প্রজেক্ট ৫২৩ এবং ম্যালেরিয়ার নেমেসিস


শীর্ষ ছবি: তু ইয়ুইয়ু  (ছবি: Simon Griffiths, New Scientist, November 2011)

It is scientists’ responsibility to continue fighting for the healthcare of all humans. What I have done was what I should have done as a return for the education provided by my country. Tu Youyou

মুল:  তু ইয়ুইয়ুর সাথে নিউ সায়েন্টিষ্ট এর সাংবাদিক ফিল ম্যাককেনার একটি সাক্ষাৎকার এবং ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত তথ্য অবলম্বনে।

২০১১ সালের আগ পর্যন্ত তু ইয়ুইয়ু ( Tu youyou) ছিলেন মুলত‍ঃ অপরিচিত একটি মানুষ তার স্বদেশ এবং বিদেশে। এতো বড় একটা আবিষ্কারের পরও কয়েক দশক ধরে অন্তরালেই ছিলেন এই চীনা ফার্মাকোলজিষ্ট; অথচ যার আবিষ্কার প্রায় অর্ধ বিলিয়ন মানুষের জীবন বাচিয়েছে এবং প্রতিনিয়ত ব্যবহৃত হচ্ছে ম্যালেরিয়ার চিকিৎসা হিসাবে। ২০০৫ এ যুক্তরাষ্ট্রের দুই ম্যালেরিয়া গবেষক তাদের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্ঠায় উদ্ধার করতে সক্ষম হন, বর্তমানে ম্যালেরিয়ার সবচেয়ে কার্যকরী ঔষধ, আর্টিমিসিনিন এর আবিষ্কারক কে ছিলেন। তাদের মাধ্যমেই অন্তরাল থেকে বেরিয়ে আসেন এই নিবেদিত প্রাণ চীনা গবেষক, তু ইয়ুইয়ু। আশি বছর বয়স্ক, তু ইয়ুইয়ু এখনও কাজ করছেন, বর্তমানে চায়না অ্যাকাডেমী  অব চাইনীজ মেডিকেল রিসার্চ এর চীফ সায়েন্টিষ্ট এবং ডক্টরাল স্টুডেন্টদের টিউটর ‍হিসাবে। চীনা অ্যাকাডেমিক মহলে তু ইয়ুইয়ু পরিচিত Professor of three none’s বা তিনটি না‘র অধ্যাপক হিসাবে, তার নেই কোন স্নাতোকোত্তর ডিগ্রী ( ১৯৭৯ র আগে চীনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রীর প্রচলন ছিল না),  নেই কোন দেশের বাইরে কোন গবেষনা বা পড়াশোনা করার অভিজ্ঞতা ( তার সময়ে কম্যুনিষ্ট চীন মুলত: বিচ্ছিন্নই ছিল সারা বিশ্ব থেকে) এবং তিনি কোন প্রফেশনাল চাইনীজ অ্যাকাডেমীর সদস্য নন। এ বছর অর্থাৎ ২০১১ সালে  Lasker~DeBakey Clinical Medical Research Award এ সন্মানিত করা হয় তাকে।

Continue reading “প্রজেক্ট ৫২৩ এবং ম্যালেরিয়ার নেমেসিস”

প্রজেক্ট ৫২৩ এবং ম্যালেরিয়ার নেমেসিস