বিষে যখন বিষক্ষয়


শীর্ষ ছবি: মৌমাছি (সুত্র: (সুত্র: Jon Sullivan/ NOVA)

( নোভা অনলাইনে কেট বেকারের একটি স্লাইড শো: Venom’s healing bite অবলম্বনে।)

প্রায় সহস্র মিলিয়ন বছর ধরে বিবর্তন পক্রিয়া জৈবযুদ্ধের যে অস্ত্রটিকে  অত্যন্ত্ নিখুত করে তৈরী করেছে, সেটি হলো, বিষ। বিষের মধ্যে কার্য্যকরী বিষাক্ত যৌগগুলো এতোই সুক্ষভাবে তৈরী, যে তারা  স্নায়ু তন্ত্র এবং রক্তনালীর কোষ, এবং অন্যান্য কিছু অঙ্গে খুব সুনির্দিষ্টভাবে মরণ আঘাত হানতে পারে। বর্তমানে চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষকরা বিষের মতন প্রাকৃতিক এই শক্তিশালী রাসায়নিক যৌগের ককটেলের মধ্যে খোজার চেষ্টা করছেন ক্যানসার, হৃদরোগ এবং দীর্ঘমেয়াদী ব্যাথার নিরাময়। এবং দেখা যাচ্ছে যে, প্রকৃতির এই মারণাস্ত্রকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের জীবন রক্ষার হাতিয়ারে রুপান্তর আসলেই সম্ভব।

Continue reading “বিষে যখন বিষক্ষয়”

বিষে যখন বিষক্ষয়

মোর প্রিয়া হবে এসো রাণী: পুরুষ বার্ডস অব প্যারাডাইসদের ড্যান্স অব সিডাকশন


শীর্ষ ছবি: নীল বার্ডস অব প্যারাডাইস (ফটোগ্রাফ: Carl Bento, Australian Museum: NewScientist)

(এ বছর সিডনীর অষ্ট্রেলিয়ান মিউজিয়াম এ  The exhibition Rituals of Seduction: Birds of Paradise  শীর্ষক একটি প্রদর্শনী ( ৯  এপ্রিল থেকে ৭ আগষ্ট) উপলক্ষ্যে ডেভিড অ্যাটেনবুরো New Scientist এর ৯ এপ্রিল সংখ্যায়  Check me out, ladies  নামে একটি ছোট ভুমিকা লিখেছিলেন, এই লেখাটি মুলতঃ সেটার উপর ভিত্তি করে, এছাড়া যোগ করেছি  New Scientist এর ফটো গ্যালারী  এবং  ইন্টারনেট থেকে বাড়তি কিছু ফটোগ্রাফ ও ভিডিও)

একজন রমনীর মন জয় করতে একজন পুরুষের কি কি করতে হবে?

এই গুরুত্বপুর্ণ প্রশ্নেটির উত্তর খুজতে অন্য যে কোন প্রাণী থেকে একেবারে ভিন্নভাবে পুরুষ বার্ডস অব প্যারাডাইস পাখীরা বেছে নিয়েছে বহু বিচিত্র আর পরাবাস্তবীয় সব অভিযোজনীয় কৌশল।

Continue reading “মোর প্রিয়া হবে এসো রাণী: পুরুষ বার্ডস অব প্যারাডাইসদের ড্যান্স অব সিডাকশন”

মোর প্রিয়া হবে এসো রাণী: পুরুষ বার্ডস অব প্যারাডাইসদের ড্যান্স অব সিডাকশন

বালিকা বধুদের অজানা পৃথিবী এবং একজন নুজুদ আলী


শীর্ষছবি: আইনজীবি শাদা নাসের এর সাথে নুজুদ আলী (http://www.glamour.com/images/women-of-the-year/1028-nujood-ali-and-shada-nasser_aw.jpg)

“I’m a simple village girl whose family had to move to the capital, and I have always obeyed the orders of my father and brothers. Since forever, I have learned to say yes to everything. Today I have decided to say no.” – Nujood Ali

“I’m shaking–if they see me, they might arrest me. A little girl running away from home, that just isn’t done. Trembling, I discreetly latch on to the first passing veil, hoping to get the attention of the unkown women it conceals. A tiny voice inside me whispers, Go on, Nujood! It’s true you’re only a girl, but you’re also a woman, and a real one, even though you’re still having trouble accepting that..” – Nujood Ali

( নীচের লেখাটি প্রথম আলো ব্লগের জন্য প্রথম লিখেছিলাম ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিনে প্রকাশিত সিনথিয়া গোরনীর To Young to Wed: The Secret World of Child Brides এর কাঠামো অবলম্বনে। সেই লেখাটিকে আরো একটু সম্পাদিত করলাম আমার নিজস্ব এই  ব্লগে প্রকাশের জন্য। লেখাটির পেছনে যে ছোট ইতিহাস আছে তা হলো : অফিসের মেন ফ্লোরে একটি বই এর দোকান আছে, প্রতিদিন আমি যেখানে লাঞ্চের সময়  ঢু মারি, সেখানেই গত বছর একটি বই, I am Nujood, Age 10 and Divorced এর প্রচ্ছদ আমার দৃষ্টি কেড়ে নেয়। পরে এ বছর আবারও ন্যাট জিও র একটা ফটোগ্যালারীতে  দেখি সাহসী নুজুদের ছবি। আমার খুব সামান্য এই লেখা আমি ‍উৎসর্গ করতে চাই সেই সাহসী নুজুদ আলীকে:  সারা বিশ্বে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে যে সাহসী প্রতিবাদের প্রতিকৃতি। )

Continue reading “বালিকা বধুদের অজানা পৃথিবী এবং একজন নুজুদ আলী”

বালিকা বধুদের অজানা পৃথিবী এবং একজন নুজুদ আলী

প্রকৃতির ফার্মেসি



শীর্ষ ছবি: কমন ফক্স গ্লোভ (Digitalis purpurea) ( Courtesy of Syed Mazhar Hossain)

(নোভা অনলাইনের জন্য তৈরী করা ক্লডিন কো`র Nature`s Pharmacy স্লাইড শো’কে কিছুটা পরিবর্ধিত করে)

অপুর্ব  জীববৈচিত্রে ভরা আমাদের এই পৃথিবীর নানা প্রানী, উদ্ভিদ আর ছত্রাকের মধ্যে আছে অসংখ্য রাসায়নিক যৌগ। প্রজনন থেকে শুরু করে আক্রমনকারী অন্য কোন প্রাণী কিংবা রোগব্যাধি থেকে নিজেদের প্রতিরক্ষার জন্য প্রাকৃতিকভাবেই তারা সেগুলো ব্যবহার করে। মানুষের রোগব্যাধির চিকিৎসার জন্য সেরকম অনেকগুলো রাসায়নিক যৌগ বিজ্ঞানীরা ইতিমধ্যে খুজেও পেয়েছেন , এবং কৃত্রিমভাবে পরীক্ষাগারে ‍সেগুলো থেকে তৈরীও করেছেন মানুষের শরীরে ব্যবহার উপযোগী নানা ধরনের ঔষধ। সেরকম কয়েকটি প্রজাতির বিবরণ নিয়ে এই লেখা। এই সব প্রজাতির কাছ থেকে আমরা পেয়েছি বেশ কিছু রোগের নিরাময় বা তাদের ক্ষতিকর দিক থেকে উপশম পাবার উপায়। দিনে দিনে আমরা, আমাদের সীমাহীন অজ্ঞানতার কারনে ধ্বংশ করে যাচ্ছি এই প্রাকৃতিক জীববৈচিত্রের সম্ভার, যাদের কারো মধ্যে হয়তো লুকিয়ে আছে আমাদের অনেক দুরারোগ্য ব্যাধির নিরাময়।

Continue reading “প্রকৃতির ফার্মেসি”

প্রকৃতির ফার্মেসি

আমাদের শরীরে ঘর বাধে এমন কিছু অতি ক্ষুদ্র পরজীবি কীট:


শীর্ষ ছবি: আইল্যাশ মাইট  (সুত্র:eyelash mite; Andrew Syred, Photo Researchers, Inc. নোভা সায়েন্স নাও)

(কেট বেকারের একটি স্লাইড শো Bugs that live on you  কিছুটা পরিবর্ধিত করে : কেট বেকার নোভা এবং নোভা সায়েন্স নাউ এর গবেষক এবং নোভা ব্লগের একজন নিয়মিত ব্লগার)

আপনার মাথা থেকে পা পর্যন্ত্য, সমস্ত শরীর আসলেই একটা অগনিত আনুবীক্ষনীক প্রাণীদের (যাদের সিংহ ভাগই ব্যাক্টেরিয়া) জঙ্গলের মত। এদের কেউ কেউ ক্ষনিকের অতিথি, কেউবা স্থায়ী বাসিন্দা । পছন্দ করি বা না করি আমাদের দেহ কিন্তু অনেক ক্ষুদ্র পরজীবি কীটের বসবাসের জন্য আদর্শ পরিবেশ। শত সহস্র বছর ধরে এই প্রানীরা আমাদের দেহকে নিজেদের ‘বাসভুমি’ বা নিদেনপক্ষে  ‘খাদ্য’ বানিয়েছে। নিচের স্লাইডগুলোতে যদিও তাদের সবার কথা বলা সম্ভব হয়নি। কিন্ত এগুলো আপনাকে একটা ধারনা দেবে কোন কোন পরজীবি খাদ্য হিসাবে আপনার স্বাদ নিচ্ছে:

Continue reading “আমাদের শরীরে ঘর বাধে এমন কিছু অতি ক্ষুদ্র পরজীবি কীট:”

আমাদের শরীরে ঘর বাধে এমন কিছু অতি ক্ষুদ্র পরজীবি কীট:

তুমি কি আমার মা?


(শীর্ষছবি: রবিন পাখির ডিমের সাথে কাউ বার্ডের ডিম। সুত্র: robin and cowbird eggs)© Don Johnston/Getty/NOVA)

(নোভা অনলাইন এ র‌্যাচেল ভ্যান কট এর একটি স্লাইড শো Are you my mother? কিছুটা পরিবর্ধন করে)

যদি ভেবে থাকেন, ছলনার আশ্রয় নিয়ে নিজের স্বার্থে আরেকজনকে ব্যবহার করা কেবল মানুষেরই বৈশিষ্ট্য, তাহলে মনে হয় আমার এই ছোট লেখাটি আপনার ভুল ভাঙ্গাতে কিছুটা হলেও সফল হতেও পারে। কারন প্রাণীজগতে বেশ কিছু প্রাণী যেমন, মাছ, কীটপতঙ্গ এবং বিশেষ করে পাখীদের মধ্যে দেখা যায় যে, তারা নানা ধরনের ছল চাতুরীর আশ্রয় নিয়ে অন্য কোন প্রজাতির প্রাণীকে দিয়ে তাদের নিজেদের সন্তানদের লালন পালনের কাজটি, যেমন, বাচ্চাদের খাইয়ে দাইয়ে বড় করে তোলা এবং শক্র শিকারী প্রাণী থেকে রক্ষা করা ইত্যাদি কঠিন সব কাজগুলো স্বার্থপরের মত করিয়ে নেয়। এ ধরনের আচরণকে বিজ্ঞানীরা নাম দিয়েছেন ব্রুড প্যারাসিটিজম (Brood parasitism), যার একটা ভাবসূচক বাংলা অর্থ করা যায়, প্রজনন পরজীবি।

Continue reading “তুমি কি আমার মা?”

তুমি কি আমার মা?

রসনা তৃপ্তিতে পোকামাকড়


শীর্ষ ছবি: অন্যরকম সুশী। টোকিও নিবাসী এবং Fun Insect Cooking এর লেখক শইচী উচিইয়ামা`র বানানো। সামনে বা দিক থেকে ডানে: শাকুরা মথ ক্যাটারপিলার, জোরো মাকড়শা, প্রিভেট-হক মথ লার্ভা, মাদাগাস্কার তেলাপোকা। পেছনে বাম থেকে ডানে: এশিয়ান হরনেট লার্ভা, ডবসন মাছির লার্ভা, জাপানী সাইকাডা, গ্রীন ট্রি পিপড়ার ডিম ও লার্ভা।(http://www.telegraph.co.uk/news/picturegalleries)

(নোভা অনলাইনের জন্য তৈরী পিটার মেনজেল এবং ফেইথ দা’লুইসিও’র The bugs you can eat স্লাইড শো’কে পরিবর্ধিত করে।)

একটা রেসিপি দেই আগে …

প্রথমে ৩০ থেকে ৪০ টি জীবন্ত স্করপিয়ন বা বিচ্ছু নেন, ২০ সেকেন্ড গরম তেলে ভালো করে ভাজুন। এবার এর সাথে টুকরো টুকরো শুকরের মাংশ, আদা, রসুন, লবন আর গোল মরিচ যোগ করুন ..

কেমন লাগছে? অবিশ্বাস্য, কিন্তু চীনের কিছু এলাকায় এটা নিত্য দিনের ব্যাপার। এই রেসিপিটা ফটোগ্রাফার পিটার মেনজেল এবং তার জীবনসঙ্গিনী, লেখক এবং প্রামান্যচিত্র নির্মাতা ফেইথ দালুইসিও’ র পৃথিবী ব্যাপী প্রায় ৯ বছরের এনটোমোফাজী (Entomophagy) বা কীটপতঙ্গ খাওয়ার আচার ও প্রচলনের উপর তথ্য সংগ্রহের অভিযানে পাওয়া অনেকগুলো রেসিপির একটি। এই অভিজ্ঞতাগুলো তারা তাদের Man eating bug: The Art and Science of Eating Insects বইয়ে ছবি আর শব্দে বন্দী করেছেন।
Continue reading “রসনা তৃপ্তিতে পোকামাকড়”

রসনা তৃপ্তিতে পোকামাকড়

‍‍তেলাপোকার বিশ্বজয়ের গোপন অস্ত্র


শীর্ষ ছবি: অষ্ট্রেলিয়ান তেলাপোকা বা Periplaneta australasiae। ( ছবি: Michel Gunther/photolibrary.com/ New Scientist)

(আমি প্রথম যে তিনটি পোকাকে ভালো চিনতে শিখি তার একটি হল তেলাপোকা (বাকী দুটি মাছি এবং মশা); তেলাপোকার প্রতি আমার অনুভুতিটা পর্যায়ক্রমে বিবর্তিত হয়েছে প্রথমে ভয়, তারপর ঘৃনা, বিরক্তি এবং সবশেষে বিস্ময়ে। এই বিস্ময়ের কিছুটা প্রকাশের প্রচেষ্টা নিলাম নীচের এই লেখাটিতে। নিউ সায়েন্টিষ্ট ম্যাগাজিনে ওয়েন্ডি জুকারম্যান এর The Roach’s Secret লেখাটিকে মুল কাঠামো ধরে আরো কিছু বাড়তি তথ্য সংযোজন ও পরিবর্ধন করে এই লেখা)

তেলাপোকা চেনে না এমন কেউ কি আছে?

এই পোকাটা দেখা মাত্র একেক জনের একেক রকম প্রতিক্রিয়া হয়, কেউ ভয় পায়, কারো ঘৃনায় গা গুলিয়ে উঠে, কারো হাত নিশপিশ করে এক বাড়ি দিয়ে বা পা দিয়ে পিষে মেরে ফেলতে.. , যার যেটাই মনে হোক না কেন, যে কোন পরিবেশে অনায়াসে খাপ খাইয়ে নেবার অসাধারন ক্ষমতার বলে এটি পৃথিবীর অন্যতম সফল একটি প্রানী। অনেকই অবশ্য ধারনা করেন, যে কোন প্রতিকুলতা সহ্য করার মত শক্তিশালী প্রানী এটি, এমন কি পারমানবিক তেজষ্ক্রিয়তাতেও এদের কিছুই হয় না, যে ধারনাটা প্রায় পুরোটাই ভুল। কারন বেশ কিছু পরীক্ষা পরে প্রমান করেছে যে, বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই এদের প্রতিকুলতা সহ্য করার ক্ষমতা অন্য অনেক কীটপতঙ্গের মতই গড়পড়তা।

Continue reading “‍‍তেলাপোকার বিশ্বজয়ের গোপন অস্ত্র”

‍‍তেলাপোকার বিশ্বজয়ের গোপন অস্ত্র

রঙ্গীন ফটোগ্রাফীর ১৫০ বছর:

শীর্ষ ছবি: ১৯১৫ সালের আশেপাশে অটোক্রোমে তোলা ওয়াটার লিলির ফটোগ্রাফ। (সুত্র: Water lilly. Autochrome, circa 1915. ©George Eastman House / Joseph Anderson / The Image Works, http://theimageworks.info/pub/autochrome/ gallery/images/prevs/prev30.jpg)

প্রথম ক্লিক !!: ইমেজ সেন্সর আর বেয়ার ফিল্টারের আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে ডিজিট্যাল ফটোগ্রাফির জন্ম হয় ৮০’র দশকে। ডিজিট্যাল ক্যামেরার উপস্থিতি এখন সর্বত্র। কিন্তু ছবি তোলার এই সহজ উপায়টি আসার আগে, কোন একটি মুহুর্তকে ফটোগ্রাফে বন্দী করে রাখার জন্য আমাদের প্রচেষ্টার ইতিহাস কিন্তু প্রায় দেডশ বছরেরও বেশী। সেই ইতিহাসের কিছু মাইলস্টোন নিয়ে লেখার চেষ্টা করেছি নিচে। শেষ মাইলস্টোনটি জর্জ ইষ্টম্যানের রোলড ফিল্ম আর পোর্টেবল কোডাক ক্যামেরা। ১৮৫৪ সালে ১২ জুলাই তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক এর ওয়াটারভিলে জন্ম গ্রহন করেন। জীবনের সব প্রতিকুলতাকে জয় করে তিনি একজন আবিষ্কারক ও সফল ব্যবসায়ী হতে পেরেছিলেন।  আমি আমার এই সামান্য লেখাটি  ফটোগ্রাফির সেই অগ্রদুত,আবিষ্কারক এবং ফিলানথ্রপিষ্ট জর্জ ইষ্টম্যান এর স্মৃতির প্রতি উৎসর্গ করছি :

ভূমিকা:

১৮৬১ সালে রয়্যাল ইনস্টিটিউশনের একটি লেকচারের সময় স্কটিশ পদার্থবিদ জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল তিনটি প্রধান রঙ্গের সন্নিবেশ আর বিভাজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রঙ্গীন ছবি তোলার জন্য তার তত্ত্বটি আবিষ্কারের ঘোষনা দেন। সেই সময় থেকেই যে মুলনীতি পরবর্তীকালে প্রায় সব ধরনের ফটোকেমিক্যাল আর ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে রঙ্গীন ছবি তোলার মুল ভিত্তিতে পরিনত হয়। এই আবিষ্কারের ১৫০ বছর পুর্তিতে গত ২৭ শে মে নিউ সায়েন্টিষ্ট পত্রিকা তাদের ওয়েবসাইটে যে সব অসাধারন বিজ্ঞানী আর গবেষকদের প্রচেষ্টার কারনে রঙ্গিন ফটোগ্রাফী সম্ভব হয়েছে, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি স্লাইড শো প্রকাশ করে। আমার লেখাটি সেই স্লাইডগুলো বেশ খানিকটা পরিবর্ধন আরো তথ্য সন্নিবিষ্ট করে।

আসুন রঙ্গীন ফটোগ্রাফের সেই ইতিহাসের কিছু মাইল ফলক ছুয়ে আসি।

Continue reading “রঙ্গীন ফটোগ্রাফীর ১৫০ বছর:”

রঙ্গীন ফটোগ্রাফীর ১৫০ বছর:

জীবাশ্ম নক্ষত্রকণার চলমান ছায়্পথ আমরা..

Our planet, our society, and we ourselves are built of star stuff. Carl Sagan (Cosmos)

শীর্ষ ছবি: ক্যাসিওপিয়া এ,একটি সুপার নোভার অবশিষ্টাংশ (সুত্র: NASA/JPL-Caltech/O. Krause (Steward Observatory))

(পিটার টাইসনের ‘দ্য স্টার ইন ইউ’ ও কিছু বাড়তি তথ্য অবলম্বনে)

এর পরে কোনো আড্ডাতে সমঝদার কাউকে পেয়ে গেলে কিন্তু একটা দারুণ বিষয় নিয়ে আপনি আলাপ শুরু করতে পারেন: আপনার শরীরের প্রত্যেকটি পরমাণু, যেমন, আপনার হাড়ের ক্যালসিয়াম, জিনের কার্বন, রক্তের হিমোগ্লোবিনের মধ্যে লোহা, এমনকি আপনি যদি কোন সোনার গহনা পরে থাকেন, সেই সোনা – সবকিছুই তৈরী হয়েছে অনেক বিলিয়ন (এক বিলিয়ন= ১ এর পর নয়টি শূন্য) বছর আগে  কোনো নক্ষত্রের মধ্যে।  সব কয়টি, শুধুমাত্র হাইড্রোজেন আর তার কাছাকাছি একটি বা দুটি হালকা মৌল ছাড়া, তৈরী হয়েছে এমনকি আরো আগে, প্রায় ১৩.৭ বিলিয়ন বছর আগে বিগ ব্যাঙ্গ শুরু হবার পরপরই।

Continue reading “জীবাশ্ম নক্ষত্রকণার চলমান ছায়্পথ আমরা..”

জীবাশ্ম নক্ষত্রকণার চলমান ছায়্পথ আমরা..