রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন: দ্বিতীয় অধ্যায়,একাদশ পর্ব

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন : দ্বিতীয় অধ্যায়, একাদশ পর্ব
( অনুবাদ প্রচেষ্ঠা: কাজী মাহবুব হাসান)

দ্বিতীয় অধ্যায়,  প্রথম পর্ব
দ্বিতীয় অধ্যায়, দ্বিতীয় পর্ব
দ্বিতীয় অধ্যায়,  তৃতীয় পর্ব
দ্বিতীয় অধ্যায়,  চতুর্থ পর্ব
দ্বিতীয় অধ্যায়, পঞ্চম পর্ব
দ্বিতীয় অধ্যায়, ষষ্ঠ পর্ব
দ্বিতীয় অধ্যায়, সপ্তম পর্ব
দ্বিতীয় অধ্যায়, অষ্টম পর্ব
দ্বিতীয় অধ্যায়, নবম পর্ব
দ্বিতীয় অধ্যায়, দশম পর্ব

দ্বিতীয় অধ্যায়, একাদশ পর্ব
 বিবর্তনবাদীদের ‘নেভিল  চেম্বারলেইন’  তোষনবাদী গোষ্ঠী:

যে সকল বিজ্ঞানীরা যারা দাবী করেন, নোমা (NOMA) -ঈশ্বর হাইপোথেসিস, বিজ্ঞান দ্বারা অনাক্রম্য একটি বিষয়, তাদের একটি সম্ভাব্য অভিসন্ধি – হলো বিশেষভাবে আমেরিকার রাজনৈতিক অ্যাজেন্ডা বা কার্য্যক্রম, যা আসলে উস্কে দিয়েছে লোকরন্জ্ঞনবাদী বা পপুলিষ্ট ক্রিয়েশিনিজম বা সৃষ্টিবাদের হুমকি। যুক্তরাষ্ট্রের অনেক জায়গায় সুসংগঠিত, রাজনৈতিক যোগাযোগসম্পন্ন ও সর্বোপরি অর্থ সাহায্যপুষ্ট  শক্তিশালী প্রতিপক্ষ দ্বারা বিজ্ঞান এখন আক্রান্ত  এবং বিবর্তন শিক্ষা এ যুদ্ধের একবারে সামনের ট্রেন্চ এ অবস্থান করছে। বিজ্ঞানীরা সহানুভুতি পেতেই পারেন,কারন তারা ভীত, এছাড়া বেশীর ভাগ গবেষনার অর্থ যোগান দেয় মুলতঃ সরকার এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহি করতে হয়, যেমন তাদের ভোট দেয়া ‍অজ্ঞ, কুসংস্কারাচ্ছন্ন জনগোষ্ঠীর কাছে, ঠিক তেমনই শিক্ষিত সুবিদিত সমাজের কাছেও।

এধরনের হুমকির মুখে, একটি বিবর্তনবাদ রক্ষাকারী লবীও গড়ে উঠেছে, সবচেয়ে উল্লেখযোগ্যটির প্রতিনিধিত্ত্ব করে ন্যাশনাল সেন্টার ফর সাইন্স এডুকেশন (NCSE)। এর নেতৃত্বে আছেন ইউজেনি স্কট, বিজ্ঞানের জন্য অক্লান্ত কর্মী, ‍যিনি সম্প্রতি একটি বইও প্রকাশ করেছেন, এভল্যুশন ভারসাস ক্রিয়েশনিজম। এনসএসই র  অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হলো সুবুদ্ধিসম্পন্ন ধর্মীয় মতামত গুলোকে জয় করা এবং সংগঠিত করা । এরা হল মুলধারার চার্চে যাতায়াতকারী নারী এবং পুরুষ, যাদের বিবর্তনবাদের সাথে কোন বিরোধ নেই, এবং তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের ক্ষেত্রে তারা বিষয়টিকে অপ্রাসঙ্গিক (অথবা কোন অদ্ভুত উপায়ে তাদের বিশ্বাসের সহায়ক) মনে করে ।   এই সব মুলধারার প্রাদ্রী, ধর্মতাত্ত্বিক, এবং উদার মনোভাবাপন্ন ধর্মবিশ্বাসীরা, যারা বিব্রত সৃষ্টিবাদ নিয়ে, কারন তা ধর্মের সনাম কলুষিত করেছে, এদের কাছে বিবর্তনবাদ রক্ষাকারী লবী চেষ্টা করছে এর পক্ষে মতামত গড়বার। এবং সেটা করার একটা উপায় হল, তাদের তুষ্ট করার অতিরিক্ত চেষ্ঠায় নোমাকে পৃষ্ঠপোষকতা করা -স্বীকার করা বিজ্ঞান আদৌ ক্ষতিকর কিছু না, কারন ধর্মের দাবী থেকে বিজ্ঞান সম্পুর্ন বিচ্ছিন্ন।

এই গোষ্ঠীর, যাকে আমরা বিবর্তনবাদীদের ‘নেভিল চেম্বারলেইন’  গোষ্ঠী বলতে পারি,আরেকজন বিখ্যাত ব্যাক্তি হলেন দার্শনিক মাইকেল রুজ। সৃষ্টিবাদের বিপক্ষে রুজ একজন কার্য্যকর যোদ্ধা, কাগজে এবং আদালত, উভয় ক্ষেত্রে  [২৮]; তিনি নিজেকে একজন নাস্তিক হিসাবে দাবী করেন, কিন্তু প্লেবয় পত্রিকায় তার প্রকাশিত রচনায় তার মতামত প্রকাশ পায় এভাবে:

 আমরা যারা বিজ্ঞানকে ভালোবাসি তাদের অবশ্যই অনুধাবন করতে হবে আমাদের শত্রুর শত্রু কিন্তু আমাদের বন্ধু। প্রায়ই বিবর্তনবাদীরা সময় নষ্ট করে তাদের সম্ভাব্য মিত্র পক্ষকে অপমান করার লক্ষ্যে। ব্যপারটা বেশী সত্য ধর্মনিরেপক্ষ বিবর্তনবাদীদের ক্ষেত্রে। সৃষ্টিবাদীদের প্রতিরোধ করার চেয়ে নিরীশ্বরবাদীদের বেশী সময় কাটানো উচিৎ সহানুভুতিশীল খৃষ্টানদের বোঝাতে। যখন দ্বিতীয় পোপ জন পল ডারউইনবাদকে অনুমোদন করে চিঠি লিখেছিলেন, রিচার্ড ডকিন্স এর প্রত্যুত্তর ছিল পোপ ভন্ডামী করছেন এবং তিনি আসলেই বিজ্ঞানের ব্যাপারে এতটা সৎ হতেই পারেন না এবং এভাবে স্পষ্ট যে ডকিন্স নিজেই বরং পছন্দ করেন একজন সৎ মৌলবাদীকে।

শুধুমাত্র বিশুদ্ধ কৌশলগত দিক থেকে,  হিটলারের বিরুদ্ধে যুদ্ধজোট করার সাথে, রুজের অগভীর আবেদনটার তুলনাটি আমি বুঝতে পারি: উইনস্টোন চার্চিল বা ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট কেউই স্ট্যালিনকে বা কমিউনিজম পছন্দ করতেন না, কিন্তু তারা বুঝতে পেরেছিলেন, হিটলারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হলে তাদের সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে কাজ করতে হবে। সেরকমভাবে সব ধরনের বিবর্তনবাদীদের একসাথে কাজ করতে হবে সৃষ্টিবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য। কিন্তু আমি সবশেষে আমার সহকর্মী শিকাগোর জীনতত্ত্ববিদ জেরী কয়েনের সাথে একমত, যিনি লিখেছিলেন রুজ,

এই দ্বন্দের মুল কারনটাই বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন। এটা শুধুমাত্র বিবর্তনবাদ বনাম সৃষ্টিবাদ না। ডকিন্স বা উইলসনের (ই ও উইলসন, প্রখ্যাত হার্ভার্ড জীববিজ্ঞানী) মত বিজ্ঞানীদের কাছে, আসল যুদ্ধ হলো যুক্তিবাদ বনাম কুসংস্কার। বিজ্ঞান হচ্ছে যুক্তিবাদের একধরনের রুপ, অপরদিকে ধর্ম হচ্ছে কুসংস্কারের সবচেয়ে পরিচিত রুপ। তারা যাকে আরো বড় শত্রু হিসাবে দেখেন: ধর্ম, সৃষ্টিবাদ হচ্ছে ধর্মের একটা উপসর্গ মাত্র । ‍ধর্ম কিন্তু সৃষ্টিবাদ ছাড়াই ‍টিকে থাকতে পারবে, কিন্তু সৃষ্টিবাদ ধর্ম ছাড়া তার অস্তিত্ত্ব টিকিয়ে রাখতে পারবে না [২৯]।

সৃষ্টিবাদীবাদীদের সাথে আমার একটা মিল আছে, তারা আমার মতই এবং ’চেম্বারলেইন গ্রুপের’ মত নয়,  নোমা কিংবা এর পৃথক ম্যাজিষ্টেরিয়াকে বর্জন করেছে। বিজ্ঞানের ক্ষেত্র পৃথক এটা মানা তো দুরের কথা, তাদের সবচেয়ে পছন্দের কাজ এর মধ্যে নাক গলাতে। তাদের যুদ্ধ কৌশলও নোংরা। সৃষ্টিবাদীদের উকিলরা আমেরিকার গ্রাম আর মফস্বল শহরগুলোতে বিভিন্ন আদালতে বেছে বেছে সেই সব বিবর্তনবাদীদের খুজে বের করে যারা প্রকাশ্যে নাস্তিক। আমি জানি, যদিও বিরক্তকর, আমার নামও এভাবে ব্যবহার করা হয়। এটা বেশ কার্য্যকর একটা কৌশল কারন নির্বাচিত জুরীর মধ্যে এমন ব্যাক্তিরাদের থাকার সম্ভাবনা বেশী, যারা এমন বিশ্বাস নিয়ে প্রতিপালিত হয়েছেন যে, নাস্তিকরা যেন পুনর্জন্ম পাওয়া শয়তান, শিশুকামী বা ’সন্ত্রাসী’র মত তাদের অপরাধ ( সালেম এর ডাইনী এবং ম্যাকআর্থারের কমি (কমিউনিষ্টদের মত) আধুনিক সংস্করণ); যে কোন সৃষ্টিবাদীদের আইনজীবি যে আমাকে সাক্ষী হিসাবে দাড় করাবে, সাথে সাথেই সে জুরীদের মন জয় করে নেবেন, শুধু আমাকে জিজ্ঞেস করে: ’বিবর্তন সম্বন্ধে আপনার জ্ঞ্যানলাভ কি আপনাকে নাস্তিক হতে প্রভাবিত করেছে?’ আমাকে এর উত্তরে বলতে হবে হ্যা, ব্যাস ঐ এক কথাতে জুরীরা আমার বিপক্ষে চলে যাবে। কিন্তু এর বীপরিতে, ধর্মনিরপেক্ষ দিক থেকে আইনসিদ্ধ সঠিক উত্তর হবে: ’আমার ধর্ম বিশ্বাস, বা অবিশ্বাস আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার, এটা আদালতের যেমন বিষয় না, তেমন বিজ্ঞানের সাথে কোনভাবে এর যোগসুত্র নেই।’ আমি সততার সাথে এভাবে কথাগুলো বলতে পারবো না, কারনগুলো, আমি  ৪র্থ অধ্যায়ে ব্যাখা করেছি।

গার্ডিয়ান পত্রিকার সাংবাদিক ম্যাডেলাইন বান্টিং  ‘হোয়াই দি ইন্টেলিজেন্ট ডিজাইন লবী থ্যাঙ্কস গড ফর রিচার্ড  ডকিন্স’ বা ’কেন ইন্টেলিজেন্ট ডিজাইন লবী রিচার্ড ডকিন্স এর জন্য ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দেবে’ শীর্ষক একটি প্রবন্ধ প্রকাশ করেন [৩০]; মাইকেল রুজ ছাড়া এটি লেখার সময় তিনি আরো কারো সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন এমন নিদর্শন লেখাটিতে পাওয়া যায় না; মনে হতে পারে আর্টিকেলটি ছায়ালেখক মাইকেল রুজ ( নিউ ইয়র্ক টাইমস এ ২২ জানুয়ারী ২০০৬ এ প্রকাশিত ‘হোয়েন কসমোলজী কোলাইড’ প্রবন্ধটি নিয়েও একই কথা বলা যেতে পারে; এটি লিখেছিল সন্মানিত (এবং ভালোভাবে যাকে এ বিষয়ে অবগত করা হয়েছিল) জুডিথ শুলেভিৎজ।জেনারেল মন্টোগোমারীর যুদ্ধের প্রথম রুল ছিল ’মস্কোর দিকে মার্চ না করা’. হয়তো বিজ্ঞান জার্নালিজমের  এরকম একটা প্রথম রুল থাকা দরকার: মাইকেল রুজ ছাড়া অন্ততপক্ষে একজন ব্যক্তির সাক্ষাৎকার নেয়া’; ড্যান ডেনেট এর জবাব দেন লাগসই ভাবে আংকেল রেমুস [৩১] এর লোককাহিনীর চতুর খরগোশের কথা উল্লেখ করে:

আমার কাছে মজার ব্যাপার হলো , দুইজন ব্রিট -ম্যাডেলাইন বান্টিং এবং মাইকেল রুজ -আমেরিকান লোকগাথার সবচেয়ে বিখ্যাত ছলচাতুরীর ফাদে পড়েছেন (কেন ইন্টেলিজেন্ট ডিজাইন লবী রিচার্ড ডকিন্স এর জন্য ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দেবে, মার্চ ২০০৭); যখন ব্রেয়ার খরগোশ শিয়ালের হাতে ধরা পড়লো, সে শিয়ালের কাছে মিনতি করলো, ’ওহ, দয়া করো ব্রেয়ার শিয়াল, যাই করো না কেন, আমাকে ঐ জঘন্য ব্রায়ার (এক ধরনের কাটাযুক্ত কান্ডের ছোট গাছ) ঝোপে ছুড়ে ফেল না’, শিয়াল ঠিক সেই কাজটা করার পর, খরগোশ নিরাপদে পালিয়ে গেল। যখন আমেরিকান প্রচারনাবিদ উইলিয়াম ডেম্বস্কী রিচার্ড ডকিন্সকে বিদ্রুপ করে লেখে এই বলে যে, তিনি যেন ভালো কাজ করে যেতে থাকেন ইন্টিলিজেন্ট ডিজাইন পক্ষে, বান্টিং আর রুজ সেই ফাদে পা দিয়েছেন, ওহ ! গলি, ব্রেয়ার শিয়াল, আপনার এই সুষ্পষ্ট দাবীটা -বিবর্তন সংক্রান্ত জীববিদ্যা,সৃষ্টিকর্তা ঈশ্বরের ধারনাকে মিথ্যা প্রমান করেছে-কিন্তু ক্লাসরুমে বিজ্ঞান শিক্ষাকে হুমকির মুকে ঠেলে দেবে, কারন এ বিষয়ে শিক্ষা প্রদান করলে আবার চার্চ আর রাষ্ট্রের পৃথকীকরন বিষয়টিকে লঙ্ঘন করা হবে! ঠিক, আপনাদের উচিৎ হবে শারীরবৃত্তীয় বিদ্যাকে একটু রেখে ঢেকে পড়াতে, কারন এটিতো আগেই প্রমান করেছে কুমারী কারো পক্ষে গর্ভধারন অসম্ভব….. [৩২]

এই পুরো ব্যপারটা, এমনকি স্বতন্ত্রভাবে ব্রায়ার প্যাচে ব্রেয়ার খরগোশ বিষয়টির অবতারনা করে বিষদ আলোচনা করেছেন জীববিজ্ঞানী পি যে মায়ারস, যার ফ্যারিঙ্গুলা ব্লগ থেকে আস্থার সাথে পরামর্শ নেয়া যেতে পারে তার সুতীক্ষ্ম প্রজ্ঞার জন্য [৩৩]।

আমি কিন্তু বোঝাতে চাইছি না, তোষনকারী লবীর  আমার সহকর্মীরা সবাই আবশ্যই অসৎ। তারা হয়ত আন্তরিকভাবেই নোমাতে বিশ্বাস করেন, যদিও আমি বাধ্য হই চিন্তা করতে, আসলে বিষয়টি নিয়ে তারা কতটা গভীরভাবে ভেবেছেন এবং তারা কিভাবে তাদের অর্ন্তদ্বন্দকে সামাল দিতে পেরেছেন।  আপাতত বিষয়টি নিয়ে আর নাই বা ভাবি কিন্ত কেউ যদি ধর্মসংক্রান্ত বিষয়ে বিজ্ঞানীদের প্রকাশিত বক্তব্য বোঝার চেষ্ঠা করেন, তারা এর পেছনে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটটা যেন না ভুলে যান: একটা পরাবাস্তব সাংস্কৃতি যুদ্ধ এখন যুক্তরাষ্ট্রকে দ্বিধাবিভক্ত করে ফেলেছে। নোমা ধরনের তোষনবাদ  আবার পরের অধ্যায়গুলোতে আলোচনায় আসবে। এখানে, আমি বরং আবার অ্যাগনষ্টিসিজমে এবং আমাদের অজ্ঞতাকে ধীরে ধীরে ভেঙ্গে ফেলে এবং পরিমাপসম্ভব এমন একটা স্তরে ঈশ্বরের অস্তিত্ত্ব বা অনস্তিত্ব সংক্রান্ত অনিশ্চয়তাকে নিয়ে আসার সম্ভাবনায় ফিরে আসি।

((((((((((((((((((((((((((((চলবে))))))))))))))))))))))))))))))))))))))))))))))))))))))))) 

[২৮] In court cases, and books such as Ruse, M. (1982). Darwinism Defended: A Guide to the Evolution Controversies. Reading, MA: Addison-Wesley. His article in Playboy appeared in the April 2006 issue.
[২৯]  Jerry Coyne’s reply to Ruse appeared in the August 2006 issue of Playboy.
[৩০] Madeleine Bunting, Guardian, 27 March 2006
[৩১] Uncle Remus is a fictional character, the title character and fictional narrator of a collection of African American folktales adapted and compiled by Joel Chandler Harris, published in book form in 1881. A journalist in post-Reconstruction Atlanta, Georgia, Harris produced seven Uncle Remus books.
[৩২] Dan Dennett’s reply appeared in the Guardian, 4 April 2006.
[৩৩]http://scienceblogs.com/pharyngula/2006/03/the_dawkinsdennett_boogeyman.php;http://scienceblogs.com/pharyngula/2006/02/our_double_standard.php; http://scienceblogs.com/pharyngula/2006/02/the_rusedennett_feud.php.


Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

Join 32 other followers