রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন: প্রথম অধ্যায়, শেষ পর্ব

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন ( অনুবাদ প্রচেষ্টা: কাজী মাহবুব হাসান)

প্রথম অধ্যায়, প্রথম পর্ব
প্রথম অধ্যায়, দ্বিতীয় পর্ব
প্রথম অধ্যায়, তৃতীয় পর্ব
প্রথম অধ্যায়, চতুর্থ পর্ব

প্রথম অধ্যায়, শেষ পর্ব

মুল ১২ কার্টুনের প্রকাশের পাচ মাস পর খুব সাবধানে সাজানো এই ’‘আঘাত’’ এবং ‘‘আক্রমন’’ এর ব্যপক বিস্ফোরণ ঘটে সারা বিশ্বব্যপী। পাকিস্থান আর ইন্দোনেশিয়ায় বিক্ষোভকারীরা ডেনমার্কের পতাকা পোড়ায় ( কার কাছ থেকে তারা জোগাড় করেছিল সেই পতাকা?) ;  ডেনিশ সরকারের প্রতি উন্মত্ত দাবী জানানো হল, ক্ষমা চাইবার জন্য ( কিসের জন্য ক্ষমা চাইবে, ডেনিশ সরকারতো কার্টুনগুলো আকেনি বা প্রকাশও করেনি। শুধু ডেনিশ নাগরিকরা এমন একটা দেশে বসবাস করে, যেখানে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা আছে, যা অনেক  ইসলামী দেশের বসবাসকারীদের পক্ষে খুব সহজে বোঝা সম্ভব না); নরওয়ে,জার্মানী, ফ্রান্স এমনকি যুক্তরাষ্ট্রেও ( কিন্তু উল্লেখযোগ্য ভাবে ব্রিটেনে না) বেশ কিছু দৈনিক জিল্যান্ড পোষ্টেন এর সাথে একাত্মতা ঘোষনা করে কার্টুন গুলো পূনপ্রকাশ করে বিক্ষোভের আগুন আরো উসকে দেয়। দুতাবাস ভাংচুর, ড্যানিশ দ্রব্য বয়কট, ডেনিশ নাগরিকদের, মুলতঃ সকল পশ্চিমাদের শারীরিক আক্রমনের ভয় দেখানো হয়। পাকিস্থানে খৃষ্টানদের গীর্জা পোড়ানোর ঘটনা ঘটে, যাদের সাথে ইউরোপিয়ান বা ডেনিশদের কোন সম্পর্কই নেই। লিবিয়ার বেনগাজীতে ইতালিয়ান কনসুলেট এ দাঙ্গাকারীদের আক্রমনের সময় মারা যায় নয় জন। জেরমাইন গ্রীয়ার লিখেছিলেন  ‘এই মানুষগুলো যা করতে পছন্দ করে আর যেটা ভালো করতে পারে তা হলো, বিশৃঙ্খলা’[১৯] ।

ডেনিশ কার্টুনিষ্টকে হত্যা করার জন্য এক পাকিস্থানী ইমান ১ মিলিয়ন ডলার পুরষ্কারও ঘোষনা করে-বোঝাই যাচ্ছে কোন ধারনা ছিল না যে, একজন না, ১২ জন কার্টুনিষ্টর আকা ছিল সেই কার্টুনগুলো আর অবশ্যই কোন ধারনা ছিল না যে, তিনটি বিশেষভাবে আপত্তিজনক ছবিগুলো কিন্তু আদৌ ডেনিশ না (আর, প্রসঙ্গক্রমে, ঐ মিলিয়ন ডলার যোগাড় হবে কোথা থেকে?); নাইজেরিয়াতে ডেনিশ কার্টুনের বিরুদ্ধে মুসলিম বিক্ষোভকারী বেশ কিছু চার্চ ধ্বংশ করে  এবং ম্যাশেটে (এক ধরনের ছুরি) দিয়ে রাস্তায় খৃষ্টানদের (কালো নাইজেরীয়) আক্রমন ও হত্যা করে। একজন খৃষ্টানকে রাবারের টায়ারে মধ্যে বেধে রেখে তার গায়ে পেট্রল ঢেলে জীবন্ত দগ্ধ করা হয়। ব্রিটেনে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদের ছবি সংবাদপত্রগুলোতে প্রকাশিত হলে দেখা যায় ‘‘হত্যা করো যারা ইসলামকে অপমান করে’’, ‘‘জবাই করো যারা ইসলামকে ব্যঙ্গ করে’’, ‘‘ইউরোপকে এর শাস্তি পেতে হবে’’; লেখা ব্যনার হাতে বিক্ষোভকারীদের ছবি। সৌভাগ্য যে, ইসলাম যে শান্তি আর দয়ার ধর্ম সেটা আমাদের মনে করিয়ে দেবার জন্য রাজনীতিবিদরা বেশ তৎপর ছিলেন।

এই সব ঘটনার পরবর্তীতে সাংবাদিক অ্যান্ড্রু মুয়েলার ব্রিটেনের নেতৃত্বস্থানীয় ‘মধ্যপন্থি’ বা মডারেট মুসলিম নেতা স্যার ইকবাল স্যাকরানির সাক্ষাৎকার নেন [২০]; আজকের ইসলামের মাপকাঠিতে হয়ত তিনি ‘মধ্যপন্থি’ হতে পারেন, কিন্ত অ্যান্ড্রু মুয়েলার ‍এর সাক্ষাৎ অনুযায়ী তিনি এখনও তার, সালমান রুশদীকে মৃত্যুদন্ডর ফতোয়া দেয়ার সময় করা সেই মন্তব্য থেকে সরে আসেননি : ‘মৃত্যুদন্ড তার জন্য হয়ত অনেক সহজ শাস্তি’ ; এই মন্তব্য তাকে অসন্মানের সাথে পৃথক করে দেয় তার সাহসী পুর্বসুরী প্রয়াত ডঃ জাকী বাদাওয়ী থেকে, যিনি তার নিজের বাসায় সালমান রুশদীকে নিরাপদ আশ্রয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সাকরানী মুয়েলারকে মন্তব্য করেছিলেন, তিনি ডেনিশ কার্টুন নিয়ে খুবই চিন্তিত, মুয়েলার নিজেও চিন্তিত, কিন্তু ভিন্ন কারনে: ‘আমি চিন্তাগ্রস্থ কারন অখ্যাত কোন এক স্ক্যান্ডিনিভিয়ান পত্রিকায় প্রকাশিত এই সব  আদৌ হাস্যকর নয় এমন কতগুলো কার্টুন যে ভাবে অদ্ভুতরকমের মাত্রা ছাড়ানো প্রতিক্রিয়া ঘটিয়েছে তা স্পষ্ট করে দেয়……. ইসলাম এবং পশ্চিম আসলে মুলভাবগতভাবেই অসমন্বয়যোগ্য’; স্যাকরানি অপরদিকে ব্রিটিশ গণমাধ্যমের প্রশংসা করেছে কার্টুনগুলো পুনঃপ্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে, প্রত্যুত্তরে মুয়েলার ব্রিটেনের অধিকাংশ মানুষের সন্দেহকে কন্ঠ দিয়ে বলেছেন, ‘কার্টুনগুলো পুনপ্রকাশ না করার ক্ষেত্রে ব্রিটিশ পত্রিকাগুলোর সংযম প্রদর্শনের কারন মুসলিমদের প্রতি সমমর্মিতা নয়, বরং তারা কেউ তাদের জানালা ভাঙ্গুক সেটা আসলে তারা সেটা চাননি’।

স্যাকরানি ব্যখা করেন, ‘নবীকে ( তার উপর শান্তি বর্ষিত হোক), সমস্ত মুসলিম জগত গভীর ভাবে শ্রদ্ধা করে, যে ভালোবাসা কোন শব্দ দিয়ে ব্যখা করা যায় না। যা পিতামাতা, প্রিয়জন, সন্তান থেকেও বেশী। এটা বিশ্বাসেরই অঙ্গ। এছাড়াও সুস্পষ্টভাবে ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞা আছে নবীর কোন প্রতিকৃতি আকার ব্যপারে’; এর মানে মুয়েলারের ভাষায়:

ইসলামের মুল্যবোধ অন্য যে কারোর মুল্যবোধের উপরে অবস্থান করে -অন্য যে ‍কোন ধর্মের অনুসারীরা যেমন করে বিশ্বাস করেন, তাদেরটাই একমাত্র পথ, সত্য আর আলোকময়, সেভাবে ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসীরাও সেটাই মনে করেন । যদি কেউ ৭ম শতাব্দীর একজন ধর্মপ্রচারককে তাদের নিজেদের পরিবারের সদস্যদের চেয়ে বেশী ভালোবাসতে ইচ্ছা পোষন করেন, সেটা শুধুমাত্র তাদের ব্যপার; বিষয়টিকে গুরুত্ব দেবার জন্য অন্য আর কেউ বাধ্য নয় ।

শুধুমাত্র পার্থক্য, আপনি যদি ব্যপারটা গুরুত্বর সাথে না নেন, এবং প্রয়োজনীয় সন্মান না দেখান সেক্ষেত্রে আপনাকে শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করার হুমকি দেয়া হবে, এবং সেটা এমন এক ‍মাত্রায় যা মধ্যযুগ পরবর্তী আর কোন ধর্মেই আর কখনো দেখা যায়নি। যে কাউকেই বিষয়টা চিন্তা করতে বাধ্য করে, কেন এ‌ই ধরনের সহিংসতা প্রয়োজন, কারন, মুয়েলারের পর্যবেক্ষন: ‘যদি আপনাদের মধ্যে কোন ভাড়, যদি সত্যি হন ধর্মের ব্যপারে, সেক্ষেত্রে  এই কার্টুনিষ্টরাতো নরকেই যাবে, সেটাই কি যশেষ্ট না ? আর ততক্ষন মুসলিমদের উপর নির্যাতনের ব্যপারে যদি আপনাদের উত্তেজিত হতে একান্ত ইচ্ছাই করে,  ‍ তাহলে সিরিয়া আর সৌদি আরবের উপর  অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের রিপোর্টটা পড়লেই হয়’।

অনেক মানুষই বিস্মিত হয়ে লক্ষ্য করেছে, স্নায়ুবিকারগ্রস্থের মত ‘ধর্মীয় বিশ্বাসে ‘আঘাত’ এর কথা বলা মুসলিম আর আরব মিডিয়ায় ‍গৎবাধা ইহুদী বিরোধী কার্টুন ছাপানোর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত উৎসাহ প্রদর্শনের মধ্যকার পার্থক্যটা। পাকিস্থানে ডেনিশ কার্টুনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের একটা ছবিতে দেখা যায়, কালো বোরখা পরা একজন মহিলার হাতে ব্যনার, তাতে লেখা, ‘ঈশ্বর হিটলারকে আশীর্বাদ করুন’।

এইসব বিশ্বব্যাপী উন্মত্ত বিশৃঙ্খলার প্রতিক্রিয়ায়, ভদ্র উদারপন্থী দৈনিকগুলো সহিংসতাকে নিন্দা আর বাকস্বাধীনতার উপর দায়সারা গোছের মন্তব্য করেছে মাত্র। কিন্তু  একই সাথে তারা তাদের ‘শ্রদ্ধা’ আর ‘সমবেদনা’ প্রকাশ করেছে মসুলমানদের এই গভীর ‘আঘাত’ ‍ও ‘অপমান’ সহ্য করবার জন্য। মনে রাখতে হবে  এই ‘আঘাত’ এবং ’কষ্ট’ ‍কিন্তু কোন ব্যক্তিদের না, যারা সহিংসতা সহ্য করেছে বা কোন ধরনের সত্যিকার যন্ত্রনা সহ্য করেছে : বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির লক্ষ্যে  উদ্দেশ্যমুলকভাবে প্রচারনা ছাড়া, ডেনমার্কের বাইরে কেউই কোনদিন নামই শুনতো না এমন অখ্যাত এক খবরের কাগজে  ছাপা কয়েক ফোটা কালি দাগে ছাড়া যা আর কিছুই নয়।

আমি কাউকে অপমান বা আঘাত করার খাতিরে অপমান বা আঘাত করার পক্ষপাতী নই। কিন্ত খুবই অবাক হই আর রহস্যময় মনে হয়, আমাদের  ‌এই অন্য প্রায় সব অর্থেই ধর্মনিরপেক্ষ সমাজগুলোয় ধর্মকে কেন এই মাত্রাতিরিক্ত  সুযোগ দেয়া হয়।  সব রাজনীতিবিদরাই হেয় করা কার্টুনের শিকার হয়, কিন্তু তাদের সমর্থনে তো কোন দাঙ্গা হয় না। ধর্মর কি এমন যোগ্যতা আছে যে তাকে  এই বিশেষ মর্যাদা দিতে হবে। যেমন, এইচ এল মেনকেন বলেছিলেন, ‘অন্য কারো ধর্মকে অবশ্যই আমাদের শ্রদ্ধা করতে হবে কিন্তু সেটা শুধুমাত্র তার স্ত্রী সুন্দরী এবং তার ছেলেমেয়েরা বেশী বুদ্ধিমান, তার নিজস্ব এই তত্ত্বটিকে যে অর্থে এবং যতটুকু আমরা শ্রদ্ধা করি ঠিক সেটুকুই’।

‘ধর্মের প্রতি ‌ সমাজে এধরনের অতুলনীয় শ্রদ্ধা বিদ্যমান’ [২১] এই পূর্বধারনার আলোকেই  আমি এই বইয়ের জন্য আমার নিজস্ব দ্বায়দ্বায়িত্বের সীমা নির্ধারন করে নিচ্ছি। আমি কাউকে আঘাত করার জন্য এই বই লেখার মুল উদ্দেশ্যর বাইরে যেমন যাবো না, তেমনি আমি ধর্ম নিয়ে আলোচনা করার সময় আর অন্য যে কোন বিষয় নিয়ে  যেভাবে আলোচনা করতাম তার চেয়ে হালকাভাবেও করবো না।

(((((((((((( প্রথম অধ্যায় সমাপ্ত , চলবে )))))))))))


[১৯]    The Independent, 5 Feb, 2006.
[২০]   Andrew Mueller. `An Argument with Sir Iqbal’, Independent on Sunday, 2 April 2006, Sunday Review Section, 12-16
[২১] এই পেপারব্যাক এর যখন প্রুফ দেখা হচ্ছে, তখন নিউ ইয়র্ক টাইমস এই ধরনের বিশেষ সন্মান প্রদর্শনের একটা ঘটনা প্রকাশ করে। ২০০৭ এর জানুয়ারীতে, এক জার্মান মহিলা দ্রুত বিবাহ  বিচ্ছেদের আবেদন জানায় আদালতে, তার অভিযোগ ‍ছিল তার স্বামী তাদের বৈবাহিক জীবনের শুরুর থেকেই তাকে প্রায়ই ভয়ঙ্কর রকমের মারধোর করে। এই ঘটনা মেনে নিয়েই বিচারক ক্রিষ্টা দাট-ভিন্টার কোরানের উদ্ধৃতি উল্লেখ করে তার আবেদন নাকচ করে দেন। ‍ এধরনের অভূতপুর্ব রায়ের মাধ্যমে মুসলিম প্রথা আর ইউরোপিয়ান আইনের মধ্যকার দন্দ্বকে প্রকাশ করে। বিচারক ক্রিষ্টা দাট-ভিন্টার বলেন   এই দম্পতিরা মরোক্কর সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলের, যে সংস্কৃতিতে তার মতে স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে প্রহার স্বাভাবিক একটি ঘটনা। তার ভাষায় কোরান এধরনের শারীরিক নির্যাতনের অনুমতি ‍দিয়েছে (নিউ ইয়র্ক টাইমস, ২৩ জানুয়ারী, ২০০৭)।   এই অবিশ্বাস্য ঘটনা প্রকাশ পায় মার্চে যখন মহিলার আইনজীবি বিষয়টি প্রকাশ করেন গণমাধ্যমে। দ্রুততার সাথেই ফ্র্যাঙ্কফুর্ট কোর্ট এই বিচারককে এই কেস থেকে অপসারন করে। তাসত্ত্বেও, নিউ ইয়র্ক টাইমস এর প্রতিবেদনটি মন্তব্য করে, এই ঘটনা অন্যান্য নির্যাতনের শিকার মুসলিম মহিলাদের জন্য ব্যপক ক্ষতি করবে: ‍যারা অনেকেই  স্বামীর ‍বিরুদ্ধে আদালতে যেতে এমনিতেই ভয় পায়। সেখানে বেশকিছু ‘ পারিবারিক সন্মানের জন্য হত্যার’ ঘটনাও ঘটেছে, যেখানে তুর্কী পুরুষদের হাতে নিহত হয়েছে মহিলারা। বিচারক ক্রিষ্টা দাট-ভিন্টার এর উদ্দেশ্য ব্যখা করা হয়েছে ‘সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতা’ হিসাবে, কিন্তু আরেকভাবে একে বলা যায় ‘অপমানের পৃষ্ঠপোষকতা’ করা । ‘অবশ্যই আমরা ইউরোপিয়ানরা ‍‌এধরনের ব্যবহার করার কথা স্বপ্নেও ভাবতে পারিনা, কিন্তু বৌ-পেটানো ‘‘‘তাদের সংস্কৃতির’’ একটা অংশ, ‘‘তাদের ধর্মে’’এর অনুমতি আছে, আমাদের সেটা ‘‘শ্রদ্ধা’’ করা উচিৎ।


2 Responses to “রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন: প্রথম অধ্যায়, শেষ পর্ব”

  • হিরন্ময় দিগন্ত

    খুব ভাল লাগছে। সাথেই আছি :)
    একটা কথা। ডকিন্সের এই বইটিতে অনেক তথ্য ও তত্ত্ব পাচ্ছি।আমি কয়েকটি প্রশ্ন করছি-
    *এই তথ্যগুলো মনে রাখার পদ্ধতিটা কেমন হতে পারে? (যেমনঃ এখানে অনেকের উদ্ধৃতি আছে- পত্রিকার খবর আছে- সাল আছে) আর-
    * এসবের সমন্বয় সাধন কিভাবে করা যেতে পারে?
    ধন্যবাদ।

  • K M Hassan

    কিভাবে মনে রাখা যাবে?
    আমার মনে হয় যতবেশী পজিটিভ রি ইনফোর্সমেন্ট হয় তত বেশী বিষয়গুলো আত্মস্থ হয়।এই একই বিষয়ে অন্যবইগুলো পড়া যেতে পারে, এই তথ্যগুলো অনলাইনে পড়া যেতে পারে। নানা মতের সম্ভার আছে। যত বেশী পড়া যাবে তত স্পষ্ট হবে বিষয়টা।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

Join 32 other followers