Monthly Archives: ফেব্রুয়ারি 2012

শধুই কি একটা তত্ত্ব?


শীর্ষ ছবি:  Charnia masoni  র ফসিলের সাথে  বৃটিশ ভুতাত্ত্বিক রজার ম্যাসন। যুক্তরাজ্যের  লীষ্টারে Charnwood forest এ ১৬ বছর বয়সী স্কুল ছাত্র রজার ম্যাসন ১৯৫৭ সালে এই গুরুত্বপুর্ণ ফসিলটি খুজে পান। যুক্তরাজ্যে পাওয়া প্রথম প্রি ক্যামব্রিয়ান ফসিল ( ৫৮০ মিলিয়ন বছর আগের একটি লাইফফর্ম), এটি নি:সন্দেহে  প্রথমবারের মত  প্রমান করে ক্যামব্রিয়ান পিরিওডের আগে বহুকোষী এবং জটিল প্রকৃতির জীবনের অস্তিত্ব ছিল। প্রি ক্যামব্রিয়ান এই ভুতাত্ত্বিক সময়কে এখন বলা হয় Ediacaran পিরিওড ( ৬৩৫ থেকে ৫৪২ মিলিয়ন বছর আগের সময়কাল; দক্ষিন অষ্টেলিয়ার ইডিআকারান হিলস এর নামে এই পর্বটির নামকরন করা হয়েছে)। Charnia এই পর্বে অন্যতম একটি জিনাস।


ভুমিকা:
 লেখাটি  রিচার্ড ডকিন্স ( Richard Dawkins) এর দি গ্রেটেষ্ট শো অন আর্থ  The Greatest Show on Earth: The evidence for Evolution এর প্রথম অধ্যায় Only a Theory র একটি অনুবাদ প্রচেষ্টা। এটি এই ব্লগে আলাদা পেজ হিসাবে ইতিপুর্বে চার খন্ডে প্রকাশিত হয়েছে।  এখানে  একটি স্বতন্ত্র পোষ্ট হিসাবে আবার যোগ করলাম কয়েকজন শুভানুধ্যায়ী পাঠকদের অনুরোধে। পুরো বইটা ধারাবাহিক ভাবে আমি অনুবাদ করে যাবার চেষ্টা করবো, ইতিমধ্যে দ্বিতীয় অধ্যায়টি  আলাদা পোষ্ট হিসাবে যোগ করা হয়েছে। লেখাটির মুল প্রেরণা ছিল এবারের ডারউইন দিবস।
________________________________________

কল্পনা করুন, আপনি রোমের ইতিহাস এবং ল্যাটিন ভাষার একজন শিক্ষক;  আর আপনি প্রাচীন সেই পৃথিবী,ওভিড এর ‍শোকগাথা আর হোরাসের স্তুতিগাথা, সিসেরোর বক্তৃতার সেই পেশীবহুল ল্যাটিন ব্যকরণ, পিউনিক যুদ্ধের কৌশলগত খুটিনাটি, জুলিয়াস সিজারের সামরিক নেতৃত্ব এবং পরবর্তী সম্রাটদের মাত্রাহীন ইন্দ্রিয়পরায়নতা -ইত্যাদি বিষয়ে আপনার তীব্র ‍উৎসাহ সবার সাথে ভাগ করে নেয়ার জন্য খুবই আগ্রহী । ‍স্পষ্টতই এটা অনেক বড় একটা দ্বায়িত্ব, যার জন্য সময়, ‍ একাগ্রতা আর আত্মত্যাগের প্রয়োজন। তারপরও ‍আপনি লক্ষ্য করলেন, আপনার ‍সেই মুল্যবান সময় সারাক্ষনই আক্রান্ত হচ্ছে ‍ এবং আপনার ক্লাসের মনোযোগ বিক্ষিপ্ত করছে  ক্রমাগত চিৎকার করা এক মুর্খের বা ইগনোরেমাস-এর দল ( ল্যাটিন বিশেষজ্ঞ হিসাবে আপনি ভালো জানবেন, ‘ইগনোরামি’ বলার চেয়ে  ‘ইগনোরেমাস’ বলাটাই উত্তম হবে);  যাদের আছে শক্তশালী রাজনৈতিক সমর্থন, বিশেষ করে অর্থানুকল্য;যারা বিরামহীনভাবে ছোটাছুটি করে ‍আপনার দুর্ভাগা শিক্ষার্থীদের প্ররোচিত করে বোঝনোর চেষ্টা করে যাচ্ছে যে, রোমানদের কোনদিনও অস্তিত্বই ছিলনা, রোমান সাম্রাজ্যও কোনদিনও ছিল না। সমস্ত পৃথিবীটারই সৃষ্টি হয়েছে মানুষের স্মরণকালের সামান্য কিছু সময় আগে। স্প্যানিশ,ইটালিয়ান,ফরাসী, পর্তুগীজ, কাতালান, ওক্সিটান, রোমানশ: এই সব ভাষা আর তাদের সংশ্লিষ্ট সকল উপভাষাগুলো স্বতঃস্ফূর্ত এবং আলাদা আলাদা সৃষ্টি হয়েছে কোন পুর্বসুরী, অর্থাৎ ল্যাটিন ভাষা ছাড়াই। ক্লাসিকের একজন বিশিষ্ট পন্ডিত আর শিক্ষকতার মহান পেশার প্রতি আপনি পূর্ন মনোযোগ দেবার পরিবর্তে আপনি আপনার সময় আর শক্তিকে ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন, রোমের যে অস্তিত্ব ছিল -এই প্রস্তাবটি রক্ষা করার স্বপক্ষে যুদ্ধ করতে: অজ্ঞতা আর অন্ধ সংস্কারের এই প্রদর্শনী- যা হয়তো আপনাকে ব্যাথিত করতো, যদিনা আপনি এর বিরুদ্ধে সংগ্রামে ব্যস্ত না থাকতেন।

যদি ‍আমার এই ল্যাটিন শিক্ষকের কল্পকাহিনী বেশী বাড়াবাড়ি মনে হয়, তাহলে আরেকটু বাস্তবসম্মত উদহারণ দেই: ধরুন আপনি আরো সাম্প্রতিক কালের ইতিহাসের একজন শিক্ষক; এবং বিংশ শতাব্দীর ইউরোপ বিষয়ে আপনার ক্লাস বয়কট করা হয়েছে, ‍উত্যক্ত করে বা কোন না কোনভাবে ব্যহত করছে হলোকষ্ট-অস্বীকারকারীরা যারা সুসংগঠিত, অর্থনৈতিক সাহায্যপুষ্ট, রাজনৈতিক পেশীসম্পন্ন। আমার কাল্পনিক রোম-অস্বীকারকারীর  অস্তিত্ব না থাকুক, হলোকষ্ট-অস্বীকারকারীরা আসলেই আছেন। তারা অত্যন্ত সরব, খুবই হালকাভাবে যুক্তিগ্রাহ্য, আপাতদৃষ্টিতে নিজেদের জ্ঞানী হিসাবে উপস্থাপন করতে সুদক্ষ। তাদের প্রতি সমর্থন আছে, অন্ততঃ বর্তমানে একটি শক্তিশালী দেশের রাষ্ট্রপ্রধানেরও; এছাড়াও আছেন, অন্ততঃ  রোমান ক্যাথলিক চার্চের একজন বিশপ। এখন কল্পনা করুন, ইউরোপীয় ইতিহাসের শিক্ষক হিসাবে আপনাকে সারাক্ষনই মুখোমুখি হতে হচ্ছে একটি উগ্র আক্রমনাত্মক দাবীর : ‘বিতর্কিত মতবাদটাকেও পড়াতে হবে’, এবং ‘একই পরিমান সময়’, দিতে হবে ‘বিকল্প মতবাদ’ পড়াতে যা কিনা দাবী করে হলোকষ্ট কখনোই হয়নি, এটা কিছু ইহুদীবাদীদের আবিষ্কার’; কিছু মৌসুমী আপেক্ষিকতাবাদী বুদ্ধিজীবিরা এর সাথে গলা মিলিয়ে দাবী করছেন, কোন কিছুই তো চরম সত্য না। হলোকষ্ট ঘটেছে ‍কি ঘটেনি তা নির্ভ‍র করবে ব্যাক্তিগত বিশ্বাসের উপর; সব মতবাদই সমানভাবে বৈধ, সমানভাবে ‘শ্রদ্ধা’ করা উচিৎ।

Continue reading


ন্যাচারাল সিলেকশন বা প্রাকৃতিক নির্বাচনকে যাচাই করে দেখার পরীক্ষা:


শীর্ষ ছবি: নিউ ইয়র্ক সিটির ন্যাচারাল হিস্টি মিউজিয়ামের একটি এক্সিবিটের ফটোগ্রাফ : ট্যাক্সিডার্মি র শিল্প এবং বিজ্ঞানী সংগ্রহকারীদের যৌথ প্রচেষ্টার একটি প্রতিচ্ছবি এখানে ইঙ্গিত
দিচ্ছে শুধুমাত্র প্রানী জগতেই বিবর্তন প্রক্রিয়া সৃষ্টি করে অগনিত ফর্মের প্রানীদের। (সুত্র:  ( গ্রান্ট ডেলিন:  সায়েন্টিফিক আমেরিকান, জানুয়ারী ২০০৯);

All these … (edited).. follow from the struggle for life. Owing to this struggle, variations, however slight and from whatever cause proceeding, if they be in any degree profitable to the individuals of a species, in their infinitely complex relations to other organic beings and to their physical conditions of life, will tend to the preservation of such individuals, and will generally be inherited by the offspring. The offspring, also, will thus have a better chance of surviving, for, of the many individuals of any species which are periodically born, but a small number can survive. I have called this principle, by which each slight variation, if useful, is preserved, by the term natural selection. Charles Darwin (Chapter III, On the Origin of Species)

Life results from the non-random survival of randomly varying replicators. Richard Dawkins

শুরুতে: জীববিজ্ঞানীরা যারা এখন সর্বাধুনিক জেনেটিক টুল ব্যবহার করছেন , তারা দেখাতে  সক্ষম হয়েছেন,বেশীর ভাগ বিবর্তন জীববিজ্ঞানীরা যা ধারনা করেছিলেন একসময়,ন্যাচারাল সিলেকশন বা প্রাকৃতিক নির্বাচন,জীন বিবর্তনে তাদের ধারনার চেয়েও অনেক বেশী ভুমিকা পালন করে। চার্লস ডারউইনের প্রস্তাবিত প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে চালিত বিবর্তন প্রক্রিয়ার তত্ত্বকে -বংশানুক্রমে পাওয়া পরিবর্তিত বৈশিষ্ট্য যা জীবের বেচে থাকা বা সারভাইভালে ইতিবাচক ভুমিকা রাখে- বেশ কিছু প্রতিদ্বন্দী তত্ত্বের সাথে সংগ্রাম করতে হয়েছে জীববিজ্ঞানীদের কাছে গ্রহনযোগ্যতা অর্জন করতে গিয়ে। র‌্যানডোম জেনেটিক মিউটেশনগুলো, জীবের বেচে থাকার উপর যাদের প্রভাব নিরপেক্ষ, একসময় বিজ্ঞানীরা মনে করতেন, এটাই বেশীর ভাগ আনবিক বা জীন পর্যায়ের পরিবর্তনের জন্য দায়ী।কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষনাগুলো বলছে উপকারী মিউটেশনগুলোর প্রাকৃতিক নির্বাচনের হার অপেক্ষাকৃতভাবে অনেক বেশী হারেই ঘটে। উদ্ভিদবিদ্যার কিছু জীনতাত্ত্বিক গবেষনা বলছে একটি একক জীনের পরিবর্তনও প্রজাতিদের মধ্যে বিশাল মাপের অ্যাডাপটিভ বা অভিযোজনীয় পার্থক্য সৃষ্টির জন্য দায়ী। এই লেখাটির এইচ অ্যালেন ওর এর টেস্টিং ন্যাচারাল সিলেকশন (সায়েন্টিফিক আমেরিকান,জানুয়ারী ২০০৯) অবলম্বনে লেখা। এইচ অ্যালন ওর (H. Allen Orr) রোচেষ্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং শার্লি কক্স কেয়ার্ণ চেয়ার অব বায়োলজী এবং জেরী কয়েন এর সাথে ’স্পিসিয়েশন’ এর রচয়িতা। তার গবেষনার ক্ষেত্র অভিযোজন এবং প্রজাতিকরনের জেনেটিক ভিত্তি সংক্রান্ত বিষয়গেুলো।

Continue reading


বাংলা….

ছবি: ডিজিটাল মিডিয়া, আসমা সুলতানা

মাতৃভাষার জন্য প্রাণ দেবার নজির আর নেই।
ভাষার প্রতি ভালোবাসা একদিন স্বাধীনতা এনেছে। সব শহীদদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি।

বাংলা অক্ষরে আজ লিখতে পারছি, পড়তে পারছি ইন্টারনেটে… মনের ভাব প্রকাশ করতে পারছি।
যে মেধাবী মানুষগুলো এই সুযোগ করে দিয়েছেন বছরের পর বছর তাদের পরিশ্রম আর মেধা দিয়ে তাদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

আমাদের বাংলা ভাষা ২১ ফেব্রুয়ারী সারা পৃথিবীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস  এর ভিত্তি রচনা করেছে। সব মাতৃভাষার জন্য  একজন বাংলা ভাষীর শুভেচ্ছা।

ছবি: ডিজিটাল মিডিয়া, আসমা সুলতানা


বিবর্তন কি ?


শীর্ষ ছবি: চার্লস রবার্ট ডারউইন (১২ ফেব্রুয়ারী ১৮০৯ -১৯ এপ্রিল ১৮৮২)(ছবি সুত্র: Scientific American, January 2009)

Authors of the highest eminence seem to be fully satisfied with the view that each species has been independently created. To my mind it accords better with what we know of the laws impressed on matter by the Creator, that the production and extinction of the past and present inhabitants of the world should have been due to secondary causes, like those determining the birth and death of the individual. When I view all beings not as special creations, but as the lineal descendants of some few beings which lived long before the first bed of the Silurian system was deposited, they seem to me to become ennobled. Charles Darwin ( On The Origin of Species; Chapter 14: Recapitulation and Conclusion)

A curious aspect of the theory of evolution is that everybody thinks he understands it. Jacques Monod

শুরুর কথা:  মানব সভ্যতার ইতিহাসে সম্ভবত সবচেয়ে শক্তিশালী আর বৈপ্লবিক ধারনাটির জন্ম দিয়েছিলেন প্রতিভাবান বৃটিশ প্রকৃতি বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন: প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে বিবর্তন। জীববিজ্ঞান তো বটেই বিজ্ঞানের নানা শাখায় এর প্রভাব সুদুরপ্রসারী। ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত তার মাষ্টারপিস On the Origin of Species বইটি, পৃথিবী এবং তার মধ্যে আমাদের নিজেদের অবস্থান সম্বন্ধে, আমাদের দৃষ্টিভঙ্গীটাকে চিরকালের মত বদলে দিয়েছে; খুব সরল এই ধারনার মাধ্যমে, ডারউইন পেরেছিলেন জীবের সকল জটিলতা আর বৈচিত্রের সাধারন একটি ব্যাখ্যা দিতে। গত দেড় শতাব্দী ধরে বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা তার এই ধারনাটির স্বপক্ষে প্রমান জুগিয়েছে, যা এখনও অব্যাহত আছে। বিবর্তন তত্ত্বের বিরোধীতার কারন কখনোই এর প্রমানের স্বল্পতা নয়, বরং এর সম্বন্ধে অজ্ঞতা। বিজ্ঞান এবং যুক্তির আলোয় কুসংস্কারমুক্ত জীবন উদযাপনের দিন হিসাবে চার্লস ডারউইনের জন্মদিন, ১২ ফেব্রুয়ারীকে বেছে নেয়া হয়েছিল নব্বই দশকের শুরুতে, আন্তর্জাতিক ডারউইন দিবস হিসাবে। ১২ ফেব্রুয়ারী, বিশ্ব ডারউইন দিবস  ডারউইনের প্রতি সন্মান জানিয়ে আমার এই প্রয়াস। এটি মুলত শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেরি কয়েন  ( Jerry A. Coyne) এর Why Evolution is true  বইটির প্রথম অধ্যায় What is Evolution? এর একটি অনুবাদ প্রচেষ্টা। ডারউইনের অসাধারন ধারনাটি, বিবর্তন তত্ত্বটির মুলনীতিগুলোই সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করা হয়েছে এই লেখাটিতে। পুরো বইটি অনুবাদ অবশ্য অব্যাহত থাকবে, সেজন্য যারা আগ্রহী তাদের হয়ত ভবিষ্যতে আবার এই ব্লগে ফিরে আসতে হবে। আসুন আমরা চেষ্টা করি ক্রমশ বাড়তে থাকা অন্ধ কুপমন্ডুকতার ব্যতিক্রম হবার জন্য।

Continue reading


রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন এর অনুবাদ প্রচেষ্টা:

বেশ  অনেকদিন আগেই রিচার্ড ডকিন্স (Richard Dawkins) এর দি গড ডিল্যুশনের ( The God Delusion) অনুবাদে হাত দিয়েছিলাম। তখনও আমি ব্লগের সাথে পরিচিত নই । পরবর্তীতে প্রথম অধ্যায়টিকে মুক্তমনায় দেখলাম। তখন থেকে মুক্তমনার ক্ষুরধার লেখাগুলো পড়ছি বিস্ময়ের সাথে।

নীচের এই অনুবাদ প্রচেষ্টা আমার। লেখাটি আমি উৎসর্গ করছি শিল্পী এবং কবি আসমা সুলতানাকে। যার উৎসাহে আমার এই কর্মযজ্ঞ, যার অনেক ঋণ কোনদিনও শোধ করা সম্ভব হবে না।
বছরের শেষ দিনে হার্ড ডিস্ক থেকে অনেক অসমাপ্ত লেখা বের হলো, গড ডিল্যুশনের প্রায় আড়াইটা চ্যাপটার। ঠিক করেছি ধীরে ধীরে অনুবাদ সেকশনে  এটা প্রকাশ করবো:

শীর্ষ ছবি কিংবা প্রচ্ছদ : আসমা সুলতানা

প্রথম অধ্যায় : প্রথম পর্ব দ্বিতীয় পর্ব | তৃতীয় পর্ব  চতুর্থ পর্ব |শেষ পর্ব
দ্বিতীয় অধ্যায় : প্রথম পর্ব দ্বিতীয় পর্ব |তৃতীয় পর্ব| চতুর্থ পর্বপঞ্চম পর্ব|ষষ্ঠ পর্ব|
সপ্তম পর্ব | অষ্টম পর্বনবম পর্ব  | দশম পর্ব  | একাদশ পর্ব  | শেষ পর্ব
তৃতীয় অধ্যায়: প্রথম পর্ব


১২ ফেব্রুয়ারী: আন্তর্জাতিক ডারউইন দিবস ২০১২

I have at least, as I hope, done good service in aiding to overthrow the dogma of separate creations.
– Charles DarwinDescent of Man page 61


চার্লস রবার্ট ডারউইন
(১২ ফেব্রুয়ারী ১৮০৯ -১৯ এপ্রিল ১৮৮২)
(ছবি সুত্র: Kenn Brown, Scientific American, January 2009 ( সম্পাদিত) 

আন্তর্জাতিক ডারউইন দিবস  এবং  http://darwinday.org/

আমার ব্লগে বিবর্তন বিষয়ক কিছু লেখার লিঙ্ক:

মহান মনিষীরা একই ভাবে চিন্তা করেন: কেমন করে ‍আলফ্রেড ওয়ালেস ডারউইনের মত একই রকম বৈপ্লবিক অন্তদৃষ্টি অনুভব করেছিলেন
বিবর্তন জীববিজ্ঞানে দশটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি
আমাদের এই প্রাচীন শরীর
আমাদের পারিবারিক বৃক্ষ
ডারউইনের কিছু ভবিষ্যদ্বানী
নৈতিকতার স্নায়ুবৈজ্ঞানিক উৎসের সন্ধানে
চোখের বিবর্তন
প্রাইমেটদের কালার ভিশনের বিবর্তন
অ্যাটেনবরো’র মাদার ফিশ: যৌন সঙ্গম ও আভ্যন্তরীন নিষিক্তকরণ প্রক্রিয়ার বিবর্তনের উষালগ্ন
প্রানীজগতে সমলিঙ্গ যৌন আচরণ এবং বিবর্তন
ভালোবাসা, নিউরোবায়োলজী কি বলে….
একটি অসাধারন বই এর ছোট কাহিনী
ইউজেন দুবোয়া এবং জাভা ম্যান
শুধু এক শতাংশ: আমাদের অতীতের ভবিষ্যৎ
রিচার্ড ডকিন্সের দি গ্রেটেষ্ট শো অন আর্থ:
 ( আপাতত প্রথম অধ্যায় , বাকী অধ্যায় গুলো প্রক্রিয়াধীন)
তুমি কি আমার মা? 

কিছু ভিডিও লিঙ্ক:

Continue reading


রিচার্ড ডকিন্স এর দি গ্রেটেষ্ট শো অন আর্থ : একটি অনুবাদ প্রচেষ্টা

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গ্রেটেষ্ট শো অন আর্থ : বিবর্তনের স্বপক্ষে প্রমান

অনুবাদ প্রচেষ্টা: কাজী মাহবুব হাসান


শীর্ষ ছবি কিংবা প্রচ্ছদ : আসমা সুলতানা

প্রথম অধ্যায়: প্রথম পর্ব দ্বিতীয় পর্ব | তৃতীয় পর্বশেষ পর্ব
দ্বিতীয় অধ্যায়: প্রথম পর্ব


Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

Join 32 other followers