ ব্যবহারের জন্য বা রিসাইকেল হয়ে বায়ুমন্ডলে ফিরে যায়: যখন আমরা প্রশ্বাস ফেলি, যখন বর্জ ত্যাগ করি এবং যখন আমরা মারা যাই।

Continue reading “রিচার্ড ডকিন্স এর দি গ্রেটেষ্ট শো অন আর্থ : চতুর্থ অধ্যায় (শেষ পর্ব)”

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গ্রেটেষ্ট শো অন আর্থ : চতুর্থ অধ্যায় (শেষ পর্ব)

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গ্রেটেষ্ট শো অন আর্থ : চতুর্থ অধ্যায় (প্রথম পর্ব)

how_igneous_rocks_are_created
ছবি: আগ্নেয় শিলা সৃষ্টি হবার প্রক্রিয়া

igneous rocks

ছবি: কয়েক ধরণের আগ্নেয়শিলা: উপরে বাদিক থেকে: গ্রানাইট, ব্যাসল্ট, রায়োলাইট, অবসিডিয়ান, নীচে বাদিক থেকে: পরফাইরি, স্কোরিয়া,পিউমিক, পেগমাটাইট

13-05-2013 11-54-49 PM
ছবি: রক চক্র (Rock Cycle), জেমস হাটনের প্রথম প্রস্তাবিত রক সাইকেল, চক্রটিতে দেখাচ্ছে কিভাবে আগ্নেয়শিলা তৈরী হবার পর এটি ক্রমশ পাকৃতিক নানা শক্তিতে ক্ষয় হয়ে প্রথমে পাললিক বা সেডিমেন্টরী শিলা, এর পর মেটামরফিক শিলা হয়ে পুণরায় রুপান্তরিত হয় গলিত ম্যাগমায়;

14-05-2013 12-32-53 AMছবি: শিলা চক্র বা Rock cycle এর আরেকটি ছবি;

hi_Rock_cycle_bigছবি: ছবি: শিলা চক্র বা Rock cycle এর আরেকটি ছবি;

img005ছবি:  সেডিমন্টরী বা পাললিক শিলা তৈরী হবার প্রক্রিয়া

sandstone1
ছবি: কয়েক ধরনের সেডিমেন্টরী বা পাললিক শিলা; উপরে বা থেকে: স্যান্ড স্টোন, লাইম স্টোন, মাঝে বায়ে: শেল স্টোন, কনগ্লোমেরেট স্টোন;
নীচে বা েথেকে: জিপসাম, স্যান্ড স্টোনে একটি জীবাশ্ম উদ্ভিদ, প্রায় ৩০০ মিলিয়ন বছর আগে কার্বনিফেরাস পর্বের একটি উদ্ভিদের জীবাশ্ম, যার নাম হর্স টেইল বা Horsetail (genus: Equisetum), ভাস্কুলার এই উদ্ভিদটি সাধারনত কয়লার ডিপোসিটে পাওয়া যায়।

_________________________
রিচার্ড ডকিন্স এর দি গ্রেটেষ্ট শো অন আর্থ :  চতুর্থ অধ্যায় (প্রথম পর্ব)
( অনুবাদ প্রচেষ্টা: কাজী মাহবুব হাসান)

The Greatest Show on Earth: The evidence for evolution by Richard Dawkins

 প্রথম অধ্যায়
দ্বিতীয় অধ্যায়
তৃতীয় অধ্যায় ( প্রথম পর্ব)
তৃতীয় অধ্যায় ( দ্বিতীয় পর্ব)
তৃতীয় অধ্যায় ( শেষ পর্ব)

নীরবতা এবং মন্থর সময় ….

চতুর্থ অধ্যায়: প্রথম পর্ব: নীরবতা এবং মন্থর সময়

ইতিহাস-অস্বীকারকারীরা যারা বিবর্তনের সত্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন,তারা যদি জীববিজ্ঞানে অজ্ঞ হয়ে থাকেন, তাহলে যারা ভাবেন যে এই পৃথিবীর জন্ম হয়েছে দশ হাজার বছরেরও কম কোন সময়ে,তাদের আসলে শুধু অজ্ঞ বলার চেয়েও খারাপ কিছু বলা প্রয়োজন, তারা প্রায় বিকৃত পর্যায়ে বিভ্রান্ত। তারা শুধু জীববিজ্ঞানের প্রমানিত সত্যটাকেই সন্দেহ করছে না, বরং পদার্থবিদ্যা, ভুতত্ত্ববিদ্যা, কসমোলোজী, প্রত্নতত্ত্ববিদ্যা,ইতিহাস এবং রসায়নের সত্যকেও সন্দেহ করছে। এই অধ্যায়টির মুল বিষয় হলো, কেমন করে আমরা পাথর এবং এর মধ্যে প্রস্তরীভুত হয়ে থাকা কোন জীবাশ্মর বয়স জানতে পারি। কারন পাথরই প্রমান দেয় এই গ্রহে জীবন যে সময়ের মাত্রায় কাজ করে তা হাজার হাজার বছর না বরং হাজার কোটি বছরের হিসাবেই কেবল পরিমাপ করা সম্ভব।

Continue reading “রিচার্ড ডকিন্স এর দি গ্রেটেষ্ট শো অন আর্থ : চতুর্থ অধ্যায় (প্রথম পর্ব)”

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গ্রেটেষ্ট শো অন আর্থ : চতুর্থ অধ্যায় (প্রথম পর্ব)