রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন: দ্বিতীয় অধ্যায়,সপ্তম পর্ব

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন : দ্বিতীয় অধ্যায়, ৭ম পর্ব ( অনুবাদ প্রচেষ্টা: কাজী মাহবুব হাসান)

দ্বিতীয় অধ্যায়,  প্রথম পর্ব
দ্বিতীয় অধ্যায়, দ্বিতীয় পর্ব
দ্বিতীয় অধ্যায়,  তৃতীয় পর্ব
দ্বিতীয় অধ্যায়,  চতুর্থ পর্ব
দ্বিতীয় অধ্যায়, পঞ্চম পর্ব
দ্বিতীয় অধ্যায়, ষষ্ঠ পর্ব

দ্বিতীয় অধ্যায়, সপ্তম পর্ব 

সম্ভাবনার  এই স্পেক্ট্রামটি ট্যাপ বা ‘টেম্পরারী অ্যাগনষ্টিসিজম ইন প্র্যাকটিস’ এর ক্ষেত্রে বেশ প্রযাজ্য। ‘পার্মানেন্ট অ্যাগনষ্টিসিজম ইন প্র্যাকটিস’ বা প্যাপকে এই স্পেক্ট্রামটির মাঝামাঝি, ঈশ্বরের অস্তিত্ত্বর সম্ভাবনা যেখানে শতকরা ৫০ ভাগ, সেখানে রাখার একটা হালকা প্রলোভন হতে পারে, কিস্তু সেটা সঠিক হবে না। প্যাপ অ্যাগনষ্টিসিজমবাদীরা দৃঢ়তার সংগে দাবী করেন, ঈশ্বরের অস্তিত্ত্ব আছে, কি নেই,  এই প্রশ্নে আমাদের পক্ষে বা বিপক্ষে কিছু বলা সম্ভব না। এই প্রশ্নটি, প্যাপবাদীদের মতে, নীতিগতভাবে সমাধানযোগ্য নয় এবং তাদের উচিৎ হবে এই স্পেক্ট্রামটির কোন স্তরে নিজেদের শ্রেনীভুক্ত করার যে কোন প্রস্তাব  প্রত্যাখ্যান করা। আমার পক্ষে জানা সম্ভব না যে, আপনার লাল কি আমার সবুজের মত-এই সত্যটা কিন্তু শতকরা ৫০ ভাগ সম্ভাবনার সমান না। এধরনের প্রস্তাব এতটাই অর্থহীন যে, একে কোন ধরনের সম্ভাবনার মর্যাদা দেয়া সম্ভব না। তাসত্ত্বেও, এটা খুব সাধারন একটা ভুল, যা আমরা পরবর্তীতে আবার লক্ষ্য করব, নীতিগতভাবে ঈশ্বরের অস্তিত্ত্বর প্রশ্নটি সমাধানযোগ্য নয় এমন ধারনা থেকে, তার অস্তিত্ত্ব এবং তার অস্তিত্ত্বহীনতা দুটোই সমানভাবে সম্ভাব্য, এমন কোন একটা উপসংহারে লাফ দেয়া।

অন্য আরেক ভাবে এই ভুলটি বোঝানো যেতে পারে, প্রমানের দায়ভারের মাধ্যমে, যা বার্ট্রান্ড রাসেল চমৎকারভাবে ব্যাখ্যা করেছেন স্বর্গীয় চা এর পটের রুপকের মাধ্যমে[১৯]।

অনেক গোড়া মানুষ কথা বলেন যেন, প্রাপ্ত ধর্মমতকে প্রমান করার দায়িত্ব ধর্মমতাবলম্বীদের নয় বরং সংশয়বাদীদেরই দায়িত্ব যেন প্রাপ্ত ধর্মমতকে মিথ্যা প্রমান করার। এটা অবশ্য একটি ভুল। আমি যদি প্রস্তাব করি যে, পৃথিবী আর মঙ্গল গ্রহের মাঝে চীনামাটির তৈরী একটি চা এর পট আছে, যা সুর্যের চারপাশে উপবৃত্তাকার কক্ষপথে প্রদক্ষিন করছে, কারো পক্ষে কিন্তু আমার দাবীকে মিথ্যা প্রমান করা সম্ভব না, বিশেষ করে আমি যদি একটু সতর্ক হয়ে আরো উল্লেখ করি যে,  চায়ের পটটি এত ক্ষুদ্রকায় যে, আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপ দিয়ে তা দেখা সম্ভব নয়। কিন্তু আমি যদি আরো বলি, আমার দাবীকে যেহেতু মিথ্যা প্রমান করা যাবে না, অতএব একে সন্দেহ করা কোন মানবিক যুক্তির পক্ষে  অসহ্য একটি ধৃষ্টতা হবে; তবে আমি যে আবোলতাবোল কথা বলছি এমনটি ভাবা কারো জন্য ভুল হবে না। কিন্তু যদি  এধরনের একাট চায়ের পটের অস্তিত্ত্ব যদি সুনিশ্চিৎভাবে ঘোষনা করা হতো প্রাচীন ধর্মীয় গ্রন্থে, প্রতি রোববারে পবিত্র উদ্ধৃতি হিসাবে তা শেখানো হত, স্কুলে শিশুদের মনের মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়া হত, তাহলে এর অস্তিত্ত্ব সম্বন্ধে কোন ধরনের দ্বিধাদ্ন্দ বা ইতস্ততা চিহ্নিত হত বরং অস্বাভাবিকতা হিসাবে, এবং  এর সংশয়বাদীরা নজরে পড়তেন আধুনিক যুগে মনোচিকিৎসকদের এবং অতীতের ইনক্যুইজিটরদের নজরে ।

আমাদের এ বিষয়ে কথা বলে সময় নষ্ট করা ঠিক হবে না, আমি যতটুকু জানি কেউই চায়ের পটের উপাসনা করে না [২০]; কিন্তু যদি জোর করা হয়, সেক্ষেত্রে আমরা আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস প্রকাশ করতে দ্বিধা বোধ করবো না যে, অবশ্যই কোন ঘুর্ণায়মান চায়ের পট এর অস্তিত্ত্ব নেই। তারপরও  মুলতঃ নিয়মানুযায়ী আমাদের  সবাইকে চায়ের পট অ্যাগনষ্টিক হিসাবে ধরে নিতে হবে:  আমরা প্রমান করতে পারব না, সুনিশ্চিৎভাবে, যে কোন স্বর্গীয় চা এর পটের কোর অস্তিত্ব নেই। ব্যবহারিক সব ক্ষেত্রে, চায়ের পট অ্যাগনষ্টিকবাদ থেকে আমরা সরে আসব চা এর পট অবিশ্বাসী মতবাদে।

একজন বন্ধু, যিনি প্রতিপালিত হয়েছেন একজন ই্হুদী হিসাবে এবং নিজ ঐতিহ্যর প্রতি অনুগত হয়ে এখনও সাবাথ বা অন্যান্য ইহুদী ধর্মী আচার পালন করেন, নিজেকে বর্ণনা দেন একজন ’টুথ ফেয়ারী অ্যাগনস্টিক’ হিসাবে। তিনি ঈশ্বরের অস্তিত্ত্বর সম্ভাবনাকে ’টুথ ফেয়ারীর’ অস্তিত্ত্বর সম্ভাবনার থেকে আদৌ বেশী মনে করেন না। কোন হাইপোথিসিসই প্রমান করা সম্ভব না, এবং দুটোই সমানভাবে অসম্ভব। প্রায় ঠিক যতটুকু তিনি ফেয়ারী অবিশ্বাসী ততটুকু ঈশ্বর অবিশ্বাসী, এবং উভয় ক্ষেত্রেই একই রকম সামান্য মাত্রায় অ্যাগনষ্টিক

রাসেলের চা এর পট, অবশ্যই অগনিত জিনিসের প্রতীক, যাদের অস্তিত্ব কল্পনা করা সম্ভব, কিন্তু মিথ্যা প্রমান করা অসম্ভব। আমেরিকার বিখ্যাত আইনজীবি, চার্লস ড্যারো বলেছিলেন, ’আমি ঈশ্বরকে বিশ্বাস করি না যেমন মাদার গুজকেও বিশ্বাস করিনা’; সাংবাদিক অ্যান্ড্রু মুয়েলার মত হল, নিজেকে কোন বিশেষ একটি ধর্মবিশ্বাসের সাথে সংশ্লিষ্ট করার মানে হলো, ’কোন অংশে কম বা বেশী অদ্ভুত না, বিশ্বাসের জন্য বেছে নেয়া যে পৃথিবী হচ্ছে রম্বস আকৃতির এবং এসমেরেল্ডা আর কীথ নামের দুই অতিবিশাল সবুজ লবস্টার তাদের সাড়াশীর মত দুই হাতে মহাবিশ্বর মধ্য দিয়ে পৃথিবীটাকে বহণ করে নিয়ে চলছে’ [২১] ; দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গিতে সবচেয়ে প্রিয়, অদৃশ্য,অস্পৃশ্য, অশ্রবনযোগ্য ইউনিকর্ণ, যা প্রতিবছর ক্যাম্প কোয়েষ্টে [২২] শিশুরা মিথ্যা প্রমান করার চেষ্টা করে। বর্তমানে ইন্টারনেটে সবচেয়ে জনপ্রিয় দেবতা যা ইয়াওয়ে বা অন্য যে কোনটার মতই মিথ্যা প্রমান করা সম্ভব নয়, হল উড়ন্ত স্প্যাগেটি মনস্টার, যিনি, অনেকেই দাবী করে, তাদেরকে স্পর্শ করেছে নুডলস এর মত শরীরের অংশ দিয়ে [২৩]; আমি খুবই আনন্দিত হয়েছে যে, ’গসপেল অব ফ্লাইং স্প্যাগেটি মনস্টার’ ইতিমধ্যেই বই আকারে প্রকাশিত হয়েছে এবং প্রশংসিত হয়েছে [২৪]; আমি যদিও এখনওপড়িনি, কিন্ত গসপেল পড়ার কি দরকার, যদি আপনি জানেন, এটা সত্যি ? প্রসঙ্গক্রমে যা হবার কথা ছিল, বড় মাপের মতবিভেদ ইতিমধ্যেই ঘটে গেছে,ফলে তৈরী হয়েছে,রিফর্মড ’ চার্চ  অব দ্য ফ্লাইং স্প্যাগেটি মনস্টার’ [২৫]।

এসব ব্যতিক্রমী উদহারন নিয়ে আলোচনার  উদ্দেশ্য হলো, এদের মিথ্যা প্রমান করা সম্ভব না, তারপরও কেউ চিন্তা করেনা, তাদের অস্তিত্ত্বের আর অস্তিত্ত্বহীনতার হাইপোথিসিস একই সমমানের। রাসেলের বক্তব্য হল, প্রমান করার দায়ভার বিশ্বাসীদের, অবিশ্বাসীদের নয়। আমার বক্তব্যও কিছুটা সেধরনের,  উড়ন্ত চা এর পটের অস্তিত্ত্বের পক্ষে সম্ভাবনা (বা স্প্যাগেটি মনস্টার/এসমেরেল্ডা আর কীথ/ ইউনিকর্ণ  ইত্যাদি) কিন্তু এর বিপক্ষে সম্ভাবনার সমান না।

কক্ষপথে প্রদক্ষিনরত কোন চা এর পট বা টুথ ফেয়ারী মিথ্যা প্রমান করার অযোগ্য, এই বিষয়টিকে সত্য হিসাবে কোন যুক্তিবাদী মানুষেই অনুভব করেন না যে, এটি এমন কোন একটি বিষয়, যা আগ্রোহদ্দীপক যুক্তিতর্কর মাধ্যমে মীমাংসা করা সম্ভব। আমরা কেউই, উর্বর আর ছলনাময়ী কল্পনা তৈরী করতে পারে এমন লক্ষ লক্ষ আবস্তব বিষয়গুলোকে মিথ্যা প্রমান করাটা নিজেদের দায়িত্ব মনে করি না।  যখন জিজ্ঞেস করা হয় আমি নীরিশ্বরবাদী কিনা, আমার এটাকে মজার একটা কৌশল মনে হয়, যে আমিও প্রশ্নকারীর দৃষ্টি আকর্ষন করে বোঝাতে চাই যে, জিউস,  অ্যাপোলো, আমন রা, মিথরাস, বাল, থর, ওটান, সোনালী বাছুর এবং ফ্লাইং স্প্যাগেটি মনস্টার এর ক্ষেত্রে তিনি নিজেও একজন নীরিশ্বরবাদী, আমি কেবল আরেকটি বেশী ঈশ্বরকে অবিশ্বাস করি মাত্র।

আমরা প্রায় সবাই পুরোপুরি অবিশ্বাসের কাছাকাছি এক ধরনের সন্দেহ প্রকাশ করার অধিকার রাখি- শুধুমাত্র ইউনিকর্ণ, টুথফেয়ারী, প্রাচীন গ্রীস, রোম, মিশর এবং ভাইকিংদের দেবদেবীদের ক্ষেত্রে আমাদের তেমন কোন মাথাব্যাথা  নেই। কিন্তু আব্রাহামীয় ঈশ্বর এর ক্ষেত্রে চিন্তার প্রয়োজন আছে, কারন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ যাদের সাথে আমরা এই পৃথিবীতে বাস করি তারা তার অস্তিত্ত্বে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে। রাসেল এর চা এর পটে টি যা প্রদর্শন করছে, তা হলো ঈশ্বর বিশ্বাসের সার্বজনীনতা; স্বর্গীয় চা এর পটে বিশ্বাসের সাথে তুলনা করলে কিন্তু যুক্তির মাধ্যমে প্রমান করার দায়ভারটা কাদের অপরিবর্তনীয় রয়ে গেছে;  যদিও ব্যবহারিক রাজনীতির স্তরে মনে হতে পারে দায়ভার পরিবর্তিত হয়েছে অবিশ্বাসীদের দিকে। ঈশ্বরের অস্তিত্ত্বহীনতা যে আমরা প্রমান করতে পারব না তা গ্রহনযোগ্যতা পেয়েছে, এবং রুপান্তরিত হয়েছে যেন খুবই তুচ্ছ একটি ব্যপারে, এমনকি শুধুমাত্র এই অর্থে যে, আমরা কখনেই চুড়ান্তভাবে কোনকিছুর অস্তিত্ত্বহীনতাকে প্রমান করতে পারব না। আসল ব্যাপারটা হল য, ঈশ্বরকে কি অপ্রমান করা যায় কিনা ( তিনি অবশ্যই তা না) সেটা কিন্তু না বরং তার অস্তিত্ত্ব কি আদৌ ’’সম্ভব’ কিনা, সেটাই। এবং সেটা ভিন্ন একটি ব্যাপার। কিছু প্রমানঅযোগ্য বিষয় যুক্তিসঙ্গতভাবেই  বিচার করা হয়, অন্য আরো কিছু প্রমানঅযোগ্য বিষয় থেকে, অনেক কম ’সম্ভাব্য’ হিসাবে। কোন কারনই নেই ঈশ্বরকে সম্ভাবনার স্পেকট্রামের নীরিখে পরীক্ষাযোগ্য না ভাবা।  এবং অবশ্যই কোন কারন নেই এটা ভাববার যে, শুধুমাত্র ঈশ্বর এর অস্তিত্ত্ব প্রমান করা বা মিথ্যা প্রমান করা যাবে না বলেই তার অস্তিত্ত্বের সম্ভাবনা শতকরা ৫০ ভাগ। বরং এর বীপরিতটাই সম্ভব,যা আমরা পরবর্তীতে দেখব।

((((((((((((((((((((((((((((((((চলবে)))))))))))))))))))))))))))))))))))))))))))))))))

_________________________________

[১৯]  Russell, ‘Is there a God?’ (1952), repr. in Russell (1997b). Russell, B. (1957). Why I Am Not a Christian. London: Routledge. Russell, B. (1993). The Quotable Bertrand Russell. Amherst, NY: Prometheus.
[২০] হয়তো আমি একটু তাড়াতাড়ি কথাটা বলে ফেললাম, ২০০৫ সালের ৫ জুন The Independent on Sunday একটি খবর প্রকাশ করে: মালায়শীয় কর্তৃপক্ষ বলছে, যে ধর্মীয় সেক্টটি, পবিত্র চা’ এর পট এর আকারে একটি বাড়ি বানিয়েছে, তারা গৃহনির্মান সংক্রান্ত নীতিমালাগুলো সুস্পষ্ট লংঘন করেছেন। এছাড়া বিবিসি’র খবরটি দেখুন এখানে: http://news.bbc.co.uk/2/hi/asia-pacific/4692039.stm
[২১] Andrew Mueller, ‘An argument with Sir Iqbal’, Independent on Sunday, 2 April 2006, Sunday Review section, 12-16.
[২২] ক্যাম্প কোয়েস্ট যুক্তরাষ্ট্রের সামার ক্যাম্প প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি ব্যতিক্রম এবং এটি সম্পুর্ন প্রশংসনীয় একটি দিকে এই সংস্কৃতিটাকে নিয়ে যাবার চেষ্টা করছে। অন্যান্য সামার ক্যাম্পগুলো যা একটি ধর্মীয় এবং স্কাউট নির্ভর মুল্যবোধের উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়,কেন্টাকীতে এডউইন এবং হেলেন কাগিন এর প্রতিষ্ঠিত ক্যাম্প কোয়েষ্ট পরিচালিত হয় ধর্মনিরেপক্ষ মানবতাবাদী নৈতিকতার উপর। শিশুদের এখানে সংশয় এবং প্রশ্নের সাথে সবকিছুকে বিচার করার জন্য প্রণোদনা দেয়া হয়, এর সাথে অন্যান্য বাইরের নানা কার্যক্রমতো আছেই (www.camp-quest.org)। ক্যাম্প কোয়েস্টর এর মত আরো বেশ কিছু সামার ক্যাম্প গড়ে উঠেছে টেনিসি,মিনোসোটা, মিশিগান, ওহাইও এবং কানাডায়)
[২৩] New York Times, 29 Aug. 2005. Henderson, B. (2006). The Gospel of the Flying Spaghetti Monster. New York: Villard.
[২৪] Henderson, B. (2006). The Gospel of the Flying Spaghetti Monster. New York: Villard.
[২৫] http://www.lulu.com/content/267888.


Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

Join 32 other followers