‍‍তেলাপোকার বিশ্বজয়ের গোপন অস্ত্র


শীর্ষ ছবি: অষ্ট্রেলিয়ান তেলাপোকা বা Periplaneta australasiae। ( ছবি: Michel Gunther/photolibrary.com/ New Scientist)

(আমি প্রথম যে তিনটি পোকাকে ভালো চিনতে শিখি তার একটি হল তেলাপোকা (বাকী দুটি মাছি এবং মশা); তেলাপোকার প্রতি আমার অনুভুতিটা পর্যায়ক্রমে বিবর্তিত হয়েছে প্রথমে ভয়, তারপর ঘৃনা, বিরক্তি এবং সবশেষে বিস্ময়ে। এই বিস্ময়ের কিছুটা প্রকাশের প্রচেষ্টা নিলাম নীচের এই লেখাটিতে। নিউ সায়েন্টিষ্ট ম্যাগাজিনে ওয়েন্ডি জুকারম্যান এর The Roach’s Secret লেখাটিকে মুল কাঠামো ধরে আরো কিছু বাড়তি তথ্য সংযোজন ও পরিবর্ধন করে এই লেখা)

তেলাপোকা চেনে না এমন কেউ কি আছে?

এই পোকাটা দেখা মাত্র একেক জনের একেক রকম প্রতিক্রিয়া হয়, কেউ ভয় পায়, কারো ঘৃনায় গা গুলিয়ে উঠে, কারো হাত নিশপিশ করে এক বাড়ি দিয়ে বা পা দিয়ে পিষে মেরে ফেলতে.. , যার যেটাই মনে হোক না কেন, যে কোন পরিবেশে অনায়াসে খাপ খাইয়ে নেবার অসাধারন ক্ষমতার বলে এটি পৃথিবীর অন্যতম সফল একটি প্রানী। অনেকই অবশ্য ধারনা করেন, যে কোন প্রতিকুলতা সহ্য করার মত শক্তিশালী প্রানী এটি, এমন কি পারমানবিক তেজষ্ক্রিয়তাতেও এদের কিছুই হয় না, যে ধারনাটা প্রায় পুরোটাই ভুল। কারন বেশ কিছু পরীক্ষা পরে প্রমান করেছে যে, বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই এদের প্রতিকুলতা সহ্য করার ক্ষমতা অন্য অনেক কীটপতঙ্গের মতই গড়পড়তা।

Continue reading “‍‍তেলাপোকার বিশ্বজয়ের গোপন অস্ত্র”

‍‍তেলাপোকার বিশ্বজয়ের গোপন অস্ত্র

রঙ্গীন ফটোগ্রাফীর ১৫০ বছর:

শীর্ষ ছবি: ১৯১৫ সালের আশেপাশে অটোক্রোমে তোলা ওয়াটার লিলির ফটোগ্রাফ। (সুত্র: Water lilly. Autochrome, circa 1915. ©George Eastman House / Joseph Anderson / The Image Works, http://theimageworks.info/pub/autochrome/ gallery/images/prevs/prev30.jpg)

প্রথম ক্লিক !!: ইমেজ সেন্সর আর বেয়ার ফিল্টারের আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে ডিজিট্যাল ফটোগ্রাফির জন্ম হয় ৮০’র দশকে। ডিজিট্যাল ক্যামেরার উপস্থিতি এখন সর্বত্র। কিন্তু ছবি তোলার এই সহজ উপায়টি আসার আগে, কোন একটি মুহুর্তকে ফটোগ্রাফে বন্দী করে রাখার জন্য আমাদের প্রচেষ্টার ইতিহাস কিন্তু প্রায় দেডশ বছরেরও বেশী। সেই ইতিহাসের কিছু মাইলস্টোন নিয়ে লেখার চেষ্টা করেছি নিচে। শেষ মাইলস্টোনটি জর্জ ইষ্টম্যানের রোলড ফিল্ম আর পোর্টেবল কোডাক ক্যামেরা। ১৮৫৪ সালে ১২ জুলাই তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক এর ওয়াটারভিলে জন্ম গ্রহন করেন। জীবনের সব প্রতিকুলতাকে জয় করে তিনি একজন আবিষ্কারক ও সফল ব্যবসায়ী হতে পেরেছিলেন।  আমি আমার এই সামান্য লেখাটি  ফটোগ্রাফির সেই অগ্রদুত,আবিষ্কারক এবং ফিলানথ্রপিষ্ট জর্জ ইষ্টম্যান এর স্মৃতির প্রতি উৎসর্গ করছি :

ভূমিকা:

১৮৬১ সালে রয়্যাল ইনস্টিটিউশনের একটি লেকচারের সময় স্কটিশ পদার্থবিদ জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল তিনটি প্রধান রঙ্গের সন্নিবেশ আর বিভাজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রঙ্গীন ছবি তোলার জন্য তার তত্ত্বটি আবিষ্কারের ঘোষনা দেন। সেই সময় থেকেই যে মুলনীতি পরবর্তীকালে প্রায় সব ধরনের ফটোকেমিক্যাল আর ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে রঙ্গীন ছবি তোলার মুল ভিত্তিতে পরিনত হয়। এই আবিষ্কারের ১৫০ বছর পুর্তিতে গত ২৭ শে মে নিউ সায়েন্টিষ্ট পত্রিকা তাদের ওয়েবসাইটে যে সব অসাধারন বিজ্ঞানী আর গবেষকদের প্রচেষ্টার কারনে রঙ্গিন ফটোগ্রাফী সম্ভব হয়েছে, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি স্লাইড শো প্রকাশ করে। আমার লেখাটি সেই স্লাইডগুলো বেশ খানিকটা পরিবর্ধন আরো তথ্য সন্নিবিষ্ট করে।

আসুন রঙ্গীন ফটোগ্রাফের সেই ইতিহাসের কিছু মাইল ফলক ছুয়ে আসি।

Continue reading “রঙ্গীন ফটোগ্রাফীর ১৫০ বছর:”

রঙ্গীন ফটোগ্রাফীর ১৫০ বছর:

জীবাশ্ম নক্ষত্রকণার চলমান ছায়্পথ আমরা..

Our planet, our society, and we ourselves are built of star stuff. Carl Sagan (Cosmos)

শীর্ষ ছবি: ক্যাসিওপিয়া এ,একটি সুপার নোভার অবশিষ্টাংশ (সুত্র: NASA/JPL-Caltech/O. Krause (Steward Observatory))

(পিটার টাইসনের ‘দ্য স্টার ইন ইউ’ ও কিছু বাড়তি তথ্য অবলম্বনে)

এর পরে কোনো আড্ডাতে সমঝদার কাউকে পেয়ে গেলে কিন্তু একটা দারুণ বিষয় নিয়ে আপনি আলাপ শুরু করতে পারেন: আপনার শরীরের প্রত্যেকটি পরমাণু, যেমন, আপনার হাড়ের ক্যালসিয়াম, জিনের কার্বন, রক্তের হিমোগ্লোবিনের মধ্যে লোহা, এমনকি আপনি যদি কোন সোনার গহনা পরে থাকেন, সেই সোনা – সবকিছুই তৈরী হয়েছে অনেক বিলিয়ন (এক বিলিয়ন= ১ এর পর নয়টি শূন্য) বছর আগে  কোনো নক্ষত্রের মধ্যে।  সব কয়টি, শুধুমাত্র হাইড্রোজেন আর তার কাছাকাছি একটি বা দুটি হালকা মৌল ছাড়া, তৈরী হয়েছে এমনকি আরো আগে, প্রায় ১৩.৭ বিলিয়ন বছর আগে বিগ ব্যাঙ্গ শুরু হবার পরপরই।

Continue reading “জীবাশ্ম নক্ষত্রকণার চলমান ছায়্পথ আমরা..”

জীবাশ্ম নক্ষত্রকণার চলমান ছায়্পথ আমরা..

আইনস্টাইনের E=mc² সমীকরনের পূর্বসুরীরা

শীর্ষ ছবি: পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত সমীকরনটি,  ১৯১২ সালে আইনস্টাইনের লেখা Special Relativity Theory ’র পাণ্ডুলিপি একটু ভিন্ন ভাবে। ছবি: Einstein Archives, Hebrew University of Jerusalem/ (নোভা/পিবিএস)।

প্রাককথন: ডেভিড বোডানিসে’র (David Bodanis) E=mc²  : A Biography of the World’s Most Famous Equation.” এর কিছু অংশ বিশেষ নিয়ে নোভা অনলাইন  প্রকাশ করেছিল একটি প্রবন্ধ The Ancestors of E=mc², আমার নীচের এই লেখাটি, কিছুটা পরিবর্ধন করে সেই লেখাটি অবলম্বনে। লেখাটি মুলত: বিজ্ঞানের ইতিহাসের। আইনস্টাইনের যুগান্তকারী সমীকরনটির আলাদা ইতিহাস বা  বিশ্লেষন নয়। ইতিহাসবিদ ডেভিড বোডানিস তার E=mc² : A Biography of the World’s Most Famous Equation” বইটিতে মুলত: বিবরণ দিয়েছেন, সেই সব যুগান্তকারী আর বৈপ্লবিক চিন্তার বিজ্ঞানীদের অবদানগুলো সম্বন্ধ। তা‍‍দের গবেষনা,পরীক্ষালব্ধ ফলাফল আইনস্টাইনের ভর, শক্তি আর আলো সম্বন্ধে ধারনাকে আকৃতি দিয়ে তার অসাধারন আবিষ্কারের পথটাকে উন্মুক্ত করেছিল।

p037tpl2
 আলবার্ট আইনস্টাইন (১৮৭৯-১৯৫৫)। ১৯০৪ সালে সুইজারল্যান্ডের বার্নে , যখন তিনি ছিলেন প্যাটেন্ট অফিসে একজন অখ্যাত ক্লার্ক। এর কয়েক মাসের মধ্যেই তিনি বিশেষ আপেক্ষিকতাবাদের তত্ত্বটি প্রকাশ করেন আর কয়েক সপ্তাহ পর বিখ্যাত তার সমীকরণটি E=mc² (ফটো: Einstein Archives, Hebrew University of Jerusalem, নোভা/পিবিএস)।

Continue reading “আইনস্টাইনের E=mc² সমীকরনের পূর্বসুরীরা”

আইনস্টাইনের E=mc² সমীকরনের পূর্বসুরীরা

ডারউইনের কিছু ভবিষ্যদ্বাণী

A mind that is stretched by a new experience can never go back to its old dimensions. Oliver Wendell Holmes


শীর্ষ ছবি : ১৮৫৫ সালে চার্লস রবার্ট ডারউইন (১২ ফেব্রুয়ারী ১৮০৯ -১৯ এপ্রিল ১৮৮২) ( উইকিমিডিয়া)

(লেখকের কথা: পিটার টাইসন এর Darwin’s predictions অবলম্বনে লেখা)

ভুমিকা:

তাঁর সময়ের তুলনায় চার্লস ডারউইন অনেক এগিয়ে ছিলেন, শুধুমাত্র এই কথাটা বললে তাঁর প্রতি খুব একটা সুবিচার করা হবে না। বিবর্তনবাদের এই জনকের অনেক অনুমানই ১৮৮২ সালে তার মৃত্যুর অনেক বছর পর এবং কোন কোন ক্ষেত্রে  সম্প্রতি, প্রমানিত হয়েছে আর বিজ্ঞানীরা তাঁর ধারনাগুলোর স্বপক্ষে খুজে  পেয়েছেন পর্যাপ্ত পরিমান সব স্বাক্ষ্যপ্রমান। বর্তমানে প্রাপ্ত সকল প্রমান – যা সুষ্পষ্টভাবে তার প্রস্তাবিত প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে বিবর্তন প্রক্রিয়া এবং তাঁর আরো কিছু অনুমানকেই সমর্থন করে – এসেছে বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা থেকে, যেমন জীবাশ্মবিদ্যা,ভুতত্ত্ব, জৈবরসায়ন, জীনতত্ত্ব, অনুজীববিজ্ঞান এবং অতি সম্প্রতি ইভোলুশনারী ডেভোলপমেন্টাল বায়োলজী বা ‘ইভো ডেভো’, ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞানী কেনেথ মিলার’এর মতে ‘আমরা কোথা থেকে এসেছি এই প্রশ্নের একটি সাধারন উত্তর দেবার জন্য এতোগুলো ক্ষেত্র থেকে আসা প্রমানগুলো যে একটি সিদ্ধান্তে পৌছাতে পারছে, এই বিষয়টাইতো অত্যন্ত শক্তিশালী। একারনেই বিবর্তন তত্ত্বের স্বপক্ষে বৈজ্ঞানিক প্রমানের পরিমান অনেক বেশী।’

Continue reading “ডারউইনের কিছু ভবিষ্যদ্বাণী”

ডারউইনের কিছু ভবিষ্যদ্বাণী

আমাদের পারিবারিক বৃক্ষ


শীর্ষ ছবি: All in the Family, টাইম ম্যাগাজিন/নেচার ( http://blog.joinsmsn.com/usr/c/h/chobjay47/10/
human%20tree(0).jpg)

(লেখকের কথা: রিমা চাড্ধা’র Our Family Tree অবলম্বনে। রিমা চাড্ধা’র Our Family Tree একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ স্লাইড শো । খুব সহজবোধ্য উপাস্থপনের জন্য স্লাইডগুলো বাংলায় রুপান্তরিত করেছি, রিমা চাড্ধা Nova Science now এবং Nova online এর সহকারী সম্পাদক)

‘হমিনিড’ বা গ্রেট এইপদের পরিবারের মধ্যে আমার সবচেয়ে বুদ্ধিমান হতে পারি, কিন্তু অন্য গ্রেট এইপ: শিম্পান্জ্ঞি, বনোবো এবং ওরাং উটান -দের সাথে আমাদের অনেক কিছুরই মিল আছে । অন্যদিকে লেসার প্রাইমেট, যেমন বানরদের, সাথে আমাদের বড় পার্থক্যগুলো হচ্ছে, আমরা সহ পাঁচ হমিনিড প্রাইমেটদের কোন লেজ নেই, শরীরের আকারও বড় আর বুদ্ধিমত্তাও বেশী। এমনকি আমাদের ডিএনএ’র শতকরা ৯৮ ভাগই একরকম। তারপরও কিছু পার্থক্য আছে, আমাদের এই পরিবারের সদস্যেদের মাঝে, যেমন, খাদ্যাভ্যাস, মেজাজ আর সামাজিক আচরণে। এই সরলীকৃত আমাদের পারিবারিক বৃক্ষে সংক্ষেপে এবং সামগ্রিকঅর্থে আমাদের সাথে অন্যান্য গ্রেট-এইপদের কি ধরনের সদৃশ্যতা বা বিসদৃশ্যতা আছে তা দেখানো হয়েছে :

Continue reading “আমাদের পারিবারিক বৃক্ষ”

আমাদের পারিবারিক বৃক্ষ

আমাদের এই প্রাচীন শরীর


শীর্ষ ছবি: Tiktaalik rosae র ফসিলের একাংশ হাতে ডঃ নিল এইচ শুবিন, প্রায় ৩৭৫ মিলিয়ন বছর আগের এই প্রজাতিটি মাছ এবং স্থলচার প্রাণিদের বিবর্তনের মধ্যবর্তী শূন্যস্থানটি পূরণ করেছে।

The best road maps to human bodies lie in the bodies of other animals. The simplest way to teach students the nerves in the human head is to show them the state of affairs in sharks. The easiest road map to their limbs lies in fish. Reptiles are a real help with the structure of the brain. The reason is that the bodies of these creatures are often simpler versions of ours. Neil H. Shubin (in the preface of his book Your Inner Fish: A Journey Into the 3.5-Billion-Year History of the Human Body )

শুরুর কথা:  ফিল্ডস মিউজিয়ামের একাডেমিক অ্যাফেয়ার প্রভোষ্ট নীল এইচ শুবিন (Neil H. Shubin) একজন প্রখ্যাত জীবাশ্মবিদ। বর্তমানে তিনি শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের রবার্ট আর. বেন্সলে অধ্যাপক এবং ওরগানিজম্যাল ও বিবর্তন জীববিজ্ঞান ফ্যাকাল্টির অ্যাসোসিয়েট ডীন । তিনি এমন কিছু জীবাশ্ম আবিষ্কার করেছেন, যা বিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ক্রান্তিকালীন সময় যেমন: সরীসৃপ থেকে স্তন্যপায়ী, জলজ থেকে স্থলচর প্রাণীর ‍বিবর্তন সম্বন্ধে আমাদের জ্ঞানের পরিধিকে অনেকদুর এগিয়ে নিয়ে গেছে। এই আবিষ্কারগুলো গ্রিনল্যান্ড থেকে মরোক্কো পর্যন্ত্ জীবাশ্ম সন্ধানের লক্ষ্যে তাঁর বেশ কিছু অভিযানের ফসল। ২০০৬ সালে শুবিন এবং তার সহযোগীরা নেচার (Nature) জার্নালে টিকটালিক -এর (মাছ আর উভচর প্রাণীদের অন্তবর্তীকালীন একটি প্রাণী) জীবাশ্ম আবিষ্কারের বিষয়ে প্রথম তথ্য প্রকাশ করেন। বর্তমান এই লেখাটি জানুয়ারী ২০০৯ এ দ্য সায়েন্টিফিক অ্যামেরিকান পত্রিকায় প্রকাশিত তার This old body এবং নোভা/ পিবিএস এর ওয়েবসাইট জন্য তার সম্পাদিত একটি ইন্টারঅ্যাক্টিভ স্লাইড শো: The zoo of you অবলম্বনে লেখার চেষ্টা করেছি আমি। ( ইন্টারঅ্যাক্টিভ স্লাইডগুলোর জন্য শুবিন তাঁর নিজের Your Inner Fish: A Journey Into the 3.5-Billion-Year History of the Human Body বইটি ব্যবহার করেছেন আর মূল স্লাইডগুলো ইলাস্ট্রেশন করেছেন কাল্লিওপি মনোইয়োস।)

Continue reading “আমাদের এই প্রাচীন শরীর”

আমাদের এই প্রাচীন শরীর