রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশন ( অনুবাদ প্রচেষ্টা: কাজী মাহবুব হাসান)
প্রথম অধ্যায়, প্রথম পর্ব
প্রথম অধ্যায়, দ্বিতীয় পর্ব
প্রথম অধ্যায়, তৃতীয় পর্ব
: যে ‘শ্রদ্ধা’ পাওয়ার অযোগ্য :
আমার এই বইটির শিরোনাম ‘দি গড ডিল্যুশন’ এর গড বা ঈশ্বর আইনস্টাইনের বা আগের অনুচ্ছেদগুলোয় উল্লেখ করা কোন জ্ঞানালোকপ্রাপ্ত বিজ্ঞানীদের ঈশ্বর নয়। বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার পুর্বপ্রমানিত ক্ষমতা আছে বিধায় আমি আগে ভাগেই আইনস্টাইনের ধর্ম ব্যাখ্যা করে নিলাম। এই বই এর বাকী অংশে আমি শুধু ‘অতিপ্রাকৃত’ ঈশ্বরদের কথা বলবো, এদের মধ্যে, আমার বেশীর ভাগ পাঠক যার সাথে পরিচিত, তিনি হলেন ওল্ড টেস্টামেন্টের ঈশ্বর ‘ইয়াওয়ে’; এ বিষয়ে কথা বলার আগে এবং এই প্রথম অধ্যায় শেষ করার আগে পাঠকদের সাথে আরেকটা বিষয় আমার স্পষ্ট করা উচিৎ, নয়ত পুরো বইটির অপব্যখা করার সুযোগ থেকে যাবে। এবারের বিষয়টি ভদ্রতার। আমি যা বলতে চেয়েছি তা সম্ভবতঃ ধর্মবিশ্বাসী অনেক পাঠককে আহত করবে। মনে হতে পারে বইটিতে তাদের নিজেদের বিশ্বাসের (হয়ত তাদের বিশ্বাস অন্য অনেকের কাছে মুল্যবান নাও হতে পারে) প্রতি অপর্যাপ্ত সন্মান দেখানো হয়েছে। খুবই দুঃখজনক হবে যদি সেকারনে তারা বইটি না পড়তে চান, সুতরাং শুরুতেই ব্যপারটার ব্যাখ্যা দিতে চাই।
একটি ব্যপকভাবে বিস্তৃত ধারণা, যা সমাজের প্রায় সবাই – যারা ধার্মিক না তারাও – মেনে নিয়েছেন, তা হলো, ধর্মীয় বিশ্বাস যে কোন ধরনের আক্রমনে খুব সহজেই ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে এবং সেই জন্য শ্রদ্ধার মোটা দেয়াল দিয়ে ধর্মকে সুরক্ষিত রাখা উচিৎ। এই শ্রদ্ধার প্রকৃতি মানুষের প্রতি মানুষের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ থেকে সম্পুর্ন আলাদা শ্রেনীর। মৃত্যুবরণ করার কিছুদিন আগে কেমব্রিজ এ একটি উপস্থিত বক্তৃতায় ডগলাস অ্যাডামস এর সুন্দর ব্যখা দিয়েছিলেন [৮]; তার বক্তব্য সবার সাথে ভাগ করে নেবার ব্যপারে আমি কখনই ক্লান্তি বোধ করিনা:
ধর্ম .. এর কেন্দ্রে কিছু বিশেষ ধারনা আছে যা আমরা নাম দিয়েছি, পরম শ্রদ্ধেয় বা পবিত্র ইত্যাদি। যার সার কথাটা হলো, ‘এই যে এটা হচ্ছে একটা ধারনা বা অভিমত, যার বিরুদ্ধে আপনার কোনই অনুমতি নেই খারাপ কিছু বলার’; আপনি বলতে পারবেন না ব্যস। কেন না, কি কারনে? -কারন আপনি বলতে পারবেন না ! এটাই শেষ কথা। কেউ যদি এমন কোন দলকে ভোট দেয় যার সাথে আপনি একমত না। সেক্ষেত্রে আপনি কিন্তু যত খুশি তত তর্ক করতে পারবেন; সবারই কোন না কোন নিজস্ব মতামত আছে, কেউই কিন্তু কোন রকম বিশেষ দুঃখ পায় না সেই বিতর্কে। কেউ যদি মনে করে ট্যাক্স বাড়ানো বা কমানো উচিৎ, সে বিষয়ে যে কোন ধরনে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন বা মতামত প্রকাশের অধিকার আপনি আছে। কিন্তু কেউ যদি বলে, ‘শনিবারে আলো জালানো জন্য সুইচটাও আমার ধরা উচিৎ না, আপনি বলবেন, ‘আমি সেটা শ্রদ্ধা করি’;কেনইবা এটা সম্পুর্নভাবে ন্যায়সঙ্গত হবে যেমন, লেবার পার্টি কিংবা কনসারভেটিভ পার্টিকে সমর্থন করা, কিংবা রিপাবলিকান বা ডেমোক্র্যাট দের, অর্থনীতির এই মডেল বা অন্যটাকে, উইনডোজ এর পরিবর্তে ম্যাকিনটশকে; কিন্তু যখনই কিভাবে মহাবিশ্বের শুরু হলো আর কে এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি করলো,এই বিষয়ে কোন মতামত পোষন করা হচ্ছে………না, কারন এটা পবিত্র একটা বিষয় ? …….সাধারণতঃ ধর্মীয় কোন বিষয়কে চ্যালেন্জ্ঞ না করাটাই আমাদের নিয়ম। কিন্তু সত্যি বিষয়টা দারুন কৌতুহলের কারন হয়, যখন রিচার্ড এর সেই কাজটাই করার জন্য হৈ চৈ পড়ে যায়! প্রত্যেকে প্রচন্ড উত্তেজিত হয়ে যায়, কারন এধরনের কোন কথা বলার আপনার অনুমতি নেই। অথচ যুক্তি মেনে বিষয়টা ভাবলেই দেখা যাবে, ঐ সব বিষয়গুলো নিয়ে অন্য যে কোন বিষয়ের মত কেন বিতর্ক করা যাবেনা, তার কিন্তু কোন কারনই নেই। শুধুমাত্র আমরা নিজেরাই নিজেদের মধ্যে কোনভাবে একমত হয়ে এটা ঠিক করেছি যে এটা করা যাবেনা।
ধর্মের প্রতি সমাজের অতিমাত্রায় শ্রদ্ধা প্রদর্শনের একটা গুরুত্বপূর্ন উদহারন দেই। যুদ্ধকালীন সময়ে সামরিক দ্বায়িত্ব পালন এড়াতে ‘বিবেকজনিত কারনে বিরোধিতা’[৯] করার অবস্থান পাবার সবচেয়ে সহজ উপায় হল ‘ধর্মীয়’ কারন দেখানো। আপনি হতে পারেন একজন বিখ্যাত নীতিশাস্ত্রবিদ দার্শনিক, হতে পারে আপনার পুরষ্কার পাওয়া নীরিক্ষাধর্মী কোন ডক্টরাল থিসিস আছে যুদ্ধের ক্ষতিকর দিকগুলো নিয়ে, তারপরও ড্রাফ্ট বোর্ড আপনার ‘বিবেকজনিত কারনে যুদ্ধের বিরোধিতা’ র মুল্যায়ণ করতে বেশ ঝামেলা করবে। কিন্তু আপনি যদি বলেন আপনার বাবা ও মা দুজন অথবা তাদের একজন কোয়েকার [১০], তাহলে ব্যপারটা পানির মত সহজ হয়ে যাবে আপনার জন্য । সেক্ষেত্রে শান্তিবাদ এর তত্ত্বের উপর বা এমনকি কোয়েকারিজম এর উপরেও আপনার সামান্যতম জ্ঞান থাকুক বা না থাকুক।
শান্তিবাদের আবার একেবারে বীপরীতপ্রান্তে, পারস্পরিক যুদ্ধরত পক্ষগুলোর ধর্মীয় নাম ব্যবহার করার ভীরু অনীহা প্রায়শই লক্ষ করা যায়। যেমন উত্তর আয়ারল্যান্ডে, ক্যাথলিক আর প্রটেষ্টান্টরা নিজেদের নামকরন করেছে যথাক্রমে ‘ন্যাশনালিষ্ট‘ আর ‘লয়ালিষ্ট’; ‘ধর্ম’ শব্দটাই সুকৌশল সেন্সরশীপের মাধ্যমে পরিবর্তিত করে ব্যবহার করা হচ্ছে ‘সমাজ’ বা ‘গোত্র’ শব্দের একার্থক হিসাবে, যেমন: ‘আন্তঃগোত্র যুদ্ধ; ২০০৩ সালে ইঙ্গ-মার্কিন আগ্রাসনের পর ইরাকে শিয়া এবং সুন্নী মতাবলম্বী মুসলিমদের মধ্যেই গোত্রভিত্তিক গৃহযুদ্ধের সূচনা হয় – সুস্পষ্ট ভাবে ধর্মীয় মতাদর্শের সংঘাত – অথচ ২০০৬ সালের ২০ মে ইনডিপেন্ডেন্ট পত্রিকা তাদের প্রথম পাতার প্রধান শিরোনাম ও খবর, দুটোতেই গোত্রবিত্তিক গৃহযুদ্ধকে বর্ণনা করেছিল ‘‘জাতিগত বিশোধন’’ হিসাবে। এক্ষেত্রে জাতিগত শব্দটি আরেক সুভাষন বা গ্রহনযোগ্য প্রতিশব্দ মাত্র। ইরাকে আমরা যা দেখছি, সেটা আসলে ধর্মীয় বিশোধন। ‘‘জাতিগত বিশোধন’’ , শব্দটির মুল ব্যবহারক্ষেত্র প্রাক্তন ইয়োস্লাভিয়ায়, তর্কসাপেক্ষে বলা যেতে পারে অর্থডক্স সার্ব, ক্যাথলিক ক্রোয়াট, মুসলিম বসনিয়ীয়দের ‘ধর্মীয় বিশোধন’ এর একটি সুভাষন বা গ্রহনযোগ্য প্রতিশব্দ।
গনমাধ্যম এবং সরকারের সামাজিক নৈতিকতা বিষয়ে যে কোন ধরনের সাধারন আলোচনায় ধর্মকে বিশেষ সুযোগ দেয়া হয়ে থাকে, এই বিষয়টার প্রতি আমি আগেও সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেছি [১১]; যখনই যৌন বা প্রজনন বিষয়ক ব্যক্তিগত নৈতিকতা সংক্রান্ত কোন ধরনের বিতর্ক হয়, আপনি বাজী রাখতে পারেন যে, বিভিন্ন ধর্মবিশ্বাসী দলকে প্রতিনিধিত্বকারী ধর্মীয় নেতাদের সবসময়ই, প্রভাবশালী কমিটিগুলোতে, রেডিও বা টেলিভিশনের প্যানেল আলোচনায় গুরুত্বপুর্ণ পদে দেখা যায়। আমি বলতে চাচ্ছিনা যে, উদ্দেশ্যমুলকভাবে এদের মতামতগুলোকে আমাদের নিয়ন্ত্রন করা উচিৎ; কিন্তু আমার প্রশ্ন, কেন সমাজ মতামতের জন্য এদের দ্বারস্থ হয়, কেনই বা আমরা এমন ভাবি যে, নীতিশাস্ত্রীয় দার্শনিক, কিংবা পারিবারিক আইনে পারদর্শী আইনজীবি অথবা একজন চিকিৎসকের সাথে তুলনা করা যেতে পারে এমন যোগ্যতা এদের আছে ?
ধর্মকে বিশেষ সুবিধা দেবার আরেকটা আজব উদহারন দেই: ২০০৬ সালে ২০ ফেব্রুয়ারী যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রীম কোর্ট সংবিধান অনুযায়ী রুল জারী করে, নিউ মেক্সিকোর একটি চার্চ হ্যালুসিনোজেনিক মাদকদ্রব্য ব্যবহার সংক্রান্ত রাষ্ট্রীয় আইনের আওতায় পড়বে না, যা বাকী সবার জন্য প্রযোজ্য [১২];‘সেন্ট্রো এসপিরিটা বেনেফিসিয়েন্টে উনিয়াও দো ভেজেটাল (ইউভিডি)’ এর বিশ্বাসী সদস্যরা মনে করেন ঈশ্বরকে বুঝতে হলে তাদের অবশ্যই হোয়াসকা চা [১৩] পান করতে হবে, যার মধ্যে অবৈধ হ্যালুসিনোজেনিক ড্রাগ ডাইমিথাইল ট্রিপ্টামিন আছে। লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তারা যে বিশ্বাস করে এটা তাদের ঈশ্বরকে বোঝার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, সেই বিশ্বাসটাই যথেষ্ট, এর জন্য কোন আদালতে তাদের প্রমান দাখিল করতে হয়নি। আরেকদিকে ক্যানাবিস, কেমোথেরাপী পাচ্ছে এমন ক্যানসার আক্রান্ত রোগীদের বমি বমি ভাব এবং কিছু অস্বস্তিকর উপসর্গ কমাতে সাহায্য করে তার পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমান থাকা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের এই সুপ্রীম কোর্টই ২০০৫ এ সংবিধান অনুযায়ী রুল জারী করেছিল, যারা চিকিৎসা হিসাবে ক্যানাবিস ব্যবহার করছে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় আইনে বিচার করা যেতে পারে (এমনকি সেই সব অঙ্গরাজ্যেও যেখানে বিশেষ ক্ষেত্রে ক্যানাবিসের ব্যবহার আইনসিদ্ধ); ধর্ম, সবসময়ের মতই এখানেও ট্রাম্প কার্ড। কল্পনা করুন তো কি সম্ভাব্য ফলাফল হতে পারে, যদি কোন শিল্পকলা সমঝদার গ্রুপ এর সদস্যরা কোর্টে আবেদন করে, যে তারা ‘বিশ্বাস’ করেন, ইম্প্রেশনিষ্ট বা সুরিয়ালিষ্টদের শিল্পকর্ম ভালোভাবে বোঝার জন্য অবশ্যই তাদের হ্যালুসিনোজেনিক ড্রাগ ব্যবহার করা প্রয়োজন । অথচ যখন কোন চার্চ একই ধরনের প্রয়োজনের জন্য দাবী জানালো, তা সমর্থন করলো দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। এরকমই শক্তি ধারন করে ধর্ম, তাবিজের মতন।

(((((((((চলবে))))))))))))))
________________________________________
[৮] পুরো বক্তৃতা টা আছে অ্যাডামস (২০০৩) ‘ ‘কৃত্রিম ঈশ্বর বলে কেউ কি আছে’” শিরোনামে। Adams, D.(2003). The Salmon of Doubt.London.Pan
[৯] A conscientious objector (CO) is an “individual [who has] claimed the right to refuse to perform military service” on the grounds of freedom of thought, conscience, or religion.
[১০] QUAKERS, A Christian sect founded by George Fox about 1660; commonly called Quakers, also known as The Religious Society of Friends. The name is used by a range of independent religious organizations which all trace their origins to a Christian movement in mid-17 century England and Wales. A central belief was that ordinary people could have a direct experience of the eternal Christ. Today, the theological beliefs among the different organizations vary, but include broadly evangelical Christian, liberal Protestant, Christian Universalist and non-Christian Universalist beliefs. Some of these organizations also use the name Quaker or Friends Church.
[১১] ‘Dolly and the clothes head’ : A Devil’s Chaplain: Selected essays. London: Weidenfeld and Nickolson.
[১২] http://www.oyez.org/cases/2000-2009/2005/2005-04-1084/. In early November 2005, justices of the US Supreme Court heard arguments for and against the importation of hoasca tea. Hoasca contains dimethyltryptamine (DMT), an illegal, hallucinogenic drug. The tea is used by members of the Brazil-based church called O Centro Espirita Beneficiente Uniao do Vegetal (UDV) during religious ceremonies. There are only 130 members of the church in the United States (http://faculty.washington.edu/chudler/hoas.html )
[১৩] Hoasca tea is made by brewing two Amazonian plants called Psychotria viridis and Banisteriopsis caapi. The plants are considered to be sacred to the UDV and the tea is used for religious purposes only. In May 1999, US Custom agents seized three drums of hoasca tea sent from Brazil to the UDV in the US. After lower courts debated the legality of the seizure, the US Supreme Court heard arguments about whether the Religious Freedom Restoration Act of 1993 should permit the importation, distribution, possession, and use of hoasca by the UDV (http://faculty.washington.edu/chudler/hoas.html ).











জানুয়ারি 3rd, 2012 at 00:37
`Faith` means not wanting to know what is true. ~ Nietzsche
জানুয়ারি 10th, 2012 at 15:46
ধর্ম, সবসময়ের মতই এখানেও ট্রাম্প কার্ড।
-হুম আমিও দেখেছি। শুধু কি তাই! প্রয়োজন বুঝে এর রং পরিবর্তনও লক্ষনীয়।এক শ্রেনীর ক্ষমতাবান মানুষেরা একে কাজে লাগিয়েছে,মানুষের সস্তা আবেগিক-বিশ্বাসকে নাড়া দিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে। বোকারা বোকাই থেকে গেছে। ধর্ম মানুষ্কে প্রশ্ন করতে বারন করে। তাই, উপলব্ধির জানালা বন্ধ থাকে।
আজকের পর্বটিতে- ধর্মের মৌলিক চরিত্র ফুটে ঊঠল। ডগলাস অ্যাডামস এর সুন্দর ব্যখা বিশেষ করে সেটাই বুঝিয়ে দেয়, যুক্তিহীন বিশ্বাস খুব বেশি নড়বড়ে।
ধন্যবাদ মাহবুব ভাই। শুভ হোক!
জানুয়ারি 10th, 2012 at 15:54
ধর্ম, সবসময়ের মতই এখানেও ট্রাম্প কার্ড।
-হুম আমিও দেখেছি। শুধু কি তাই! প্রয়োজন বুঝে এর রং পরিবর্তনও লক্ষনীয়।এক শ্রেনীর ক্ষমতাবান মানুষেরা একে কাজে লাগিয়েছে,মানুষের সস্তা আবেগিক-বিশ্বাসকে নাড়া দিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে। বোকারা বোকাই থেকে গেছে। ধর্ম মানুষ্কে প্রশ্ন করতে বারন করে। তাই, উপলব্ধির জানালা বন্ধ থাকে।
আজকের পর্বটিতে- ধর্মের মৌলিক চরিত্র ফুটে ঊঠল। ডগলাস অ্যাডামস এর সুন্দর ব্যখা বিশেষ করে সেটাই বুঝিয়ে দেয়, যুক্তিহীন বিশ্বাস খুব বেশি নড়বড়ে।
ধন্যবাদ মাহবুব ভাই। শুভ হোক!