Author Archives: K M Hassan

রিচার্ড ডকিন্স এবং লরেন্স ক্রাউস এর একটি কথপোকথন: Something from Nothing

বিবর্তন জীববিজ্ঞানী রিচার্ড ডকিন্স এবং তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী লরেন্স ক্রাউস এর একটি কথোপকথন।
অনুষ্ঠানটির আয়োজক ছিল অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির (ASU) Origins Project এবং Richard Dawkins Foundation for Reason and Science.

এই ব্লগে রিচার্ড ডকিন্স  এবং লরেন্স ক্রাউস এর কিছু লেখার অনুবাদ

দি গ্রেটেষ্ট শো অন আর্থ ( The Greatest Show on Earth) :  প্রথম পর্ব :  দ্বিতীয় পর্ব
দি গড ডিল্যুশন (The God Delusion) :  প্রথম অধ্যায়  :  দ্বিতীয় অধ্যায় :  তৃতীয় অধ্যায়
A Cosmic Mystery Story: Beginnings এর অনুবাদ ( A Universe from Nothing: Why There is Something Rather Than Nothing এর প্রথম অধ্যায় )

Something from Nothing:


দার্শনিক ড: ড্যানিয়েল ডেনেট এর একটি লেকচার: ‘How To Tell You’re An Atheist’

Global Atheist Convention, Melbourne 2012 এ বিখ্যাত  দার্শনিক ড্যানিয়েল ডেনেট ( Dr. Daniel Dennettt) এর অন্যরকম একটি লেকচার: “You might be an atheist.” এই লেকচারটির মুল সুরটি এসেছে লিন্ডা লাস্কোলার সাথে তার The Clergy Project এর করা কিছু কাজ থেকে:  God is not a concept, the concept of God is a concept.

“You might be an atheist”


BBC র একটি প্রামান্য চিত্র: Secret Pakistan

BBC 2 এর একটি প্রামান্য চিত্র:

In May this year, US Special Forces shot and killed Osama Bin Laden in Pakistan. Publicly Pakistan is one of America’s closest allies – yet every step of the operation was kept secret from it.Filmed largely in Pakistan and Afghanistan, this two-part documentary series explores how a supposed ally stands accused by top CIA officers and Western diplomats of causing the deaths of thousands of coalition soldiers in Afghanistan. It is a charge denied by Pakistan’s military establishment, but the documentary makers meet serving Taliban commanders who describe the support they get from Pakistan in terms of weapons, training and a place to hide. This first episode investigates signs of duplicity that emerged after 9/11 and disturbing intelligence reports after Britain’s forces entered Helmand in 2006 ( From the BBC 2 website: http://www.bbc.co.uk/programmes/b016ltpv)

প্রথম পর্ব : Secret Pakistan: Double Cross

The second film in this timely and enthralling two-part documentary series reveals how Britain and America discovered compelling evidence that Pakistan was secretly helping the Taliban and concluded they had been double-crossed. It tells the story of how under President Obama the US has waged a secret war against Pakistan. Taliban commanders tell the film makers that to this day Pakistan shelters and arms them, and helps them kill Western troops – indeed one recently captured suicide bomber alleges he was trained by Pakistani intelligence.Chillingly, the film also reveals that, based on some evidence, Pakistani intelligence stands accused of sabotaging possible peace talks. Pakistan denies these charges, but relations between Pakistan and America now verge on hostility (From the BBC 2 website : http://www.bbc.co.uk/programmes/b016ynl1)

দ্বিতীয় পর্ব : Secret Pakistan: Backlash


মাদক নিয়ন্ত্রন নিয়ে কিছু ভাবনা এবং একটি খুজে পাওয়া ডকুমেন্ট

আমার পুরোনো কিছু সিডির মাঝে হঠাৎ করেই আজ একটা ডকুমেন্ট ( ডকুমেন্টটির লিঙ্ক নীচে দেয়া আছে) খুজে পেলাম।

ডকুমেন্টটি ২০০৪/২০০৫ সালে অষ্ট্রেলিয়ায় ইউনিভার্সিটি অব মেলবোর্ণ (University of Melbourne) এ পড়ার সময় করা আমার একটি রিসার্চ প্রজেক্ট। তখন সংক্রামক ব্যাধির রোগতত্ত্ব পড়ছি, সেখানে দুটো বাড়তি কোর্স ছিল মোনাশ ইউনিভার্সিটির (Monash Univesity) সাথে সংশ্লিষ্ট Centre for Harm Reduction এ; (যা এখন Macfarlane Burnet Institute for Medical Research & Public Health এর অংশ)। মাদক সমস্যা এবং তার নিয়ন্ত্রনে জনস্বাস্থ্য ভিত্তিক পলিসি, প্রোগ্রাম এবং তাদের ফলাফল দেখার একটা দুর্লভ সুযোগ হয়েছিল সে সময়।

ভাইরোলজীর ছাত্র হিসাবে ১৯৯৮ থেকেই বাংলাদেশে HIV/AIDS নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল। ২০০৩ এ যখন প্রথম দেশ ছাড়ি, ICDDRB পরিচালিত সরকারী সেন্টিনেল সার্ভেইলেন্স বলছে শিরায় মাদক সেবী বা Intravenous Drug User (IDU) দের মধ্যে HIV র প্রাদুর্ভাব ছিল প্রায় গড়ে ৪ শতাংশ, ঢাকার কিছু এলাকায় তখন সেটা প্রায় ৮ ছাড়িয়েছে। আমাদের দেশে বেশ আগে থেকেই মাদকসেবীদের মধ্যে HIV/AIDS বিস্তারের প্রতিরোধে সফলভাবে কাজ করে আসছিল বেশ কিছু এনজিও, যেমন, CARE। কিন্তু সরকারী বা বেসরকারী HIV/AIDS বিরোধী কার্যক্রমের অংশ হিসাবে মাদক সমস্যা মোকাবেলার সাথে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাদের বা সামগ্রিক রাষ্ট্রীয় কর্মকান্ডর কিছু পার্থক্য ছিল সুস্পষ্ট।

আমাদের দেশে এখনও মাদক সমস্যাটিকে জনস্বাস্থ্য গত একটি সমস্যা হিসাবে আদৌ দেখা হয়না, দেখা হয় একটি আইনি সমস্যা হিসাবে। আমাদের মাদক বিরোধী আইনটি করেছিল এরশাদ সরকার ৮০র দশকের শুরুতে; সেখানে একজন মাদক গ্রহনকারী তার মাদকাসক্তির জন্যই অপরাধী এবং সেই আইনটি এটাও বলছে, মাদকসেবীকে চিকিৎসা দেবে সরকার। কিন্তু মাদকাসক্তি মুলত একটি স্বাস্থ্য সমস্যা, কারন অসুখটি মাদকাসক্ত একজন ব্যক্তির মস্তিষ্কে, একজন অসুস্থ মানুষকে অপরাধী হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে আইনটিতে এবং  এর সাথে যেটা যুক্ত হয়েছে আমাদের দেশে এর সত্যিকারের চিকিৎসার অপ্রতুলতা। এমনকি বেশ কিছু ঔষধ যা দিয়ে এর চিকিৎসা করা সম্ভব ছিল তাও বাংলাদেশের আইনে মাদকদ্রব্য হিসাবে চিহ্নিত।

আমাদের দেশে ’মাদককে না বলো’ বলে আন্দোলন পরিচালনা করছে প্রথম আলো, তা খুবই প্রাচীন একটি ধারনা যা রোন্যাল্ড রিগ্যানের সময় উৎপত্তি হয়েছিল তার তথাকথিত মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনার মাধ্যমে।মাদকের বিরুদ্ধে যারা আসলে না বলতে পারে মাদকাসক্তির সমস্যা আসলে তাদের ক্ষেত্রে সাধারণত ঘটে না।আর কেউ একবার মাদক গ্রহন করলেই মাদকাসক্ত হয়ে যায় না।অপরাধ বাড়ার অনেক কারন থাকলেও মাদক সমস্যাকে মুল সমস্যা হিসাবে দোষারোপ করার একটা প্রবণতা আছে প্রায় সর্বত্র তারও কিছু কারন আছে । এসবই তথ্য উপাত্ত দিয়ে প্রমানিত। গত শতাব্দীতেই  পৃথিবীর বহুদেশ এ বিষয়ে যুক্তিযুক্ত পদক্ষেপ নিয়েছে সফলও হয়েছে।

মাদক নিয়ন্ত্রন করতে হলে বলা হয় মোট তিনটি পর্যায়ে নিয়ন্ত্রন দরকার: মাদকের সরবরাহ নিয়ন্ত্রন, চাহিদা নিয়ন্ত্রন এবং মাদক ব্যবহারের মাধ্যমে উদ্ভুত ক্ষতিকর বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রন। সরবরাহ নিয়ন্ত্রনটি সবচে লোক দেখানো এবং জনপ্রিয় একটি পদ্ধতি। এটি সফলতা নির্ভর তরে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ক্ষমতার উপর।যে দেশে দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা লোকবলের অভাব আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে দুর্বল করে রেখেছে, সেখানে এর সফলতা কতটুকু সেটাই প্রশ্ন। এছাড়া দরিদ্র কোন দেশে চোরাচালানে উৎসাহী করতে বড় মাদক ব্যবসায়ীদের কোন কষ্টই করতে হয়না। এই বড় মাদক ব্যবসায়ীরা কখনো ধরা পড়ে না।তারপরও কিন্তু জানা ও অজানা কিছু কারনে মাদক নিয়ন্ত্রনের সিংহভাগ অর্থ ব্যয় করা হয় এই ক্ষেত্রেই। কারন আমাদের নীতি মালায় মাদক সমস্য শুধুই আইনী একটি সমস্যা। সুতরাং নিয়ন্ত্রন ব্যর্থ হওয়ারই কথা।

চাহিদা নিয়ন্ত্রন করার কেন্দ্রে আছে মাদকাসক্তদের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা। খুবই অপ্রতুল সেই চিকিৎসার ব্যবস্থা বাংলাদেশে, তাছাড়া অপচিকিৎসাতো আছে, আর চিকিৎসা ব্যয় মেটানোর ক্ষমতাও আছে খুব কম মানুষেরই। মাদক সম্বন্ধে জ্ঞান দেয়া যায়, তবে যে সমাজে সবচেয়ে ক্ষতিকর বড় মাদক ( তামাক, ও অন্য দেশে তামাক ও অ্যালকোহল) আইনসিদ্ধ মাদক হিসাবে ব্যপক ব্যবহৃত হচ্ছে, সেখানে সামান্য কয়েকটি বেআইনি মাদক সম্বন্ধে জ্ঞান দেয়াটা খুব একটা কাজে লাগে না। এছাড়া মাদক সম্বন্ধে যখন জ্ঞান দেয়া হয়, সেটা যারা দেন তারা প্রায়ই অবাস্তব সব জ্ঞান বিতরন করেন, যেটা অনেকের কাছে বিশ্বাসযোগ্য নয়। আর যে খুব সামান্য শতাংশ মাদকাসক্তরা আসলেই জ্ঞান বিতরনের আওতায় আসেন।

সবশেষে মাদক ব্যবহারের সাথে যুক্ত ক্ষতিকর প্রভাব কমানোর চেষ্টা, যাকে Harm Redcution principle বলে: এটি জনস্বাস্থ্য নির্ভর একট নীতি, যা ঝুকি পুর্ণ যে কোন আচরনের সাথেই ক্ষতির পরিমান কমানোর প্রচেষ্ঠার অংশ। একজন আচরনকারী যেমন ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে, তেমনি তার সাথে সংশ্লিষ্ট সমাজের অন্যান্যরা এই ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে। খুবই প্রাগম্যাটিক এই নীতিটি বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে মাদক নিয়ন্ত্রনের একটি অংশ। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও আপাতত সব প্রমান বলছে, এটি সবচে প্র্যাকটিক্যাল একটা অ্যাপ্রোচ। মাদকাসক্তদের চিকিৎসা থেকে শুরু করে, তাদের কাউন্সেলিং, তাদের পরিষ্কার সুচ সিরিন্জ সরবরাহ ইত্যাদি সহ নানা কার্যক্রম। বাংলাদেশে বহু আগে থেকেই HIV/AIDS নিয়ন্ত্রনে এটি চালিয়ে আসছিল, CARE এবং আরো কয়েকটি NGO; কিন্তু এটি কখনও আমাদের মুল নীতিতে প্রবেশ করেনি।তার প্রধান একটি কারন মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন।

গবেষনা বলছে মাদকাসক্তদের অন্যতম ক্ষতিটি হয় তাদের আসক্তির জন্য মাদক সংগ্রহের প্রক্রিয়ায়। অনেক দেশেই মেথাডোন ক্লিনিক আছে। যারা অপিওয়েড যেমন হেরোইন আসক্ত, তাদের এই হেরোইন এর বদলে অন্য একটি ঔষধ দেয়া যায়, যেমন মেথাডোন (যা মুখে খেতে হয়), কোন নির্দিষ্ট একটি ক্লিনিকে এসে তারা এই ঔষধটি সংগ্রহ করে, নিয়মানুযায়ী সেবাদানকারীর সামনে তা সেবন করতে হয়, দিনে একবার, তাহলে সে হেরোইন ছাড়ার ভয়াবহ প্বার্শ প্রতিক্রিয়া থেকে রক্ষা পাবে, এবং মুখে খাওয়া মেথাডোনকে সে ধীরে ধীরে ছেড়ে দিতে পারবে। যেহেতু সে জানে তার আসক্তি জনিত প্রতিক্রিয়ার জন্য আর তাকে মাদক খোজার কাজে সময় ব্যয় করতে হবে না, সে ধীরে ধীরে সামাজিক জীবনেও ফিরে আসে। খুব সফল এই চিকিৎসাটি বাংলাদেশে এখন করা হয় কিনা জানি না তবে ২০০৫ অবধি যে তথ্য আমার আছে, তা হলো এটি মাদক আইনে নিষিদ্ধ, এছাড়া আরো কিছু অসুধ আছে এই তালিকায়।মাদক নিয়ন্ত্রনের জন্য আমাদের আসলে ভাবতে হবে, আর কোথায় কতটুকু গুরুত্ব দেব তা খুজে দেখার প্রয়োজন সারা বিশ্বে বৈজ্ঞানিক উপায়ে সংগৃহীত তথ্য উপাত্তর উপর।

যাই হোক অনেক বড় বড় কথা বলে ফেললাম। দেশে জ্ঞানী লোকের অভাব তো এমনিতেই নেই।

এবার ফিরে আসি রোববার বিকেলে লিখতে বসা এই অপ্রয়োজনীয় কথাগুলৈার আরো অপ্রয়োজনীয় অংশে;

২০০৪ এ Centre for Harm Reduction থেকে গবেষক গ্যারী রিড ( Gary Reid) বাংলাদেশে এসেছিলেন বাংলাদেশের HIV/AIDS নিয়ন্ত্রন প্রোগ্রাম এর একজন কনসালট্যান্ট হিসাবে, তার দ্বায়িত্ব ছিল বাংলাদেশের জন্য একটি Harm Reduction policy তৈরী করার। বাংলাদেশে ৩ মাস থাকাকালীন  বেশ কিছু ডকুমেন্ট তিনি সংগ্রহ করেছিলেন। সেই ডকুমেন্ট গুলোর উপর ভিত্তি করে এই রিসার্চ পেপারটি লেখা। আমাদের দেশে সার্বিক মাদক পরিস্থিতি সম্বন্ধে আসলে সে সময় কোন ডকুমেন্ট ছিল না। মুলত গ্যারী রিড এর প্রেরণায় এই কাজটি করা। ইচ্ছা ছিল দেশে ফিরে  এই ক্ষেত্রে কাজ করার, হার্ম রিডাকশনের সবচে বড় ডকুমেন্টটি অনুবাদ করার। দেশে তার করা নতুন কনট্যাক্ট দের একটা তালিকাও দিয়েছিলেন গ্যারী, নাহ.. কাউকে আমার যোগ্যতায় বিশ্বাস করাতে পারিনি… :)

যাই হোক পেপারটি লেখার সময়কাল ২০০৫, সুতরাং মধ্যবর্তী ৭ বছরে কিছু না কিছু তো বদল হয়েছে। দেশে থাকাকালীন এটি আমি কয়েকটি NGO তে দিয়েছিলাম, এছাড়া মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরে। ২০০৫ এ দেশে ফিরে বেশ কিছু NGO তে ধর্ণা দিয়েছিলাম একটা চাকরীর জন্য, তখন আমি সরকারী চাকুরে, শেষ বার চেষ্টা করে দেখছিলাম যে কারনে ভাইরোলজী পড়লাম, HIV নিয়ে কাজ করেছিলাম, সেই HIV/AIDS এ কোন কাজের সুযোগ পাওয়া যায় কিনা। আমার অধ্যাপকের দ্বারস্থ হয়নি, আগেও না এবারও না। হয়নি সেই সুযোগ।জাতীয়তাবাদী দলের চিকিৎসক সংগঠন, DAB এর একজন বড় নেতার দয়ায় অবশেষে নতুন অ্যাসাইনমেন্ট এর জায়গা মেলে IEDCR এ। তখন ব্যস্ত হয়ে যাই ইনফ্লুয়েন্জ্ঞা আর কিছু অজ্ঞাত রোগ নিয়ে।

অবশেষে আর ঠাই হলো না দেশে, তবে এখনও ইনফ্লুয়েন্জা নিয়েই আছি।

পুরোনো কাগজের সাথে আমাদের বাসার বেড়ী বাধের সামনে রায়ের বাজার ট্যানারীর পানিতে আগে পরের সব থিসিসের কাগজ ফেলে দিয়েছিলাম জীবনে গুরুত্বপুর্ন, কিছু সময় নষ্ট করার তীব্র আনন্দে, কিন্তু একটা পুরোনো CD তে আজ আবার দেখা মিললো, delete করবো কিনা ভাবছি, তখন মনে হলো লেখাটা এখানে আপলোড করে দেই, মাদক নিয়ে গবেষনা করছে এমন কেউ যদি ব্লগে চলে আসেন তবে তার কাজে লাগবে। বা কেউ যদি এটিকে হালনাগাদ করতে চান, এক সাথে কাজ করা যেতে পারে। কারো যদি document টা কাজে লাগলে তা জানালে কৃতজ্ঞ থাকবো। :)

ডকুমেন্টটি পিডিএফ ফরমাটে, ডাউনলোড করার জন্য নীচের লিংকে ক্লিক করুন

Current trends of illicit drug use and the country response in Bangladesh: Kazi Mahboob Hassan (2005)

মাদক সমস্যা নিয়ে একটি চমৎকার আলোচনা, যাদের উৎসাহ আছে তাদের জন্য:

http://www.youtube.com/watch?v=gSrN2zIRwN8


ক্রিষ্টোফার হিচেন্স এর একটি প্রামান্য চিত্র: Hell’s Angel: Mother Teresa

১৯৯৪ সালে সাংবাদিক ক্রিষ্টোফার হিচেন্স মাদার তেরেজাকে নিয়ে এই প্রামান্য চিত্র তৈরী করেন মুলত একটি প্রশ্ন নিয়ে, যে অন্ধ শ্রদ্ধা এই ক্যাথলিক সেইন্টকে দেখানো হয়, তিনি কি আসলেই এই ধরনের শ্রদ্ধা পাবার যোগ্য:

Hell’s Angel: Mother Teresa প্রথম পর্ব

Hell’s Angel: Mother Teresa দ্বিতীয় পর্ব

Hell’s Angel: Mother Teresa তৃতীয় পর্ব


ডঃ অ্যান্ডি থমসন এর আত্মঘাতী সন্ত্রাস এর ইতিহাস এবং বিবর্তন নিয়ে একটি লেকচার: We Few, We Happy Few, We Band of Brothers

ডঃ অ্যান্ডি থমসন (Andy Thomson) একজন মনোচিকিৎসাবিদ। তিনি University of Virginia ‘র Institute of Law, Psychiatry and Public Policy এবং Counseling and Psychological Services of the University of Virginia Student Health Services একজন মনোচিকিৎসাবিদ। Suicide terrorism এর ইতিহাস এবং বিবর্তন নিয়ে তার  We Few, We Happy Few, We Band of Brother শীর্ষক লেকচারটির আয়োজক ছিল Richard Dawkins Foundation for Reason and Science এবং ভিডিওটি ধারন করা হয় ২০০৭ এর Atheist Alliance International (AAI) সম্মেলনের সময়।
 

We Few, We Happy Few, We Band of Brother প্রথম পর্ব

We Few, We Happy Few, We Band of Brother দ্বিতীয় পর্ব

We Few, We Happy Few, We Band of Brother তৃতীয় পর্ব


স্যাম হ্যারিস এর একটি লেকচার: Free Will

স্যাম হ্যারিস এর একটি লেকচার Free Will :
তার সাম্প্রতিক বইটির নামও Free Will ;  স্যাম হারিস, একজন তরুন নিউরোসায়েন্টিষ্ট এবং বেশ কয়েকটি বইও লিখেছেন, তা ২০০৪ সালে প্রকাশিত তার The End of Faith বইটি অনেকেই মনে করেন নিউ অ্যাথেইজম এর সুচনা করেছিল। তিনি The Project Reason এর প্রতিষ্ঠাতা; নিয়মিত ব্লগ লেখেন তার ব্যক্তিগত ব্লগ Sam Harris এ; এছাড়া তার প্রজেক্ট রিজনের একটি অসাধারন অংশ The Scripture Project ;


জোনাথান মিলার এর Atheism: A Rough History of Disbelief (BBC4 এর একটি প্রামান্য চিত্র)

২০০৪ সালে বিবিসি ফোর এর জন্য তৈরী করা স্যার জোনাথান মিলার এর একটি প্রামান্য চিত্র:

প্রথম পর্ব : “Shadows of Doubt”

দ্বিতীয় পর্ব: “Noughts and Crosses”

তৃতীয় পর্ব: “The Final Hour”


Why evolution is true and why many people still don’t believe it : A lecture by Prof.Jerry A. Coyne

Why evolution is true and why many people still don’t believe it :
A recent public lecture by Jerry A. Coyne at the Harvard Museum of Natuaral History.

জেরী কয়েন, যুক্তরাষ্ট্রের একজন জীববিজ্ঞানের অধ্যাপক। বিবর্তন জীববিজ্ঞান নিয়ে তিনি গবেষনা করছেন দীর্ঘদিন। বিবর্তনের স্বপক্ষে চলমান ইন্টিলিজেন্ট ডিজাইন বিতর্কে তিনি তার লেকচার, প্রকাশনা দিয়ে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহন করে চলেছেন। বর্তমানে শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় এর ইকোলজী এবং ইভোল্যুশন বিভাগের অধ্যাপক এর অসংখ্য বৈজ্ঞানিক নিবন্ধ ছাড়া খুব পরিচিত একটি টেক্সট বুক ( এইচ অ্যালেন ওর এর সাথে, তার এক সময়কার পিএইচডির ছাত্র) Speciation এছাড়া আর খু্বই জনপ্রিয় বিজ্ঞানের বই : Why Evolution is True, বইটির প্রথম অধ্যায় এর অনুবাদ  আছে এখানে । এছাড়া প্রাকৃতিক নির্বাচন এইচ অ্যালেন ওর এর একটি লেখার অনুবাদ আছে এখানে

‘Why Evolution Is True’ by Jerry Coyne, AAI 2009


বেঁচে থাকার দুঃসহ নির্ভারতা: দ্বিতীয় পর্ব

ড্রইং: কাজী মাহবুব হাসান

ভুমিকা: মিলান কুন্দেরা’র ( Milan Kundera) উপন্যাস Nesnesitelná lehkost bytí এর চেক ভাষা থেকে মাইকেল হেনরী হাইম এর ইংরেজী অনুবাদ The Unbearable Lightness of Being এর বাংলা ভাবানুবাদের একটি আন্তরিক প্রচেষ্টা।
(প্রথম পর্ব)
_________________________________________________

 দ্বিতীয় পর্ব: আত্মা এবং শরীর
_______________

লেখকের পক্ষে পাঠকদের মনে বিশ্বাস জন্মানোর চেষ্ঠা সম্ভবত অর্থহীন হবে যে, তার চরিত্রগুলো আসলেই কোন একসময় জীবিত ছিল। কোন মাতৃগর্ভে জন্ম হয়নি তাদের, তাদের জন্ম হয়েছে একটি কিংবা দুটি উদ্দীপক বাক্য বা কোন একটি সাধারন মৌলিক পরিস্থিতি থেকে। টমাসের জন্ম হয়েছে ’আইনমাল ইস্ট কাইনমাল’ (Einmal ist keinmal’), এই প্রবাদ বাক্যটি থেকে।তেরেজার জন্ম হয়েছে একটি পেটের গুড়গুড় শব্দ থেকে।

প্রথম বারের মত যখন তেরেজা টমাসের ফ্ল্যাটে যায়,তার পেটের ভেতরে গুড়গুড় করে শব্দ শুরু হয়েছিল; আর এমন হওয়াটা আশ্চর্যের কিছু ছিল না, কারন সেই সকালের খাবারের পর সে আর কিছু খায়নি; ট্রেনে উঠে বসার আগে প্ল্যাটফর্মে দাড়িয়ে শুধু একটা স্যান্ডউইচ খেয়েছিল । তার সমস্ত চিন্তা জুড়ে ছিল ভবিষ্যতের দিকে তার এই দু:সাহসী যাত্রার কথা, খাওয়ার কথা তার মনেই ছিল না। কিন্তু যখন আমরা আমাদের শরীরকে উপেক্ষা করি, খুব সহজেই আমরা তার শিকারে পরিণত হই। খুবই খারাপ লাগছিল তার, পেটের মধ্যে এই অস্বস্তিকর শব্দ নিয়ে টমাসের সামনে দাড়িয়ে থাকতে। মনে হচ্ছিল তখনই সে কেদে ফেলবে। সৌভাগ্যজনকভাবে, প্রথম দশ সেকেন্ড পরই টমাস তাকে আলিঙ্গন করে, এবং তেরেজাকে তার শরীরের গভীর থেকে আসা বিব্রতকর শব্দগুলোর কথা ভুলিয়ে দেয়।

সুতরাং তেরেজার জন্ম হয়েছে সেই পরিস্থিতিতে, যা খুব নিষ্ঠুরভাবে প্রকাশ করে শরীর এবং আত্মার অসমন্বয়যোগ্য দ্বৈততা, সেই মৌলিক মানবিক অভিজ্ঞতাটি।

বহুদিন আগে, মানুষ বিস্ময়ের সাথে তার বুকের ভিতর  ছন্দময় স্পন্দনের শব্দ শুনতে পেত, কখনো বুঝতে পারেনি শব্দগুলো আসলে কি। শরীরের মত অনাত্মীয় আর অচেনা একটি জিনিসের সাথে মানুষ পারেনি নিজেকে একাত্ম করে ভাবতে। শরীরটা ছিল যেন একটি খাচার মত, আর সেই খাচার ভিতরে ছিল কিছু একটা জিনিস,যা দেখতো, শুনতো, ভয় পেতো, ভাবতো এবং বিস্মিত হতো, সেই কিছু বিষয়টি হলো -যা রয়ে যায় শরীরের সব হিসাব নিকাশ শেষ হলে – আত্মা।

আজ অবশ্য, আমাদের শরীর আর অচেনা কিছু নয়: আমরা জানি আমাদের বুকের মধ্যে ছন্দময় স্পন্দন আসলে হৃদপিন্ড, নাক হচ্ছে একটা পাইপের মুখ যা শরীরের বাইরের দিকে বের হয়ে থাকে,ফুসফুসে অক্সিজেন বয়ে নিয়ে যাবার জন্য। আমাদের চেহারা আর কিছুই না, শুধু একটা ইন্সট্রুমেন্ট প্যানেল, যা শরীরের নানা কর্মকান্ড কেমন চলছে তার জানান দেয়: পরিপাক,দৃষ্টি, শ্রবণ ক্ষমতা, শ্বাস, চিন্তা।

যেদিন থেকেই মানুষ তার শরীরের নানা অংশকে নাম দিতে শিখেছে, শরীর তাকে কম সমস্যায় ফেলেছে। মানুষ এটাও জেনেছে, আত্মা আসলে  তার মস্তিষ্কের কর্মরত গ্রে ম্যাটার ছাড়া আর কিছু না। শরীর এবং আত্মার প্রাচীন দ্বৈততা এখন ঢাকা পড়ে গেছে বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় এবং  হাসতেও পারি আমরা একে শুধুমাত্র সেকেলে একটি কুসংস্কার মনে করে।

কিন্তু শুধু প্রেমে পড়েছে এমন কাউকে তার পেটের গুড়গুড় শব্দ শোনানো হোক, আত্মা এবং শরীরের একাত্মতা, বিজ্ঞানের যুগে  সেই ক্যাব্যিক মায়াময়তা সাথে সাথেই ম্লান হয়ে যায়।

Continue reading

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

Join 32 other followers