রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন: প্রথম অধ্যায়, প্রথম পর্ব

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন : প্রথম অধ্যায়, প্রথম পর্ব ( অনুবাদ করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন: কাজী মাহবুব হাসান)

: অধ্যায় ১:

গভীরভাবে ধার্মিক একজন অবিশ্বাসী

‘আমি কোন ব্যক্তিগত ঈশ্বরকে কল্পনা করার চেষ্টা করিনা; আমাদের অপর্যাপ্ত ইন্দ্রিয়গুলো যতটুকু বোঝার সুযোগ দেয়,সেটুকু দিয়েই এই মহাবিশ্বের গঠন দেখে বিস্ময়ে হতবাক হওয়াটাই যথেষ্ঠ।’  অ্যালবার্ট  আইনস্টাইন

: যে ‘শ্রদ্ধা’ পাওয়ার যোগ্য :

হাতের ‍উপর চিবুক রেখে, ঘাসের উপর ‍উপুড় হয়ে শুয়ে আছে ছেলেটি, জট পাকানো ঘাসের কান্ড আর শিকড় দেখতে দেখতে হঠাৎ করেই তীব্র একটা অনুভূতিবোধ তাকে আচ্ছন্ন করে ফেলে: তার চোখের সামনে যেন ক্ষুদ্র কোন পৃথিবীর এক বনভূমি । রুপান্তরিত এক জগত, পিপড়া আর গুবরে পোকাদের এবং এমনকি – যদিও সেই সময় তার বিস্তারিত কিছু জানা ছিল না – লক্ষ কোটি ব্যাকটেরিয়ার, যারা নীরবে, সবার অগোচরে ক্ষুদ্র এই বিশ্বের অর্থনীতির গুরুদায়িত্ব বহন করে যাচ্ছে। হঠাৎ করে ঘাসের ক্ষুদ্রকায় এই বনভূমি  বিশালাকৃতি ধারণ করে এক হয়ে মিশে গেল মহাবিশ্ব আর ভাবনারত ছেলেটির মুদ্ধ বিমোহিত মনের সাথে। এই অভিজ্ঞতাকে সে ব্যখা করে ধর্মীয় দৃষ্টেকোন এবং ‍পরবর্তীতে বেছে নেয় ধর্মযাজকের জীবন। অ্যাঙ্গলিকান পাদ্রী ‍হিসাবে দীক্ষা নেবার পর ‍তিনি আমার স্কুলে চ্যাপলেইন  হিসাবে যোগ দেন। তার মত কয়েকজন ভদ্র, উদার ধর্মযাজকের জন্য কেউ কখনো দাবী করতে পারবে না, আমাকে জোর করে আমাকে ধর্ম শেখানো হয়েছে [১]।

অন্য কোন সময়ে আর স্হানে, তারা ভরা আকাশের নীচে, এই ছেলেটি হতে পারতাম আমি: ওরাইওন, ক্যাসিওপিয়া আর উরসা মেজরের চোখ ধাধানো সৌন্দর্যে  মুগ্ধ, মিল্কি ওয়ের অশ্রুত সঙ্গীতের মূর্ছণায় আবেগের অশ্রুভরা চোখ, আফ্রিকার বাগানে ফ্রাঙ্গিপানি আর  ট্রাম্পেট ফুলের রাতের গন্ধে মাতাল । কেন সেই একই আবেগ আমার চ্যাপলেইনকে নিয়ে গেছে একদিকে আর আমাকে অন্য আরেক দিকে, সে প্রশ্নের উত্তর দেয়া সহজ নয়। প্রকৃতির প্রতি এধরনের প্রায়-আধ্যাত্মিক প্রতিক্রিয়া বিজ্ঞানী কিংবা যুক্তিবাদীদের প্রায়ই দেখা যায়। তার সাথে কিন্তু অতিপ্রাকৃত বিশ্বাসের  কোনই যোগসূত্র নেই। অনুমান করতে পারি, অন্ততঃ তার শৈশবে  চ্যাপলেইনের (এবং আমারও না) ‘ ‘দি অরিজিন অব স্পেসিস’’ এর শেষ পংক্তিগুলো জানা ছিল না – বিখ্যাত ‘‘দি এনট্যাঙ্গলড ব্যাঙ্ক’’ অনুচ্ছেদ, ‘‘ঝোপের মধ্যে গান গাচ্ছে পাখিরা, এদিক সেদিক উড়ছে নানা জাতের পোকা মাকড়, ভেজা মাটির মধ্যে হামাগুড়ি দিয়ে চলছে কেচো’’ ; যদি তার জানা থাকতো, তাহলে নিঃসন্দেহে সে তার অভিজ্ঞতার সাথে মিল খুজে পেতো, ধর্মযাজকের পেশার বদলে হয়তো ডারউইনের দৃষ্টিভঙ্গীর সাথে একমত হতে পারতেন যে, সবকিছুরই‘ ‘সৃষ্টি আমাদের চারপাশে কাজ করে যাওয়া প্রাকৃতিক ‍নিয়মের মাধ্যমে’’:

এইভাবে, প্রকৃতির যুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ আর মুত্যু থেকেই আমাদের পক্ষে ভাবা সম্ভব এমন সবচেয়ে মর্যাদা সম্পন্ন বস্তু, যেমন উন্নত প্রানীর সৃষ্টি, সরাসরি জড়িত। জীবনকে এইভাবে দেখার মধ্যে আছে একধরনের বিশালতা। ‍(জীবন)তার বহুমুখী  ক্ষমতা দিয়ে সে সুচনা করেছিল এক কিংবা কয়েকটি আকার নিয়ে;  খুব সাধারণ সেই সূচনা থেকে সেটাই,  এই গ্রহটি যখন মধ্যাকর্ষনের ধরাবাধা নিয়ম মেনে মহাকাশে চক্রাকারে ঘুরে চলেছে, বিবর্তিত হয়েছে যা কিছু ছিল আর বর্তমানে আছে এমন অগনিত সুন্দর আর বিস্ময়কর নানা আকার আর প্রকৃতির জীবনে।

কার্ল সাগান তার ‘‘পেল ব্লু  ডট’’ এ লিখেছিলেন:

কেন এরকম হলো যে, প্রধান ধর্মগুলোর প্রায় কোনটাই বিজ্ঞানকে  অন্ততঃ  সামান্য  হলেও একটু বোঝার চেষ্টা করেছে এবং এই সিদ্ধান্তে  আসতে পেরেছে , “আমরা যা ভেবেছিলাম এটাতো তার  চেয়েও অনেক ভালো! এই মহাবিশ্বতো আমাদের নবীরা যা বলে গেছেন তার চেয়েও অনেক বিশাল, আরো সুক্ষ আর অভিজাত”; বরং বলেছে, “না, না, না! আমার ইশ্বর হলো ছোট ইশ্বর আর আমরা চাই সে সেভাবেই থাকুক” ;  কোন ধর্ম, নতুন কিংবা পুরাতন যাই হোক, যা কিনা আধুনিক বিজ্ঞানের মাধ্যমে  উন্মোচিত এই মহাবিশ্বের  অসাধারণত্বকে গুরুত্ব দিয়েছে, হয়তো চিরাচরিত বিশ্বাস যা পারেনি তার চেয়ে অনেক বেশী শ্রদ্ধার জন্ম দিতে পারতো।

কার্ল সাগান সব বইগুলোই আমাদের সর্ব্বোচ্চ বিস্ময়গুলোকে সরাসরি স্পর্শ করে, যার উপর গত শতাব্দীগুলোতে এক্চ্ছত্র দখল ছিল ধর্মগুলোর। আমার নিজের বইগুলো সেভাবে সবাইকে স্পর্শ করুক সেটা আমারো কাম্য। সম্ভবতঃ সে কারনে একজন গভীরভাবে ধার্মিক বলে আমাকে প্রায়ই বর্ণনা করা হয় বলে শুনেছি। একজন আমেরিকান ছাত্রী আমাকে লিখেছিল, তার এক অধ্যাপককে, আমার সম্বন্ধে কোন মতামত আছে কিনা জানতে চেয়েছিল। অবশ্যই”, তিনি উত্তর দিয়েছিলেন তার ইতিবাচক বিজ্ঞান ধর্মের সাথে সঙ্গতিপুর্ণ নয় ঠিকই, ‍কিন্তু, প্রকৃতি আর মহাবিশ্ব নিয়ে তিনি যেভাবে তিনি আবেগময় উচ্ছাস প্রকাশ করেন, আমার কাছে, সেটাইতো ধর্ম”’; কিন্তু ‘ধর্ম’ শব্দটা কি সঠিক এক্ষেত্রে ? আমি সেটা মনে করি না।  নোবেল পুরষ্কার বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী (এবং একজন নীরিশ্বরবাদী) স্টীফেন ওয়াইনবার্গ ‍তার ‘‘ড্রিমস অব ফাইনাল থিওরী’’ অনেকের মতই এই প্রসঙ্গে লিখেছিলেন:

ঈশ্বর সম্বন্ধে কিছু মানুষের ধারনা এত ব্যপক আর নমনীয় যে, এটা অবশ্যম্ভাবী যে তারা যেদিকে খুজবে সেখানেই ইশ্বরকে খুজে পাবে। মাঝে মাঝে শোনা যায়, ‘ইশ্বরই চুড়ান্ত’ অথবা ‘ইশ্বর আমাদের ভালো অংশ’ বা ‘ইশ্বরই এই মহাজগত’; অবশ্যই, অন্য যে কোন শব্দের মতোই ইশ্বর শব্দটিকে আমরা আমাদের ইচ্ছামতন অর্থ করতে পারি। আপনি  যদি বলতে চান বলতে পারেন যে ‘ইশ্বরই শক্তি’, তাহলে আপনি ইশ্বরকে এক টুকরো কয়লার মধ্যে পেতে পারেন।

স্টীফেন ওয়াইনবার্গ ‍ অবশ্যই সঠিক, যদি ‘ইশ্বর’ শব্দটা আমরা পুরোপুরি অব্যবহারযোগ্য করে ফেলতে না চাই, তাহলে একে ব্যবহার করতে হবে ঠিক সেভাবে, যেভাবে বেশিরভাগ মানুষ সাধারণতঃ শব্দটা অর্থ করে: অর্থাৎএকজন অতিপ্রাকৃত সৃষ্টিকর্তাকে বোঝাতে, যিনি ‘আমাদের উপাসনার উপযুক্ত’।

অনেক দুর্ভাগ্যজনক জটিলতা সৃষ্টি হয় যখন আমরা আইনস্টাইনীয় ধর্ম আর অতিপ্রাকৃত ধর্ম,  এ‌ই দুটোর মধ্যে পার্থক্য করতে পারিনা। আইনস্টাইন মাঝে মাঝে ইশ্বর শব্দটা ব্যবহার করেছেন (এবং শব্দটা ব্যবহার করার ক্ষেত্রে তি‍নিই একমাত্র নীরিশ্বরবাদী বিজ্ঞানী না), অতিপ্রাকৃতবাদীদের সুযোগ করে দিয়েছেন ভুল ব্যখা করার জন্য, যারা এমনিতেই বিশেষভাবে আগ্রহী এর অপব্যখা করার জন্য এবং এমন একজন বিখ্যাত মনীষিকে তাদের মতবাদী বলে দাবী করার জন্য। স্টিফেন হকিন্স এর ‘দি ব্রীফ হিষ্টরী অব টাইম’ এর নাটকীয় ( নাকি দুষ্টামী ?) শেষ বাক্য ‘এবং তখনই ‍আমরা ইশ্বরের মনের কথা জানতে পারবো’ ; উক্তিটি অপব্যখার জন্য বিশেষভাবে কুখ্যাত, অনেকের মনেই এটি হকিন্স একজন ‘ধার্মিক’ মানুষ, এমন ধারনার ( অবশ্যই ভুলভাবে) জন্ম দিয়েছে। কোষ জীববিজ্ঞানী উরসুলা গুডইনাফ এর ‘দি স্যাকরেড ডেপথ অফ নেচার’  আইনস্টাইন কিংবা হকিন্স ‍ এর চেয়েও  আরো বেশী ধার্মিকতার ভূল ধারনা দেয়, গীর্জা, মসজিদ আর মন্দির তার খুবই পছন্দের, তার লেখার অনেক অংশই অনায়াসে অপব্যখা করে অতিপ্রাকৃত ধর্মের পক্ষে ব্যবহার করা যেতে পারে। এমনকি নিজেকে একজন ধার্মিক প্রকৃতিবিজ্ঞানী হিসাবে পরিচয় দিতে ‍তিনি দ্বিধা করেননি। কিন্তু একটু মনোযোগ দিয়ে তার লেখা পড়লেই বোঝা যায়, তিনি আসলে আমার মতই একজন গোড়া নীরিশ্বরবাদী।

‘প্রকৃতিবিজ্ঞানী’ শব্দটি খুবই অস্পষ্ট।  আমার জন্য শব্দটি আমার ছোট বেলার নায়ক হিউ লফটিং এর ডক্টর ডুলিটল -এর কথা মনে করিয়ে দেয় ( যিনি কিন্তু কিছুটা এইচ এম এস বীগলের সেই দার্শনিক প্রকৃতিবিজ্ঞানীর মতন ছিলেন); অষ্টাদশ এবং উনবিংশ শতাব্দীতে প্রকৃতিবিজ্ঞানী বলতে যা বোঝাতো, এখনও আমাদের বেশীর ভাগ মানুষের কাছে সেটাই অপরিবর্তিত আছে : প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের (প্রানীবিজ্ঞান ও উদ্ভিদবিজ্ঞান) শিক্ষার্থী। সেই গিলবার্ট হোয়াইট থেকে, প্রকৃতিবিজ্ঞানীরা অধিকাংশ সময়েই পেশায় ছিলেন ধর্মযাজক। তরুন ডারউইনেরও ধর্মযাজক হবার কথা ছিল, আশা ছিল কোন গ্রামের প্যারিশের পারসন বা যাজকের  ‍নির্ঝন্ঝাট একটা জীবন হবে তার, পছন্দের গুবরে পোকাদের নিয়ে গবেষনা করার সুযোগ পাবেন। কিন্তু দার্শনিকরা ‘প্রকৃতিবিজ্ঞানী’ শব্দটা ব্যবহার করেন অন্য অর্থে, তা অবশ্যই অতিপ্রাকৃতবিজ্ঞানীর বিপরীতার্থে। জুলিয়ান ব্যাগ্গিনি তার ‘অ্যাথেইজম:  এ ভেরী শর্ট ইন্ট্রোডাকশন’ এ ব্যাখ্যা করেছিলেন, প্রকৃতিবাদের প্রতি নীরিশ্বরবাদীদের অঙ্গীকার:

‘‘নীরিশ্বরবাদীরা যা বিশ্বাস করে তা হলো, মহাবিশ্বে কেবল একটি জিনিষ আছে, যা ভৌতিক, এর থেকেই  উৎপত্তি হয়েছে, মন, সৌন্দর্য্য,অনুভূতি, ন্যায় অন্যায়বোধ – সংক্ষেপে সবকিছুই, সকল বিস্ময়কর বস্তু  যা মানব জীবনকে করেছে অসাধারণ’।

((((((((((( চলবে)))))))))))))


[১] আমাদের জন্য মজার  একটা খেলা ছিল, ক্লাসে পড়ানোর সময় তাকে বাইবেল থেকে সরিয়ে ফাইটার কম্যান্ড আর দি ফিউ’’‘ র** ‍শিহরন জাগানো গল্পের দিকে নিয়ে যাওয়া। যুদ্ধের সময় ‍তিনি রয়্যাল এয়ার ফোর্সে কাজ করেছিলেন। কিছুটা পরিচিত আর স্নেহর মত কোন একটা অনুভুতি দিয়ে আমি আজও চার্চ অফ ইংল্যান্ডকে মনে রেখেছি ( অন্ততপক্ষে অন্য সব প্রতিপক্ষদের তুলনায়)।
পরবর্তীতে আমি জন বেটজামিন এর কবিতায় পড়েছিলাম:
Our padre is an old sky pilot;
Severely now they’ve clipped his wings’
But still the flagstaff in the rec’try garden
points to higher things …
** The Few is a term used to describe the Allied airmen of the British Royal Air Force (RAF) who fought the Battle of Britain in the Second World War. It comes from Winston Churchill’s phrase “never was so much owed by so many to so few”.

[২] It is interesting to contemplate an entangled bank, clothed with many plants of many kinds, with birds singing on the bushes, with various insects flitting about, and with worms crawling through the damp earth, and to reflect that these elaborately constructed forms, so different from each other, and dependent on each other in so complex a manner, have all been produced by laws acting around us. These laws, taken in the largest sense, being Growth with Reproduction; inheritance which is almost implied by reproduction; Variability from the indirect and direct action of the external conditions of life, and from use and disuse; a Ratio of Increase so high as to lead to a Struggle for Life, and as a consequence to Natural Selection, entailing Divergence of Character and the Extinction of less-improved forms. Thus, from the war of nature, from famine and death, the most exalted object which we are capable of conceiving, namely, the production of the higher animals, directly follows. There is grandeur in this view of life, with its several powers, having been originally breathed into a few forms or into one; and that, whilst this planet has gone cycling on according to the fixed law of gravity, from so simple a beginning endless forms most beautiful and most wonderful have been, and are being, evolved. (An Entangled Bank. From the conclusion of Darwin’s Origin of Species First Edition, 1859)

[৩] However, if we discover a complete theory, it should in time be understandable by everyone, not just by a few scientists. Then we shall all, philosophers, scientists and just ordinary people, be able to take part in the discussion of the question of why it is that we and the universe exist. If we find the answer to that, it would be the ultimate triumph of human reason — for then we should know the mind of God. (A Brief History of Time, Stephen Hawkins, p.193)

[৪] Parson : An Anglican cleric with full legal control of a parish under ecclesiastical law; a rector


11 Responses to “রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন: প্রথম অধ্যায়, প্রথম পর্ব”

  • Asma Sultana Mita

    রিচার্ড ডকিন্স এর দ্য গড ডিল্যুশন : প্রথম অধ্যায়, প্রথম পর্ব ( অনুবাদ করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন: কাজী মাহবুব হাসান)
    ha ha ha …..

  • Hironmoy Digonto

    অনেক ভাল লাগছে। কয়েকটি নতুন বিষয়ে জানা হল।
    আইন্সটাইন- যিনি কিনা গভীরভাবে ধার্মিক একজন অবিশ্বাসী তাকে আমাদের দেশের অনেকে; হয়ত এ বিশ্বের অনেকেই অতিপ্রাকৃত ধর্মে বিশ্বাসী একজন বিজ্ঞানীর উদাহরন হিসেবে দাড় করায়।
    এবং তার- ‘বিজ্ঞান ধর্ম ছাড়া পঙ্গু, আর ধর্ম বিজ্ঞান ছাড়া অন্ধ’, কথাটির ভুল ব্যাখ্যা দেয়া হয়। আমার কাছেও কথাটির অর্থ ও আমার উপলব্ধিতে প্রাপ্ত আইন্সটাইনের ভাবনার যুদ্ধ লাগত প্রায়শই। জট গুলো খুলছে এখন।
    অনেক ধন্যবাদ মাহবুব ভাই।
    আশেপাশেই আছি। :)

  • Asma Sultana Mita

    Religion. It`s given people hope in a world torn apart by religion. ~Charlie Chaplin

  • অজ্ঞাত

    সত্যি অসাধারন! বারবার পড়বার মতো এমন একটি ব্লগ অনেকদিন পর খুঁজে পেলাম। অনেক তথ্য একসাথে নিঃস্বার্থভাবে আপনি যেভাবে লিখেছেন, লিখছেন এটার জন্য অনেক ধন্যবাদ! আমার অনেক অনেক শুভো কামনা রইল।

  • বৃহন্নলা

    সত্যি অসাধারন! বারবার পড়বার মতো এমন একটি ব্লগ অনেকদিন পর খুঁজে পেলাম। অনেক তথ্য একসাথে নিঃস্বার্থভাবে আপনি যেভাবে লিখেছেন, লিখছেন এটার জন্য অনেক ধন্যবাদ! আমার অনেক অনেক শুভো কামনা রইল।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

Join 32 other followers