(রিচার্ড ডকিন্স এর দি গ্রেটেষ্ট শো অন আর্থ: অনুবাদ প্রচেষ্টা: কাজী মাহবুব হাসান)
প্রথম অধ্যায়: শুধু কি একটি তত্ত্ব?
দ্বিতীয় পর্ব
প্রায়ই এবং সঠিকভাবেই বলা হয় যে, অনেক অভিজ্ঞ ধর্মযাজক এবং ধর্মতত্ত্ববিদদের বিবর্তন নিয়ে কোন সমস্যা নেই এবং অনেক ক্ষেত্রে তারা সক্রিয়ভাবে এব্যাপারে বিজ্ঞানীদের সহায়তাও করেছেন। এটা অনেক সময় যে সত্য, তৎকালীন অক্সফোর্ডের বিশপ এবং বর্তমানে লর্ড হ্যারিস এর সাথে দুই বার কাজ করার অভিজ্ঞতা সেটাই প্রমান করে। ২০০৪ সালে আমরা যৌথভাবে দৈনিক সানডে টাইমস এ একটি নিবন্ধ লিখেছিলাম, যার শেষ শব্দগুলো ছিল:’ বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে আর কোন বিতর্ক নেই; বিবর্তন একটি প্রমানিত সত্য। এবং খৃষ্টীয় দৃষ্টিভঙ্গী থেকে,ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠতম একটি কাজ। শেষ বাক্যটি লিখেছিলেন রিচার্ড হ্যারিস, কিন্তু আমরা দুজনে প্রবন্ধটির বাকী অংশগুলোতে একমত ছিলাম। দুই বছর আগে বিশপ হ্যারিস আর আমি যৌথভাবে তৎকালীন প্রধান মন্ত্রী টনি ব্লেয়ার কে উদ্দেশ্য করে একটি চিঠিও লিখেছিলাম। যার কিছু অংশ নীচে উল্লেখ করা হল:
প্রিয় প্রধানমন্ত্রী,
বিজ্ঞানী এবং বিশপদের একটি সম্মিলিত দলের পক্ষ থেকে আমরা লিখছি, গেটসহেডের ইমানুয়েল সিটি টেকনোলজী কলেজে বিজ্ঞান শিক্ষা প্রদান সংক্রান্ত বিষয়ে আমাদের উদ্বেগ প্রকাশ করার লক্ষ্যে।
বিবর্তন একটি বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব যার ব্যাখ্যা করার একটি বিশাল ক্ষমতা আছে,এবং অনেকগুলো ক্ষেত্রেই শুধু বিবর্তনই পারে নানা ধরনের বিষয়ের কার্য্যকারনকে যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিতে। সুস্পষ্ট প্রমানের উপর ভিত্তি করে বিবর্তনকে আরো পরিশীলিত,নিশ্চিৎকরণ এমনকি বড় আকারের পরিবর্তন করাও সম্ভব। কলেজটির মুখপাত্র যা দাবী করছেন,বিবর্তন কোন ’বিশ্বাসভিত্তিক অবস্থান’ নয়,যা কিনা বাইবেলে বর্নিত সৃষ্টি কাহিনী, যার একটি ভিন্ন কারন ও উদ্দেশ্য আছে, তার সাথে একই কাতারে স্থাপন করা যায়।
বর্তমানে একটি কলেজে যা পড়ানো হচ্ছে বিষয়টি কিন্তু তার চেয়ে ব্যাপক। এইসব প্রস্তাবিত নতুন প্রজন্মের বিশ্বাস ভিত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কি পড়ানো হবে বা কিভাবে পড়ানো হবে তা নিয়ে উদ্বেগ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি ইমানুয়েল সিটি টেকনোলজী কলেজসহ, এধরনের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যসূচী কঠোরভাবে তদারকি করতে হবে, যাতে বিজ্ঞান এবং ধর্ম শিক্ষা, এই পৃথক বিষয়গুলো তাদের প্রাপ্য গুরুত্ব পায়।
একান্ত আপনার,
রেভারেন্ড রিচার্ড হ্যারিস, অক্সফোর্ড এর বিশপ; স্যার ডেভিড অ্যাটেনব্যুরো এফ আর এস;রেভারেন্ড ক্রিস্টোফার হার্বার্ট, সেন্ট অ্যালবান এর বিশপ;অক্সফোর্ড এর লর্ড মে,রয়্যাল সোসাইটির সভাপতি;অধ্যাপক জন এনডার্বি,রয়্যাল সোসাইটির ফিসিক্যাল সেক্রেটারী;রেভারেন্ড জন অলিভার,হেয়ারফোর্ড এর বিশপ;রেভারেন্ড মার্ক স্যান্টার, বার্মিংহাম এর বিশপ;স্যার নীল শালমার্স,ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের পরিচালক;রেভারেন্ড থমাস বাটলার, সাউথওয়ার্ক এর বিশপ;স্যার মার্টিন রীস,এফ আর এস, অ্যাস্ট্রোনোমার রয়্যাল;পরিচালক;রেভারেন্ড কেনেথ স্টিভেনসন, পোর্টসমাউথ এর বিশপ;অধ্যাপক প্যাট্রিক বেটসন,এফআরএস, সোসাইটির বায়োলজীক্যাল সেক্রেটারী;রেভারেন্ড ক্রিস্পিয়ান হলিস,পোর্টসমাউথের ক্যাথলিক বিশপ,স্যার রিচার্ড সাউথউড এফ আর এস; স্যার ফ্রান্সিস গ্রাহাম-স্মিথ,এফ আর এস,রয়্যাল সোসাইটির প্রাক্তন ফিসিক্যাল সেক্রেটারী,অধ্যাপক রিচার্ড ডকিন্স এফআরএস।
বিশপ হ্যারিস এবং আমি খুব তাড়াহুড়া করে এই চিঠিটি প্রস্তুত করেছিলাম। আমার যতটুকু মনে পরে যাদের কাছে স্বাক্ষর চাওয়া হয়েছিল, তাদের ১০০ শতাংশই এই উদ্যোগে সাড়া দিয়েছে। বিজ্ঞানীদের এবং ধর্মযাজক বিশপদের মধ্যে এই চিঠি বিষয় বস্তু নিয়ে কোন ধরনের মতবিরোধ হয়নি।
ক্যান্টারবারীর আর্চ বিশপেরও বিবর্তন নিয়ে কোন সমস্যা নেই, পোপেরও নেই ( যদি সঠিক কোন প্রত্নতাত্ত্বিক সন্ধিক্ষনে মানুষের আত্মা বিবর্তন প্রক্রিয়ায় প্রবিষ্ট হয়েছে সে বিষয়ে কিছুটা দ্বিধাবিভক্ত বিষয়ে তার মতামতকে আমলে না নিলে);শিক্ষিত ধর্মযাজক কিংবা ধর্মতত্ত্বের অধ্যাপকদেরও এ বিষয়ে তেমন কোন দ্বিমত নেই।
বিবর্তন যে একটি ফ্যাক্ট এই বইটি তার স্বপক্ষে প্রমান বিষয়ক। এই বইটির ধর্ম বিরোধী কোন প্রচারনার উদ্দেশ্য নেই। আমি তা করেছি আগে,সেটা আরেকটি টি শার্ট, সেই টি শার্টটি এখানে আবার পরার কোন কারন দেখছি না। যে সব বিশপ বা ধর্মতাত্ত্বিকরা বিবর্তনের প্রমানগুলো বোঝার চেষ্টা করেছেন তার এর বিরুদ্ধতা করার সংগ্রামও পরিত্যাগ করেছেন। কেউ কেউ হয়তো অনিচ্ছা সত্ত্বে কাজটা করেছে; কেই অতি আগ্রহের সাথে যেমন রিচার্ড হ্যারিস;কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এ বিষয়ে সামান্যতম অবহিত নয় এমন কেউ ছাড়া ,সবাই বাধ্য হয়েছে বিবর্তনের সত্যতাকে মেনে নিতে। তারা হয়ত ভাবতে পারেন প্রক্রিয়াটা শুরু করার ক্ষেত্রে ঈশ্বরের হাত আছে এবং এর পরবর্তী অগ্রগতি পরিচালনা করার ক্ষেত্রে আর কোন ভুমিকা রাখেননি; কিংবা সম্ভবত ভাবতে পারেন যে,ঈশ্বর এই মহাবিশ্বের সুচনা করেছেন এবং এর জন্মলগ্ন থেকে একে বৈশিষ্টময় করেছেন একগুচ্ছ পরস্পর সম্পুরক আইন এবং ফিজিক্যাল কনস্ট্যান্ট বা ভৌত ধ্রুব পরিমাপ গননা করেছেন কোন এক দুর্বোধ্য রহস্যময় উদ্দেশ্যে যে অবশেষে এখানে আমরা কোন ভুমিকা পালন করবো। কিন্তু কোন ক্ষেত্রে অসন্তোষের সাথে, কখনো আনন্দের সাথে সকল চিন্তাশীল, যুক্তিবাদী চার্চগামী পুরুষ ও নারীরা বিবর্তনের স্বপক্ষে প্রমান মেনে নিয়েছে। কিন্তু আমাদের অবশ্যই আত্মতুষ্ট হয়ে ভাবার অবকাশ নেই যে, বিশপ বা শিক্ষিত যাজকদের অনেকে বিবর্তন মেনে নিয়েছে বলে গীর্জায় তাদের নিয়মিত উপাসকবৃন্দরাও তা মেনে নিয়েছেন। কিন্তু হায়! আমি এই বই এর পরিশিষ্টে উল্লেখ করেছি, মতামত জরিপের ফলাফলে বিষয়ের বিপক্ষে যথেষ্ঠ পরিমান প্রমান আছে। যুক্তরাষ্ট্রের ৪০ শতাংশর বেশী নাগরিকরা স্বীকার করেন না যে মানুষ অন্য প্রানী থেকে বিবর্তিত হয়েছে এবং মনে করে আমরা-এবং সেই সুত্রে সকল জীব-গত ১০০০০ বছরে ঈশ্বর কর্তৃক সৃষ্ট হয়েছি। যুক্তরাজ্যে এই সংখ্যা অবশ্য এরকম বেশী নয়, কিন্তু তারপরও চিন্তায় ফেলার মত যথেষ্ট বেশী। এবং এটা যেমন চার্চ কর্তৃপক্ষের জন্য চিন্তার বিষয় তেমনই বিজ্ঞানীদের কাছেও তাই। এই বইটি সেজন্য প্রয়োজনীয়। আমি এর পরে এই বইয়ে ’ইতিহাস অস্বীকারকারী’ শব্দটি ব্যবহার করবো, সেই সব মানুষের জন্য, যারা বিবর্তনকে অস্বীকার করে: যারা মনে করে পৃথিবীর বয়স পরিমাপ করা সম্ভব হাজার মিলিয়ন বছরে না, কয়েক হাজার বছরে এবং যারা বিশ্বাস করে মানুষ এবং ডায়নোসররা একই সাথে বেচে ছিল। আবার বলতে হচ্ছে এমন মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ। এই সংখ্যা কোন কোন দেশে এর চেয়ে বেশী, কোথাও কম, কিন্তু ৪০ শতাংশ একটি গ্রহনযোগ্য গড় এবং এই বইটিতে মাঝে মাঝে আমি ইতিহাস অস্বীকারকারীদের ”৪০ শতাংশবাদী” হিসাবে উল্লেখ করবো।
বিজ্ঞান আলোকপ্রাপ্ত বিশপ এবং ধর্মতাত্ত্বিকদের প্রসঙ্গে ফিরে আসি, খুব ভালো হত যদি তারা এই বিজ্ঞান বিরোধী মুর্খতা যা তারা ঘৃণা করে তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার ক্ষেত্রে খানিকটা বেশী শ্রম দিতেন। অনেক যাজক, যারা বিবর্তনকে সত্য মানেন বা আদম কিংবা হাওয়ার কোন দিন অস্তিত্ব ছিলনা মানেন, তারপর চার্চের পালপিটে খুবই আনন্দের সাথে তাদের সার্মনে আদম হাওয়া সংক্রান্ত নৈতিক এবং ধর্মতাত্ত্বিক বিষয়ে মতামত প্রদান করেন একবারো উল্লেখ না করে যে, অবশ্যই আদম হাওয়ার কোনদিনও অস্তিত্বই ছিল না। যদি চ্যালেন্জ্ঞ করা হয় তারা হয়ত প্রতিবাদ করে বলবেন যে, তাদের এধরনের বক্তব্যেরে উদ্দেশ্য শুধুমাত্র রুপকার্থে ব্যবহৃত,হয়ত তা ’আদি ও মুল পাপ’ বা ’নিষ্পাপ থাকার সৎগুন’ ইত্যাদির সাথে সংশ্লিষ্ট। তারা হয়তো লজ্জিত হয়ে যোগ করতে পারেন, অবশ্যই কেউ নিশ্চয়ই এত বোকা নন, যে তাদের কথা আক্ষরিক অর্থে মেনে নেবেন, কিন্তু আসলে কি তাদের চার্চের অনুগামীরা সেটা জানেন? কেমন করে একজন মানুষ, যে পিউতে বা প্রার্থনা করার চাদরে দাড়িয়ে বুঝবে ধর্মগ্রন্থের কোন অংশটিকে তারা আক্ষরিক অর্থে গ্রহন করবেন আর কোনটিকে রুপকার্থে? অশিক্ষিত, অর্ধশিক্ষিত চার্চ গমনকারীদের পক্ষে বিষয়টি অনুমান করতে পারা কি আসলে সহজ? বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে উত্তরটি হচ্ছে না,দ্বিধান্বিত বা সংশয়গ্রস্থ হওয়াটার জন্য যে কেউ ক্ষমা পেতে পারেন। আমার কথা যদি বিশ্বাস না হয় তাহলে অ্যাপেনডিক্সে দেখুন। বিশপগন, বিষয়টি নিয়ে ভাবুন, ভাইকারগন, সতর্ক হোন। আপনারা ডায়নামাইট নিয়ে খেলছেন। একটা ভুল ধারনাকে তোষন করার ফলাফল কেবল বিস্ফোরনের জন্য অপেক্ষা করা।অনেকেই হয়তো বলতে পারেন আগাম প্রতিহত না করলে এমনটাই হতে বাধ্য। সুতরাং জনসমক্ষে বক্তব্য দেবার সময় আপনাদের হ্যা যেন হ্যা আর না যেন না হয়, সে বিষয়ে আপনাদের কি আরো একটু বেশী সতর্ক হওয়া উচিৎ নয় কি? নিন্দনীয় অবস্থানে পতিত হবার সম্ভাবনা থেকে রক্ষা পেতে আপনাদের কি একটু অতিরিক্ত দায়িত্ব নেয়া উচিৎ নয় কি, যেমন ইতিমধ্যে সর্বত্র বিস্তৃত জনপ্রিয় ভুল ধারনাগুলো প্রতিহত করা এবং বিজ্ঞানী এবং বিজ্ঞান শিক্ষকদের উৎসাহের সাথে সহযোগিতা করা?
এই বইটির মাধ্যমে আমি যাদের কাছে পৌছানোর চেষ্টা করছি তাদের মধ্যে ইতিহাস অস্বীকারকারীরাও আছেন, কিন্তু হয়তো আরো গুরুত্বপুর্ণ যে কাজটি আমি করতে চেয়েছি তা হলো ইতিহাস অস্বীকারকারী নয় যারা,তাদেরকে প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্তে স্বশস্ত্র করে তোলা।কারন তারা নিজেরা ইতিহাস অস্বীকার না করলেও হয়তো এমন অনেককেই চেনেন, তাদের পরিবারে বা চার্চে এবং এ বিষয়ে কোন বিতর্ক করতে গেলে তারা হয়তো নিজেদের যথেষ্ট প্রস্তুত মনে করেননা।
বিবর্তন হচ্ছে একটি ফ্যাক্ট বা বাস্তব সত্য। যে কোন যৌক্তিক সন্দেহের উর্ধে, যেকোন গভীর সন্দেহর উর্ধে, কোন সুস্থ্, অবগত এবং বুদ্ধিমান সন্দেহের উর্ধে,যে কোন ধরনের সন্দেহের উর্ধে বিবর্তন একটি বাস্তব সত্য। হলোকষ্টের স্বপক্ষে যেমন জোরালো প্রমান আছে বিবর্তনের স্বপক্ষেও তেমনই জোরালো প্রমান বিদ্যমান,এমন কি যদি হলোকষ্টের স্বপক্ষে চাক্ষুষ প্রমানও এর সাথে যোগ করা হয়। এটা এখন সুষ্পষ্ট সত্য যে আমরা শিম্পান্জিদের নিকটাআত্মীয়, হয়তো কিছুটা দুরের আত্মীয় বানরদের,আর্ডভার্ক বা ম্যানিতিদের আরো খানিকটা দুরের আত্মীয়, আরো দুরের আত্মীয় কলা এবং শালগমদের.. ক্রমশঃ যত ইচ্ছা দীর্ঘ করা যেতে পারে এই তালিকা।
এটা কিন্তু সত্য হবার কোন বাধ্যবাধকতা ছিল না, এটা প্রমানের অপেক্ষা রাখে না এমন কোন সত্য বা কোন সত্যের অপ্রয়োজনীয় পুনরাবৃত্তিও নয় বা অবশ্য সত্যি কোন বিষয় ছিল না এবং একটা সময় ছিল, যখন বেশীর ভাগ মানু্ষই এমনকি শিক্ষিত মানুষরাও ভাবতেন এটা সত্য হতে পারেনা। এটাকে সত্য হতে হবে এমন কোন বাধ্যবাকতা ছিল না কিন্তু সেটাই হয়েছে। আমরা জানি কারন, অসংখ্য প্রমানের মহাপ্লাবন এর স্বপক্ষে প্রমান দিচ্ছে। বিবর্তন তাই বাস্তব সত্য এবং এই বইটি সেটাই প্রদর্শন করবে। কোন সন্মানিত বিজ্ঞানী এ বিষয়টিতে আর দ্বিমত পোষন করেননা এবং কোন পক্ষপাতহীন পাঠক এটা সন্দেহ করে বইটি বন্ধ করে রাখবেন না।
তাহলে কেন আমরা একে ডারউইনের ’বিবর্তন তত্ত্ব বা থিওরী’ হিসাবে উল্লেখ করি। যা মিথ্যা একটি স্বস্তি দিয়েছে সৃষ্টিবাদীদের দ্বারা প্ররোচিতদের -ইতিহাস অস্বীকারকারী, ৪০ শতাংশ ভুক্তদের, যারা মনে করে তত্ত্ব বা থিওরী শব্দটা এক ধরনের হার স্বীকার করে নেয়া, যা তাদেরকে দিয়েছে এক ধরনের পুরষ্কার বা বিজয়?
((((((((((((((((((((((((((((((((চলবে))))))))))))))))))))))))))))))))))))))))))))))










