Sex, Death And The Meaning Of Life : রিচার্ড ডকিন্স এর একটি প্রামান্য চিত্র (বিবিসি চ্যানেল ৪): (আপডেটেড)

বিবিসি চ্যানেল ৪ এর প্রচারিত রিচার্ড ডকিন্স এর একটি সাম্প্রতিক প্রামান্যচিত্র ;
এই প্রামান্য চিত্রটির প্রথম পর্বে ডকিন্স ধর্ম এবং  নৈতিকতার সংশ্লিষ্টতা, আমাদের পাপবোধ এবং বৈজ্ঞানিক যৌক্তিকতায় ভালো এবং মন্দর এই পার্থক্যটা কিভাবে করা যায় সেটা নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং দ্বিতীয় পর্বটি আমাদের মৃত্যুভাবনা, আত্মার ধারনা নিয়ে এবং তৃতীয় পর্বে কিভাবে বিজ্ঞান আমাদের অনতিক্রম্য মৃত্যুর মুখোমুখি অর্থবহ জীবন যাপন করতে অনুপ্রানিত করতে পারে:

((((বিবিসি ৪ এর প্রোগ্রাম বিবরনী থেকে: প্রথম পর্ব )))

Sex, Death And The Meaning Of Life : রিচার্ড ডকিন্স এর একটি প্রামান্য চিত্র (বিবিসি চ্যানেল ৪): (আপডেটেড)

নুর ইনায়াত খান : দ্য স্পাই প্রিন্সেস


ছবি: নুর ইনায়াত খান ( ২ রা জানুয়ারী ১৯১৪- ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৪৪)

যুক্তরাজ্যে এই প্রথম বারের মত কোন এশীয় বংশোদ্ভুত নারীর একক ভাস্কর্য স্থাপিত হতে যাচ্ছে। ভাস্কর্যটি নুর ইনায়াত খানের।

11628_10153732657258136_8471180002224875091_n

১৯৪৩ সালে জুন মাসে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মিত্রবাহিনীর একজন গুপ্তচর হিসাবে নুর ইনায়াত খান ফ্রান্সে প্রবেশ করেছিলেন ফরাসী প্রতিরোধ বাহিনীকে সহায়তা দেবার জন্য, কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যে তাকে বিশ্বাসঘাতকতা করে ধরিয়ে দেয়া হয় দখলদার নাৎসী জার্মান বাহিনীর হাতে; জার্মান এসএস রা তাকে গুলি করে হত্যা করে ডাকাউ কনসেন্ট্রন ক্যাম্পে;

নুর ইনায়াত খানের বয়স তখন মাত্র ৩০;

এই সাহসী আত্মত্যাগের স্বীকৃতি হিসাবে  বৃটিশ সরকার তাকে মরনোত্তর জর্জ ক্রস ও ফরাসী সরকার ক্রোয়া দ্য গের প্রদান করেন। চার্চিলের গড়া সেই এলিট Secret Special Operations Executive (SOE) ‍নুর সহ আরো দুজনও George Cross পেয়েছিলেন; Violette Szabo এবং Odette Hallowes যারা দুজনেই অনেক আগেই আরো বেশী স্বীকৃতি পেয়েছিলেন তাদের অবদানের জন্য; তবে নুর ইনায়াত খান ছিলেন  বিস্মৃতির আড়ালে;  তাকে  নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেন লেখক শ্রাবনী বসু তার জীবনের গল্প নিয়ে লেখা Spy Princess: Life of Noor Inayat Khan বইটির মাধ্যমে।

Continue reading “নুর ইনায়াত খান : দ্য স্পাই প্রিন্সেস”

নুর ইনায়াত খান : দ্য স্পাই প্রিন্সেস

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন : পঞ্চম অধ্যায় (চতুর্থ পর্ব)


ব্র্যাড হল্যান্ড এর ইলাসট্রেশন ( সুত্র: TIME ম্যাগাজিন, God Vs Science, জানুয়ারী ১৫, ২০০৭)

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন :  পঞ্চম অধ্যায় (চতুর্থ পর্ব)
( অনুবাদ প্রচেষ্টা: কাজী মাহবুব হাসান)
The God Delusion by Richard Dawkins

প্রথম অধ্যায়
দ্বিতীয় অধ্যায়
তৃতীয় অধ্যায়
চতুর্থ অধ্যায় (প্রথম পর্ব) , চতুর্থ অধ্যায় ( দ্বিতীয় পর্ব) ,
চতুর্থ অধ্যায় ( তৃতীয় পর্ব ) , চতুর্থ অধ্যায় ( চতুর্থ পর্ব ) , চতুর্থ অধ্যায় ( শেষ পর্ব)
 পঞ্চম অধ্যায় (প্রথম পর্ব)পঞ্চম অধ্যায় ( দ্বিতীয় পর্ব) , পঞ্চম অধ্যায় (তৃতীয় পর্ব)

ধর্মের শিকড়

For excellent reasons related to Darwinian survival, child  brains need to trust parents, and elders whom parents tell them to trust. An automatic consequence is that the truster has no way of distinguishing  good advice from bad. The child cannot know that ‘Don’t paddle in the crocodile-infested Limpopo’ is good advice but ‘You must sacrifice a goat at the time of the full moon, otherwise the rains will fail’ is at best a waste of time and goats. Both admonitions sound trustworthy. Both come from a respected source and are
delivered with a solemn earnestness that commands respect and demands obedience. Richard Dawkins

অন্য কোন কিছুর বাই-প্রোডক্ট বা উপজাত হিসাবে ধর্ম: 

যাইহোক,আমি এখন গ্রুপ সিলেকশনকে একপাশে সরিয়ে রাখতে চাই এবং ধর্মের ডারউইনীয় সারভাইভাল ভ্যালু বা বেচে থাকার জন্য এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আমার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গী ব্যাখ্যা করতে চাই। সংখ্যায় ক্রমশ বাড়তে থাকা জীববিজ্ঞানীদের মত আমিও ধর্মকে দেখি অন্য কোন কিছুর একটি ’উপজাত’ বা ’বাই-প্রোডাক্ট’ হিসাবে।আরো সাধারনভাবে,আমি বিশ্বাস করি যে, ডারউইনীয় সারভাইভাল ভ্যালু সম্বন্ধে আমরা যারা ধারনা করার চেষ্টা করছি তাদের প্রয়োজন ’বাই-পোডাক্ট এর চিন্তা করা’;যখন আমরা কোন কিছুর বেচে থাকার ক্ষেত্রে তার কি উপযোগিতা মুল্য আছে তা জানতে চাই,তখন হয়তো হয়তো ভুল প্রশ্নটি করে থাকি;আমাদের আরো খানিকটা সহায়ক পন্থায় প্রশ্নটি নতুন করে লিখতে হবে। যে বৈশিষ্টটি নিয়ে আমাদের বিশেষ উৎসাহ (এই ক্ষেত্রে যেমন ধর্ম), হয়তো তার সরাসরি কোন নিজস্ব সারভাইভাল ভ্যালুই নেই (বা এমন কোন গুনাবলী সেই যা বেচে থাকার ক্ষেত্রে ডারউইনীয় অর্থে সহায়ক হতে পারে) কিন্তু এটি এমন কিছু একটির উপজাত বা বাই-প্রোডাক্ট,যার সেই সারভাইভাল ভ্যালুটি আছে। আমার নিজের গবেষনার ক্ষেত্র,প্রানী আচরণের একটি উদহারন দিয়ে এই উপজাত বা বাই-প্রোডাক্ট এর ধারনাটাকে ব্যাখ্যা করলে আমি মনে করি সেটি বোঝার জন্য সহায়ক হতে পারে।

মোমবাতির জ্বলন্ত শিখায় মথদের সরাসরি ঝাপিয়ে পড়তে দেখা যায় এবং ভালো করে লক্ষ্য করলে কিন্তু মনে হয়না এটি কোন দুর্ঘটনা;তারা যেন অতিউদ্যোগী হয়ে নিজেদের পুড়িয়ে আত্মাহুতি দেয়;তাদের এই অদ্ভুত আচরনকে আমরা নাম দিতে পারি ’আত্মহত্য করার উদ্দেশ্যে নিজেকে আগুনে পোড়ানো বা সেলফ ইমোলেশন আচরণ’এবং এই রহস্যময় নামের আড়ালে বিস্মিত হই কেমন করে, প্রাকৃতিক নির্বাচন এধরনের একটি আচরণ বিবর্তনে সহায়ক ভুমিকা পালন করতে পারে;আর এখানে আমার বক্তব্য হচ্ছে, অবশ্যই আমাদেরকে নতুন করে প্রশ্নটি লিখতে হবে,এমনকি কোন বুদ্ধিমান উত্তর খোজার চেষ্টা করার আগেই। এটি আত্মহত্যা নয়। আপাতদৃষ্টিতে এই আত্মহত্যা অন্য কোন একটা কিছুর অযাচিত বা অনাকাঙ্খিত কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা উপজাত ‍বা বাই-প্রোডাক্ট। উপজাত বা বাই-প্রোডাক্ট,কিন্তু কার? বেশ,নীচে বর্নিত হয়েছে এমন একটি সম্ভাবনা,যা হতে পারে এবং যেটি বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করে।

Continue reading “রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন : পঞ্চম অধ্যায় (চতুর্থ পর্ব)”

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন : পঞ্চম অধ্যায় (চতুর্থ পর্ব)

রসায়নে নোবেল পুরষ্কার ২০১২


Robert J Lefkowitz  এবং  Brian K Kobilka,

এবারে রসায়নে নোবেল পেলেন দুই যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানী রবার্ট লেফকোউইটজ  এবং ব্রায়ান কবিলকা, কোষের G-protein coupled receptors  বা জি প্রোটিন যুক্ত রিসেপ্টর সংক্রান্ত তাদের গবেষনার জন্য। এই রিসেপ্টর গুলো হচ্ছে আমাদের কোষের পর্দায় থাকা বিশেষ ধরনের রিসেপ্টর যারা বেশ অনেক ধরনের উদ্দীপনা শনাক্ত করতে কোষগুলোকে সহায়তা করে, যেমন আমাদের ঘ্রান; ২০১১ সালে কবিলকার টীম এমন একটি বিটা-অ্যাড্রেনার্জিক রিসেপ্টরে উপর ঠিক যে সময় হরমোন কাজ করছে এবং কোষের ভিতর সেই উদ্দীপনার সংকেত পৌছে দিচ্ছে ঠিক সেই মুহর্তের ছবি তুলতে সক্ষম হয়েছিলেন; আদিমতম যে রিসেপ্টরগুলো বিবর্তিত হয়েছিল তাদের কোন উদ্দীপনা সংকেত ( বা লাইগান্ড) এর মাধ্যমে সরাসরি কোষের পর্দার ছিদ্র খোলা বা বন্ধ করার মাধ্যমে করতে হতো। আদিম সাগরে যা একদিন এককোষী জীবদের রাসায়নিক উপদানের ঘনত্বের গ্রেডিয়েন্ট এর দিকে চলাচল করতে সাহায্য করেছিল। বিবর্তিনীয় সময়ের ধারাবাহিকতায়, এই রিসেপ্টর মেকানিজমটি ক্রমশ জটিলতর হয়েছে, আমাদের শরীরের অনেক গুরুত্বপুর্ণ রিসেপ্টরগুলো এখন কাজ করে ধারাবাহিকভাবে ধাপে ধাপে ঘটা বেশ কিছু প্রাণরাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে, যা শুরু হয় যখন কোন একটি রিসেপ্টর অনু ( সাধারণত সর্পিলাকার বা সাপের মত যা আমাদের কোষপর্দায় ভেতর বাইরে পেচিয়ে থাকে) কোন উদ্দীপনা শনাক্ত করে। যা প্রথমেই এই রিসেপ্টর অনুটির আকৃতিতে পরিবর্তন আনে এবং এর সাথে যুক্ত থাকা G প্রোটিন ( G প্রোটিন আসলে Guanine nucleotide-binding proteins এর সংক্ষিপ্ত রুপ) কে সক্রিয় করে; এই G প্রোটিনটি থাকে কোষের ভিতরে এবং এর তিনটি সাব ইউনিট আছে, এই সাবইউনিটদের পরিবর্তন আরো বেশ কিছু প্রোটিনকে সক্রিয় করে, যা কোষকে সেই রাসায়নিক উদ্দীপনার প্রতি সঠিক প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করার জন্য প্রস্তুত করে আভ্যন্তরীন পরিবেশটা পরিবর্তন করা মাধ্যমে। যেমন কোন স্নায়ু কোষ বা নিউরোনের ক্ষেত্রে, এটি বাইরে থেকে আয়নকে কোষের মধ্যে প্রবেশ করার সুযোগ করে দেয়, যা স্নায়ুসংকেতে সুচনা করে। নীচের ছোট ভিডিওটা ( যা মাত্র মিলিসেকেন্ডের মধ্যে ঘটে) দেখলে বোঝা যাবে কি বিস্ময়করভাবে জটিল এই G প্রোটিন যুক্ত রাসায়নিক বিক্রিয়ার ধাপগুলো; আর  কোষকে সক্রিয় করার জন্য এ ধরনের কোন জটিল প্রক্রিয়া কোন ডিজাইনারেরই করার কথা না, যা বিবর্তনের সেই মুল কথাটাকে স্মরণ করিয়ে দেয়, evolution doesn’t design, it ‘tinkers’ ;

রসায়নে নোবেল পুরষ্কার ২০১২

মালালা ইউসুফজাই লেখাপড়া করতে চেয়েছে শুধু….

(অ্যাডাম এলিক এর প্রামান্য চিত্র: Class Dismissed (2010) কিছু অংশ)

 গুল মাকাই নামে বিবিসি র জন্য ব্লগিং করতো মালালা। সোয়াত ভ্যালীতে পাকিস্থানের তেহরিক ই তালিবান এর হিংস্রতা আর সোয়াতের মানুষের স্বপ্নর কথা থাকতো সেখানে। অঘোষিত তালিবান নিয়ন্ত্রিত এই এলাকায় মেয়েদের স্কুলে যাওয়া প্রায় নিষিদ্ধ করেছিল সন্ত্রাসী ধর্মান্ধরা ধর্মের নামে সন্ত্রাসের আবহাওয়া সৃষ্টি করে। মালালা সেখানে স্কুলে যাবার অধিকারের জন্য লড়েছিল; ভয়ঙ্কর এই হিংস্র উপত্যাকায় শিশু মালালার সাহস চমকে দিয়েছে সারা পৃথিবীকে। পাকিস্থানের প্রথম শান্তি পুরষ্কারও দেয়া হয়েছে মালালাকে গত বছর। মঙ্গলবার শিশু মালালার এই সাহসের জবাব দিয়েছে কাপুরুষ তালিবানরা তার মাথায় আর বুকে গুলি করে। ‍মৃত্যুর সাথে যুদ্ধ করছে মালালা এখন । সাহসী মালালা সুস্থ হয়ে উঠুক এবং তার ডাক্তার হবার স্বপ্ন পুরণ করুক এই শুভকামনা রইল।

মালালা ইউসুফজাই লেখাপড়া করতে চেয়েছে শুধু….

This Land is Mine:Nina Paley

আমেরিকান কার্টুনিষ্ট, অ্যানিমেটর এবং ফ্রি কালচার অ্যাক্টিভিস্ট Nina Paley (born May 3, 1968) এর তৈরী একটি অ্যানিমেশন ( This Land is Mine)

আর কে কাকে হত্যা করছে তার জন্য একটি গাইড নীচে,  এটি Nina Paley র ব্লগের নীচের লিঙ্ক এ পাওয়া যাবে:

http://blog.ninapaley.com/2012/10/01/this-land-is-mine/

Continue reading “This Land is Mine:Nina Paley”

This Land is Mine:Nina Paley