রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন : অষ্টম অধ্যায় (শেষ পর্ব)

Good_vs_Evil_by_umerr2000
ছবি: Good Vs Evil; Umerr2000

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন : অষ্টম অধ্যায় (শেষ পর্ব)

( অনুবাদ প্রচেষ্টা: কাজী মাহবুব হাসান)

The God Delusion by Richard Dawkins

প্রথম অধ্যায়
দ্বিতীয় অধ্যায়
তৃতীয় অধ্যায়
চতুর্থ অধ্যায় (প্রথম পর্ব) , চতুর্থ অধ্যায় ( দ্বিতীয় পর্ব) ,
চতুর্থ অধ্যায় ( তৃতীয় পর্ব ) , চতুর্থ অধ্যায় ( চতুর্থ পর্ব ) , চতুর্থ অধ্যায় ( শেষ পর্ব)
 পঞ্চম অধ্যায় (প্রথম পর্ব)পঞ্চম অধ্যায় ( দ্বিতীয় পর্ব) , পঞ্চম অধ্যায় (তৃতীয় পর্ব)
পঞ্চম অধ্যায় (চতুর্থ পর্ব) ,  পঞ্চম অধ্যায় (পঞ্চম পর্ব) ,পঞ্চম অধ্যায় (ষষ্ঠ পর্ব)
ষষ্ঠ অধ্যায় (প্রথম পর্ব) ; ষষ্ঠ অধ্যায় (দ্বিতীয় পর্ব)ষষ্ঠ অধ্যায় (শেষ পর্ব)
সপ্তম অধ্যায় (প্রথম পর্ব) ; সপ্তম অধ্যায় (দ্বিতীয় পর্ব) ; সপ্তম অধ্যায় (তৃতীয় পর্ব) ;
সপ্তম অধ্যায় (চতুর্থ পর্ব) ; সপ্তম অধ্যায় ( শেষ পর্ব)
অষ্টম অধ্যায় (প্রথম পর্ব) ; অষ্টম অধ্যায় (দ্বিতীয় পর্ব) ; অষ্টম অধ্যায় (তৃতীয় পর্ব) ;
অষ্টম অধ্যায় (চতুর্থ পর্ব) ; অষ্টম অধ্যায় (পঞ্চম পর্ব)

ধর্মের সমস্যাটা আসলে কি? ধর্ম কেন এত হিংস্র ?

 

 মধ্যপন্থী ধর্মবিশ্বাস কিভাবে ধর্মীয় উগ্রতাকে লালন করে;

নৈতিক অ্যাবসোল্যুটিজম বা চুড়ান্তবাদীতার অন্ধকার রুপটার উদহারন দেবার সময় আমি উল্লেখ করেছিলাম, যুক্তরাষ্ট্রের খৃষ্টানটা যারা গর্ভপাত ক্লিনিক উড়িয়ে দেয় বোমা মেরে এবং আফগানী তালিবান, যাদের নিষ্ঠুরতার বিবরণ বিশেষ করে নারীদের প্রতি, আমার পক্ষে বর্ণনা করা খুবই কষ্টের, এছাড়া আয়াতোল্লাহদের হাতে ইরান কিংবা সৌদ রাজকুমারের অধীনে সৌদি আরব, যেখানে মেয়ে গাড়ী চালাতে পারেনা, এবং পুরুষ কোন আত্মীয় ছাড়া তারা বাসার বাইরে যাওয়া মানে সমস্যায় পড়া ( কর্তৃপক্ষ দয়াপরবশ হয়ে এক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দিয়েছে, শিশু পুত্র সন্তান হলেও চলবে); জেন গুডউইন সৌদি আরব এবং বর্তমানে ক্ষমতা থাকা অন্যান্য ধর্ম নির্ভর একনায়ক রাষ্টকাঠামোয় নারীদের সাথে আচরণের ভয়াবহ চিত্র উন্মোচন করেছেন তার  Price of  Honour বইটিতে। জোহান হ্যারি লন্ডনের Independent পত্রিকায় সবচেয়ে প্রানচঞ্চল কলামিষ্ট  তার একটি প্রবন্ধের শিরোনামে লিখেছিলেন The best way to undermine the jihadists is to trigger a rebellion of Muslim women ( জিহাদীদের পরাস্ত করতে হলে মুসলিম নারীদের একটি অভ্যুত্থানের সুচনা করতে হবে:

বা খৃষ্টধর্মে ধমান্তরিত হয়ে; আমি উদ্ধৃতি দিতে পারি সেই সব ‘রাপচার’ প্রিয় যুক্তরাষ্ট্রের খৃষ্টানদের যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচীয় নীতির উপর যাদের শক্তিশালী প্রভাব সুস্পষ্ট, যা নিয়ন্ত্রন করছে বাইবেল এর উপরে তাদের বিশ্বাস যে প্যালেষ্টাইনের সব জমির উপর ইসরায়েলের ঐশ্বরিক অধিকার আছে। রাপচার খৃষ্টানদের কিছু অংশ আবার আরো খানিকটা এগিয়ে কামনা করছেন পারমানবিক যুদ্ধের, কারন তাদের অভিধানে এমন এটি হবেসেই আর্মাগেডডন, যা তাদের আজব বুক অব রিভিলেশনের অস্বস্তিকর জনপ্রিয় ব্যাখ্যা অনুযায়ী খৃষ্টেরর প্রত্যাবর্তন বা সেকেন্ড কামিংকে তরান্বিত করবে। এ বিষয়ে সাম হ্যারিস এর Letter to a Christian Nation এ তার একটি রোমহর্ষক মন্তব্যর  কোন পরিবর্ধন করা সম্ভব না আমার পক্ষে:

সুতরাং মোটেও অতিরন্জিত হবে না বলা যদি নিউ ইয়র্ক নগরী হঠাৎ করে প্রতিস্থাপিত হয় একটি আগুনের গোলকে, বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য পরিমান যুক্তরাষ্ট্রের জনগন সেই বিস্ফোরন পরবর্তী সৃষ্টি হওয়া মার্শরুম মেঘে রুপালী আশার রেখা দেখতে পাবেন, কারন এটা তাদের বলা হয়েছে, সবচেয়ে উত্তম যে জিনিসটি ঘটার কথা, সেটি প্রত্যাসন্ন: খৃষ্টের প্রত্যাবর্তন। এই বিষয়টি খুব স্পষ্ট হওয়া উচিৎ যে, এধরনের কোন বিশ্বাস সামাজিক, অর্থনৈতিক পরিবেশগত বা ভুরাজনৈতিকভাবে কোন স্থিতিশীল পৃথিবী গড়তে আমাদের কোন সাহায্যই করবে না; কল্পনা করুন এর পরিনতি কি হতে পারে যদি যুক্তরাষ্ট্রের সরকার উল্লেখযোগ্য একটি অংশ সত্যিই  বিশ্বাস করে পৃথিবীর ধ্বংশ আসন্ন এবং পরিসমাপ্তি হবে গৌরবময়। শুধুমাত্র ধর্মীয় মতবাদের উপর ভিত্তি যুক্তরাষ্টের প্রায় অর্ধেক মানুষ আপাতদৃষ্টিতে এটা বিশ্বাস করছে এই বাস্তবতাটি বিবেচনা করা উচিৎ একটি নৈতিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক জরুরী অবস্থা হিসাবে।

আসলেই তাহলে অনেকেই আছেন, যাদের ধর্মবিশ্বাস তাদেরকে আমার বর্ণিত সেই আলোকিত ঐক্যমতের নৈতিক যুগধর্মের বা জাইটগাইষ্ট এর পরিসীমার বাইরেই অবস্থান করার বিষয়টি নিশ্চিৎ করে। আমি যাকে বলছি ধর্মীয় চুড়ান্তবাদীতার অন্ধকারতম অংশ এবং তাদের প্রায়শই বলা হয় চরম বা উগ্রপন্থী। কিন্তু এই অংশে আমার মুল বক্তব্যটি হচ্ছে,  মৃদু বা মাঝারী মাত্রার ধর্মবাদীতাও বিশ্বাসের সেই পরিবেশ সৃষ্টি করতে সাহায্য করে যেখানে উগ্রধর্মবাদীতা প্রাকৃতিকভাবেই অবাধে বিকশিত হয় ।

জুলাই ২০০৫ এ, লন্ডনকে মুখোমুখি হতে হয় বেশ কয়েকটি সন্মিলিতভাবে সংঘটিত হওয়া আত্মঘাতী বোমা হামলার: সাবওয়েতে তিনটি ও বাসে একটি বিস্ফোরণ; যদিও হতাহত আর ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ২০০১ সালের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের আক্রমনের মত এত ভয়বহ ছিল না বটে  তবে অবশ্যই তার মত অপ্রত্যাশিতও ছিল না ( আসলেই লন্ডন এধরনের আক্রমনের আশংকা করছিল, যখন থেকে ব্লেয়ার বুশের ইরাক অভিযানের আমাদেরকে অনিচ্ছুক সহযোগী বানিয়েছিলেন); তবে যাইহোক, লন্ডনের এই আক্রমন সন্ত্রস্ত এবং হতবাক করেছিলো পুরো ব্রিটেনকে। খবরের কাগজে পাতা পুর্ণ হয়েছিল বেদনাদায়ক সব বিশ্লেষনে, কিভাবে কোথা থেকে আর কেনই বা এই চার বিভ্রান্ত তরুন নিজেদের আর নিরপরাধ মানুষগুলোকে বোমা মেরে হত্যা করা প্রেরণা পেয়েছিল ? এই খুনীরা বৃটিশ নাগরিক, ক্রিকেট প্রেমী এবং আচরণে ভদ্র। ঠিক যে ধরনের তরুনদের সান্নিধ্য যে কেউই উপভোগ করবেন।

কেন এই ক্রিকেট প্রেমী তরুনরা এমন কাজ করতে দ্বিধাবোধ করেনি একটুও ? তাদের সমতুল্য প্যালেস্টাইনীয় আত্মঘাতী বা জাপানের কামিকাজী আত্মঘাতি কিংবা শ্রীলংকার তামিল টাইগারদের মত যুক্তরাজ্যের এই আত্মঘাতী মানব বোমাবাজদের কোন প্রত্যাশা থাকার কথা না, যে তাদের কর্মের জন্য তাদের শোকাহত পরিবার শহীদের পরিবার হিসাবে সন্মানিত হবে বা তাদের দেখাশোনা করা হবে আত্মঘাতী শহীদের জন্য বরাদ্দকৃত কোন পেনশনে। বরং  এর বীপরিতটাই ঘটেছিল, তাদের আত্মীয়স্বজনরা কোন কোন সময় পালাতে বাধ্য হয়েছে; এদের একজন ইচ্ছাকৃতভাবে তার গর্ভবতী স্ত্রীকে বিধবা এবং তার সন্তানকে এতিম করেছে। এই চার তরুনের কর্মটির ভয়াবহ পরিণতি শুধুমাত্র তাদের  নিজেদের এবং তাদের সন্ত্রাসের শিকার যারা, তাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না, সেই ভয়াবহতার শিকার হয়েছে তাদের নিজেদের পরিবার পরিজন এবং সমস্ত বৃটেনে সমস্ত মুসলিম সমাজ, যারা এখন এর প্রতিক্রিয়ার কুফলটির মুখোমুখি হচ্ছে প্রতিদিন। শুধুমাত্র ধর্মবিশ্বাসই যথেষ্ট সেই শক্তিশালী তাড়না হবার, যা এই ধরনের চুড়ান্ত উন্মত্ততার কোন পদক্ষেপ নিতে সুস্থ এবং ভদ্র মানুষকে  প্ররোচিত করতে পারে। আবারো, স্যাম হ্যারিস বিষয়টি বর্ণনা দিয়েছেন তার বৈশিষ্টসুচক স্পষ্টবাদী উচ্চারণে, আল কায়েদার নেতা ওসামা বিন লাদেন এর উদহারণ ব্যবহার করে ( যার অবশ্য লন্ডন বোমা হামলার সাথে কোন প্রত্যক্ষ যোগাযোগ ছিল না, প্রসঙ্গক্রমে বলে রাখার প্রয়োজন);  কি এমন কারন থাকতে পারে যে কোন একজন ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ধ্বংশ এবং সেখানে থাকা সব মানুষকে হত্যা করতে চাইতে পারে? বিন লাদেনকে অশুভ বা শয়তানের প্রতিচ্ছবি বলা  মানে এরকম একটি গুরুত্বপুর্ণ প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেবার জন্য আমাদের নিজেদের দ্বায়িত্বকে অস্বীকার করা।

’এই প্রশ্নের উত্তর খুবই স্পষ্ট – যদিও শুধুমাত্র বমনেচ্ছা উদ্রেক করার মত একটি বক্তব্যে বিন লাদেন নিজেই তা ধৈর্য সহকারে ব্যাখ্যা করেছেন। এর উত্তর হচ্ছে, লাদেন এর মত মানুষরা আসলেই বিশ্বাস করে তারা যা বিশ্বাস করে বলে দাবী করে; তারা কোরানের আক্ষরিক ব্যাখ্যাকে চুড়ান্ত অলংঘনীয় সত্যি হিসাবে বিশ্বাস করেন। কেনই বা ১৯ জন সুশিক্ষিত মধ্যবিত্ত পরিবারের পুরুষরা এই পৃথিবীতে তাদের বেচে থাকার অধিকার বিসর্জন দিল আমাদের হাজারেরও বেশী প্রতিবেশীদের হত্যা করার সুযোগ অর্জন করার জন্য? কারন তারা বিশ্বাস করেছিল এমন কাজ করার মাধ্যমে তারা সরাসরি বেহেশতে যেতে পারবে। এভাবে মানব আচরনকে এমন পুর্ণ ও সন্তোষজনতভাবে ব্যাখ্যা করার উদহারণ আসলেই দুর্লভ। আর এই ব্যাখ্যাটিকে মেনে নিতে আমাদেরই এত অনীহা কেন?’

শ্রদ্ধেয় সাংবাদিক মরিয়েল গ্রে, গ্লাসগো হেরাল্ড এ ২০০৫ এ ২৪ জুলাই ঠিক এই প্রসঙ্গটির অবতারনা করেছিলেন, লন্ডনের বোমা হামলার তথ্যসুত্রে:

’সবাইকে দায়ী করা হচ্ছে, স্পষ্টতই দুই ভিলেন জর্জ ডাবলিউ বুশ এবং টনি ব্লেয়ার থেকে  শুরু করে মুসলিম ’কমিউনিটিগুলোর‘ নিষ্ক্রিয়তাকে, কিন্তু আর কখনোই মুল বিষয়টি এর চেয়ে এত বেশী স্পষ্ট প্রতীয়মান হয়নি, আসলে একটি জায়গায় এই অপকর্মের সব দায়ভারগুলো অর্পিত হয়, এবং বিষয়টি এরকমই ছিল চিরকাল।এই, সব দুর্ভোগ, দুর্যোগ, সন্ত্রাস, হিংস্রতা আর অজ্ঞতার মুল কারন অবশ্যই ধর্ম নিজেই। এবং যদি আপনার কাছে অবিশ্বাস্য মনে হয় এই সহজ বাস্তবতাটাকে ব্যাখা করার জন্য কেনই বা বলতে হবে, তার কারন হচ্ছে সরকার এবং গণমাধ্যমে বেশ ভালোই ভান করতে পেরেছে এটি না প্রমান করার জন্য।’

আমাদের পশ্চিমা রাজনীতিবিদরা ধর্ম বা রেলিজিয়ন এর R শব্দটি উচ্চারন না করার সতর্ক প্রচেষ্টা করেন এবং এর পরিবর্তে তাদের যুদ্ধকে দাবী করেন ’সন্ত্রাসে’র বিরুদ্ধে যুদ্ধ হিসাবে, যেন ’সন্ত্রাস’ কোন একধরনের সত্ত্বা বা শক্তি, যার একটি নিজস্ব মন কিংবা ইচ্ছা শক্তি আছে  বা তারা সন্ত্রাসীদের ব্যাখ্যা করেন সম্পুর্ণভাবে অশুভ শক্তির প্রভাবে প্ররোচিত এমন কোন দল হিসাবে। কিন্তু তারা কোন অশুভ শক্তির দ্বারা প্ররোচিত না।আমরা তাদের যতটাই ভ্রান্ত মতাদর্শের শিকার ভাবি না কেন, তারাও গর্ভপাত করানো ডাক্তারদের খৃষ্টীয় খুনীদের মতই গোড়া মতাদর্শে উদ্বুদ্ধ, যার মাধ্যমে তারা তাদের ন্যায় বিচারের মানদন্ড ঠিক করেন, গভীর বিশ্বাসের সাথে তাদের ধর্ম যা নির্দেশ দিয়েছে সেটা তারা অনুসরণ করেন। তারা উন্মাদও না, তারা ধর্মীয় আদর্শবাদী , যারা তাদের নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গীতে মনে করেন তারা একটি যুক্তিসঙ্গত অবস্থানে আছেন। তাদের কাছে তাদের কর্মকান্ড সঠিক, ন্যায়সঙ্গত এবং ভালো, এবং সেটা তাদের কোন ব্যক্তিগত বৈশিষ্টসুচক কোন প্রকৃতির কারনেও না এবং অবশ্যই তারা শয়তান আশ্রিত বা আক্রান্ত সে কারনেও না। বরং এর কারন তারা জন্ম থেকে প্রতিপালিত হয়েছেন সম্পুর্ণ এবং প্রশ্নাতীতভাবে ধর্মবিশ্বাসকে ধারন করার দীক্ষার মাধ্যমে। স্যাম হ্যারিস একজন ব্যর্থ প্যালেস্টাইনীয় আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীকে উদ্ধৃতি দিয়েছিলেন, যেখানে এই ব্যক্তিটি ব্যাখ্যা করেছিল, কোন জিনিসটি আসলে তাদের ইসরায়েলীদের হত্যা করার জন্য প্রণোদিত করেছে : ‘শহীদ হবার তীব্র আকাঙ্খা, আমি কোন কিছুর জন্য প্রতিশোধ নিতে যাইনি, আমি শুধু একজন শহীদ হতে চেয়েছি;’ ২০০১ এর ১৯ নভেম্বর, The New Yorker পত্রিকা নাসরা হাসানের নেয়া আরেকজন ব্যর্থ আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীর সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছিল, সাতাশ বছর বয়ষ্ক সেই নম্র ভদ্র প্যালেস্টাইনীয় যুবক যার পরিচয়  ’S’ :  মধ্যপন্থী ধর্মীয় নেতা এবং শিক্ষকদের বর্ণিত স্বর্গের লোভনীয় বিবরণে তা এত কাব্যিকভাবে পরিপুর্ণ যে, আমার মনে হয়েছে ব্যাপারটা বিস্তারিতভাবে এখানে উল্লেখ করা দরকার:

’শহীদ হবার জন্য ‌এই তীব্র আকাঙ্খার হবার কারণ কি?‘ আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম;

তার উত্তর ছিল: ’আত্মার শক্তি আমাদের উপরে বেহেশতের দিকে নিয়ে যাবার জন্য টানে, অন্যদিকে দুনিয়ার সব বস্তুগত জিনিসের লোভ আমাদের নীচের দিকে টেনে ধরে রাখে। যারা শহীদের মর্যাদা পেতে দৃঢ়সংকল্প তারা এই দুনিয়ার মোহ থেকে মুক্ত, আক্রমনের পরিকল্পনাকারী আমাদের জিজ্ঞাসা করেছিলেন, কি হবে যদি আমাদের এই অপারেশন বা পরিকল্পনাটি ব্যর্থ হয়, আমরা তাকে বলেছি, যাই হোক না কেন, আমারা আমাদের নবীজি ও তার সাহাবীদের  সাথে দেখা করা সুযোগ পাবো, ইনশাল্লাহ;  আমরা ভাসছিলাম, যেন সাতার কাটছিলাম, কিছুক্ষনের মধ্যে যেন আমরা বেহেশতে প্রবেশ করতে যাচ্ছি অনন্তকালের জন্য। আমাদের কোন সন্দেহ ছিল না মনে। আমরা কোরান স্পর্শ করে শপথ নিয়েছি, আল্লাহর উপস্থিতিতে – যে প্রতিজ্ঞা আমাদের মানতেই হবে; এই জিহাদের প্রতিজ্ঞা কে বলে bayt al-ridwan, যার নামকরণ হয়েছে বেহেশতের সেই দরজার নামে,যে দরজা দিয়ে শুধুমাত্র নবীরা আর শহীদরা বেহেশতে প্রবেশ করবেন। আমি জানি অন্য আরো অনেক উপায় আছে জিহাদ করার, কিন্তু এটেই সবচেয়ে বেশী মধুর – মধুরতম উপায়; শহীদত্ব বরণ করে নেবার জন্য সব কর্মকান্ড যদি আল্লাহর নামে করা হয়, তাহলে সামান্য একটা পোকার কামড়ের চেয়েও তা কম কষ্টের হয়!’

এর পর S আমাকে একটি ভিডিও দেখায় যেখানে আত্মঘাতী বোমা হামলা পরিকল্পনার শেষ পর্যায়গুলোর বিবরণ আছে, অস্পষ্ট ভিডিও, আমি তাকে ও আরো দুজন তরুনকে দেখেছিলাম, তারা শহীদ হবার গৌরবের নানা বিষয় দিয়ে সংলাপরত ছিলেন একধরনের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের আদলে,

তরুনরা এবং পরিকল্পনাকারী এরপর হাটু মুড়ে বসে তাদের ডান হাত কোরানের উপর রাখে, মুল পরিকল্পনাকারী তাদের জিজ্ঞাসা করেন, ‘আপনার প্রস্তুত। আগামীকাল আপনার বেহেশতে থাকবেন।’

আমি যদি S এর জায়গায় থাকতাম, আমি পরিকল্পনাকারীকে জিজ্ঞাসা করার লোভ সম্বরণ করতে পারতাম না, ’বেশ তাহলে, আপনি কেন নিজেই  এই কাজটি করছেন না, আপনি কেন আত্মঘাতী মিশনে যাচ্ছেন না বেহেশতে যাবার দ্রুত এই পথ ধরে?’ কিন্তু আমাদের জন্য সবচেয়ে কঠিন হয় যেটা বোঝার, গুরুত্বপুর্ণ বলেই এর পুণরাবৃত্তি করছি, সে হচ্ছে এই মানুষগুলো আসলেই বিশ্বাস করে তারা যা বিশ্বাস করে বলে সাধারণত দাবী করে থাকে:  এখান থেকে যে শিক্ষাটি আমাদের নেয়া উচিৎ সেটা হলো ধর্মকেই আমাদের দায়ী করা উচিৎ সবার আগে, ধর্মীয় উগ্রবাদীতাকে নয় –এমন তো নয় যে এইসব উগ্রবাদীতা যেন কোন একটি সত্যিকারের সুশীল ধর্মের ভয়ঙ্কর বিকৃত সংস্করণ। বহুদিন আগেই ভলতেয়ার সঠিক উপলদ্ধি করতে পেরেছিলেন: ’যারা আপনাকে অযৌক্তিক সব উদ্ভট বিষয়ে বিশ্বাস স্থাপন করাতে পারবে, তারা আপনাকে দিয়ে ভয়ঙ্কর ঘৃণ্য কাজও করাতে পারবে।‘ একই ভাবে বিষয়টি বুঝেছিলেন বার্ট্রান্ড রাসেলও, ’অনেক মানুষই চিন্তা করার বদলে বরং দ্রুত মারা যেতে চাইবে, আসলেই তারা মারা যায়।’

আমরা যতক্ষন সেই মুলনীতিটাকে মেনে নেই যে, ধর্মবিশ্বাসের শুধুমাত্র শ্রদ্ধা করতে হবে কারন সেটি ধর্মবিশ্বাস, ততক্ষন আসলেই ওসামা বিন লাদেন এবং অন্যান্য আত্মঘাতী বোমাবাজদের বিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধা অনুভব করাটি স্থগিত করা কঠিন হয়ে পড়ে; এর বিকল্প, এত স্বচ্ছ যে, এটির জন্য কোন তাগাদা দেবার প্রয়োজন নেই, সেটি হলো ধর্মবিশ্বাসের প্রতি আমাদের এই স্বয়ংক্রিয় বা অটোমেটিক শ্রদ্ধা প্রদর্শন করার মুলনীতিটাকে বিসর্জন দিতে হবে। এবং এটি হচ্ছে একটি মাত্র কারন, যার জন্য আমার সর্বশক্তি দিয়ে মানুষকে সতর্ক করতে চাই ধর্মবিশ্বাস সম্বন্ধে, শুধুমাত্র তথাকথিত উগ্রবাদী ধর্মবিশ্বাসের প্রতি না। মধ্যপন্হী ধর্মের শিক্ষাগুলো যদিও তারা নিজেরা উগ্রবাদী না, তবে তারা অবশ্যই উগ্রবাদীতার প্রতি উন্মুক্ত আমন্ত্রণ।

বলা যেতে পারে ধর্ম বিশ্বাসের কোন বিশেষ বৈশিষ্ট নেই; দেশের বা কোন জাতির প্রতি ভালোবাসা তাদের নিজস্ব সংস্করণের উগ্রবাদীতা সহই পৃথিবীকে নিরাপদ রাখতে পারে, পারে না? হ্যা অবশ্যই পারে, জাপানীদের কামিকাজী যোদ্ধা, শ্রীলঙ্কার তামিল টাইগাররা। কিন্তু ধর্ম বিশ্বাস যে কোন যৌক্তিক হিসাবে নিকেশের শক্তিশালী নীরবতাকারী বা কন্ঠরোধকারী, যা আর সবকিছুর উর্ধে তাদের প্রভাবের বলয় স্থাপন করতে পারে। এর কারন মুলত, আমি সন্দেহ করি, এর সহজ, মন ভোলানো প্রতিশ্রুতি যে, মৃত্যুই শেষ না, এবং একজন শহীদের বেহেশত বিশেষভাবে গৌরবোজ্জল। এবং আংশিকভাবে এর কারন অবশ্যই এটি এর বিরুদ্ধে প্রশ্ন করাকে নিরুৎসাহিত করে এর বিশেষ প্রকৃতির কারনেই।

খৃষ্টধর্ম, যেমন ইসলামে দেখা যায় সেরকমই, শিশুদের শেখায়, প্রশ্নাতীত ধর্মবিশ্বাস হচ্ছে বিশেষ সদগুন। আর আপনি কি বিশ্বাস করবেন তার জন্য আপনাকে কোন যুক্তিও দিতে হবে না, কেউ যদি ঘোষনা দেয় এটা তার ধর্মবিশ্বাসের অংশ, সমাজের বাকীরা, একই বিশ্বাসে বা অন্য কোন বিশ্বাসের বিশ্বাসী হোক না কেন, একই চিরাচরিত নিয়ম অনুযায়ী, সবাই মেনে নেবে, এবং শ্রদ্ধা করবে তাদের বিশ্বাসকে কোন প্রশ্ন ছাড়াই এবং বাকীরা সেই বিশ্বাসকে নীরবে শ্রদ্ধ‍া করে যাবে যতদিন পর্যন্ত না ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ধ্বংশ করার মত ভয়াবহ কোন গণহত্যা না ঘটে ‍বা লন্ডন কিংবা মাদ্রিদের মত বোমা হামলা হয়। আর এসব ঘটনার পরপরই এর দায় অস্বীকার করা সমবেত কন্ঠস্বর জোরালো হয়ে ওঠে, যখন নানা শ্রেনীর মোল্লা এবং সমাজের নেতারা ( তাদের আসলে কে নির্বাচন করে, আর কি উপায়ে?) লাইন বেধে দাড়িয়ে বলতে থাকেন এটি তাদের ধর্ম না, এটি হচ্ছে তাদের সত্যিকারের ধর্মের একটি বিকৃত সংস্করণ। কিন্তু কিভাবে ধর্মবিশ্বাস বিকৃত হতে পারে, যদি ধর্মবিশ্বাস, যার কিনা কোন যৌক্তিক ভিত্তিই থাকে না, তার এমন কোন প্রমানযোগ্য মানদন্ডও থাকে না, যেখানে থেকে এর বিচ্যুতি ঘটতে পারে।

দশ বছর আগে ইবন ওয়ারাক তার দারুন বই Why I Am Not a Muslim  এ এই বিষয়গুলোর অবতারনা করেছিলেন একজন অত্যন্ত তথ্যসমৃদ্ধ ইসলাম গবেষকের দৃষ্টিভঙ্গীতে। আসলেই ‍ওয়ারাক এর বইটির একটি ভালো বিকল্প শিরোনাম হতে পারে The Myth of Moderate Islam,  যেটি অবশ্য সাম্প্রতিক একটি নিবন্ধের শিরোনাম ছিল, যেটি প্রকাশিত হয়েছিল লন্ডনের Spectator পত্রিকায় (৩০ জুলাই ২০০৫), যার লেখক ছিলেন আরেকজন জ্ঞানী ব্যক্তি Patrick Sookhdeo, যিনি Institute for the Study of Islam and Christianity র একজন পরিচালক: ‘ বেশীর ভাগ মসুলমানরাই আজ তাদের জীবন কাটাচ্ছে সব ধরনের সন্ত্রাসকে বর্জন করে; কারন কোরান হচ্ছে, পিক এ্যান্ড মিক্স বা বাছাই এবং মিশ্রন করা সম্ভব এমন একটি সংগ্রহ, আপনি আপনার পছন্দমত বাছতে পারবেন সেখান থেকে। আপনি যদি শান্তি চান, তাহলে শান্তির বানী সম্বলিত আয়াত আপনি সেখানে খুজে পাবেন, যদি আপনি যুদ্ধ চান,  হিংস্র আর বিদ্বেষপুর্ণ অনুভুতি উস্কে দেবার মত আয়াতও আপনি পাবেন।

6vweV
ছবিসুত্র: িইন্টারনেট

সুখদেও এরপর ব্যাখ্যা করেন কিভাবে ইসলামী পন্ডিতরা, কোরানে বিদ্যমান নানা বৈপরীত্য বা বিপরীতার্থক বিষয়ের উপস্থিতিকে সামাল দেবার জন্য, তারা একটি principle of abrogation বা রহিতকরন মুলনীতি উদ্ভাবন করেছিলেন, যে সুত্রানুযায়ী পরবর্তীতে আগত কোন আয়াত এর আগের কোন সমধর্মী আয়াতকে বাতিল করবে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, কোরান এর শান্তির কথা বলা অনুচ্ছেদগুলো মুলত বেশ আগের,  মুহম্মদের মক্কায় থাকাকালীন সময়ে। কিন্তু আরো বেশী যুদ্ধ প্রিয় অনুচ্ছেদগুলো সাধারন পরবর্তী পর্যায়ে, তার মদিনায় পলায়নের পর, এর ফলাফলে,

‘ইসলাম মানে শান্তি’, এই মন্ত্র প্রায় ১৪০০ হাজার বছর আগেই বাতিল হয়ে গেছে। শুধুমাত্র প্রথম দিকের প্রায় ১৩ বছরের জন্য, ইসলাম মানে শান্তি এবং শান্তি ছাড়া আর কিছু ছিল না। সুতরাং আজকের জঙ্গী মুসলিমরা এবং সেই মধ্যযুগের জ্ঞানী পন্ডিত জুরিষ্টরা যারা ক্লাসিকাল ইসলামকে গড়ে তুলেছিলেন –তাদের জন্য বরং বেশী সত্যি হবে ‘ইসলাম মানে যুদ্ধ’ এটা বলা। যুক্তরাজ্যের অন্যতম জঙ্গী ইসলামী গ্রুপ al-Ghurabaa লন্ডনের দুটি বোমা হামলার পর মন্তব্য করেছিল .. যদি কোন মুসলিম অস্বীকার করে যে, সন্ত্রাস ইসলামের অংশ না, তাহলে তারা কাফের;’ একজন কাফের হচ্ছেন একজন অবিশ্বাসী ( যেমন অমুসলিমরা), অত্যন্ত অপমানজনক একটি কথা…

হতে পারে কি যে তরুনরা লন্ডন সাবওয়েতে আত্মঘাতী হামলা করেছিল, তারা যেমন আসলেই বৃটেনের একবারে প্রান্তিক কোন মুসলিম সমাজের সদস্য ছিল না, তেমনি তারা তাদের ধর্মের কোন খামখেয়ালী অদ্ভুত আর জঙ্গী ব্যাখ্যার অনুসারীও ছিলেন না বরং তারা এসেছে মুসলিম সমাজের কেন্দ্র থেকে এবং তারা প্রণোদনা পেয়েছে ইসলামের মুলধারার ব্যাখ্যা থেকেই ‘

আরো ব্যপকভাবে ( এবং এটি খৃষ্টধর্মের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য)  সবচেয়ে বেশী যা ভয়ানক সেটা হলো শিশুদেরকে  প্রশ্নাতীত ধর্মবিশ্বাস যে একটি সদগুন সেটা শিক্ষা দেয়ার প্রবণতা ; ধর্মবিশ্বাস অশূভ কারন নির্দিষ্টভাবে এটি কোন যৌক্তিকতার ধার ধারে না, কোন ধরনের তর্ক বিতর্ক সে গ্রাহ্য করেনা। শিশুদের ’কোন প্রশ্ন করা যাবে না ’এমন কোন বিশ্বাস শেখানোর প্রক্রিয়া তাদের প্রস্তুত করে –আরো কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতি আর উপাদানের উপস্থিতিতে, যা খুব কঠিন না খুজে পাওয়া –সম্ভাব্য ভয়ঙ্কর অস্ত্র রুপে  যা খুব সহজেই ভবিষ্যতের জিহাদী বা ধর্মযোদ্ধারা ব্যবহার করতে পারে।  শহীদের বেহেশত পাবার প্রলোভনে তারা সবধরনের ভয় ভীতি আর আশঙ্কা থেকে সম্পুর্ণ সুরক্ষিত, সত্যিকারের উগ্রপন্থীরা সমরাস্ত্রের ইতিহাসে আসলেই উচ্চাসনে আসীন হওয়ার দাবী রাখে, তাদের জায়গা হওয়া উচিৎ লঙ্গবো আর যুদ্ধঘোড়া, ট্যাঙ্ক এবং ক্লাষ্টার বোমার পাশেই। প্রশ্নাতীত ধর্মবিশ্বাস কোন বিশেষ গুন নয় সেটা শেখানোর পরিবর্তে যদি শিশুদের প্রশ্ন করা শেখানো যায়, এবং শেখানো যায় কিভাবে তারা তাদের বিশ্বাসকে পর্যালোচনা করবে, বাজী রাখার মত করেই বলা যেতে পারে আর কখনই কোন আত্মঘাতী বোমাবাজ দেখা মিলতো না। আত্মঘাতী বোমাবাজরা যে কাজটি করে সেটি করার জন্য তার কারন হচ্ছে তারা মনে প্রাণে বিশ্বাস করে ধর্মীয় স্কুলে যা শেখানো হয় তা অলংঘনীয়ভাবে সত্যি : ঈশ্বরের প্রতি কর্তব্য অন্য সব কিছুর চেয়ে বেশী প্রাধান্য পায়, এবং ঈশ্বরের সেবায় এই শহীদ হবার জন্য রয়েছে পুরষ্কার হিসাবে আছে বেহেশতের বাগানের প্রতিশ্রুতি। এবং এই শিক্ষাটি যে তারা পেয়েছে শুধুমাত্র জঙ্গীবাদী ধর্মান্ধদের কাছ থেকে তা কিন্তু সব সময় ঘটছে না, বরং তারা সেটা বেশীর ভাগ সময়ই পাচ্ছে শ্লীল, নম্র মুলধারার ধর্মীয় প্রশিক্ষকদের কাছ থেকে, যারা মাদ্রাসাগুলোতে তাদের সারিবদ্ধ করে বসায় এবং তারা ছন্দের সাথে সাথে  তাদের মাথা উপর নীচে দুলিয়ে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে প্রতিটি শব্দ মুখস্থ করে যেন কোন মাথা নষ্ট হয়ে যাওয়া টিয়া পাখির দল। আর এই বিশ্বাস হতে পারে অত্যন্ত ভয়ঙ্কর, এবং সচেতন ও পরিকল্পিত কোন উপায়ে সেটি অবুঝ ঝুকি পুর্ণ কোন শিশুর মনে গেথে দেয়া গভীরভাবে অন্যায় একটি কাজ। পরবর্তী অধ্যায়ে আমার আলোচনার ক্ষেত্র হবে শৈশব এবং ধর্ম দ্বারা শৈশবের যে নীপিড়ন হয় তার বর্নণা।

________________________ অষ্টম অধ্যায় সমাপ্ত

Advertisements
রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন : অষ্টম অধ্যায় (শেষ পর্ব)

4 thoughts on “রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন : অষ্টম অধ্যায় (শেষ পর্ব)

    1. এটি ড্রাফট অনুবাদ, অধ্যায় দুটি সেখানে নেই
      বইটি গত বই মেলায় প্রকাশিত হয়েছে। আশা করছি এবারের বইমেলায় বা তার আশে পাশে কোনো এক সময় কলকাতা থেকে আরেকটি সম্পাদিত সংস্করণ প্রকাশিত হবে।

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s