রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন : অষ্টম অধ্যায় (দ্বিতীয় পর্ব)

veith15
ছবি: হাগিং বোম্ব ( ক্রেইগ ব্যারীর ( Kreig Barrie) একটি ইলাসট্রেশন)

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন : অষ্টম অধ্যায় (দ্বিতীয় পর্ব)
( অনুবাদ প্রচেষ্টা: কাজী মাহবুব হাসান)

The God Delusion by Richard Dawkins

প্রথম অধ্যায়
দ্বিতীয় অধ্যায়
তৃতীয় অধ্যায়
চতুর্থ অধ্যায় (প্রথম পর্ব) , চতুর্থ অধ্যায় ( দ্বিতীয় পর্ব) ,
চতুর্থ অধ্যায় ( তৃতীয় পর্ব ) , চতুর্থ অধ্যায় ( চতুর্থ পর্ব ) , চতুর্থ অধ্যায় ( শেষ পর্ব)
 পঞ্চম অধ্যায় (প্রথম পর্ব)পঞ্চম অধ্যায় ( দ্বিতীয় পর্ব) , পঞ্চম অধ্যায় (তৃতীয় পর্ব)
পঞ্চম অধ্যায় (চতুর্থ পর্ব) ,  পঞ্চম অধ্যায় (পঞ্চম পর্ব) ,পঞ্চম অধ্যায় (ষষ্ঠ পর্ব)
ষষ্ঠ অধ্যায় (প্রথম পর্ব) ; ষষ্ঠ অধ্যায় (দ্বিতীয় পর্ব)ষষ্ঠ অধ্যায় (শেষ পর্ব)
সপ্তম অধ্যায় (প্রথম পর্ব) ; সপ্তম অধ্যায় (দ্বিতীয় পর্ব) ; সপ্তম অধ্যায় (তৃতীয় পর্ব) ;
সপ্তম অধ্যায় (চতুর্থ পর্ব) ; সপ্তম অধ্যায় ( শেষ পর্ব)
অষ্টম অধ্যায় (প্রথম পর্ব)

ধর্মের সমস্যাটা আসলে কি? ধর্ম কেন এত হিংস্র ?

 মোরাল অ্যাবসোল্যুটিজম** বা চুড়ান্তবাদীতার অন্ধকার রুপ:

আগের অধ্যায়ে ‍যখন সময়ের সাথে পরিবর্তিত হওয়া নৈতিকতার যুগধর্ম বা জাইটগাইষ্ট কে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছিলাম, আমি উদারপন্থী, জ্ঞানালোকপ্রাপ্ত, সুশীল মানুষদের সর্বজনীন ঐকমতের একটি ধারনার কথা উল্লেখ করেছিলাম; আমি একটু বেশী মাত্রায় আশাবাদী ধারনা করেছিলাম যে ‘আমরা’ সবাই অন্তত মোটা দাগে সেই ঐকমতের সাথে সংহতি অনুভব করি, কেউ কেউ হয়তো অন্যদের চেয়ে বেশী এবং  আমি এই আমরা বলতে মনে করেছিলাম.. বেশীর ভাগ মানুষ যাদের এই বইটি পড়ার সম্ভাবনা আছে, ধর্ম সংক্রান্ত বিশ্বাসে তাদের যে অবস্থানই থাকুক না কেন। কিন্তু অবশ্যই একেবারে সবাই যে একমত তা কিন্তু না ( এবং সবাই যে আমার এই বইটি পড়ার ইচ্ছা পোষন করবেন তাও কিন্তু না); সুতরাং স্বীকার করতেই হবে স্বৈরাচারবাদ এখনও তার মৃত্যু থেকে অনেক দুরে। আসলেই, আজ এখনও বিশ্বজুড়ে এটি বিশাল সংখ্যক মানুষের মনে রাজত্ব করছে, সবচে বিপদজ্জনক ভাবে মুসলিম বিশ্বে এবং অংকুরিত হতে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ধর্মতন্ত্রে ( কেভিন ফিলিপস এর American theocracy নামের বইটি দেখুন); প্রায় সবসময়ই এধরনের চুড়ান্তবাদীতা বা অ্যাবসোলিউটিজমের মুল উৎস হচ্ছে শক্তিশালী ধর্মীয় বিশ্বাস। এবং ধর্ম যে পৃথিবীতে একটি অশুভ শক্তি এমন প্রস্তাবের এটি মুলত প্রধান কারন।

ওল্ড টেষ্টামেন্টে সবচেয়ে নৃশংসতম শাস্তির বিধান রাখা হয়েছিল ব্লাসফেমী বা ধর্ম নিন্দার জন্য এবং এটি এখনও কিছু দেশে সক্রিয়। পাকিস্থানের পেনাল কোড এর ২৯৫-সি সেকশন এই ’অপরাধের’ জন্য মৃত্যুদন্ডের বিধান আছে। ২০০১ সালে ১৮ আগষ্ট, ডা: ইউনুস শেখ, একজন চিকিৎসক শিক্ষক ব্লাসফেমীর জন্য মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হয়েছিলেন। নির্দিষ্ট অপরাধটির জন্য এই আইনে তিনি অভিযুক্ত হয়েছিলেন সেটি হলো: তিনি তার শিক্ষার্থীদের নাকি বলেছিলেন ৪০ বছর বয়সে তার নিজের ধর্ম আবিষ্কারের পুর্বে নবী মোহাম্মদ মুসলিম ছিলেন না।  তার ১১ জন শিক্ষার্থী তার এই ধরনের কথা বলার অপরাধের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে তার নামে অভিযোগ করেছিল। পাকিস্থানে ব্লাসফেমী আইনটি সাধারনত: ব্যবহার করা হয় খৃষ্ট ধর্মাবলম্বীদের বিরুদ্ধে, যেমন অগাষ্টিন আশিক কিংরি মাসিহ, যাকে ফয়সালাবাদে ২০০০ সালে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছিল। একজন খৃষ্ট ধর্মাবলম্বী হিসাবে মাসিহ তার মুসলিম প্রেমিকাকে বিয়ে করার কোন অনুমতি ছিল না – অবিশ্বাস্যভাবে- পাকিস্থানী ( এর ইসলামী) আইন কোন মুসলিম রমনীকে কোন অমুসলিমকে বিয়ে করার অনুমতি দেয় না। সুতরাং তিনি ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হবার চেষ্টা করেন এবং সেটা করতে গিয়ে তিনি অভিযুক্ত হন এই ধর্মগ্রহনের জন্য তার নিশ্চয়ই নীচ কোন উদ্দেশ্য আছে এমন একটি অভিযোগে। আমি যে রিপোর্ট পড়েছি সেটা থেকে স্পষ্ট নয় যে, এটাই কি তার মুল অপরাধ ছিল নাকি নবীর নিজের নৈতিকতা নিয়ে তার কোন মন্তব্য যা তিনি করেছিলেন বলেও তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। যাই হোক, অন্য যে কোন দেশে, যাদের আইন ধর্মীয় গোড়ামী মুক্ত, সেখানে এধরনের কোন অপরাধের শাস্তি হিসাবে মৃত্যুদন্ড কল্পনা করা অসম্ভব।

moral-relativism (1)
ছবি: ডিজাইন Henry Sene Yee, ফটোগ্রাফ: Jon Shireman| Steven Lukes এর বই Moral Relativism এর প্রচ্ছদ থেকে সম্পাদনা করে।

২০০৬ সালে আফগানিস্থানে, আব্দুল রহমান মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হন খৃষ্টান ধর্ম গ্রহন করার জন্য। কাউকে কি তিনি খুন করেছিলেন ? বা আহত করেছিলেন হিংস্র কোন উপায়ে, নাকি তিনি কোন কিছু চুরি বা ধ্বংশ করেছিলেন কিছু? নাহ, শুধুমাত্র একটি কাজই তিনি করেছিলেন: তিনি তার মন পরিবর্তন করেছিলেন, তার নিজের ভিতরে এবং ব্যক্তিগতভাবে তিনি তার মন পরিবর্তন করেছিলেন; তিনি কিছু ধারনা আর চিন্তা তার মনে পোষন করেছিলেন যা তার দেশের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের পছন্দ হয়নি। এবং মনে রাখতে হবে এই আফগানিস্থান কিন্তু তালিবানদের আফগানিস্থান না বরং হামিদ কারজাই এর মুক্ত আফগানিস্থান, যুক্তরাষ্ট্রর নের্তৃত্বে যৌথ বাহিনী যে সরকারকে ক্ষমতায় বসিয়েছিল। জনাব রহমান মৃত্যুদন্ডের হাত থেকে রেহাই পেয়েছিলেন, তবে শুধুমাত্র আত্মরক্ষার জন্য নিজেকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে দাবী করে এবং প্রবল আন্তর্জাতিক চাপের মুখে। গোড়া ইসলামী কর্তব্য পালন করতে অতিউৎসাহী গুন্ডাদের হাত থেকে নিজের প্রান বাচাতে বর্তমানে তিনি রাজনৈতিক আশ্রয়ে ইতালীতে। তালিবান শাসন মুক্ত করা আফগানিস্থানের সংবিধানের এটি এখনও একটি ধারা হিসাবে বিদ্যমান, ধর্মত্যাগের শাস্তি মৃত্যুদন্ড। অ্যাপোস্টেসি বা ধর্মত্যাগ, মনে রাখতে হবে, কিন্তু কোন ধরনের সত্যিকারের মানুষের উপর ঘটানো বা কোন সম্পদের ক্ষতি করা না। জর্জ অরওয়েল  এর 1984 এর শব্দ ব্যবহার করে যদি বলি এটি বিশুদ্ধভাবে চিন্তা জগতের ‍অপরাধ বা থটক্রাইম এবং ইসলামিক আইন অনুযায়ী এর শাস্তি মৃত্যুদন্ড। আরেকটি উদহারন, ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর..সাদিক আব্দুল কারিম মালল্লাহ র ক্ষেত্রে যেমন মৃত্যুদন্ড কার্যকর হয়েছিল। আইনগতভাবে তাকে ধর্মনিন্দা এবং ধর্মত্যাগে দোষী সাব্যস্ত হবার পর, সৌদি আরবে জনসমক্ষে তাকে শিরোচ্ছেদ করা হয়।

আমি একবার টেলিভিশনে সম্প্রচারিত একটি বিতর্কে মুখোমুখি হয়েছিলাম স্যার ইকবাল সাকরানি র;  যার কথা আমি প্রথম অধ্যায়ে উল্লেখ করেছিলাম, যাকে বলা হয় বৃটেনের নের্তৃত্বস্থানীয় মধ্যপন্থী মুসলিম। তাকে চ্যালেন্জ করেছিলাম ধর্মত্যাগ বা অ্যাপোস্ট্যাসির সাজা মৃত্যুদন্ড নিয়ে। তিনি ‍খবু কসরত করে আমার প্রশ্নের পাশ কাটিয়ে যান প্রথাটি না স্বীকার করে বা এর বিরুদ্ধে কোন নিন্দা  না জানিয়ে। তিনি বার বার মুল বিষয় থেকে সরে যাচ্ছিলেন, বিষয়টি গুরুত্বপুর্ণ কিছু না বলে। এই হচ্ছে সেই মানুষ যাকে বৃটিশ সরকার নাইট উপাধি দিয়েছিলে, আন্ত:বিশ্বাস সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রাখার জন্য।

কিন্তু খৃষ্টান ধর্মেও কোন আত্মতুষ্টির জায়গা নেই। এই বৃটেনে প্রায় সাম্প্রতিক ১৯২২ সালে জন উইলিমার গোটকে নয় মাসের সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করা হয়েছিল ধর্মনিন্দা করার জন্য: তিনি জীসাসকে একটি ভাড় এর সাথে তুলনা করেছিলেন। প্রায় অবিশ্বাস্য যে এখনও বৃটেন এর আইনে ধর্মনিন্দার আইনটি বিদ্যমান। ২০০৫ সালে একটি খৃষ্টান গ্রুপ বিবিসি র বিরুদ্ধে এই ব্লাসফেমীর অভিযোগ আনার চেষ্টা করেছিল Jerry Springer, the Opera সম্প্রচার করার জন্য।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্টে ‘আমেরিকান তালিবান’ শব্দটি সৃষ্টি হবার অপেক্ষায় ছিল উদগ্রীবভাবে। দ্রুত আপনি গুগল সার্চ করলে দেখবেন কমপক্ষে এক ডজন ওয়েব সাইট তা করেছে। যুক্তরাষ্ট্রর ধর্মীয় নেতা, ধর্মবিশ্বাস নির্ভর রাজনীতিবিদদের যে পরিমান উদ্ধৃতি তারা সংগ্রহ করেছে তা ভয়াবহভাবে মনে করিয়ে দেয় আফগান তালিবান, আয়াতোল্লাহ খোমেনী এবং সৌদি আরবের ওয়াহাবী কর্তৃপক্ষর সংকীর্ণ মানসিকতা, নির্মম নৃশংসতা আর চুড়ান্ত কুৎসিত মনোভাবকে। ’দি আমেরিকান তালিবান’ নামে ওয়েব পেজটি বিশেষ ভাবে সমৃদ্ধ কুৎসিৎভাবে জঘন্য আর উন্মত্ত সব উদ্ধৃতিতে। যার শুরুতেই আছে সেরাটি যার উৎস অ্যান কোলটার নামে একজন; আমার সহকর্মীরা আমাকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছে যা কোন গাজাখুরী বানানো মন্তব্য না, এটি আবিষ্কার করেছিল The Onion পত্রিকা: ’আমাদের উচিৎ অন্য দেশগুলোকে আক্রমন করে তাদের সব নেতাদের হত্যা করা ও তাদের খৃষ্ট ধর্মে রুপান্তরিত করা।”

এছাড়া এধরনের আরো কিছু অতুলনীয় মানসিকাপুর্ণ উদ্ধৃতির নমুনা হচ্ছে, যেমন কংগ্রেস সদস্য বব ডরনান বলেছিলেন: ’গে বা Gay শব্দটি ব্যবহার করবেন না যদি না সেটি Got AIDS Yet  (বা এখনও  এইডস হয়নি) বাক্যটির শব্দসংক্ষেপ না হয়।’ এছাড়া জেনারেল উইলিয়াম জি বয়কিনস বলেছিলেন, ”জর্জ বুশ যুক্তরাষ্ট্রের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটারদের দিয়ে নির্বাচিত হননি, তাকে নিয়োগ দিয়েছেন স্বয়ং ঈশ্বর।’ এছাড়াও আছে একটি পুরোনো বিখ্যাত রোন্যাল্ড রিগ্যান শাসনামলের পরিবেশ নীতির বিখ্যাত সেক্রেটারীর: ’আমাদের পরিবেশকে সুরক্ষা করার কোন দরকার নেই, খৃষ্টের দ্বিতীয় আগমন আসন্ন।’ আফগান তালিবান আর আমেরিকান তালিবান হচ্ছে উৎকৃষ্ট উদহারন কি ঘটে যখন মানুষ তাদের ধর্মগ্রন্থকে আক্ষরিক ভাবে এবং অতিরিক্ত গুরুত্বের সাথে প্রশ্নাতীতভাবে অনুসরণ করে। ওল্ড টেষ্টামেন্ট এর ধর্মতন্ত্রের অধীনে জীবন কত ভয়াবহ হতে পারে তার একটি আধুনিক সংস্করণ দেখতে পাই আমরা এখানে। কিম্বার্লী ব্লেকার তার বই The Fundamentals of Extremism: The Christian Right in America তে খৃষ্টান তালিবানদের (যদিও এই নামে না) বিপজ্জনক রুপটার বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছেন।

________________________ চলবে

**  (((( মোরাল অ্যাবসোল্যুটিজম (Moral absolutism) বা চুড়ান্তবাদীতা একটি  এথিকাল বা নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গী, যা দাবী করে, কোন একটি কাজ হয় চুড়ান্তভাবে সঠিক অথবা চুড়ান্তভাবে ভুল, সেই কাজটি সম্পাদনের পেছনে যে উদ্দেশ্য, পরিস্থিতি বা তার পরিনাম যাই হোক না কেন। যেমন চুরি করা সবসময়ই অনৈতিক হিসাবে গন্য করা হবে এই দৃষ্টিভঙ্গীতে, এমন কি যদি সেই চুরি করা হয় কোন ক্ষুধার্ত পরিবারের জীবন বাচাতে। নরমেটিভ এথিকাল তত্ত্বগুলো যেমন, consequentialism, কনসিকোয়েনসাশিলম বা পরিণতিবাদ এর সাথে মোরাল অ্যাবসোল্যুটিজম অবস্থানটি খুবই ভিন্ন, consequentialism, যেমন দাবী করছে মোটা দাগে কোন কাজের নৈতিকতা নির্ভর করছে সেই কাজটি কোন পরিস্থিতিতে করা হয়েছিল এবং তার পরিনতি কি হয়েছিল। মোরাল অ্যাবসোল্যুটিজম এর সাথে moral universalism (যাকে moral objectivism ও বলা হয়ে থাকে) এর পার্থক্য আছে। moral universalism দাবী করছে কোন কাজটি ন্যায় এবং অন্যায় তা প্রথা বা মতামত থেকে স্বাধীন ( যা ঠিক moral relativism বা নৈতিক আপেক্ষিকতাবাদের বীপরিত) তবে তাদের যে পরিস্থিতি বা পরিনতি থেকে স্বাধীন হতে হবে এমন আবশ্যিকতা নেই ( যা Moral absolutism এর ক্ষেত্রে ঘটে থাকে); Moral universalism আবার moral absolutism এর সাথে সামন্জষ্যপুর্ণ হতে পারে তবে সেটি মাঝে মাঝে consequentialism এর জায়গাও নিতে পারে। লুই পজম্যান এর সংজ্ঞায়: Moral absolutism হচ্ছে কমপক্ষে একটি মুলনীতি যা কখনোই লঙ্ঘন করা যাবে না, আর Moral objectivism হচ্ছে কোন একটি কাজের নৈতিকভাবে গ্রহনযোগ্যতার ব্যাপারে একটি বাস্তব সত্যর উপস্থিতি আছে: এই বাস্তব সত্যটি শুধুমাত্র সামাজিক প্রথা এবং ব্যক্তিগত গ্রহনযোগ্যতার উপর নির্ভর করে না; নৈতিক তত্ত্বগুলো অধিকার আর কর্তব্যর উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন, যেমন ইমানুয়েল কান্টের deontological ethics যা প্রায়শই Moral absolutism এর উদহারন, যেমন অসংখ্য ধর্মীয় নৈতিক নির্দেশগুলো Moral absolutism এর উদহারন))))))

Advertisements
রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন : অষ্টম অধ্যায় (দ্বিতীয় পর্ব)

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s