মোর প্রিয়া হবে এসো রাণী: পুরুষ বার্ডস অব প্যারাডাইসদের ড্যান্স অব সিডাকশন


শীর্ষ ছবি: নীল বার্ডস অব প্যারাডাইস (ফটোগ্রাফ: Carl Bento, Australian Museum: NewScientist)

(এ বছর সিডনীর অষ্ট্রেলিয়ান মিউজিয়াম এ  The exhibition Rituals of Seduction: Birds of Paradise  শীর্ষক একটি প্রদর্শনী ( ৯  এপ্রিল থেকে ৭ আগষ্ট) উপলক্ষ্যে ডেভিড অ্যাটেনবুরো New Scientist এর ৯ এপ্রিল সংখ্যায়  Check me out, ladies  নামে একটি ছোট ভুমিকা লিখেছিলেন, এই লেখাটি মুলতঃ সেটার উপর ভিত্তি করে, এছাড়া যোগ করেছি  New Scientist এর ফটো গ্যালারী  এবং  ইন্টারনেট থেকে বাড়তি কিছু ফটোগ্রাফ ও ভিডিও)

একজন রমনীর মন জয় করতে একজন পুরুষের কি কি করতে হবে?

এই গুরুত্বপুর্ণ প্রশ্নেটির উত্তর খুজতে অন্য যে কোন প্রাণী থেকে একেবারে ভিন্নভাবে পুরুষ বার্ডস অব প্যারাডাইস পাখীরা বেছে নিয়েছে বহু বিচিত্র আর পরাবাস্তবীয় সব অভিযোজনীয় কৌশল।

যেমন ধরুন, লেসার বার্ড অব প্যারাডাইস (Paradisaea minor) , আকারে একটা কাকের সমান, এদের চমৎকার সোনালী রঙের পালকের পুচ্ছ আছে, যা সে পিছনে  ছড়িয়ে দিয়ে গাছের ডালে বসে উচ্চস্বরে চিৎকার করে অবিরত ডাকতে থাকে বীপরিত লিঙ্গের দৃষ্টি আকর্ষনের প্রচেষ্টায়।



লেসার বার্ড অব প্যারাডাইস সোনালী পালক পুচ্ছ দুলিয়ে যে গাছের ডালে বসে দৃষ্টি আকর্ষন করে। (ফটোগ্রাফ: Sharon Dobson: NewScientist | 9 April 2011 )


এটি পুরুষ গ্রেটার বার্ড অব প্যারাডাইস (Paradisaea adopa)। (ফটোগ্রাফ:  Wikipededia)


পুরুষ গ্রেটার বার্ড অব প্যারাডাইস (Paradisaea adopa); Greater Bird-of-paradise by Andrea Lawardi) : http://www.burdr.com/wp-content/uploads/2010/02/greater-bird-of-paradise.jpg

আর নীল বার্ড অব প্যারাডাইস (Paradisaea rudolphi) এর আছে আরো ঘন আর বিশাল পালকের পুচ্ছ। মাথা নীচে আর পা উপরে দিয়ে, একেবারে উল্টো হয়ে গাছের ডালে ঝুলে সে তার অপুর্ব সুন্দর পালক পুচ্ছ ঝাকায় আর ঠিকমত কাজ করে না এমন ইলেক্ট্রনিকস এর যন্ত্রর মত বিচিত্র শব্দ তৈরী করে পছন্দের রমনীর মন পটানোর জন্য।


পুরুষ নীল বার্ড অব প্যারাডাইস বীপরিত লিঙ্গের দৃষ্টি আকর্ষন করার জন্য আরো দর্শনীয় সব কান্ড করে। গাছের ডালে উল্টো হয়ে ঝুলে তারা তাদের অনিন্দ্য সুন্দর নীল পালকগুচ্ছ দুইপাশে ছড়িয়ে দেয় (ছবি) এবং একই সাথে একটু কর্কশ কিন্ত নীচু কম্পমান স্বরে শব্দ তৈরী করে। লেজের লম্বা পালকগুলোও তার দুই পাশে দুটো আর্চের মত তৈরী করে।  (ফটোগ্রাফ: Carl Bento, Australian Museum: NewScientist)।


পুরুষ নীল বার্ড অব প্যারাডাইস ( http://www.freenaturephotographs.com/wp-content/uploads/2011/03/Blue-bird-of-paradise-Paradisaea-rudolphi-2.jpg)


পছন্দের মানুষটির মন জয় করার সময় পুরুষ নীল বার্ড অব প্যারাডাইস তার লাল আর কালো বুকের মাঝখানটি ছন্দের সাথে সংকোচন এবং প্রসারন করে, এবং নীল পালকগুলো শরীরের দুই পাশে যতদুর পারা যায় ছড়িয়ে দেয় পাখার মতে এবং একই সাথে দোলনার মত দুলতে থাকে।  (ফটোগ্রাফ: Carl Bento, Australian Museum/ NewScientist)


নীল বার্ড অব প্যারাডাইস ( http://worldbirdwatching.files.wordpress.com/2011/02/blue-bird-of-paradise.jpg)

রবিনের চেয়ে সামান্য একটু বড়, ছোট খাট কিং বার্ড অব প্যারাডাইস (Cicinnurus regius) ভরসা করে তার লেজ থেকে বের হওয়া দুটি দীর্ঘ কুইল বা পালক এর উপর, যার মাথায় আছে পান্না সবুজ ধাতব সদৃশ একটি চাকতী, যার কারনে এর খেতাব জুটেছে  ডলার বার্ড।


কিং বার্ড অব প্যারাডাইস (http://i.pbase.com/o5/33/205833/1/68772346.ivLLXwaF.KBOP4.jpg)    

  
এদের শরীরে আছে চোখ ধাধানো উজ্জ্বল লাল রঙের  পালক। লেজের লম্বা দুটো পালকের মাথায় আছে সবুজ সেই চাকতিটি । উপরের ছবিতে তার পাশে অনুজ্জ্বল রঙের রমনী পাখীটিকে দেখুন, সুষ্পষ্ট পার্থক্য বোঝা যাচ্ছে রঙে। রমনী পাখিটির মন ভোলানোর জন্য এরা এদের উজ্জল রঙ আর অলঙ্কারিক পালকগুলোর সদ্ব্যবহারে অত্যন্ত পটু। বেশ কয়েক ঘন্টা ধরে এরা বেশ জটিল মুদ্রা সমৃদ্ধ নাচ, নানা অঙ্গভঙ্গী, গান এবং আরো কিছু আচার পালন করে রমনী পাখিটির মন জয় করতে। আর যেহেতু বেশীরভাগ পুরুষ কিং বার্ড অব প্যারাডাইস বহুগামী, এধরনে বীপরিত লিঙ্গের মন জয় করার কর্মকান্ডের জন্য তাদের যথেষ্ট পরিমান সময় ‍দিতে হয়।


কিং বার্ড অব প্যারাডাইসের লেজে লম্বা পালকের শেষ মাথায় এই ধাতব সদৃশ পান্না সবুজ চাকতির জন্য একে বলা হয় ডলার বার্ড। (ফটোগ্রাফ: Carl Bento, Australian Museum/ NewScientist)

কিন্ত এদের মধ্যে সবচেয়ে অসাধারন হচ্ছে কিং অব স্যাক্সনি বার্ড অব প্যারাডাইস (Pteridophora alberti), তুলনামুলকভাবে এদের শরীর সাদামাটা,কিন্ত এর মাথায় আছে দুটি লম্বা পালকের কুইল, যার উপর খাজ কেটে কেটে সাজানো নীলচে রঙের এনামেলের মত প্লেট।পাখিদের জগতে এমনটি আর কোথাও দেখা যায় না।  প্রেয়সীর মন জয় করতে এরা একটা উচু জায়গায় সরু গাছের ডালে বসে উপর নীচে লাফায় দক্ষ ট্রাম্পোলিন শিল্পীর মত।


পুরুষ কিং অব স্যাক্সনি বার্ড অব প্যারাডাইস (Pteridophora alberti), তার এলাকা পাহারা দেয় উচু কোন ডালে বসে। আর তার সঙ্গী হিসাবে তার দক্ষতা জাহির করার জন্য প্রায় এক জায়গায় দাড়িয়ে সে উপর নীচে লাফালাফি করে।লাফাতে লাফাতে সে রমনী পাখির দৃষ্টি কাড়তে সে ডাকে আর মাথার উপর কম্পমান অসাধারন সুন্দর দুটি কুইল ( নীল এনামেল মত প্লেটে সজ্জিত)মুগ্ধ করে তার ভবিষ্যৎ প্রেয়সীকে। (ফটোগ্রাফ: Carl Bento, Australian Museum/ NewScientist)


পুরুষ কিং অব স্যাক্সনি বার্ড অব প্যারাডাইস (Pteridophora alberti): http://3.bp.blogspot.com/ z_CpUBNtwII/TZibeEMmMXI/AAAAAAAAMl8/e3BExGTZpwQ/s1600/
King+of+Saxony+Bird-of-paradise.jpg


যথাযথভাবে নামকৃত এই অসাধারন গায়ক ম্যাগনিফিসেন্ট বার্ড অব প্যারাডাইসকে (Cicinnurus magnificus)  দেখার চেয়ে শোনা যায় বেশী। পুরুষ পাখিদের বেশ কটি গান জানা আছে, অন্তত: পাচ ধরনের ভিন্ন ভিন্ন সুরের গান দিয়ে তারা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে। এদের একটির মধ্যে ‘‘’কসসস-কসসস-কস-কস-কসসস’ শব্দের একটি প্যাটার্ন আছে, যেটার ব্যবহার সীমাবদ্ধ  শুধুমাত্র পছন্দের সঙ্গীকে মুগ্ধ করার জন্য। (ফটোগ্রাফ: Tim Laman/ NewScientist)


পুরুষ ম্যাগনিফিসেন্ট বার্ড অব প্যারাডাইস (Cicinnurus magnificus) পছন্দের সঙ্গীর মন ভোলাতে ব্যস্ত।


বুকের সবুজ পালক দেখিয়েও এরা আকর্ষন করে সঙ্গীনিকে (পুরুষ ম্যাগনিফিসেন্ট বার্ড অব প্যারাডাইস (Cicinnurus magnificus)


মাথার টাক পড়াটা যদিও আমাদের জন্য তেমন সুখকর না, তবে পুরুষ উইলসন’স বার্ড অব প্যারাডাইসের (Cicinnurus respublica) সবচেয়ে আকর্ষনীয় বিষয়টি হলো তাদের মাথার টাকটি। এদের পালকহীন খালি মাথাটার রঙ টারকোয়াস, যার উপরে আছে বৈশিষ্টসুচক কালো দাগের নকশা, আর পুরো মাথায় আছে একটি বর্ণিল আভা। রমনী বার্ড অব প্যারাডাইস এই মাথার ঊজ্জ্বলতা আর লেজের প্যাচানো পালকের কারুকার্য দেখে বেছে নেয় তাদের সঙ্গীদের। (ফটোগ্রাফ: Tim Laman/ NewScientist)


শরীরের আকারের অনুপাতে যে কোন পাখীর তুলনায় পুরুষ রিবন টেইলড অ্যাস্ট্রাপিয়া (Astrapia mayeri) লেজের পালক হচ্ছে অনেক দীর্ঘ (শরীরের আকারের চেয়ে ৩ গুন বড়); একে শ মেয়ার’স অ্যাষ্ট্রাপিয়াও বলা হয় ফ্রেড শ মেয়ারের সন্মানে যিনি এই বার্ড অব প্যারাডাইসটি খুজে পেয়েছিলেন। পুর্ণবয়স্ক পুরুষের পালক হয় জলপাই সবুজ,কালচে ব্রোন্জ রঙের আভাযুক্ত। এবং ফিতার মতো লম্বা পালকের লেজ থাকে। শুধুমাত্র পুর্ণবয়স্ক পাখিদের এই লেজ থাকে। যা দুলিয়ে সে আকৃষ্ট করে পছন্দের রমনী পাখিটিকে। (ফটোগ্রাফ: Tim Laman/ NewScientist)


পুরুষ রিবন টেইলড অ্যাস্ট্রাপিয়া, অ্যাষ্ট্রাপিয়া কিন্তু সবচে নতুন খুজে পাওয়া বার্ডস অব প্যারাডাইস। ছবিতে বসে আছে শেফ্লেরা গাছের ডালে, এই ফলগুলো এদের অন্যতম খাদ্য। (ফটোগ্রাফ: Wikipedia)

পুরুষ সুপার্ব বার্ড অব প্যারাডাইস (Lophorina superba)  সঙ্গীনির মন ভোলানোর নাচও শুধু নারী সুপার্ব বার্ড অব প্যারাডাইস না আমাদেরকেও মুগ্ধ করে। আমার মনে হয় নিচের ভিডিওটাই শুধু পারবে তাদের মেটিং নাচ টি ব্যাখ্যা করতে:


পুরুষ সুপার্ব বার্ড অব প্যারাডাইস (Lophorina superba)  (http://www.flickr.com/photos/8273743@N02/3650628439/)

সিক্স প্লুম বার্ড অব প্যারাডাইস  বা প্যারোটিয়া জেনেরার Parotia sefilata ;  একে ওয়েষ্টার্ণ প্যারোটিয়া নামে ডাকা হয়। নারী প্যারোটিয়ার মন জয় করতে  এরা ব্যালেরিনার মত করে নাচে ( নিচের ভিডিও টি দেখুন):



পুরুষ কারোলা প্যারোটিয়া (Parotia carolae) ( ব্যালেরিনার ভঙ্গীতে); দর্শক মুগ্ধ তিন রমনী ওয়েষ্টার্ণ প্যারোটিয়া ) (http://www.birdforum.net/opus/images/e/eb/19098Western_Parotia1.jpg)

নীচে আরো কিছু বার্ড অব প্যারাডাইস পাখীর গ্যালারী যোগ করলাম:

পুরুষ সিকলবিল (Epimachus meyeri) লেজে আছে লম্বা তরবারী মত একটা পালক,স্থানীয় আদিবাসীরা এই পালকের বিশেষ ভক্ত। বুঝতেই পারছেন মানুষকে মুগ্ধ করা এই পালকের আরেক কাজ প্রেমিকার মন জয় করা। (ফটোগ্রাফ: Wikipedia)  (http://www.flickr.com/photos/calidris-photos/5070844759/in/pool-400973@N20/)


গোল্ডি’স বার্ড অব প্যারাডাইস (Paradisaea decora): পুরুষ পাখী দুটি তাদের কৌশল অনুশীলন করছে।
http://timlaman.com/#/photo-galleries/birds-of-paradise/BOP-090823-230-V2


ম্যাগনিফিসেন্ট রাইফেল বার্ড  অব প্যারাডাইস ( Magnificent Riflebird Bird of Paradise (Ptiloris magnificus)
http://timlaman.com/#/photo-galleries/birds-of-paradise/BOP-090823-230-V2


পুরুষ  ভিক্টোরিয়া’র রাইফেল বার্ড  অব প্যারাডাইস ((Ptiloris victoriae); পালক এভাবে তুলে সাজিয়ে রমনীর মন জয় করার চেষ্টা করে:
http://timlaman.com/#/photo-galleries/birds-of-paradise/BOP-090823-230-V2


রেড বার্ড  অব প্যারাডাইস (Red Bird of Paradise (Paradisaea rubra).
http://timlaman.com/#/photo-galleries/birds-of-paradise/BOP-090823-230-V2


পুরুষ টুয়েলভ ওয়্যারড বার্ড প্যারাডাইস  (Twelve-wired Bird of Paradise (Seleucidis melanoleuca)
http://timlaman.com/#/photo-galleries/birds-of-paradise/BOP-090823-230-V2


এমপেরর অব জার্মানী বা এমপেরর বার্ড অব প্যারাডাইস (paradisaea guilielmi) (http://ecx.images-amazon.com/images/I/51IYBmE4iYL._SL500_.jpg)


স্হানীয় ভাষায় কুমুল নামে পরিচিত এটি রাজ্জিয়ানা বার্ডস অব প্যারাডাইস (Paradisaea raggiana) (সুত্র: উইকিপেডিয়া)


ওয়ালেস স্ট্যান্ডার্ড উইং  বার্ড অব প্যারাডাইস (Semioptera wallacii);   প্রকৃতি বিজ্ঞানী আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস এর নামে এর নামকরন করা হয়।
ওয়ালেস এই পাখিটিকে প্রথম ব্যাখ্যা করেছিলেন। ( http://www.flickr.com/photos/30369673@N06/3074253392/in/pool-400973@N20/)

হয়তো আমরা পুরুষরা এদের কাছ থেকে কিছু টিপস নিতে পারি। অন্ততঃ  নিউ গিনির আদিবাসী পুরুষরা কিছু আইডিয়া ধার করেছে ….. ( নীচের তিনটি ছবি দেখুন):  চিনতে পারছেন সাজসজ্জায় ব্যবহৃত পাখির পালকগুলো :


(উপরের তিনটি ছবি : সুত্র http://timlaman.com/#/photo-galleries/birds-of-paradise/BOP-090823-230-V2 );

এই পাখীগুলোর পালকের জন্য এরা এদের শিকার করে এবং মাথার জন্য সুন্দর সব মুকুট বানায়, উদ্দেশ্য…. বুঝতেই পারছেন..তাদের নাচের উৎসবে রমনীদের দৃষ্টি আকর্ষন করা

শেষ কথা ( যা হয়তো আগে বলা দরকার ছিল 😉 )

ক্যারোলাস লিনিয়াস এদের নাম দিয়েছিলেন পা হীন বার্ডস অব প্যারাডাইস। আসলে সে যুগে আদিবাসিদের তৈরী করা পাখীর নমুনা, যেগুলো প্রথম ইউরোপে পৌছে ছিল সেগুলোর কোন পা ছিলনা। আদিবাসীরা পা বাদ দিয়েই তাদের বিক্রির জন্য তৈরী করতো।পা হীন এই পাখিদের দেখে একটা ভুল ধারনার জন্ম হয়েছিল যে এই সুন্দর পাখীরা আসলে স্বর্গ থেকে এসেছে এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত্য এরা মাটি স্পর্শ করে না।

বার্ডস অব প্যারাডাইসরা সবাই Paradisaeidae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত ১৪ টি জেনেরা প্রায় ৪০ প্রজাতির সদস্য। এদের প্রধানত: পাওয়া যায় নিউ গিনি এবং এর আশে পাশের দ্বীপগুলোর বৃষ্টি প্রধান ক্রান্তীয় জঙ্গলে। পুরুষ  বার্ডস অব প্যারাডাইসদের নজর কাড়া পালকের বাহার হাজার বছর ধরে নজর কেড়েছে এদের সংগ্রহকারীদের। নিউ গিনির আদিবাসিরাই এদের পালক আর চামড়া নিয়ে ব্যবসা করে আসছে প্রায় ২০০০ বছর ধরে। কিন্ত অতি শিকার আর বনভুমি ধ্বংশে ক্রমশ: সংকোচিত হয়ে যাচ্ছে এদের বাসভুমি।

বার্ড অব প্যারাডাইস দের মেটিং রিচ্যুয়াল এর সম্পাদিত দুটো ভিডিও ইউ টিউবে দেখেছিলাম….. শেয়ার করার জন্য লোভ সংবরন করতে পারলাম না 🙂 ;

 


Advertisements
মোর প্রিয়া হবে এসো রাণী: পুরুষ বার্ডস অব প্যারাডাইসদের ড্যান্স অব সিডাকশন

11 thoughts on “মোর প্রিয়া হবে এসো রাণী: পুরুষ বার্ডস অব প্যারাডাইসদের ড্যান্স অব সিডাকশন

  1. nat-geo তে আমি পাখিটির নাচ দেখে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম অতটুকুন মস্তিষ্ক যার সে এত দারুনভাবে ভালবাসা কিভাবে জ্ঞাপন করে। এখন বুঝি ভালাসার হয়ত পরিমান হয় না। ভালবাসাতো ভালবাসাই। ভালবাসা বেঁচে থাক!
    খুব ভাল লাগল। আমি কেন যে নাচতে পারি নাহ্ !!!!

  2. মুজতবা আলী যেমন বলেন, বাঙালীদের মাথার চুল, ইংরেজদের টাই আর আফগানদের জমকালো পাগড়ী … ।

    আমি ভেবেছিলাম লেখাটা হয়তো বিবর্তনীয় ব্যাখ্যার দিকে যাবে!

  3. আসলে এরকম একটা প্রাকধারনা ছিল, বিবর্তনই তো এর ব্যাখ্যা, সেটাতো ন্পষ্ট, শুধু অভিযোজনীয় কৌশল বলে ব্যাপারটা লেখার শুরুতে থাকুক, আমি বরং ফেনোটাইপ টুকু বর্ণণা করি। সেক্সুয়াল সিলেকশন নিয়ে পরবর্তীতে লেখার চেষ্টা করবো।

  4. ” হয়তো আমরা পুরুষরা এদের কাছ থেকে কিছু টিপস নিতে পারি। অন্ততঃ নিউ গিনির আদিবাসী পুরুষরা কিছু আইডিয়া ধার করেছে ….. ( নীচের তিনটি ছবি দেখুন): চিনতে পারছেন সাজসজ্জায় ব্যবহৃত পাখির পালকগুলো : ”

    হা হা হা…আসলেই।

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s